Contact Now
Select your region
যুক্তরাস্ট্র থেকে বাংলাদেশে আপনার কোম্পানি নিবন্ধন করুন | USA to BD ২০২৫–২০২৬

যুক্তরাস্ট্র থেকে বাংলাদেশে আপনার
কোম্পানি নিবন্ধন করুন

মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের নাগরিক ও প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য ১০০% মালিকানায় কোম্পানি নিবন্ধন, BIDA অনুমোদন, Encashment Certificate, পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি ও লভ্যাংশ স্থানান্তর সংক্রান্ত প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী — Companies Act 1994 ও BIDA নীতিমালা অনুযায়ী আইনি বিশেষজ্ঞদের দ্বারা উত্তরিত।

USA to BD Investment FAQ
আপডেট: জুন ২০২৬

যুক্তরাস্ট্র থেকে বাংলাদেশে কর্পোরেট সেটআপ — সম্পূর্ণ রিমোট সহায়তা

BIDA অনুমোদন → RJSC নিবন্ধন → ব্যাংকিং চ্যানেলে মূলধন স্থানান্তর → Encashment Certificate → ট্রেড লাইসেন্স → TIN/BIN → ব্যাংক হিসাব → ওয়ার্ক পারমিট — নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস বা যুক্তরাস্ট্রের যেকোনো প্রান্ত থেকে বসেই বাংলাদেশে আপনার কোম্পানি সেটআপ করুন। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট সহ বাংলাদেশের সকল জেলায় আমাদের সেবা প্রদান করা হয়।

প্রদর্শিত হচ্ছে ৩৫ এর মধ্যে ৩৫ টি FAQ
📝 আবেদন প্রক্রিয়া

যুক্তরাস্ট্র থেকে বাংলাদেশে ব্যবসা সেটআপ করতে হলে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হয়:

  • ধাপ ১ — BIDA অনুমোদন: কোম্পানির নাম চূড়ান্ত করে Bangladesh Investment Development Authority (BIDA) এর পোর্টালে বিনিয়োগের আবেদন করতে হয়।
  • ধাপ ২ — মূলধন স্থানান্তর: যুক্তরাস্ট্র থেকে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের (SWIFT) মাধ্যমে বিনিয়োগের অর্থ বাংলাদেশে পাঠাতে হবে।
  • ধাপ ৩ — Encashment Certificate: বাংলাদেশী ব্যাংক থেকে অর্থ গ্রহণের প্রমাণপত্র সংগ্রহ করতে হবে।
  • ধাপ ৪ — RJSC নিবন্ধন: Memorandum ও Articles of Association প্রস্তুত করে Registrar of Joint Stock Companies and Firms (RJSC) এ নিবন্ধন করাতে হবে।
  • ধাপ ৫ — ব্যাংক হিসাব ও লাইসেন্স: কর্পোরেট ব্যাংক হিসাব খুলে ট্রেড লাইসেন্স, TIN ও BIN সংগ্রহ করতে হবে।

আমাদের আইনি দল যুক্তরাস্ট্র থেকে বসেই আপনার সম্পূর্ণ সেটআপ প্রক্রিয়া পরিচালনা করে — নিবন্ধন শুরু করতে এখানে ক্লিক করুন

💰 বিনিয়োগ ও ফান্ডিং

হ্যাঁ, মার্কিন নাগরিক বা Non-Resident Bangladeshi (NRB) হিসেবে আপনি বাংলাদেশে ১০০% মালিকানায় কোম্পানি খুলতে পারবেন।

  • বেশিরভাগ খাতে (যেমন: IT, পোশাক, কৃষি, সেবা) ১০০% বিদেশি মালিকানা অনুমোদিত।
  • কিছু সংবেদনশীল খাতে (যেমন: প্রতিরক্ষা, মুদ্রা মুদ্রণ) বিদেশি বিনিয়োগ নিষিদ্ধ বা সীমিত।
  • BIDA অনুমোদনের মাধ্যমে এই মালিকানা নিশ্চিত করা হয়।
  • প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির ক্ষেত্রে ন্যূনতম ২ জন শেয়ারহোল্ডার প্রয়োজন (আপনি এবং আরেকজন মার্কিন বা বাংলাদেশী নাগরিক হতে পারেন)।

১০০% মালিকানার বিস্তারিত জানতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

💰 বিনিয়োগ ও ফান্ডিং

যুক্তরাস্ট্র থেকে বাংলাদেশে ইক্যুইটি (Equity) বিনিয়োগ করলে Encashment Certificate বাধ্যতামূলক:

  • এটি একটি প্রমাণপত্র যা বাংলাদেশের ব্যাংক কর্তৃক প্রদান করা হয়, যাতে প্রমাণিত হয় যে বিদেশি মূলধন দেশে প্রবেশ করেছে।
  • RJSC তে শেয়ার এলটমেন্ট (Allotment) এবং কোম্পানির ব্যাংক হিসাব পরিচালনার জন্য এই সনদ অপরিহার্য।
  • ভবিষ্যতে লভ্যাংশ বা মূলধন যুক্তরাস্ট্রে ফেরত নেওয়ার সময় এই সনদটি প্রমাণ হিসেবে কাজ করে।
  • যুক্তরাস্ট্র থেকে SWIFT ট্রান্সফারের পর বাংলাদেশী ব্যাংকে আবেদন করে এটি সংগ্রহ করতে হয়।

আমরা যুক্তরাস্ট্র থেকে আপনার ফান্ড ট্রান্সফার ও এনক্যাশমেন্ট সনদ প্রস্তুতিতে সহায়তা করি — যোগাযোগ করুন

📄 কাগজপত্র ও আইনি

যুক্তরাস্ট্র থেকে বাংলাদেশে কোম্পানি খুলতে বা ব্যাংক হিসাব পরিচালনায় পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি (PoA) জরুরি:

  • ড্রাফটিং: একজন বাংলাদেশী আইনজীবী দিয়ে PoA ড্রাফট তৈরি করুন।
  • নোটারি: যুক্তরাস্ট্রে একজন নোটারি পাবলিক (Notary Public) বা আইনজীবীর সামনে স্বাক্ষর করুন।
  • অ্যাপোস্টিল (Apostille): যুক্তরাস্ট্রে জারি করা ডকুমেন্ট বাংলাদেশে ব্যবহারের জন্য সচিবালয় বা পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে Apostille করাতে হবে।
  • কনস্যুলেট প্রত্যায়ন: প্রয়োজনে বাংলাদেশ কনস্যুলেট বা দূতাবাস থেকে প্রত্যায়িত করা যেতে পারে।
  • বাংলাদেশে রেজিস্ট্রেশন: সনদটি বাংলাদেশে পাঠিয়ে স্থানীয় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রেশন করান।

যুক্তরাস্ট্র থেকে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি প্রস্তুতিতে আইনি সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন

📊 কর ও লভ্যাংড

বাংলাদেশে বিনিয়োগের মুনাফা যুক্তরাস্ট্রে ফেরত আনার বৈধ পথ ও কর কাঠামো:

  • লভ্যাংশ (Dividend): কোম্পানি মুনাফা অর্জন করলে এবং কর পরিশোধের পর শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংড প্রদান করা যায়।
  • কর হার: বাংলাদেশে লভ্যাংডের উপর সাধারণত ১৫% কর কাটা হয় (কোম্পানির মুনাফার কর ছাড়া)।
  • Foreign Tax Credit: যুক্তরাস্ট্রের IRS এর নিয়ম অনুযায়ী, বাংলাদেশে পরিশোধিত করের পরিমাণ যুক্তরাস্ট্রে Foreign Tax Credit (FTC) হিসেবে দাবি করা যায়, ফলে দ্বৈত কর এড়ানো যায়।
  • রেমিট্যান্স: বাংলাদেশী ব্যাংকের মাধ্যমে লভ্যাংড সরাসরি আপনার মার্কিন ব্যাংক হিসাবে পাঠানো যায়।

যুক্তরাস্ট্র-বাংলাদেশ কর সমন্বয় ও লভ্যাংড স্থানান্তরে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

নিউইয়র্ক থেকে ঢাকায় আইটি বা সফটওয়্যার কোম্পানি (IT Firm) খুললে কর সুবিধা পাওয়া যায়:

  • কর ছাড়: বাংলাদেশে সফটওয়্যার রপ্তানি ও আইটি সেবার উপর প্রায় ১০ বছরের জন্য কর ছাড় (Tax Holiday) রয়েছে।
  • ভ্যাট মুক্ত: সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট সেবায় ভ্যাট (মূসক) মুক্ত।
  • ব্যাংকিং: ঢাকার প্রযুক্তি পার্ক বা বাইরে অফিস খুলে যুক্তরাস্ট্র থেকে পেমেন্ট সরাসরি বাংলাদেশী ব্যাংকে আসতে পারে।
  • বিডিআইএ (BIDA): আইটি খাতে বিনিয়োগে BIDA দ্রুত অনুমোদন দেয়।

নিউইয়র্ক থেকে ঢাকায় IT কোম্পানি সেটআপে সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

ক্যালিফোর্নিয়া থেকে চট্টগ্রামে এক্সপোর্ট-ইম্পোর্ট কোম্পানি খুলতে যা যা লাগবে:

  • কোম্পানি নিবন্ধন: RJSC তে ১০০% মালিকানাধীন বা যৌথ কোম্পানি খুলতে হবে।
  • IRC ও ERC: Import Registration Certificate এবং Export Registration Certificate বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে নিতে হবে।
  • ব্যাংক সলভেন্সি: চট্টগ্রামের ব্যাংক থেকে L/C খুলতে মার্কিন কোম্পানির সলভেন্সি সার্টিফিকেট লাগবে।
  • কাস্টমস এজেন্ট: চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য ক্লিয়ারেন্সের জন্য স্থানীয় C&F এজেন্ট লাগবে।

চট্টগ্রামে এক্সপোর্ট-ইম্পোর্ট লাইসেন্স পেতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

টেক্সাস থেকে সিলেটে রিয়েল এস্টেট বা পর্যটন (Resort) খাতে বিনিয়োগের নিয়ম:

  • কোম্পানি কাঠামো: প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি খুলে বিনিয়োগ করা নিরাপদ। জমি কেনার জন্য NRB হিসেবে আপনার এনআইডি বা মার্কিন পাসপোর্ট লাগবে।
  • BIDA অনুমোদন: রিসোর্ট বা হোটেল নির্মাণের জন্য BIDA অনুমোদন নিতে হবে।
  • স্থানীয় পার্টনার: জমি রেজিস্ট্রেশনের সুবিধার জন্য স্থানীয় বাংলাদেশী পার্টনার রাখা ভালো।

সিলেটে রিয়েল এস্টেট কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

ফ্লোরিডা থেকে রাজশাহীতে অ্যাগ্রো-প্রসেসিং শিল্প খুলতে ফান্ড পাঠানোর উপায়:

  • ব্যাংকিং চ্যানেল: ফ্লোরিডার যেকোনো ব্যাংক (যেমন: Bank of America, Chase) থেকে SWIFT কোডের মাধ্যমে রাজশাহী বা ঢাকার কর্পোরেট ব্যাংক হিসাবে টাকা পাঠাতে হবে।
  • ইক্যুইটি বনাম লোন: শেয়ারহোল্ডার হিসেবে ইক্যুইটি পাঠালে Encashment Certificate লাগবে।
  • বিআইডিএ: রাজশাহীতে কৃষি শিল্পের জন্য BIDA অনুমোদন সহজে মেলে।

রাজশাহীতে কৃষি শিল্প কোম্পানি নিবন্ধনে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

ওয়াশিংটন থেকে খুলনায় চিংড়ি বা মৎস্য রপ্তানি ব্যবসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

  • মার্কিন পাসপোর্ট ও ইউটিলিটি বিল: ডিরেক্টরের পরিচয় ও ঠিকানার প্রমাণ (নোটারাইজড ও অ্যাপোস্টিল করা)।
  • মাতৃ কোম্পানির সনদ: যদি মার্কিন কোম্পানির শাখা হয়, তবে মূল কোম্পানির Certificate of Incorporation লাগবে।
  • ব্যাংক সার্টিফিকেট: মার্কিন ব্যাংক থেকে আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ।
  • খুলনায় প্ল্যান্ট: খুলনায় প্রসেসিং প্ল্যান্টের জন্য পরিবেশ ছাড়পত্র ও BSTI সনদ লাগবে।

খুলনায় রপ্তানি কোম্পানি সেটআপে সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

ইলিনয় থেকে বরিশালে নৌ-পরিবহন কোম্পানি খুলতে হলে:

  • কোম্পানি নিবন্ধন: RJSC তে কোম্পানি খুলে বরিশাল নদী অঞ্চলে ট্রলার বা লঞ্চ পরিচালনার লাইসেন্স নিতে হবে।
  • বিআইডিএটিএ (BIWTA): নৌযান রেজিস্ট্রেশন ও পরিচালনার জন্য বিআইডিএটিএ-এর অনুমোদন প্রয়োজন।
  • মার্কিন ইনভেস্টর: ১০০% বিদেশি মালিকানায় নৌ-পরিবহন সম্ভব, তবে মূলধন বৈধভাবে আনতে হবে।

বরিশালে নৌ-পরিবহন ব্যবসা সেটআপে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

জর্জিয়া থেকে রংপুরে এগ্রো-বেজড ইন্ডাস্ট্রি (যেমন: বরই বা ধান প্রক্রিয়াজাতকরণ) খুলতে:

  • BIDA অনুমোদন: হ্যাঁ, যুক্তরাস্ট্র থেকে ইক্যুইটি বিনিয়োগ হলে BIDA অনুমোদন বাধ্যতামূলক।
  • জমি লিজ: রংপুরে কারখানার জন্য জমি লিজ নিতে স্থানীয় প্রশাসনের ছাড়পত্র লাগবে।
  • কৃষক সমবায়: স্থানীয় কৃষকদের সাথে চুক্তি করে কাঁচামাল সংগ্রহ করা যায়।

রংপুরে কৃষি শিল্প কোম্পানি নিবন্ধনে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

অ্যারিজোনা থেকে ময়মনসিংহে পোল্ট্রি ফিড মিল খুলতে বিনিয়োগের ধরন:

  • ন্যূনতম মূলধন: বিদেশি বিনিয়োগের জন্য ন্যূনতম ৫০,০০০ মার্কিন ডলার (প্রায় ৫৫ লক্ষ টাকা) ইক্যুইটি হিসেবে আনতে হয়।
  • কারখানা ও মেশিন: ময়মনসিংহে জমি ও মেশিনারিজ কেনার জন্য অতিরিক্ত বিনিয়োগ প্রয়োজন।
  • কর্মী ও কাঁচামাল: স্থানীয় শ্রমিক ও কৃষি উপজাত সহজলভ্য।

ময়মনসিংহে পোল্ট্রি ফিড মিল কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

ম্যাসাচুসেটস থেকে কুমিল্লা ইপিজেড (EPZ)-এ মার্কিন কোম্পানি খুললে যেসব সুবিধা পাওয়া যায়:

  • কর ছাড়: ইপিজেডে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কর ছাড় থাকে।
  • ডিউটি ফ্রি: কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক ছাড় এবং রপ্তানিতে সুবিধা।
  • বেপজা (BEPZA): কুমিল্লা ইপিজেডে বেপজার মাধ্যমে দ্রুত অনুমোদন ও একক জানালা সেবা পাওয়া যায়।
  • অবস্থান: চট্টগ্রাম বন্দরের কাছে হওয়ায় রপ্তানি সহজ।

কুমিল্লা ইপিজেডে কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

পেনসিলভানিয়া থেকে নারায়ণগঞ্জে পোশাক বা টেক্সটাইল কোম্পানি খুললে বাংলাদেশের শ্রম আইন মানতে হবে:

  • শ্রম আইন ২০০৬: শ্রমিকদের বেতন, কাজের সময় ও সুবিধার জন্য শ্রম আইন অনুযায়ী লিখিত চুক্তি ও সেবা বিধি প্রয়োজন।
  • কমপ্লায়েন্স: মার্কিন বায়ারদের জন্য নিরাপত্তা ও বায়োসিকিউরিটি কমপ্লায়েন্স বাধ্যতামূলক।
  • ট্রেড ইউনিয়ন: শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার রয়েছে।
  • BGMEA: নারায়ণগঞ্জে পোশাক কারখানা খুললে BGMEA সদস্যপদ নিতে হবে।

নারায়ণগঞ্জে পোশাক কোম্পানি কমপ্লায়েন্সে সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

ওহাইও থেকে গাজীপুরে উৎপাদনশীল কারখানা (Manufacturing Plant) খুলতে পরিবেশ ছাড়পত্র প্রয়োজন:

  • পরিবেশ অধিদপ্তর: গাজীপুরের শিল্প কারখানার জন্য Department of Environment (DoE) থেকে Environmental Clearance নিতে হবে।
  • প্রতিবেদন: কারখানার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য IEE বা EIA প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
  • মার্কিন ডকুমেন্ট: কোম্পানির মালিকানা ও বিনিয়োগের প্রমাণ অ্যাপোস্টিল করে দিতে হবে।

গাজীপুরে পরিবেশ ছাড়পত্র পেতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

মিশিগান থেকে কক্সবাজারে পর্যটন বা রিসোর্ট ব্যবসা খুলতে মার্কিন ইনভেস্টরদের সুবিধা:

  • বিদেশি মালিকানা: ১০০% বিদেশি মালিকানায় রিসোর্ট বা হোটেল খোলা যায়।
  • কর ছাড়: কক্সবাজারে পর্যটন খাতে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ট্যাক্স হলিডে থাকতে পারে।
  • জমি ক্রয়: মার্কিন নাগরিকরা NRB হিসেবে জমি রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন।
  • বিআইডিএ: BIDA এর মাধ্যমে অনুমোদন নিলে দ্রুত সেটআপ সম্ভব।

কক্সবাজারে পর্যটন কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

নর্থ ক্যারোলিনা থেকে যশোরে চামড়া শিল্পে (Leather Industry) বিনিয়োগ করলে কড়া পরিবেশ আইন মানতে হবে:

  • সাভার ট্যানারি পার্ক: বর্তমানে সাভারে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকায় চামড়া শিল্প স্থাপন বাধ্যতামূলক, যশোরে নতুন ট্যানারি সীমিত।
  • ETS: Effluent Treatment Plant (ETS) স্থাপন না করলে পরিবেশ অধিদপ্তর ছাড়পত্র দেবে না।
  • আইনি ঝুঁকি: মার্কিন ইনভেস্টরদের পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করলে জরিমানা ও লাইসেন্স বাতিলের ঝুঁকি থাকে।

যশোরে চামড়া বা শিল্প কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

ভার্জিনিয়া থেকে বগুড়ায় ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি খুললে যুক্তরাস্ট্র থেকে ফান্ড আনার উপায়:

  • ব্যাংকিং চ্যানেল: যুক্তরাস্ট্রের যেকোনো ব্যাংক থেকে SWIFT কোডের মাধ্যমে বগুড়ার বা ঢাকার কর্পোরেট ব্যাংক হিসাবে টাকা পাঠাতে হবে।
  • ইক্যুইটি বনাম লোন: শেয়ারহোল্ডার হিসেবে ইক্যুইটি পাঠালে Encashment Certificate লাগবে।
  • বিআইডিএ: বগুড়ায় ট্রেডিং ব্যবসার জন্য BIDA অনুমোদন সহজে মেলে।

বগুড়ায় ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

ওয়াশিংটন ডিসি থেকে দিনাজপুরে চাল বা গমের ব্যবসার জন্য ফান্ড স্থানান্তরের সময়:

  • ট্রান্সফার: যুক্তরাস্ট্র থেকে SWIFT ট্রান্সফার হতে ২-৫ কর্মদিবস সময় লাগে।
  • এনক্যাশমেন্ট: বাংলাদেশী ব্যাংকে অর্থ এলে এনক্যাশমেন্ট সার্টিফিকেট পেতে আরও ৩-৭ কর্মদিবস সময় লাগে।
  • দিনাজপুর ব্যাংক: দিনাজপুরের স্থানীয় ব্যাংক থেকে ঢাকার প্রধান শাখায় এনক্যাশমেন্ট প্রসেসিং করা হয়।

দিনাজপুরে কৃষিপণ্য কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

ইন্ডিয়ানা থেকে ফরিদপুরে রপ্তানি কোম্পানি খুললে মার্কিন ব্যাংকের L/C প্রক্রিয়া:

  • ক্রেতার L/C: যুক্তরাস্ট্রের আমদানিকারক কোম্পানি তাদের ব্যাংক থেকে ফরিদপুরের রপ্তানিকারক কোম্পানির নামে L/C খুলবে।
  • রপ্তানি ডকুমেন্ট: পণ্য বোঝাই হলে ফরিদপুরের ব্যাংক ডকুমেন্ট যুক্তরাস্ট্রে পাঠাবে।
  • পেমেন্ট: ডকুমেন্ট যাচাই হলে মার্কিন ব্যাংক পেমেন্ট পরিশোধ করবে।

ফরিদপুরে রপ্তানি কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

টেনেসি থেকে টাঙ্গাইলে তাঁত বা হ্যান্ডলুম শিল্পে বিনিয়োগ করে যুক্তরাস্ট্রে রপ্তানি করা যায়:

  • কোম্পানি নিবন্ধন: টাঙ্গাইলে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি খুলে উৎপাদন শুরু করা যায়।
  • ERC: Export Registration Certificate বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে নিতে হবে।
  • মার্কিন মার্কেট: টাঙ্গাইলের শাড়ি ও পোশাক যুক্তরাস্ট্রের বাঙালি কমিউনিটির কাছে জনপ্রিয়।
  • ডিউটি সুবিধা: বাংলাদেশের পোশাক যুক্তরাস্ট্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ পর্যন্ত শুল্কমুক্ত।

টাঙ্গাইলে তাঁত শিল্প কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

মিসৌরি থেকে কুষ্টিয়ায় গুড় বা তামাক ব্যবসা সেটআপ করতে মার্কিন ডকুমেন্ট:

  • পাসপোর্ট ও এনআইডি: মার্কিন পাসপোর্ট এবং যদি NRB হন তবে পুরোনো এনআইডি (নোটারাইজড)।
  • প্রফ অফ অ্যাড্রেস: যুক্তরাস্ট্রের ইউটিলিটি বিল বা ড্রাইভিং লাইসেন্স।
  • ট্যাক্স আইডি: যুক্তরাস্ট্রের SSN (Social Security Number) বা EIN (Employer Identification Number)।
  • ব্যাংক স্টেটমেন্ট: মার্কিন ব্যাংক থেকে আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ।

কুষ্টিয়ায় কৃষিপণ্য কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

উইসকনসিন থেকে হবিগঞ্জে চা বাগান বা কাঠ শিল্পে বিনিয়োগ করলে কর কাঠামো:

  • কোম্পানি কর: বাংলাদেশে উৎপাদিত মুনাফার উপর ২০%-২৫% কর প্রযোজ্য (খাত অনুযায়ী)।
  • যুক্তরাস্ট্রে কর: যুক্তরাস্ট্রে বৈদেশিক আয়ের উপর কর দিতে হতে পারে, তবে Foreign Tax Credit (FTC) এর কারণে বাংলাদেশে দেওয়া করের ক্রেডিট পাওয়া যাবে।
  • রয়্যালটি: চা বাগান বা কাঠ শিল্পের মালিকানা কোম্পানির হলে লভ্যাংড যুক্তরাস্ট্রে নেওয়া যাবে।

হবিগঞ্জে চা বাগান কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

কলোরাডো থেকে পিরোজপুরে কাঠ বা নৌকা শিল্পে বিনিয়োগের জন্য টাকা পাঠানোর উপায়:

  • মার্কিন ব্যাংক: Chase, Wells Fargo, Bank of America থেকে সরাসরি SWIFT ট্রান্সফার করা যায়।
  • বাংলাদেশী ব্যাংক: পিরোজপুরের স্থানীয় ব্যাংক (যেমন: সোনালী, অগ্রণী, বা আইএফআইসি) এর শাখায় কর্পোরেট হিসাব খুলে টাকা নেওয়া যায়।
  • ফান্ড ট্রান্সফার: প্রতিটি ট্রান্সফারের জন্য মার্কিন ব্যাংকের রেসিপ্ট ও পারপাস কোড লাগবে।

পিরোজপুরে শিল্প কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

মিনেসোটা থেকে বরগুনায় মৎস্য বা নারিকেল ব্যবসা খুলতে পাসপোর্ট রিনিউয়াল প্রয়োজন হতে পারে:

  • ভ্যালিডিটি: কোম্পানি নিবন্ধনের সময় মার্কিন পাসপোর্টের ভ্যালিডিটি অন্তত ৬ মাস থাকতে হবে।
  • ভিসা: আপনি যদি বাংলাদেশে এসে ব্যাংক হিসাব খুলতে চান, তবে বৈধ ভিসা বা NRB কার্ড লাগবে।
  • পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি: পাসপোর্ট রিনিউয়াল না থাকলে যুক্তরাস্ট্র থেকে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি করে বাংলাদেশে প্রতিনিধি মাধ্যমে কাজ করানো যায়।

বরগুনায় কৃষি বা মৎস্য কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

নেভাডা থেকে ঝালকাঠিতে প্রসেসিং কোম্পানি খুলতে মার্কিন ট্যাক্স রিটার্ন প্রয়োজন:

  • বিআইডিএ আবেদন: BIDA অনুমোদনের সময় মার্কিন ইনভেস্টরের আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ হিসেবে ট্যাক্স রিটার্ন বা ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখাতে হয়।
  • সোর্স অফ ফান্ড: যুক্তরাস্ট্র থেকে টাকা পাঠানোর সময় ব্যাংক সোর্স অফ ফান্ড যাচাই করে, তাই ট্যাক্স রিটার্ন সহায়ক।
  • যুক্তরাস্ট্রে কর: যুক্তরাস্ট্রে বিদেশি সম্পদের কথা ট্যাক্স রিটার্নে উল্লেখ করতে হবে (FBAR/FATCA)।

ঝালকাঠিতে কৃষিপণ্য কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

ওরেগন থেকে রাঙ্গামাটিতে পর্যটন বা কাপোর ব্যবসায় বিনিয়োগে স্থানীয় পরিষদের ভূমিকা:

  • আরআইএসডিসি: Rangamati Hill District Council (RHDC) এর অনুমোদন ছাড়া জমি লিজ বা কেনা যায় না।
  • বিআইডিএ: মার্কিন ইনভেস্টরদের BIDA অনুমোদনের পাশাপাশি স্থানীয় পরিষদের ছাড়পত্র লাগবে।
  • কাপোর উৎপাদন: কাপোর কারখানা খুলতে স্থানীয় শ্রমিক ও জমি ব্যবহারের জন্য পরিষদের অনুমতি প্রয়োজন।

রাঙ্গামাটিতে পর্যটন কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

ইউটা থেকে খাগড়াছড়িতে ব্যবসা খুলতে যুক্তরাস্ট্র থেকে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি (PoA) প্রক্রিয়া:

  • ড্রাফটিং: একজন বাংলাদেশী আইনজীবী দিয়ে PoA ড্রাফট তৈরি করুন।
  • নোটারি: যুক্তরাস্ট্রে একজন নোটারি পাবলিক বা আইনজীবীর সামনে স্বাক্ষর করুন।
  • অ্যাপোস্টিল বা কনস্যুলেট: সচিবালয় থেকে অ্যাপোস্টিল করান বা বাংলাদেশ কনস্যুলেটে প্রত্যায়িত করান।
  • বাংলাদেশে রেজিস্ট্রেশন: সনদটি বাংলাদেশে পাঠিয়ে স্থানীয় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রেশন করান।

যুক্তরাস্ট্র থেকে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি প্রস্তুতিতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

ওকলাহোমা থেকে নেত্রকোণায় কৃষি বা খনি ব্যবসায় মার্কিন ইনভেস্টরদের লোন প্রক্রিয়া:

  • স্থানীয় ব্যাংক: বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো বিদেশি মালিকানাধীন কোম্পানিকে কর্পোরেট লোন দেয়, তবে কোম্পানির টার্নওভার ও ক্যাশ ফ্লো দেখাতে হবে।
  • EBL, BRAC বা IDLC: এসব বেসরকারি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রজেক্ট লোন পাওয়া যায়।
  • মার্কিন কোল্যাটারাল: যুক্তরাস্ট্রের সম্পত্তি বাংলাদেশে কোল্যাটারাল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়, তাই বাংলাদেশেই কোল্যাটারাল বা মূলধন দিতে হবে।
  • BIDA সাপোর্ট: BIDA অনুমোদিত কোম্পানিগুলোকে সরকারি ব্যাংক থেকে সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া হয়।

নেত্রকোণায় কৃষি কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

কানেকটিকাট থেকে মুন্সিগঞ্জে নদী পরিবহন বা পাটকঠি ব্যবসা সেটআপ করতে আইনি সহায়তা:

  • আইনি কনসালটেন্সি: যুক্তরাস্ট্রে বাংলাদেশী আইনি ফার্মগুলোর রিমোট সহায়তা নেওয়া যায়। আমরা যুক্তরাস্ট্র থেকে বসে আপনার মুন্সিগঞ্জের নৌ-পরিবহন কোম্পানির সম্পূর্ণ রেজিস্ট্রেশন পরিচালনা করি।
  • পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি: যুক্তরাস্ট্রে থেকেই পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি প্রস্তুত করে আমাদের ঢাকা বা মুন্সিগঞ্জের প্রতিনিধির মাধ্যমে কাজ করানো যায়।
  • বিআইডিএটিএ অনুমোদন: নৌযান রেজিস্ট্রেশন ও পরিচালনার লাইসেন্স আমরাই প্রস্তুত করে দিতে পারি।

মুন্সিগঞ্জে পরিবহন কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

নিউ জার্সি থেকে মানিকগঞ্জে রিয়েল এস্টেট কোম্পানি খুলতে মার্কিন ব্যাংকের সলভেন্সি প্রয়োজন:

  • বিআইডিএ (BIDA): BIDA অনুমোদনের সময় মার্কিন ইনভেস্টরের আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ হিসেবে ব্যাংক সলভেন্সি বা স্টেটমেন্ট দেখাতে হয়।
  • জমি রেজিস্ট্রেশন: মানিকগঞ্জে বড় জমি কেনার সময় স্থানীয় রেজিস্ট্রি অফিসে কোম্পানির টিআইএন (TIN) ও ব্যাংক সলভেন্সি জমা দিতে হয়।
  • বৈধ ফান্ড: সলভেন্সি সনদ বাংলাদেশী ব্যাংককে ফান্ডের উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত করে।

মানিকগঞ্জে রিয়েল এস্টেট কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

আইওয়া থেকে পাবনায় খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কোম্পানি খুলে মেশিনারিজ আমদানির নিয়ম:

  • IRC: প্রথমে কোম্পানির Import Registration Certificate (IRC) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে নিতে হবে।
  • L/C খোলা: পাবনার বা ঢাকার ব্যাংক থেকে যুক্তরাস্ট্রের মেশিন সরবরাহকারীর নামে L/C খুলতে হবে।
  • কাস্টমস ছাড়: বিদেশি বিনিয়োগকারী হিসেবে নির্দিষ্ট শিল্প মেশিনারিজে কাস্টমস ডিউটিতে ছাড় পাওয়া যেতে পারে।
  • BSTI ও নিরাপদ খাদ্য: মেশিন ইনস্টলেশনের পর উৎপাদনের অনুমতির জন্য BSTI ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র লাগবে।

পাবনায় খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ লিমিটেড কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

আইডাহো থেকে জামালপুরে পাট বা বেতের সামগ্রী রপ্তানি কোম্পানি খুললে কর কাঠামো:

  • কর ছাড়: বাংলাদেশে পাটজাত পণ্য ও বেতের সামগ্রী রপ্তানির উপর সরকার প্রায়ই কর ছাড় বা ক্যাশ সহায়তা প্রদান করে।
  • মার্কিন কর: যুক্তরাস্ট্রে রপ্তানি আয় সাধারণত কম করের আওতায় পড়ে, তবে FBAR ও FATCA-তে উল্লেখ করতে হবে।
  • ERC: কোম্পানির Export Registration Certificate (ERC) থাকতে হবে।

জামালপুরে পাট বা বেত লিমিটেড কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📦 প্যাকেজ ও সেবা

আমাদের যুক্তরাস্ট্র থেকে বাংলাদেশ কোম্পানি নিবন্ধন প্যাকেজ বেছে নেওয়ার প্রধান কারণসমূহ:

  • অভিজ্ঞ আইনি দল: Companies Act 1994 ও BIDA প্রক্রিয়ায় বিশেষজ্ঞ আইনজীবী ও কোম্পানি সেক্রেটারি।
  • স্বচ্ছ মূল্য: কোনো লুকানো চার্জ নেই — সব সরকারি ফি প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত।
  • অনলাইন ও অফলাইন সেবা: যুক্তরাস্ট্রের যেকোনো প্রান্ত থেকে রিমোট সেবা গ্রহণযোগ্য।
  • দ্রুত প্রক্রিয়াজাতকরণ: সময়রক্ষার জন্য অনলাইন ফাইলিং ও ডকুমেন্টেশন।
  • একক যোগাযোগ বিন্দু: একটি ডেডিকেটেড কেস ম্যানেজার পুরো প্রক্রিয়া তত্ত্বাবধান করেন।
  • পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি সহায়তা: যুক্তরাস্ট্র থেকে PoA ও অ্যাপোস্টিল প্রস্তুতিতে সম্পূর্ণ গাইডলাইন।
  • সকল এলাকায় সেবা: ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ সহ সকল জেলা ও থানা।
  • বিদেশি বিনিয়োগ বিশেষজ্ঞতা: BIDA, Encashment, ওয়ার্ক পারমিট সহ সম্পূর্ণ সেবা।

আজই আপনার যুক্তরাস্ট্র থেকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের যাত্রা শুরু করুন — বিনামূল্যে প্রাথমিক পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন

আপনার অনুসন্ধানের সাথে মিলে যাওয়া কোনো FAQ পাওয়া যায়নি। অন্য কীওয়ার্ড চেষ্টা করুন অথবা সরাসরি আমাদের আইনজীবীদের জিজ্ঞাসা করুন

তথ্যসূত্র: Companies Act 1994 (Bangladesh), BIDA নীতিমালা ও Foreign Direct Investment (FDI) নীতি (২০২৫–২০২৬)।
Non-Resident Bangladeshi (NRB) এবং Double Taxation সম্পর্কে উইকিপিডিয়ায় বিস্তারিত তথ্য রয়েছে।
যুক্তরাস্ট্র এর নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস থেকে বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট সহ সকল শহরে আমাদের সেবা প্রদান করা হয়।
অ্যাপোস্টিল কনভেনশন এবং পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি প্রক্রিয়া যুক্তরাস্ট্র থেকে বাংলাদেশে ব্যবসা সেটআপের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই FAQ টুলটি কেবল তথ্যপ্রদানের উদ্দেশ্যে তৈরি — এটি আইনি পরামর্শ নয়। আনুষ্ঠানিক বিনিয়োগ পরামর্শের জন্য আমাদের অভিজ্ঞ আইনজীবীদের সাথে যোগাযোগ করুন
ব্যক্তিগতকৃত সহায়তা প্রয়োজন? আমাদের আইনি ও ব্যবসায়িক পরামর্শকদের সাথে যোগাযোগ করুন — যুক্তরাস্ট্র থেকে বাংলাদেশের সকল জেলায় রিমোট সেটআপ সেবা প্রদান করা হয়।

Aeenx Footer

booked from Bangladesh Booking Notification

Aeenx Chatbot