কোম্পানি নিবন্ধনের সম্পূর্ণ রোডম্যাপ — ৬টি মূল ধাপে
ধাপ ০১নাম
ক্লিয়ারেন্স
ধাপ ০২MOA/AOA
প্রস্তুত
ধাপ ০৩RJSC
ফাইলিং
ধাপ ০৪ট্রেড
লাইসেন্স
ধাপ ০৫TIN ও
BIN
ধাপ ০৬ব্যাংক
হিসাব
৩৫টি FAQ প্রদর্শিত হচ্ছে
📋 নিবন্ধন

বাংলাদেশে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি নিবন্ধন কোম্পানি আইন ১৯৯৪ অনুযায়ী যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (RJSC)-এর অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া নিম্নরূপ:

  • নামের ছাড়পত্র (Name Clearance): RJSC পোর্টালে app.roc.gov.bd-তে আবেদন করতে হয়। ফি ২০০ টাকা + ভ্যাট ৩০ টাকা = ২৩০ টাকা। ১–৩ কার্যদিবসে অনুমোদন।
  • MOA ও AOA প্রস্তুত: অভিজ্ঞ আইনজীবী দ্বারা মেমোরেন্ডাম ও আর্টিকেলস অব এসোসিয়েশন তৈরি ও স্ট্যাম্প ডিউটি পরিশোধ।
  • Form IX ও Form XII পূরণ: পরিচালকদের সম্মতিপত্র ও তালিকা প্রস্তুত।
  • অনলাইন আবেদন ও ফি পরিশোধ: RJSC পোর্টালে সব ডকুমেন্ট আপলোড করে সরকারি ফি পরিশোধ।
  • Certificate of Incorporation: ৭–১৫ কার্যদিবসে ডিজিটাল সার্টিফিকেট প্রদান।
  • পরবর্তী ধাপ: ট্রেড লাইসেন্স, TIN, BIN ও ব্যাংক হিসাব খোলা।

আমাদের আইনজীবী দল প্রতিটি ধাপে সম্পূর্ণ সহায়তা প্রদান করেন — আজই শুরু করতে যোগাযোগ করুন

💰 খরচ ও ফি

কোম্পানি নিবন্ধনের মোট খরচ অনুমোদিত মূলধনের উপর নির্ভরশীল। ২০২৫–২০২৬ অনুযায়ী আনুমানিক খরচের বিবরণ:

  • নামের ছাড়পত্র ফি: ২৩০ টাকা (সরকারি)
  • MOA স্ট্যাম্প ডিউটি: ২,০০০ টাকা (১০ লক্ষ মূলধন পর্যন্ত)
  • AOA স্ট্যাম্প ডিউটি: ৪০ লক্ষ পর্যন্ত ১০,০০০ টাকা
  • RJSC নিবন্ধন ফি: ৬টি ডকুমেন্টের জন্য ১,২০০ টাকা + মূলধন অনুপাতে অতিরিক্ত
  • পেশাদার আইনজীবী ফি: ১০,০০০–৩০,০০০ টাকা
  • ট্রেড লাইসেন্স ফি: ২,০০০–১০,০০০ টাকা (এলাকা ও ব্যবসা অনুযায়ী)
  • TIN ও BIN: বিনামূল্যে (NBR পোর্টালে অনলাইনে)
  • অনুমোদিত মূলধন ১০ লক্ষ হলে মোট প্যাকেজ: সাধারণত ২৫,০০০–৩৫,০০০ টাকা
  • অনুমোদিত মূলধন ৫০ লক্ষ হলে মোট প্যাকেজ: সাধারণত ৫০,০০০–৬৫,০০০ টাকা

আমাদের প্যাকেজে কোনো লুকানো চার্জ নেই — সমস্ত সরকারি ফি ও পেশাদার সেবা একটি নির্ধারিত মূল্যে পাওয়া যায়। সঠিক খরচ জানতে যোগাযোগ করুন

📋 নিবন্ধন

২০২৬ সালে RJSC ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার কারণে নিবন্ধন প্রক্রিয়া অনেক দ্রুত হয়েছে। ধাপওয়ারী সময়সূচি:

  • নামের ছাড়পত্র: ১–৩ কার্যদিবস
  • MOA/AOA ও ফর্ম প্রস্তুত: ২–৪ কার্যদিবস (আইনজীবী দ্বারা)
  • RJSC পর্যালোচনা ও Certificate ইস্যু: ৭–১৫ কার্যদিবস
  • মোট নিবন্ধন সময় (স্থানীয় কোম্পানি): ১৫–২৫ কার্যদিবস
  • বিদেশি শেয়ারহোল্ডারসহ: ৩০–৪৫ কার্যদিবস (BIDA ও Encashment সহ)

ডকুমেন্টে ত্রুটি থাকলে বা RJSC অফিসে কাজের চাপ বেশি হলে অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে। অভিজ্ঞ আইনজীবী দিয়ে ফাইলিং করলে প্রথমবারেই অনুমোদনের সম্ভাবনা বাড়ে। দ্রুত সেবার জন্য যোগাযোগ করুন

📄 কাগজপত্র

RJSC-তে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি নিবন্ধনের জন্য নিম্নলিখিত কাগজপত্র আবশ্যক:

  • সকল পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডারের জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা পাসপোর্টের কপি
  • সকল পরিচালকের পাসপোর্ট আকারের সদ্য তোলা ছবি
  • Memorandum of Association (MOA) — স্বাক্ষরিত ও সঠিক স্ট্যাম্পযুক্ত
  • Articles of Association (AOA) — স্বাক্ষরিত ও সঠিক স্ট্যাম্পযুক্ত
  • Form IX — পরিচালকের সম্মতিপত্র (প্রতি পরিচালকের জন্য আলাদা)
  • Form XII — পরিচালকদের পূর্ণ তালিকা ও বিবরণ
  • শেয়ারহোল্ডারদের সাবস্ক্রাইবার পেজ (শেয়ার গ্রহণের ঘোষণা)
  • নিবন্ধিত ঠিকানার প্রমাণপত্র — ভাড়াচুক্তি, ইউটিলিটি বিল বা মালিকানার দলিল
  • বিদেশি শেয়ারহোল্ডারের ক্ষেত্রে Encashment Certificate
  • RJSC ফি পরিশোধের ব্যাংক চালান রশিদ

বিদেশি পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডারের কাগজপত্র নোটারাইজড ও অ্যাপোস্টিল করতে হবে। বিনামূল্যে ডকুমেন্ট চেকলিস্ট পেতে যোগাযোগ করুন

📋 নিবন্ধন

কোম্পানি আইন ১৯৯৪ অনুযায়ী প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির মূল কাঠামোগত শর্তাবলী:

  • ন্যূনতম শেয়ারহোল্ডার: ২ জন (সর্বোচ্চ ৫০ জন)
  • ন্যূনতম পরিচালক: ২ জন
  • একই ব্যক্তি শেয়ারহোল্ডার ও পরিচালক উভয় হতে পারেন
  • অনুমোদিত মূলধন (Authorized Capital): আইনত নির্ধারিত ন্যূনতম সীমা নেই — তবে ব্যবহারিকভাবে ন্যূনতম ১ লক্ষ থেকে শুরু করা হয়
  • পরিশোধিত মূলধন (Paid-up Capital): কোম্পানির ব্যাংক হিসাবে শেয়ারমূল্য জমা দিতে হয়
  • নিবন্ধিত ঠিকানা: বাংলাদেশের যেকোনো বৈধ ঠিকানা ব্যবহার করা যায় (বাড়ি বা অফিস)
  • পরিচালকের বয়স: ন্যূনতম ১৮ বছর
  • বিদেশি শেয়ারহোল্ডার: অনুমতিযোগ্য — তবে অতিরিক্ত ব্যাংকিং প্রক্রিয়া প্রয়োজন

কোম্পানির কাঠামো পরিকল্পনার আগে একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া সর্বদা বুদ্ধিমানের কাজ। বিনামূল্যে পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন

📄 কাগজপত্র

MOA ও AOA হলো একটি কোম্পানির দুটি মৌলিক সাংবিধানিক দলিল — কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর ধারা ১১ ও ২২ অনুযায়ী:

  • MOA (Memorandum of Association) — বাইরের সনদ: কোম্পানির নাম, নিবন্ধিত ঠিকানা, ব্যবসার উদ্দেশ্য ও পরিধি, অনুমোদিত মূলধন এবং সদস্যদের দায়বদ্ধতার সীমা নির্ধারণ করে। এটি কোম্পানি ও বাইরের জগতের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণকারী দলিল।
  • AOA (Articles of Association) — ভেতরের সংবিধান: কোম্পানির অভ্যন্তরীণ শাসন কাঠামো নির্ধারণ করে — শেয়ার হস্তান্তরের নিয়ম, পরিচালক নিয়োগ ও বরখাস্ত, সভা পরিচালনা পদ্ধতি, লভ্যাংশ বিতরণ নিয়ম ও ভোটাধিকার।
  • ভুল MOA-এর ঝুঁকি: ভবিষ্যতের ব্যবসায়িক কার্যক্রম সীমিত হয়ে যেতে পারে — পরে পরিবর্তন করতে বিশেষ সভা ও অতিরিক্ত ফি লাগে।
  • ভুল AOA-এর ঝুঁকি: শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে বিরোধ, কর্তৃত্বের দ্বন্দ্ব ও পরিচালন জটিলতা তৈরি হতে পারে।

তাই আমাদের অভিজ্ঞ আইনজীবীরা আপনার ব্যবসার ধরন বিশ্লেষণ করে উভয় দলিল সঠিকভাবে প্রস্তুত করেন। MOA/AOA প্রস্তুতির জন্য যোগাযোগ করুন

🏪 ট্রেড লাইসেন্স

ট্রেড লাইসেন্স হলো একটি স্থানীয় সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অনুমতি যা ব্যবসা পরিচালনার জন্য বাধ্যতামূলক। ইস্যু করে:

  • সিটি কর্পোরেশন এলাকা: DNCC, DSCC, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, রংপুর, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন
  • পৌরসভা এলাকা: সংশ্লিষ্ট পৌরসভার কার্যালয়
  • গ্রামীণ এলাকা: ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান

আবেদন প্রক্রিয়া: K-Form (বাণিজ্যিক) বা I-Form (উৎপাদন) পূরণ → ওয়ার্ড কাউন্সিলরের স্বাক্ষর → কর্তৃপক্ষে জমা → পরিদর্শন (প্রয়োজনে) → ফি পরিশোধ → লাইসেন্স সংগ্রহ।

সাধারণত ৫–১০ কার্যদিবসে ট্রেড লাইসেন্স পাওয়া যায়। প্রতি বছর ৩০ জুনের মধ্যে নবায়ন করতে হয়ট্রেড লাইসেন্স সহায়তায় যোগাযোগ করুন

✅ কমপ্লায়েন্স

Tax Identification Number (TIN) হলো জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) প্রদত্ত ১২-সংখ্যার কর নিবন্ধন নম্বর। অনলাইনে etaxnbr.gov.bd পোর্টালে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়া যায়:

  • পোর্টালে "TIN Registration" বিভাগে প্রবেশ করুন
  • আবেদনকারীর ধরন নির্বাচন করুন (ব্যক্তি / কোম্পানি / অংশীদারিত্ব)
  • কোম্পানির নাম, Certificate of Incorporation নম্বর, ঠিকানা ও ব্যবসার ধরন পূরণ করুন
  • পরিচালকের NID বা পাসপোর্ট তথ্য প্রদান করুন
  • সাবমিট করলে তাৎক্ষণিকভাবে e-TIN সার্টিফিকেট পাওয়া যায়
  • কোম্পানির RJSC নিবন্ধনের পরেই TIN নেওয়া সম্ভব

TIN সার্টিফিকেট ব্যাংক হিসাব খোলা, সরকারি টেন্ডারে অংশগ্রহণ ও আয়কর রিটার্নের জন্য আবশ্যক। আমাদের দল আপনার TIN নিবন্ধন সম্পন্ন করবে

✅ কমপ্লায়েন্স

Business Identification Number (BIN) হলো VAT নিবন্ধন নম্বর যা VAT ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২ অনুযায়ী NBR প্রদান করে:

  • বাধ্যতামূলক যখন: বার্ষিক টার্নওভার ৩০ লক্ষ টাকার উপরে হলে
  • ঐচ্ছিকভাবে নেওয়া প্রয়োজন: ইম্পোর্ট-এক্সপোর্ট, B2B সেবা, সরকারি সাপ্লাই ও নির্দিষ্ট কিছু খাতে টার্নওভার নির্বিশেষেও BIN বাধ্যতামূলক
  • অনলাইন পদ্ধতি: vatreg.nbr.gov.bd পোর্টালে "New BIN Registration" বিভাগে আবেদন করুন
  • কোম্পানির TIN, ট্রেড লাইসেন্স, ঠিকানা ও ব্যবসার ধরন পূরণ করুন
  • আবেদন সাবমিটের পর ৯-সংখ্যার BIN তাৎক্ষণিকভাবে জেনারেট হয়
  • ফি: বিনামূল্যে
  • BIN থাকলে প্রতি মাসে VAT রিটার্ন জমা বাধ্যতামূলক

আমাদের কমপ্লায়েন্স দল মাসিক VAT রিটার্ন ফাইলিং সহ সব ধরনের সহায়তা প্রদান করে। যোগাযোগ করুন

✅ কমপ্লায়েন্স

কোম্পানির নামে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে শিডিউলড ব্যাংকে নিম্নলিখিত কাগজপত্র জমা দিতে হয়:

  • Certificate of Incorporation — RJSC থেকে প্রাপ্ত ডিজিটাল কপি
  • MOA ও AOA — কপি
  • Form XIIForm IX — কপি
  • ট্রেড লাইসেন্স — কপি
  • TIN সার্টিফিকেট — কপি
  • সকল পরিচালকের NID, সদ্য তোলা ছবি ও নমুনা স্বাক্ষর কার্ড
  • নিবন্ধিত ঠিকানার প্রমাণপত্র
  • ব্যাংকের Account Opening Form পূরণ (কোম্পানি ও পরিচালকদের বোর্ড রেজোলিউশন সহ)

সাধারণত ৩–৭ কার্যদিবসে কোম্পানির ব্যাংক হিসাব সক্রিয় হয়। জনপ্রিয় ব্যাংকসমূহ: Dutch-Bangla Bank, BRAC Bank, City Bank, Islami Bank, Sonali Bank। ব্যাংক হিসাব খোলায় সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন

✅ কমপ্লায়েন্স

কোম্পানি আইন ১৯৯৪ অনুযায়ী প্রতি বছর নিম্নলিখিত কমপ্লায়েন্স বাধ্যতামূলক। ব্যর্থতায় জরিমানা ও আইনি ব্যবস্থা হতে পারে:

  • Annual General Meeting (AGM): প্রতি বছর — প্রথম AGM নিবন্ধনের ১৮ মাসের মধ্যে (ধারা ৮১)
  • RJSC বার্ষিক রিটার্ন: AGM-এর ২১ দিনের মধ্যে পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডার তালিকাসহ জমা (ধারা ১৫০)
  • চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট দ্বারা অডিট: প্রতি অর্থবছরে বাধ্যতামূলক অডিটেড আর্থিক বিবরণী
  • আয়কর রিটার্ন (NBR): বার্ষিক — কোম্পানির কর হার ২২.৫%–৩২.৫% (খাত ও তালিকাভুক্তি অনুযায়ী)
  • VAT রিটার্ন: BIN থাকলে মাসিক
  • ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন: ৩০ জুনের মধ্যে
  • পরিচালক/শেয়ার পরিবর্তন জানানো: ৩০ দিনের মধ্যে RJSC-কে অবহিত করতে হবে

আমাদের বার্ষিক কমপ্লায়েন্স প্যাকেজ দিয়ে সব দায়িত্ব একটি নির্ভরযোগ্য দলের হাতে দিন।

💰 খরচ ও ফি

২০২৫–২০২৬ অর্থবছরে একটি ছোট প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির আনুমানিক বার্ষিক পরিচালন খরচ:

  • ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন: ২,০০০–১০,০০০ টাকা/বছর
  • RJSC বার্ষিক রিটার্ন ফি: ৫০০–২,০০০ টাকা
  • চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট অডিট ফি: ১৫,০০০–৫০,০০০ টাকা
  • আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত ও ফাইলিং: ৫,০০০–২৫,০০০ টাকা
  • মাসিক VAT রিটার্ন: ১,০০০–৫,০০০ টাকা/মাস (প্রযোজ্য হলে)
  • কোম্পানি সেক্রেটারি সেবা: ১২,০০০–৩০,০০০ টাকা/বছর
  • মোট আনুমানিক বার্ষিক খরচ: ৩৫,০০০–১,২০,০০০ টাকা

আমাদের বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ প্যাকেজে সব খরচ একটি সুলভ মূল্যে অন্তর্ভুক্ত। প্যাকেজ বিবরণ জানতে যোগাযোগ করুন

🌍 বিদেশি বিনিয়োগ

হ্যাঁ, বাংলাদেশে বেশিরভাগ খাতে ১০০% বিদেশি মালিকানায় কোম্পানি নিবন্ধন সম্ভব। BIDA (Bangladesh Investment Development Authority) এই প্রক্রিয়া পরিচালনা করে:

  • উৎপাদন, IT, সেবা, রপ্তানিমুখী শিল্পে ১০০% FDI অনুমোদিত
  • ব্যাংকিং, বীমা, টেলিযোগাযোগ ও গণমাধ্যমে আংশিক বিধিনিষেধ বা বিশেষ অনুমোদন প্রয়োজন
  • বিদেশি বিনিয়োগ ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রেরণ করে Encashment Certificate অবশ্যই সংগ্রহ করতে হবে
  • সাধারণত ন্যূনতম বিনিয়োগ ৫০,০০০ মার্কিন ডলার প্রয়োজন (খাত অনুযায়ী পরিবর্তন হয়)
  • বিদেশি পরিচালকদের কাজের পারমিট ও ভিসা BIDA-এর মাধ্যমে সহজতর করা হয়
  • বিনিয়োগের উপর কর ছাড় ও মুনাফা প্রত্যাবাসনের সুবিধা রয়েছে

বিদেশি বিনিয়োগ প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত: BIDA নিবন্ধন, RJSC ফাইলিং, Encashment প্রক্রিয়া, ট্রেড লাইসেন্স, TIN/BIN, ব্যাংক হিসাব ও ওয়ার্ক পারমিট সহায়তা। বিদেশি বিনিয়োগ পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন

🌍 বিদেশি বিনিয়োগ

বিদেশি কোম্পানি সম্পূর্ণ কোম্পানি নিবন্ধন ছাড়াই বাংলাদেশে কার্যালয় স্থাপন করতে পারে। দুটি ভিন্ন পথ:

  • Branch Office: বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা ও আয় অর্জন করতে পারে। মুনাফার উপর ৩০% কর প্রযোজ্য। বার্ষিক হিসাব RJSC ও BIDA-তে জমা বাধ্যতামূলক।
  • Liaison/Representative Office: স্থানীয়ভাবে আয় অর্জন সীমিত — কেবল বাজার গবেষণা, যোগাযোগ ও প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে। অর্থ মূল কোম্পানি থেকে প্রেরণ করা হয়।
  • উভয়ের জন্য BIDA-এর পূর্বানুমোদন আবশ্যক — সাধারণত প্রাথমিকভাবে ৩ বছরের জন্য, নবায়নযোগ্য।
  • প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: মূল কোম্পানির Incorporation Certificate (অ্যাপোস্টিল), বোর্ড রেজোলিউশন, সর্বশেষ অডিটেড আর্থিক বিবরণী।
  • BIDA অনুমোদন পেতে ৬–১০ সপ্তাহ সময় লাগে।

ব্রাঞ্চ বা লায়েসন অফিস সেটআপে বিশেষজ্ঞ সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকাভিত্তিক

ঢাকা দুটি সিটি কর্পোরেশনে বিভক্ত — DNCC (উত্তর)DSCC (দক্ষিণ)। ট্রেড লাইসেন্সের জন্য আপনার ব্যবসার ঠিকানার ওয়ার্ড কাউন্সিলরের স্বাক্ষর প্রয়োজন:

  • মতিঝিল-বাংলামোটর-পল্টন: DSCC ওয়ার্ড — ব্যাংকিং, আর্থিক সেবা ও কর্পোরেট অফিসের প্রধান কেন্দ্র
  • গুলশান-বনানী-বারিধারা: DNCC ওয়ার্ড ১৯–২১ — বহুজাতিক কোম্পানি ও কূটনৈতিক এলাকা
  • উত্তরা (সেক্টর ১–১৪): DNCC ওয়ার্ড ১ ও ৫১ — আবাসিক-বাণিজ্যিক মিশ্র, বিমানবন্দর সন্নিকটে
  • ধানমন্ডি-মোহাম্মদপুর: DSCC ওয়ার্ড — শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সেবামূলক ব্যবসার কেন্দ্র
  • মিরপুর-পল্লবী: DNCC ওয়ার্ড ২–১৮ — গার্মেন্টস, শিল্প ও বাণিজ্যিক এলাকা
  • রায়ের বাজার-লালবাগ-কামরাঙ্গীরচর: DSCC ওয়ার্ড — ঐতিহ্যবাহী পাইকারি বাণিজ্যিক এলাকা

ঢাকার যেকোনো ঠিকানায় ব্যবসা করলেও RJSC নিবন্ধন একই পোর্টালে অনলাইনে হয়। ঢাকায় কোম্পানি নিবন্ধনে সহায়তা পেতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকাভিত্তিক

চট্টগ্রাম বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর নগরী ও দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক কেন্দ্র। Chattogram City Corporation (CCC) ৪১টি ওয়ার্ডে বিভক্ত:

  • আগ্রাবাদ (ওয়ার্ড ২৭–৩০): চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমস হাউজ সংলগ্ন — ইম্পোর্ট-এক্সপোর্ট, শিপিং ও C&F কোম্পানির প্রধান কেন্দ্র
  • পতেঙ্গা (ওয়ার্ড ৪০–৪১): সমুদ্রবন্দর ও Shah Amanat বিমানবন্দর সংলগ্ন — লজিস্টিকস কোম্পানির জন্য আদর্শ
  • নাসিরাবাদ-চান্দগাঁও (ওয়ার্ড ৩৩–৩৫): শিল্প ও উৎপাদন কেন্দ্র — BSCIC শিল্প নগরী
  • নিউ মার্কেট-রেয়াজউদ্দিন বাজার (ওয়ার্ড ২২–২৪): ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্যিক কেন্দ্র
  • হালিশহর-ইপিজেড (ওয়ার্ড ৩৮–৩৯): চট্টগ্রাম Export Processing Zone — বিদেশি বিনিয়োগের অন্যতম কেন্দ্র

ট্রেড লাইসেন্সের জন্য সংশ্লিষ্ট CCC ওয়ার্ড অফিসে যেতে হয়। সমুদ্রবন্দরের নৈকট্যের কারণে চট্টগ্রামে ইম্পোর্ট-এক্সপোর্ট ব্যবসায় বিশেষ লজিস্টিক সুবিধা রয়েছে। চট্টগ্রামে নিবন্ধনের জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকাভিত্তিক

গাজীপুর বাংলাদেশের বৃহত্তম শিল্প নগরী — পোশাক, বস্ত্র ও বিভিন্ন ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানির প্রধান ঘাঁটি। Gazipur City Corporation (GCC) ৫৭টি ওয়ার্ডে বিভক্ত:

  • টঙ্গী-গাছা (ওয়ার্ড ১–১৮): বিশ্বের বৃহত্তম পোশাক শিল্প কেন্দ্রগুলির একটি
  • কালিয়াকৈর-মৌচাক: BEPZA পরিচালিত কালিয়াকৈর High-Tech Park ও EPZ — বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ সুবিধা
  • শ্রীপুর-ভাওয়াল: বড় শিল্প পার্ক ও মোটরসাইকেল উৎপাদন কেন্দ্র

শিল্প কোম্পানির জন্য RJSC ও ট্রেড লাইসেন্সের পাশাপাশি অতিরিক্ত যা লাগে:

  • পরিবেশ ছাড়পত্র — DoE (Department of Environment) থেকে
  • ফ্যাক্টরি লাইসেন্স — শ্রম অধিদপ্তর থেকে
  • বয়লার সার্টিফিকেট (প্রযোজ্য হলে)
  • BGMEA বা BKMEA সদস্যপদ (পোশাক শিল্পের জন্য)
  • ভবন কাঠামোগত নিরাপত্তা সার্টিফিকেট (BNBC অনুসারে)
  • ফায়ার সেফটি সার্টিফিকেট — ফায়ার সার্ভিস থেকে

গাজীপুরে শিল্প কোম্পানি সেটআপে বিশেষজ্ঞ সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকাভিত্তিক

নারায়ণগঞ্জ "পোশাক ও বস্ত্র শিল্পের রাজধানী" হিসেবে পরিচিত। Narayanganj City Corporation (NCC) ২৭টি ওয়ার্ডে বিভক্ত। মূল শিল্প এলাকাসমূহ:

  • ফতুল্লা-কালীগঞ্জ: পাট ও টেক্সটাইল মিল কেন্দ্র — বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী বস্ত্র এলাকা
  • সিদ্ধিরগঞ্জ (ওয়ার্ড ১৮–২৭): বড় শিল্প কারখানা ও বিদ্যুৎকেন্দ্র সংলগ্ন এলাকা
  • আড়াইহাজার-রূপগঞ্জ: কুমিল্লা-ঢাকা সড়ক সংলগ্ন — বড় শিল্প পার্ক ও EPZ

ডাইং ও ওয়েট প্রসেসিং কোম্পানির অতিরিক্ত প্রয়োজনীয়তা:

  • DoE থেকে পরিবেশ ছাড়পত্র (ECC) — ডাইং কারখানার জন্য বিশেষভাবে কড়া যাচাই
  • DIFE (Department of Inspection for Factories and Establishments) লাইসেন্স
  • বর্জ্য পানি শোধনাগার (ETP) স্থাপনের প্রমাণ
  • BGMEA/BTMA সদস্যপদ (টেক্সটাইলের জন্য)

নারায়ণগঞ্জে টেক্সটাইল/ডাইং কোম্পানি সেটআপে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকাভিত্তিক

সাভার ও আশুলিয়া ঢাকা জেলার অন্তর্গত এবং বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ পোশাক শিল্প কেন্দ্র। সাভার পৌরসভা ও আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করা হয়:

  • ঢাকা ইপিজেড (Savar EPZ): BEPZA পরিচালিত — বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ কর সুবিধা, সরলীকৃত নিবন্ধন ও বিভিন্ন অবকাঠামো সুবিধা
  • ইপিজেডের বাইরে কারখানা: DoE ছাড়পত্র, DIFE লাইসেন্স, ফায়ার সেফটি সার্টিফিকেট, BNBC কাঠামো সার্টিফিকেট প্রয়োজন
  • RJSC নিবন্ধন: সাভার বা যেকোনো ঢাকার ঠিকানায় একই অনলাইন পোর্টালে আবেদন করতে হয়
  • সাভার পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স ফি তুলনামূলকভাবে কম
  • ঢাকার কেন্দ্র থেকে দূরত্বের কারণে জমি ও শ্রম খরচ কম

সাভার/আশুলিয়ায় কারখানা নিবন্ধনে বিশেষজ্ঞ সহায়তা নিন

📍 এলাকাভিত্তিক

সিলেট বিভাগ প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগের একটি প্রধান কেন্দ্র। Sylhet City Corporation (SCC) ২৭টি ওয়ার্ডে বিভক্ত:

  • জিন্দাবাজার-আম্বরখানা: প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র — ব্যাংক, বীমা ও কর্পোরেট অফিসের ঘনত্ব
  • চৌহাট্টা-কাজির বাজার: মাল্টি-ন্যাশনাল পণ্যের পাইকারি বাজার
  • উপশহর-শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সন্নিকটে: IT, শিক্ষা ও প্রযুক্তি ব্যবসার জন্য উপযুক্ত
  • সুনামগঞ্জ পৌরসভা: হাওর অঞ্চলের মৎস্য ও কৃষি ব্যবসার কেন্দ্র
  • হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার: চা শিল্প ও পর্যটন ব্যবসার কেন্দ্র

যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যে প্রবাসী সিলেটিদের জন্য বিদেশি বিনিয়োগ হিসেবে কোম্পানি নিবন্ধনের বিশেষ সুযোগ রয়েছে। Encashment Certificate প্রক্রিয়া আমাদের দল সম্পূর্ণ পরিচালনা করে। সিলেটে নিবন্ধনের জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকাভিত্তিক

রাজশাহী উত্তরাঞ্চলের কৃষি, রেশম ও শিক্ষানগরী। Rajshahi City Corporation (RCC) ৩০টি ওয়ার্ডে বিভক্ত:

  • সাহেব বাজার-বোয়ালিয়া: প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র ও ব্যাংকিং হাব — RCC ট্রেড লাইসেন্সের প্রধান কার্যালয়
  • রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন উপশহর: গবেষণা ও কৃষি প্রযুক্তি কোম্পানির জন্য
  • কাটাখালী-পবা: BSCIC শিল্প নগরী — ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য কম খরচে প্লট
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা: আম শিল্প ও ভারত সীমান্ত বাণিজ্যের কেন্দ্র
  • নওগাঁ পৌরসভা: ধান, গম ও কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ কোম্পানির জন্য

রাজশাহীতে রেশম বা কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ কোম্পানির জন্য সরকারি প্রণোদনা ও BSCIC-এর কম ভাড়ায় শিল্প ইউনিট পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। রাজশাহীতে কোম্পানি নিবন্ধনে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকাভিত্তিক

খুলনা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শিল্প ও সমুদ্রবন্দর শহর। Khulna City Corporation (KCC) ৩১টি ওয়ার্ডে বিভক্ত:

  • খালিশপুর-শিপইয়ার্ড: জাহাজ নির্মাণ ও জাহাজ ভাঙা শিল্পের জন্য পরিচিত
  • মংলা বন্দর এলাকা (বাগেরহাট): বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর — ইম্পোর্ট-এক্সপোর্ট কোম্পানির জন্য আদর্শ। মংলা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে।
  • রূপসা-তেরখাদা: চিংড়ি প্রক্রিয়াজাতকরণ — ECC ও DoF নিবন্ধন বাধ্যতামূলক
  • দৌলতপুর-নিউ মার্কেট: পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্যিক কেন্দ্র

চিংড়ি ও মৎস্য রপ্তানি কোম্পানির জন্য অতিরিক্তভাবে DoF (মৎস্য অধিদপ্তর) নিবন্ধন, ECC, হালাল/EU সার্টিফিকেশন প্রয়োজন হতে পারে। খুলনায় মৎস্য বা শিল্প কোম্পানি সেটআপে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকাভিত্তিক

বরিশাল বিভাগ নদীমাতৃক দক্ষিণাঞ্চলের কৃষি ও নৌ-পরিবহন কেন্দ্র। Barishal City Corporation (BCC) ৩০টি ওয়ার্ডে বিভক্ত:

  • বরিশাল সিটি কর্পোরেশন: সাধারণ ব্যবসায়িক কার্যালয়ের জন্য BCC থেকে ট্রেড লাইসেন্স
  • পটুয়াখালী পৌরসভা: কুয়াকাটা পর্যটন ব্যবসা, মৎস্য ও নৌ-পরিবহন
  • ভোলা পৌরসভা: গ্যাস উত্তোলন শিল্প সংলগ্ন এলাকা — শক্তি খাতের ব্যবসার সম্ভাবনা
  • পিরোজপুর পৌরসভা: নারকেল, সুপারি ও কৃষি পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ
  • ঝালকাঠি পৌরসভা: কৃষি পণ্য ব্যবসা ও নৌ-বাণিজ্য

বরিশালে কৃষি, মৎস্য, নৌ-পরিবহন ও পর্যটন খাতে ব্যবসার বিশেষ সম্ভাবনা রয়েছে। RJSC নিবন্ধন সারাদেশে একই অনলাইন পদ্ধতিতে হয়। বরিশালে নিবন্ধনে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকাভিত্তিক

রংপুর বিভাগ উত্তরাঞ্চলের কৃষি ও তামাক শিল্পের কেন্দ্র। Rangpur City Corporation (RCC) ৩৩টি ওয়ার্ডে বিভক্ত:

  • রংপুর সিটি কর্পোরেশন: ট্রেড লাইসেন্সের জন্য RCC অফিস, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকা
  • দিনাজপুর পৌরসভা: চাল কলের জন্য বিখ্যাত — কৃষি পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কোম্পানির প্রধান কেন্দ্র
  • নীলফামারী পৌরসভা: সেচ প্রকল্প ও কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবসা
  • কুড়িগ্রাম পৌরসভা: নদী ভাঙন এলাকার পুনর্বাসন ও কৃষি ব্যবসা
  • লালমনিরহাট পৌরসভা: সীমান্ত বাণিজ্য ও তামাক শিল্প

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কোম্পানির জন্য অতিরিক্তভাবে BSTI অনুমোদন ও FSMS সার্টিফিকেট প্রয়োজন। রংপুরে নিবন্ধনে সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকাভিত্তিক

ময়মনসিংহ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়-কেন্দ্রিক গবেষণা ও কৃষি শিল্পের শহর। Mymensingh City Corporation (MCCC) থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিতে হয়:

  • ময়মনসিংহ সিটি — চৌকবাজার: প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র — MCCC থেকে ট্রেড লাইসেন্স
  • BAU সংলগ্ন এলাকা: কৃষি গবেষণা, বীজ ও কৃষি রাসায়নিক কোম্পানির জন্য
  • ত্রিশাল পৌরসভা: পোল্ট্রি ফার্ম ও ফিড মিল ব্যবসার কেন্দ্র
  • নেত্রকোণা পৌরসভা: হাওর অঞ্চলের মৎস্য ও কৃষি পণ্য ব্যবসা
  • শেরপুর পৌরসভা: কৃষি, বনজ পণ্য ও চামড়া শিল্প

পোল্ট্রি বা প্রাণিসম্পদ কোম্পানির জন্য DLS (প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর) নিবন্ধন ও পরিবেশ ছাড়পত্র অতিরিক্তভাবে প্রয়োজন। ময়মনসিংহে কোম্পানি নিবন্ধনে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকাভিত্তিক

কুমিল্লা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মধ্যবর্তী গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক শহর এবং ভারতীয় সীমান্ত বাণিজ্যের কেন্দ্র। Cumilla City Corporation (CCC) ২৭টি ওয়ার্ডে বিভক্ত:

  • কান্দিরপাড়-মনোহরপুর: কুমিল্লার প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা — CCC থেকে ট্রেড লাইসেন্স
  • মেঘনা-দাউদকান্দি: কুমিল্লা ইপিজেড (CEPZ) — রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য BEPZA পরিচালিত বিশেষ অর্থনৈতিক এলাকা
  • বিবির বাজার (চৌদ্দগ্রাম): ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত স্থলবন্দর — সীমান্ত বাণিজ্যের জন্য IRC বাধ্যতামূলক
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা: হালকা শিল্প ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ
  • চাঁদপুর পৌরসভা: মেঘনা নদীবন্দর — মৎস্য ও নৌ-পরিবহন কোম্পানি

সীমান্ত বাণিজ্যের জন্য IRC (আমদানি), ERC (রপ্তানি) ও CCIE নিবন্ধন আবশ্যক। কুমিল্লায় ট্রেড কোম্পানি সেটআপে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকাভিত্তিক

পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ব্যবসায়িক পরিবেশ উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে:

  • ফরিদপুর পৌরসভা: পদ্মা সেতুর পশ্চিম প্রান্তে — লজিস্টিকস, হোটেল ও সার্ভিস ইন্ডাস্ট্রির বিশেষ সম্ভাবনা। পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স।
  • মাওয়া-শিবচর (মাদারীপুর): পদ্মা সেতুর পূর্ব প্রান্তে — মাদারীপুর পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স
  • মুন্সীগঞ্জ পৌরসভা: ঢাকার নিকটতম শিল্প এলাকা — কৃষি পণ্য ও শিল্প কোম্পানি
  • টাঙ্গাইল পৌরসভা: তাঁত শিল্প ও টেক্সটাইল কোম্পানির ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্র
  • কিশোরগঞ্জ পৌরসভা: হাওর অঞ্চলের মৎস্য ও কৃষি ব্যবসা

এই সকল জেলায় RJSC নিবন্ধন অনলাইনে একই পদ্ধতিতে হয়। ট্রেড লাইসেন্সের জন্য সংশ্লিষ্ট পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদে আবেদন করতে হয়। যোগাযোগ করুন

📍 এলাকাভিত্তিক

কক্সবাজার বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী — বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন পর্যটন শহর:

  • কক্সবাজার পৌরসভা: হোটেল, রেস্তোরাঁ ও পর্যটন সেবা কোম্পানির জন্য পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স
  • RJSC নিবন্ধন: অনলাইনে — চট্টগ্রাম বিভাগের যেকোনো কক্সবাজার ঠিকানায়
  • পর্যটন লাইসেন্স: বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড (BTB) বা পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন হোটেল ও ট্যুর অপারেটরের জন্য বাধ্যতামূলক
  • হোটেল গ্রেডিং: BTB-এর তারকামান গ্রেডিং ব্যবস্থায় নিবন্ধন করলে সরকারি পর্যটকদের রেফারেল পাওয়া যায়
  • খাদ্য লাইসেন্স (BSTI): রেস্তোরাঁ ও ক্যাটারিং কোম্পানির জন্য বাধ্যতামূলক
  • কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ আইনি পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়

কক্সবাজারে পর্যটন বা হোটেল কোম্পানি সেটআপে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকাভিত্তিক

পার্বত্য চট্টগ্রামে ব্যবসা পরিচালনায় কিছু অতিরিক্ত আইনি বিবেচনা রয়েছে:

  • RJSC নিবন্ধন: সাধারণ প্রক্রিয়ায় অনলাইনে হয় — পার্বত্য ঠিকানাও ব্যবহার করা যায়
  • ভূমি মালিকানা সীমাবদ্ধতা: পার্বত্য চট্টগ্রামে অ-উপজাতীয় ব্যক্তি ও কোম্পানির জমি ক্রয়ে বিধিনিষেধ রয়েছে — পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের নিয়ম মেনে চলতে হয়
  • পর্যটন ব্যবসা: রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স
  • বনজ সম্পদ ব্যবসা: বন বিভাগের অনুমোদন বাধ্যতামূলক
  • সামরিক অনুমোদন: কিছু নির্ধারিত এলাকায় ব্যবসা স্থাপনে সেনাবাহিনীর No Objection Certificate (NOC) প্রয়োজন হতে পারে

পার্বত্য অঞ্চলে ব্যবসা শুরু করার আগে বিশেষজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পার্বত্য চট্টগ্রামের ব্যবসায়িক আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকাভিত্তিক

যশোর ও বেনাপোল বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় স্থল সীমান্ত বাণিজ্যের কেন্দ্র (ভারতের সাথে):

  • যশোর পৌরসভা: যশোরের প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা — পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স। যশোর BSCIC শিল্প নগরীতে কারখানার জন্য কম খরচে প্লট পাওয়া যায়।
  • বেনাপোল ইউনিয়ন পরিষদ: ইম্পোর্ট-এক্সপোর্ট কোম্পানির জন্য বেনাপোল কাস্টমস হাউজ সংলগ্ন ঠিকানায় কার্যালয় রাখা সুবিধাজনক
  • বেনাপোলে ইম্পোর্ট ব্যবসার জন্য: IRC (CCIE থেকে), TIN, BIN, ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক
  • যশোর ইপিজেড: BEPZA পরিচালিত — বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ সুবিধা
  • ঢাকা থেকে মাত্র ২৭৮ কিলোমিটার দূরে — সড়ক ও রেলপথে সংযুক্ত

যশোর-বেনাপোলে ট্রেড কোম্পানি সেটআপে যোগাযোগ করুন

📋 নিবন্ধন

বাংলাদেশে IT ও সফটওয়্যার খাতে কোম্পানি নিবন্ধনে বিশেষ সুবিধা ও প্রণোদনা রয়েছে:

  • RJSC নিবন্ধন: সাধারণ প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির মতোই — ব্যবসার উদ্দেশ্যে "সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ও IT সার্ভিস" উল্লেখ করতে হবে
  • আয়কর সুবিধা: IT কোম্পানির আয়ের উপর ২০৩১ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতির সুবিধা পাওয়া যায় (নির্ধারিত শর্তে)
  • BASIS (BASIS বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস) সদস্যপদ: সরকারি প্রকল্পে অগ্রাধিকার ও বিভিন্ন সুবিধা পাওয়া যায়
  • Hi-Tech Park: কালিয়াকৈর, যশোর, সিলেট ও অন্যান্য Hi-Tech Park-এ কম ভাড়ায় অফিস স্পেস
  • রপ্তানি সুবিধা: IT সেবা রপ্তানিতে ERC ও foreign currency retention সুবিধা
  • ফ্রিল্যান্সার থেকে কোম্পানি: ব্যক্তিগত ফ্রিল্যান্সিং আয় কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালনা করলে আইনি সুরক্ষা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ে

IT কোম্পানি নিবন্ধন ও সুবিধা সম্পর্কে পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন

✅ কমপ্লায়েন্স

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য CCIE (Chief Controller of Imports and Exports), বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে নিবন্ধন নিতে হয়:

  • IRC (Import Registration Certificate): বাণিজ্যিকভাবে পণ্য আমদানির জন্য বাধ্যতামূলক। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: ট্রেড লাইসেন্স, TIN, BIN, Certificate of Incorporation, ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট।
  • ERC (Export Registration Certificate): পণ্য বা সেবা রপ্তানির জন্য প্রয়োজন।
  • প্রক্রিয়া: অনলাইনে CCIE-এর পোর্টালে আবেদন করতে হয়। সাধারণত ২–৪ সপ্তাহ সময় লাগে।
  • নবায়ন: বার্ষিকভাবে ট্রেড লাইসেন্সের সাথে একই সময়ে নবায়ন করতে হয়।
  • খাতভিত্তিক অতিরিক্ত অনুমোদন: ফার্মাসিউটিক্যালস (DGDA), খাদ্য (BSTI), রাসায়নিক (DoE) পণ্যের জন্য আলাদা নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন লাগে।

আমাদের আইনজীবীরা IRC/ERC প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে নবায়ন পর্যন্ত সম্পূর্ণ সহায়তা দেন। যোগাযোগ করুন

📋 নিবন্ধন

ট্রেডমার্ক আইন ২০০৯ অনুযায়ী DPDT (Department of Patents, Designs and Trademarks) ব্র্যান্ড নাম ও লোগো নিবন্ধন প্রদান করে:

  • ট্রেডমার্ক সার্চ: পূর্বে নিবন্ধিত নামের সাথে মিল আছে কিনা DPDT-তে যাচাই করুন
  • আবেদন: Form TM-1 সহ DPDT-তে জমা — ফি প্রতি শ্রেণিতে ৩,৫০০–৫,০০০ টাকা
  • পরীক্ষা ও প্রকাশনা: Trademark Journal-এ প্রকাশ — ৪ মাসের বিরোধ পর্যবেক্ষণ
  • সার্টিফিকেট: বিরোধ না থাকলে নিবন্ধন সার্টিফিকেট প্রদান
  • মেয়াদ: প্রথমবার ৭ বছর, তারপর প্রতি ১০ বছরে নবায়নযোগ্য
  • মোট সময়: সাধারণত ১৮–২৪ মাস

কোম্পানি নিবন্ধনের সাথেই ট্রেডমার্কের আবেদন করা বুদ্ধিমানের কাজ — প্রতিযোগীরা নাম নিবন্ধন করার আগেই আপনার ব্র্যান্ড সুরক্ষিত করুন। ট্রেডমার্ক নিবন্ধনে সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন

📋 নিবন্ধন

নিবন্ধিত কোম্পানিতে যেকোনো পরিবর্তন RJSC-কে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জানাতে হয়:

  • পরিচালক পরিবর্তন (নতুন নিয়োগ/অপসারণ): পরিবর্তনের ৩০ দিনের মধ্যে Form XXVIII (নিয়োগ) বা Form XXIX (অপসারণ) জমা দিতে হয়।
  • শেয়ার হস্তান্তর: AOA অনুযায়ী বোর্ডের অনুমোদন নিন, তারপর Share Transfer Deed প্রস্তুত করুন এবং RJSC-কে অবহিত করুন।
  • নিবন্ধিত ঠিকানা পরিবর্তন: বোর্ড রেজোলিউশন গ্রহণ করে Form XVIII জমা দিতে হয়।
  • কোম্পানির নাম পরিবর্তন: বিশেষ সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ, নতুন নামের ছাড়পত্র এবং MOA সংশোধন প্রয়োজন।
  • অনুমোদিত মূলধন বৃদ্ধি: সাধারণ সভায় সিদ্ধান্ত ও RJSC-তে Form XVIII (Alteration of Capital) জমা।

সময়মতো পরিবর্তন না জানালে প্রতিদিনের হিসাবে জরিমানা আরোপ হতে পারে। কোম্পানির যেকোনো পরিবর্তনে আইনি সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন

📋 নিবন্ধন

প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে নিবন্ধন করলে প্রপ্রাইটরশিপ বা পার্টনারশিপের তুলনায় গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা পাওয়া যায়:

  • সীমিত দায় সুরক্ষা: কোম্পানির ঋণ বা মামলায় মালিকের ব্যক্তিগত সম্পদ ঝুঁকিতে পড়ে না — শুধু বিনিয়োগ করা শেয়ারের মূল্য পর্যন্ত দায়
  • পৃথক আইনি সত্তা: কোম্পানি নিজের নামে সম্পদ কিনতে, চুক্তি করতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারে
  • ব্যাংক ঋণ সহজতর: নিবন্ধিত কোম্পানিকে ব্যাংক বিশ্বাস করে — কর্পোরেট লোন সুবিধা
  • সরকারি টেন্ডার: অনেক সরকারি কাজে নিবন্ধিত কোম্পানি ছাড়া অংশগ্রহণ সম্ভব নয়
  • বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ: নিবন্ধিত কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করে মূলধন সংগ্রহ করা যায়
  • স্থায়িত্ব: কোনো পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডারের মৃত্যুতেও কোম্পানি চলতে থাকে
  • বিশ্বাসযোগ্যতা: গ্রাহক, সরবরাহকারী ও অংশীদারদের কাছে আস্থার প্রতীক

আজই আপনার ব্যবসার ভিত্তি মজবুত করুন — বিনামূল্যে পরামর্শের জন্য এখনই যোগাযোগ করুন