Contact Now
Select your region
বারিধারায় ঘরে বসে জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সংশোধন | অনলাইন আবেদন, ফি ও কাগজপত্র গাইড ২০২৬
⚡ ঘরে বসে অনলাইনে আবেদন করুন — জন্ম নিবন্ধন তথ্য সংশোধন ২০২৬

ঘরে বসে
জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সংশোধন করুন

বারিধারা, গুলশান, নিকেতন ও বসুন্ধরা সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের জন্য bdris.gov.bd পোর্টালে নাম, জন্ম তারিখ, পিতা-মাতার নাম, লিঙ্গ বা ঠিকানা সংশোধনের আবেদন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও সংশোধিত সনদ সংগ্রহ সংক্রান্ত সম্পূর্ণ তথ্য ও আইনি সহায়তা।

📋 সংশোধনের ধাপসমূহ

ভুল তথ্য শনাক্তকরণ
অনলাইন আবেদন দাখিল
প্রমাণপত্র আপলোড
ফি পরিশোধ করুন
সংশোধিত সনদ সংগ্রহ

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন তথ্য ব্যবস্থাপনা সিস্টেম (BDRIS) — বারিধারা এলাকার বাসিন্দাদের জন্য

বারিধারা গুলশান থানা, ওয়ার্ড নং ১৮, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (DNCC)-এর অধীনে — পোস্টাল কোড ১২১২। এই এলাকার জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের আবেদন স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয় (নিবন্ধক, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন) যাচাই করে, তবে আবেদন কেন্দ্রীয় bdris.gov.bd পোর্টাল থেকেই দাখিল করতে হয়।

২০২৬ আপডেট: বারিধারার বাসিন্দারা এখন ঘরে বসেই bdris.gov.bd/br/correction পোর্টালে জন্ম নিবন্ধন নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে লগইন করে সংশোধনের আবেদন দাখিল, কাগজপত্র স্ক্যান আপলোড ও ফি অনলাইনে পরিশোধ করতে পারবেন — শুধু চূড়ান্ত যাচাইয়ের জন্য একবার ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয়ে আবেদনের প্রিন্ট কপি জমা দিতে হয়।
২০টির মধ্যে ২০টি প্রশ্ন দেখাচ্ছে
📍 বারিধারা এলাকা

ঢাকার মতো সিটি কর্পোরেশন এলাকায় জন্ম নিবন্ধনের নিবন্ধক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয় — ইউনিয়ন পরিষদ নয়। আবেদন কেন্দ্রীয় পোর্টালে জমা হলেও যাচাই-অনুমোদন স্থানীয় ওয়ার্ড অফিসেই হয়।

বারিধারার প্রশাসনিক পরিচিতি:

  • থানা: গুলশান থানা
  • পোস্টাল কোড: ১২১২ (বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোন)
  • সিটি কর্পোরেশন: ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (DNCC), ওয়ার্ড নং ১৮
  • সদর দপ্তর: নগর ভবন, গুলশান সেন্টার পয়েন্ট, গুলশান-২, ঢাকা-১২১২ — বারিধারার অতি নিকটে অবস্থিত
  • সংলগ্ন এলাকা: গুলশান, নিকেতন, বসুন্ধরা, বাড্ডা

সঠিক ওয়ার্ড কার্যালয় শনাক্ত করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

📋 সংশোধন প্রক্রিয়া

জন্ম নিবন্ধন সনদে লিপিবদ্ধ কোনো তথ্য ভুল থাকলে তা সরকারি অনলাইন সিস্টেমে সংশোধন করার প্রক্রিয়াকেই জন্ম নিবন্ধন তথ্য সংশোধন বলা হয়। সাধারণত নিচের পরিস্থিতিতে সংশোধনের প্রয়োজন হয়:

  • নাম বা বানানে টাইপিং ভুল
  • জন্ম তারিখ ভুলভাবে লিপিবদ্ধ হওয়া (বিশেষত টিকা কার্ডের ভুল তথ্য থেকে)
  • পিতা-মাতার নামে বানান ভুল বা অসঙ্গতি
  • ঠিকানা, লিঙ্গ বা জাতীয়তা সংক্রান্ত তথ্যে ভুল
  • বাংলা সনদ থাকলেও ইংরেজি তথ্য অনলাইনে যুক্ত না থাকা

স্কুল ভর্তি, NID, পাসপোর্ট বা চাকরির আবেদনের আগে সনদের তথ্য মিলিয়ে নেওয়া ভালো। সংশোধনের প্রয়োজন আছে কিনা যাচাইয়ে আমাদের সাহায্য নিন।

📋 সংশোধন প্রক্রিয়া

বারিধারার বাসিন্দারা ঘরে বসেই BDRIS পোর্টালে সংশোধনের আবেদন করতে পারেন। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া:

  • ধাপ ১ – লগইন: bdris.gov.bd/br/correction-এ গিয়ে জন্ম নিবন্ধন নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে সার্চ করুন
  • ধাপ ২ – নিবন্ধন নির্বাচন: তালিকা থেকে আপনার সনদটি বেছে নিন
  • ধাপ ৩ – সংশোধনের তথ্য নির্বাচন: কোন ক্ষেত্রটি ভুল আছে তা চিহ্নিত করে সঠিক তথ্য ও সংশোধনের কারণ লিখুন
  • ধাপ ৪ – ঠিকানা ও যোগাযোগ তথ্য: প্রয়োজনীয় ঠিকানা তথ্য হালনাগাদ করুন
  • ধাপ ৫ – প্রমাণপত্র আপলোড: সংশোধনের স্বপক্ষে কাগজপত্রের স্পষ্ট স্ক্যান কপি/ছবি যুক্ত করুন
  • ধাপ ৬ – ফি পরিশোধ ও জমাদান: নির্ধারিত ফি অনলাইনে পরিশোধ করে আবেদন সাবমিট করুন, ফরমের কপি প্রিন্ট করে ওয়ার্ড কার্যালয়ে জমা দিন

সঠিক কাগজপত্র থাকলে দ্রুত সংশোধন সম্ভব। আমাদের টিম সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া পরিচালনা করে।

🏷️ সংশোধনের ধরন

BDRIS সিস্টেমে নিচের তথ্যগুলো সংশোধনের আবেদন করা যায়:

  • নাম: নিবন্ধনকারীর নিজের, পিতার বা মাতার নামের বানান বা সম্পূর্ণ নাম
  • জন্ম তারিখ: দিন, মাস বা বছর
  • লিঙ্গ: তথ্য ভুলভাবে লিপিবদ্ধ হলে
  • ঠিকানা: স্থায়ী বা বর্তমান ঠিকানার বিবরণ
  • জাতীয়তা: প্রযোজ্য ক্ষেত্রে
  • ভাষাগত তথ্য: শুধু বাংলায় থাকা সনদে ইংরেজি তথ্য যুক্তকরণ

প্রতিটি ক্ষেত্রের সংশোধনের জন্য ভিন্ন মাত্রার প্রমাণপত্র প্রয়োজন হয়। আপনার ক্ষেত্রে কী প্রয়োজন তা জানতে যোগাযোগ করুন।

🏷️ সংশোধনের ধরন

হ্যাঁ, উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে:

  • সাধারণ বানান ভুল সংশোধন: তুলনামূলক সহজ, সাধারণ প্রমাণপত্রেই যাচাই হয়
  • জন্ম তারিখ সংশোধন: সবচেয়ে স্পর্শকাতর ধরনের সংশোধন হিসেবে বিবেচিত, কারণ বয়স পরিবর্তনের অপব্যবহার রোধে এটি কঠোরভাবে যাচাই করা হয়
  • নামের বড় পরিবর্তন: পুরো নাম বদলে ফেলার মতো বড় পরিবর্তনে অতিরিক্ত যাচাই নথি ও কঠোর পর্যালোচনার প্রয়োজন হতে পারে

জন্ম তারিখ সংশোধনে কোন কাগজ গ্রহণযোগ্য তা নিচের কাগজপত্র সংক্রান্ত প্রশ্নে বিস্তারিত দেওয়া আছে। জটিল সংশোধনে আমাদের পরামর্শ নিন।

📄 কাগজপত্র

সংশোধনের ধরনভেদে কাগজপত্রে কিছু পার্থক্য থাকলেও সাধারণভাবে যা প্রয়োজন:

  • বিদ্যমান জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি
  • আবেদনকারী বা পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), যদি থাকে
  • জেএসসি, এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার সার্টিফিকেট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
  • পাসপোর্ট (যদি থাকে)
  • শিশুর ক্ষেত্রে টিকা (ইপিআই) কার্ড
  • ঠিকানা সংশোধনের ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ/গ্যাস/পানির বিলের কপি

সব নথি স্পষ্ট ও পাঠযোগ্য স্ক্যান কপি হতে হবে — ফটোকপি জমা দিলে আবেদন বাতিল হতে পারে। আমাদের টিম সব কাগজ যাচাই করে দেয়।

📄 কাগজপত্র

এটি অনেকেই জানেন না — জন্ম তারিখ সংশোধনের ক্ষেত্রে নিবন্ধক কার্যালয়ের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট কিছু কাগজই গ্রহণযোগ্য:

  • গ্রহণযোগ্য: জেএসসি/এসএসসি বা সমমানের সনদের মূল কপি, জন্ম নিবন্ধনের পূর্বে ইস্যুকৃত NID/পাসপোর্টের মূল কপি, পুরাতন ম্যানুয়াল জন্ম নিবন্ধনের কপি ও রেজিস্ট্রার কপি
  • ৫ বছরের বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে অগ্রহণযোগ্য: স্কুল প্রত্যয়নপত্র, হলফনামা, ডাক্তারের সনদ বা টিকা কার্ড — এগুলো জন্ম তারিখ সংশোধনের প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা হয় না
  • সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য: জন্ম সনদ ইস্যুর তারিখে বা তার পরে প্রদত্ত যেকোনো প্রমাণপত্র

ভুল কাগজ দিয়ে আবেদন করলে তা বাতিল হয় ও সময় নষ্ট হয়। সঠিক প্রমাণপত্র নির্বাচনে আমাদের সাহায্য নিন।

📄 কাগজপত্র

নামের বানান বা পূর্ণ নাম সংশোধনের আবেদনে সাধারণত যা যাচাই করা হয়:

  • পিতামাতার NID: পিতা-মাতার নামের বানান সংশোধনে তাদের নিজ নিজ জাতীয় পরিচয়পত্রের সাথে মিল থাকা জরুরি
  • সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়পত্র: নিজের নাম সংশোধনে টিকা কার্ড, NID, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা TIN সনদ প্রমাণপত্র হিসেবে গ্রহণযোগ্য
  • একাধিক সনদে মিল: স্কুল সার্টিফিকেট বা অন্যান্য সরকারি নথির সাথে নাম হুবহু মিলিয়ে আবেদন করা উচিত

একাধিক ব্যক্তির নাম একসাথে সংশোধন করতে হলে প্রতিটির জন্য পৃথক প্রমাণপত্র প্রস্তুত রাখুন। নাম সংশোধনে আমাদের সহায়তা নিন।

💰 ফি ও খরচ

সংশোধনের ধরন অনুযায়ী সরকারি ফি দুই স্তরে নির্ধারিত:

  • জন্ম তারিখ সংশোধন: ১০০ টাকা
  • নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, ঠিকানা বা অন্যান্য তথ্য সংশোধন (জন্ম তারিখ ব্যতীত): ৫০ টাকা
  • সংশোধিত মূল সনদের কপি (বাংলা ও ইংরেজি): সাধারণত বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়

এই ফি ছাড়া অতিরিক্ত কোনো টাকা দাবি করা সরকারি নির্দেশনার পরিপন্থী। সর্বশেষ ফি bdris.gov.bd পোর্টালে দেখা যায়। সঠিক হিসাব জানতে আমাদের পরামর্শ নিন।

🌐 অনলাইন আবেদন

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম একটি কেন্দ্রীয় সরকারি পোর্টালে পরিচালিত হয়:

  • সংশোধনের আবেদনের জন্য: bdris.gov.bd/br/correction লিংকে গিয়ে জন্ম নিবন্ধন নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে লগইন করুন
  • নতুন নিবন্ধনের জন্য: bdris.gov.bd/br/application পৃথক লিংক
  • মূল কর্তৃপক্ষ: রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন (orgbdr.gov.bd)

সঠিক পোর্টালে সঠিকভাবে আবেদন দাখিলে আমরা সহায়তা করি।

🌐 অনলাইন আবেদন

আবেদন সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে কয়েকটি বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি:

  • সচল মোবাইল নম্বর: আবেদন যাচাইয়ে OTP প্রয়োজন হয়, তাই সক্রিয় নম্বর ব্যবহার করুন
  • প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্র নির্বাচন: শুধু যে তথ্যে সত্যিই ভুল আছে সেটিই নির্বাচন করুন, অপ্রয়োজনীয় পরিবর্তনে আবেদন বিলম্বিত হতে পারে
  • বানান মিল: ইংরেজি ও বাংলা নামের বানান পিতা-মাতার NID বা স্কুল সার্টিফিকেটের সাথে হুবহু মিলিয়ে দিন
  • ফরম সংরক্ষণ: সাবমিট করার পর আবেদন ফরমের কপি ডাউনলোড বা প্রিন্ট করে রাখুন

আবেদন ফরম পূরণে সহায়তার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

🌐 অনলাইন আবেদন

আবেদন প্রক্রিয়া মূলত অনলাইনে হলেও যাচাইয়ের জন্য একটি ধাপ সশরীরে সম্পন্ন করতে হয়:

  • প্রিন্ট কপি জমা: অনলাইনে সাবমিট করা আবেদনের প্রিন্ট কপি ও মূল কাগজপত্রের ফটোকপি বারিধারার সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয়ে জমা দিতে হয়
  • যাচাই: নিবন্ধক কার্যালয় মূল কাগজ দেখে অনলাইনে আপলোডকৃত তথ্যের সাথে মিলিয়ে নেয়
  • অনুমোদন: যাচাই শেষে নিবন্ধক আবেদনটি অনুমোদন করলে সংশোধিত সনদ ইস্যু হয়

সশরীরে জমাদানের সময় প্রয়োজনীয় সব মূল কাগজ সাথে রাখা জরুরি। প্রতিনিধি পাঠিয়ে কাজ সারতে আমাদের সাহায্য নিন।

🌐 অনলাইন আবেদন

আবেদনের অগ্রগতি ঘরে বসেই যাচাই করা যায়:

  • bdris.gov.bd পোর্টালে "আবেদনের অবস্থা" অপশনে যান
  • আবেদনের সময় পাওয়া অ্যাপ্লিকেশন আইডি দিন
  • নিবন্ধনকারীর জন্ম তারিখ দিয়ে যাচাই করুন
  • প্রত্যাখ্যাত হলে কারণ পোর্টালেই দেখানো হয়

আবেদন দীর্ঘদিন অমীমাংসিত থাকলে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কার্যালয়ে যোগাযোগ করা উচিত। আবেদন মনিটরিংয়ে আমাদের সহায়তা নিন।

📏 বিশেষ নিয়ম

সাধারণ বানান ভুল ওয়ার্ড পর্যায়ের নিবন্ধকই সংশোধন করতে পারেন, তবে বড় ধরনের পরিবর্তনের ক্ষেত্রে নিয়ম ভিন্ন:

  • সম্পূর্ণ নাম পরিবর্তন: ছোটখাটো বানান ভুল নয়, বরং সম্পূর্ণ নাম বদলানোর আবেদনে অতিরিক্ত যাচাই নথি ও কঠোর পর্যালোচনা প্রয়োজন
  • জন্ম তারিখ সংশোধন: অপব্যবহার রোধে এটি সবচেয়ে সতর্কতার সাথে যাচাই করা হয়, এবং কখনো কখনো ঊর্ধ্বতন নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন লাগতে পারে
  • একাধিকবার সংশোধন: একই তথ্যে বারবার সংশোধনের আবেদন করলে অতিরিক্ত প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হতে পারে

জটিল সংশোধনের ক্ষেত্রে আগে থেকে সঠিক কাগজপত্র গুছিয়ে রাখা সময় বাঁচায়। জটিল কেস হ্যান্ডেল করতে আমাদের সাহায্য নিন।

📏 বিশেষ নিয়ম

২০০৬ সালের আগের অনেক জন্ম নিবন্ধন এখনো ডিজিটাইজড হয়নি, যা সংশোধনের আগে ঠিক করতে হয়:

  • প্রথমে ডিজিটাইজেশন: ১৭ সংখ্যার ডিজিটাল নম্বরবিহীন পুরনো সনদ প্রথমে স্থানীয় নিবন্ধক কার্যালয়ের মাধ্যমে অনলাইনে ডিজিটাইজ করাতে হয়
  • পুরাতন সনদ প্রমাণ হিসেবে: পুরাতন ম্যানুয়াল জন্ম নিবন্ধনের কপি ও রেজিস্ট্রার কপি সঠিক থাকলে তা দিয়েই জন্ম তারিখ সংশোধন করা যায়
  • এরপর সংশোধন: ডিজিটাইজেশন সম্পন্ন হওয়ার পর নতুন ১৭ সংখ্যার নম্বর দিয়ে স্বাভাবিক সংশোধন প্রক্রিয়া অনুসরণ করা যাবে

পুরনো সনদ ডিজিটাইজ ও সংশোধনে একসাথে সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন।

📏 বিশেষ নিয়ম

সময়সীমা সংশোধনের ধরন ও কাগজপত্রের সঠিকতার উপর নির্ভর করে:

  • সাধারণ সংশোধন: নথি যাচাইয়ের ভিত্তিতে সাধারণত ৭ থেকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন হয়
  • জটিল বা বড় পরিবর্তন: অতিরিক্ত যাচাইয়ের প্রয়োজনে সময় বেশি লাগতে পারে
  • অনলাইনে প্রতিফলন: সংশোধন অনুমোদনের পর হালনাগাদ তথ্য অনলাইন সিস্টেমে প্রতিফলিত হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে

দ্রুত সম্পন্নের জন্য সম্পূর্ণ ও স্পষ্ট কাগজপত্র জমা দেওয়া সবচেয়ে কার্যকর। সময়মতো সম্পন্নে আমরা সহায়তা করি।

🛠️ সমস্যা ও সমাধান

সাধারণত নিচের কারণে আবেদন বাতিল বা প্রত্যাখ্যাত হয়:

  • ফটোকপি জমা: মূল কাগজের পরিবর্তে ফটোকপি স্ক্যান করে আপলোড করলে আবেদন বাতিল হয়
  • অস্পষ্ট স্ক্যান: ঝাপসা বা অপাঠযোগ্য কপি যাচাইয়ে ব্যর্থ হয়
  • অগ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র: বিশেষত জন্ম তারিখ সংশোধনে ভুল ধরনের কাগজ দেওয়া হলে
  • তথ্যের অসঙ্গতি: বিভিন্ন কাগজে নাম বা তারিখের মধ্যে গরমিল থাকলে
  • ভুয়া নথি ব্যবহার: জাল কাগজ বা NID ব্যবহারের প্রমাণ মিললে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে

আবেদনের আগে কাগজপত্র যাচাই করিয়ে নিলে বাতিলের ঝুঁকি কমে। আমাদের টিম আবেদনের আগেই কাগজ যাচাই করে দেয়।

🛠️ সমস্যা ও সমাধান

আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলে নিচের পদক্ষেপ নেওয়া যায়:

  • কারণ যাচাই: পোর্টালে প্রত্যাখ্যানের কারণ উল্লেখ থাকে, প্রথমে সেটি ভালোভাবে পড়ুন
  • সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে যোগাযোগ: বারিধারার ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয়ে গিয়ে সরাসরি কারণ জেনে নিন
  • সঠিক কাগজসহ পুনরায় আবেদন: ত্রুটি সংশোধন করে সঠিক প্রমাণপত্রসহ নতুন আবেদন জমা দিন
  • ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষে যোগাযোগ: যৌক্তিক কারণ ছাড়া বারবার আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলে ঊর্ধ্বতন নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ বা রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ে অভিযোগ জানানো যায়

বারবার প্রত্যাখ্যান এড়াতে প্রথম আবেদনেই সঠিকভাবে কাগজ প্রস্তুত করা ভালো। পুনরায় আবেদনে আমাদের সহায়তা নিন।

📍 বারিধারা এলাকা

বারিধারা ও আশপাশের কূটনৈতিক এলাকায় অনেক বাসিন্দা প্রবাসে থাকেন বা ঘনঘন বিদেশ ভ্রমণ করেন। এক্ষেত্রে:

  • অনলাইন আবেদন: bdris.gov.bd পোর্টাল থেকে বিদেশ থেকেও সংশোধনের আবেদন দাখিল করা যায়
  • প্রতিনিধির মাধ্যমে জমা: ফরমের প্রিন্ট কপি ও মূল কাগজ ওয়ার্ড কার্যালয়ে জমা দিতে দেশে অবস্থানরত প্রতিনিধি নিয়োগ করা যায়
  • দূতাবাস সংযোগ: প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশনের মাধ্যমে নথি সত্যায়িত করানো যায়

প্রবাসী বাসিন্দাদের পক্ষে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া পরিচালনায় আমাদের সাহায্য নিন।

📍 বারিধারা এলাকা

সংশোধিত সনদ হাতে পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট অন্যান্য নথিতেও তথ্য মিলিয়ে নেওয়া জরুরি:

  • সনদ সংরক্ষণ: বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষার সংশোধিত সনদের ডিজিটাল ও প্রিন্ট কপি সংরক্ষণ করুন
  • NID/পাসপোর্ট: জন্ম নিবন্ধনের সাথে সামঞ্জস্য রাখতে প্রয়োজনে NID বা পাসপোর্টে সংশ্লিষ্ট তথ্য সংশোধনের আবেদন করুন
  • স্কুল ও প্রাতিষ্ঠানিক রেকর্ড: সন্তানের ক্ষেত্রে স্কুলের ভর্তি রেকর্ডে তথ্য হালনাগাদ করুন
  • অন্যান্য সরকারি নথি: ভোটার তালিকা, ব্যাংক হিসাব বা চাকরির রেকর্ডে প্রযোজ্য হলে তথ্য মিলিয়ে নিন

সংশোধন-পরবর্তী সকল ধাপ সঠিকভাবে সম্পন্নে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

কোনো প্রশ্ন পাওয়া যায়নি। অন্য শব্দ দিয়ে খুঁজুন বা আমাদের সাথে সরাসরি কথা বলুন।

তথ্যসূত্র: জন্ম সনদ, সিভিল রেজিস্ট্রেশনভাইটাল রেকর্ড সংক্রান্ত সাধারণ ধারণা।
বারিধারা ঢাকার গুলশান থানার একটি এলাকা, যা ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (DNCC)-এর ওয়ার্ড ১৮-এর অধীনে এবং পোস্টাল কোড ১২১২-এ অবস্থিত।
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)পাসপোর্ট পৃথক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পরিচালিত, যা জন্ম নিবন্ধন থেকে ভিন্ন সিস্টেম।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য: bdris.gov.bd | নীতিমালা ও নির্দেশিকার জন্য: orgbdr.gov.bd | স্থানীয় কার্যালয়ের জন্য: dncc.gov.bd
এই টুলটি শুধুমাত্র তথ্যের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত — এটি আইনি বা আর্থিক পরামর্শ নয়। সরকারি ফি, কাগজপত্রের শর্ত ও প্রক্রিয়া সময়ে সময়ে পরিবর্তিত হতে পারে, তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে অফিসিয়াল পোর্টাল যাচাই করুন। আনুষ্ঠানিক সহায়তার জন্য আমাদের যোগ্য পেশাদারদের সাথে যোগাযোগ করুন।
বারিধারা, গুলশান, নিকেতন, বসুন্ধরা ও সমগ্র ঢাকার বাসিন্দাদের সেবায় নিবেদিত।

Aeenx Footer

booked from Bangladesh Booking Notification

Aeenx Chatbot