Contact Now
Select your region
খুলনায় কোম্পানি নিবন্ধন ও ব্যবসা সেটআপ | সম্পূর্ণ প্যাকেজ ২০২৫–২০২৬

খুলনায় আপনার কোম্পানি নিবন্ধন ও
ব্যবসা সেটআপ করুন

খুলনা বিভাগে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি নিবন্ধন, KCC ট্রেড লাইসেন্স, TIN, BIN, মংলা বন্দর ইম্পোর্ট-এক্সপোর্ট, চিংড়ি প্রক্রিয়াজাতকরণ, জুট শিল্প ও বার্ষিক কমপ্লায়েন্স সংক্রান্ত প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী — Companies Act 1994 ও RJSC নীতিমালা অনুযায়ী।

খুলনা FAQ টুল
আপডেট: জুন ২০২৬

খুলনায় সম্পূর্ণ বিজনেস সেটআপ প্যাকেজ — এক ছাদের নিচে

নাম ক্লিয়ারেন্স → MOA/AOA প্রস্তুত → RJSC ফাইলিং → KCC ট্রেড লাইসেন্স → TIN → BIN → ব্যাংক হিসাব → বার্ষিক রিটার্ন ফাইলিং — সবকিছু আমাদের অভিজ্ঞ আইনজীবী ও কোম্পানি সেক্রেটারি দল দ্বারা পরিচালিত। খুলনা সিটি কর্পোরেশন (KCC), দৌলতপুর, খালিশপুর, রূপসা, সোনাডাঙ্গা, বয়রা, নিরালা, মংলা বন্দর ও খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় সেবা প্রদান করা হয়।

প্রদর্শিত হচ্ছে ৩৫ এর মধ্যে ৩৫ টি FAQ
📦 প্যাকেজ ও মূল্য

খুলনা বিভাগে একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি নিবন্ধনের সম্পূর্ণ প্যাকেজ ১৮,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায় — অনুমোদিত মূলধন ও সেবার পরিধি অনুযায়ী। খুলনা-নির্দিষ্ট প্যাকেজে যা অন্তর্ভুক্ত থাকে:

  • RJSC নাম ক্লিয়ারেন্স ফি: প্রায় ৬০০ টাকা
  • সরকারি ফি (MOA/AOA স্ট্যাম্পসহ): অনুমোদিত মূলধন ১০ লক্ষ পর্যন্ত ৪,০০০–৬,০০০ টাকা
  • আইনজীবী/পেশাদার ফি: ১০,০০০–৩০,০০০ টাকা
  • খুলনা সিটি কর্পোরেশন (KCC) ট্রেড লাইসেন্স ফি: ২,০০০–৮,০০০ টাকা
  • TIN ও BIN রেজিস্ট্রেশন: সরকারি পোর্টালে বিনামূল্যে
  • খুলনার শিডিউলড ব্যাংকে কারেন্ট হিসাব খোলার সহায়তা

আমাদের খুলনা বিজনেস সেটআপ প্যাকেজ সম্পূর্ণ স্বচ্ছ — কোনো লুকানো চার্জ নেই। চিংড়ি, জুট, শিপিং বা মংলা বন্দর-ভিত্তিক ব্যবসার জন্য কাস্টমাইজড প্যাকেজ পেতে আমাদের খুলনা অফিসের সাথে যোগাযোগ করুন

📋 নিবন্ধন

খুলনায় কোম্পানি নিবন্ধন Companies Act 1994 অধীনে Registrar of Joint Stock Companies and Firms (RJSC) দ্বারা পরিচালিত হয়। খুলনায় বসেই অনলাইনে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়:

  • ধাপ ১ — নাম ক্লিয়ারেন্স: RJSC পোর্টালে কোম্পানির নামের আবেদন। ১–২ কর্মদিবসে অনুমোদন। ফি ৬০০ টাকা।
  • ধাপ ২ — MOA ও AOA প্রস্তুত: খুলনার অভিজ্ঞ আইনজীবী দ্বারা প্রস্তুত।
  • ধাপ ৩ — ফর্ম পূরণ: Form IX, Form XII ও সাবস্ক্রাইবার পেজ পূরণ।
  • ধাপ ৪ — RJSC ফাইলিং: সব স্ক্যান কাগজপত্র অনলাইনে আপলোড ও সরকারি ফি পরিশোধ।
  • ধাপ ৫ — Certificate of Incorporation: ১৫–২৫ কর্মদিবসে ডিজিটাল সার্টিফিকেট।
  • ধাপ ৬ — খুলনা-নির্দিষ্ট পরবর্তী পদক্ষেপ: KCC ট্রেড লাইসেন্স, TIN, BIN ও খুলনার যেকোনো শিডিউলড ব্যাংকে কারেন্ট হিসাব।

আমাদের খুলনা আইনি দল প্রতিটি ধাপে সম্পূর্ণ সহায়তা প্রদান করে — খুলনায় নিবন্ধন শুরু করতে ক্লিক করুন

📋 নিবন্ধন

সব কাগজপত্র সঠিকভাবে প্রস্তুত থাকলে খুলনায় সম্পূর্ণ নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় সময় লাগে:

  • নাম ক্লিয়ারেন্স: ১–২ কর্মদিবস
  • MOA/AOA প্রস্তুত: ২–৫ কর্মদিবস
  • RJSC প্রসেসিং ও Incorporation Certificate: ১৫–২৫ কর্মদিবস
  • খুলনা সিটি কর্পোরেশন ট্রেড লাইসেন্স: ৫–১০ কর্মদিবস
  • TIN ও BIN: ১–৩ কর্মদিবস
  • খুলনায় ব্যাংক হিসাব খোলা: ৩–৭ কর্মদিবস
  • স্থানীয় কোম্পানির মোট সময়: প্রায় ২৫–৩৫ কর্মদিবস

মংলা বন্দর-ভিত্তিক ইম্পোর্ট-এক্সপোর্ট কোম্পানির ক্ষেত্রে IRC/ERC অনুমোদনে অতিরিক্ত ২–৪ সপ্তাহ লাগতে পারে। দ্রুত নিবন্ধনের জন্য যোগাযোগ করুন

📄 কাগজপত্র

খুলনায় প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি নিবন্ধনের জন্য RJSC-তে নিম্নলিখিত কাগজপত্র জমা দিতে হয়:

  • সকল পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডারের NID বা পাসপোর্টের কপি
  • সকল পরিচালকের পাসপোর্ট-সাইজ ছবি
  • Memorandum of Association (MOA) — স্বাক্ষরিত ও স্ট্যাম্পযুক্ত
  • Articles of Association (AOA) — স্বাক্ষরিত ও স্ট্যাম্পযুক্ত
  • Form IX — পরিচালকের সম্মতিপত্র
  • Form XII — পরিচালকদের তালিকা
  • সাবস্ক্রাইবার পেজ
  • খুলনার ঠিকানার প্রমাণ — KDA হোল্ডিং নম্বর, ইউটিলিটি বিল (WASA/DESCO), ভাড়াচুক্তি বা দলিল
  • RJSC ফি পরিশোধের রশিদ

খুলনায় নিবন্ধিত ঠিকানা হিসেবে দৌলতপুর, সোনাডাঙ্গা, KDA এভিনিউ, নিরালা, বয়রা বা খালিশপুরের যেকোনো স্থান ব্যবহার করা যায়। বিনামূল্যে চেকলিস্ট পেতে ক্লিক করুন

🏪 ট্রেড লাইসেন্স

খুলনা সিটি কর্পোরেশন (KCC) ৩১টি ওয়ার্ডে বিভক্ত। খুলনা মহানগরীর যেকোনো এলাকায় ব্যবসা শুরু করতে হলে KCC-র নিকট থেকে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক। প্রক্রিয়া:

  • K-Form (বাণিজ্যিক) বা I-Form (উৎপাদন) পূরণ
  • সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলরের স্বাক্ষর
  • KCC কেন্দ্রীয় কার্যালয় (KDA এভিনিউ, খুলনা) বা জোন অফিসে জমা
  • পরিদর্শন ও ফি পরিশোধ
  • ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ

KCC ট্রেড লাইসেন্স ফি: ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ২,০০০–১০,০০০ টাকা। প্রতি বছর ৩০ জুনের মধ্যে নবায়ন বাধ্যতামূলক। খুলনা সিটি কর্পোরেশন এখন অনলাইনেও ট্রেদ লাইসেন্স আবেদন গ্রহণ করে। KCC ট্রেড লাইসেন্সের সহায়তায় যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

দৌলতপুর খুলনার অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক ও শিল্প এলাকা — KCC ওয়ার্ড ১ থেকে ৫-এর আওতাধীন। দৌলতপুরে ব্যবসা করার সুবিধা:

  • দৌলতপুর রেলওয়ে স্টেশন ও বাস টার্মিনালের সান্নিধ্য — পরিবহন সহজ
  • পাইকারি ও খুচরা বাজার, হোলসেল ব্যবসার প্রধান কেন্দ্র
  • দৌলতপুর থেকে খুলনা মহানগরীর সকল এলাকায় সড়ক সংযোগ
  • নদীপথে ভৈরব ও রূপসা নদীর মাধ্যমে মংলা বন্দর সংযোগ
  • শিল্প কারখানা, লোহার কারখানা ও কাঠের মিল কেন্দ্র

দৌলতপুরে কোম্পানির জন্য প্রয়োজন: KCC ট্রেড লাইসেন্স, দৌলতপুর ঠিকানার প্রমাণ (ভাড়াচুক্তি/দলিল), KDA হোল্ডিং নম্বর, পরিবেশ ছাড়পত্র (শিল্প কারখানার জন্য)। আমাদের দৌলতপুর-ভিত্তিক ব্যবসা সেটআপ প্যাকেজ সম্পূর্ণ সহায়তা দেয়।

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

খালিশপুর খুলনার ঐতিহ্যবাহী জুট শিল্প এলাকা — KCC ওয়ার্ড ৬–৯ এর আওতাধীন। এখানে অবস্থিত প্লাটিনাম জুবিলি জুট মিল, ক্রিসেন্ট জুট মিল, স্টার জুট মিল, ইস্টার্ন জুট মিল সহ বৃহৎ জুট শিল্প। খালিশপুরে কোম্পানি খোলার জন্য:

  • RJSC নিবন্ধন ও KCC ট্রেড লাইসেন্স
  • পরিবেশ অধিদপ্তর (DoE) থেকে পরিবেশ ছাড়পত্র (বিশেষত জুট, টেক্সটাইল বা ডাইং শিল্পের জন্য)
  • খুলনা WASA থেকে শিল্প জল সরবরাহ অনুমোদন
  • খুলনা পল্লী বিদ্যুৎ বা KEDCL থেকে শিল্প বিদ্যুৎ সংযোগ
  • শ্রম অধিদপ্তর নিবন্ধন (শ্রমিক নিয়োগের জন্য)
  • বয়লার সার্টিফিকেট (বাষ্প বয়লার ব্যবহৃত হলে)
  • বিজিএমইএ/BKMEA সদস্যপদ (পোশাক/টেক্সটাইল হলে)

খালিশপুরে জুট বা টেক্সটাইল-সংক্রান্ত কোম্পানির জন্য আমাদের বিশেষায়িত শিল্প সেটআপ প্যাকেজ রয়েছে।

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

রূপসা খুলনা মহানগরীর দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে অবস্থিত — রূপসা নদীর তীরে গড়ে ওঠা শিল্প ও নৌ-পরিবহন কেন্দ্র। রূপসা উপজেলায় কোম্পানি খোলার জন্য:

  • RJSC নিবন্ধন ও রূপসা উপজেলা পরিষদ/ইউনিয়ন পরিষদ ট্রেড লাইসেন্স
  • BIWTA (Bangladesh Inland Water Transport Authority) অনুমোদন — নৌ-পরিবহন ব্যবসার জন্য
  • Merchant Shipping Ordinance অনুযায়ী জাহাজ নিবন্ধন
  • চিংড়ি প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানার জন্য Bangladesh Standards and Testing Institution (BSTI) ও পরিবেশ ছাড়পত্র
  • কাস্টমস অনুমোদন (রপ্তানিমুখী পণ্যের জন্য)

রূপসা নদীর সান্নিধ্যে থাকায় এখানে চিংড়ি প্রক্রিয়াজাত, জাহাজ মেরামত, কাঠের মিল ও নৌ-পরিবহন ব্যবসার জন্য আদর্শ। রূপসায় কোম্পানি সেটআপে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

সোনাডাঙ্গাKDA এভিনিউ খুলনার প্রধান কর্পোরেট ও আবাসিক-বাণিজ্যিক মিশ্র এলাকা — KCC ওয়ার্ড ১৫–২০-এর আওতাধীন। এখানে গড়ে ওঠা হাজারীবাগ, বয়রা, তুতপাড়া, জুবলী রোড বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সোনাডাঙ্গায় কর্পোরেট অফিস খুলতে:

  • RJSC নিবন্ধন ও KCC ট্রেড লাইসেন্স
  • Khulna Development Authority (KDA) অনুমোদিত বাণিজ্যিক ভবনে ঠিকানা
  • ভবন নিরাপত্তা সার্টিফিকেট (কাঠামোগত নিরাপত্তা)
  • অগ্নিনিরাপত্তা সার্টিফিকেট (Khulna Fire Service)
  • TIN, BIN ও ব্যাংক হিসাব

সোনাডাঙ্গায় IT কোম্পানি, কনসালটেন্সি, আইনি সেবা, হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ফার্মেসি ব্যবসার জন্য আদর্শ। KDA এভিনিউ, হাজারীবাগ ও জুবলী রোডে প্রধান ব্যাংক শাখাগুলো অবস্থিত। সোনাডাঙ্গায় অফিস সেটআপে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

নিউ মার্কেট খুলনার ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্যিক কেন্দ্র — KCC ওয়ার্ড ১৭–১৮-এর আওতাধীন। এখানে বস্ত্র, গহনা, ইলেকট্রনিক্স, পাইকারি ও খুচরা বাজারের প্রধান কেন্দ্র। নিউ মার্কেট ও আশপাশের এলাকায় ব্যবসা কোম্পানি খুলতে:

  • RJSC নিবন্ধন ও KCC ট্রেড লাইসেন্স
  • নিউ মার্কেট মার্কেট কমিটির অনুমোদন (মার্কেটের ভেতরে দোকান হলে)
  • ভ্যাট (VAT) রেজিস্ট্রেশন — বার্ষিক টার্নওভার ৩০ লক্ষের বেশি হলে
  • ক্রেতা সুরক্ষা আইন মেনে চলা (Consumer Rights Protection Act 2009)
  • পণ্যের গুণগত মানের জন্য BSTI সার্টিফিকেশন (প্রযোজ্য হলে)

নিউ মার্কেট, চুকবাজার, বড় বাজার ও রাস্তার মাথায় পাইকারি ব্যবসার জন্য প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি বা পার্টনারশিপ ফার্ম — যেকোনো কাঠামোতে নিবন্ধন করা যায়। যোগাযোগ করুন

⚓ মংলা বন্দর

মংলা বন্দর বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান সমুদ্রবন্দর — বাগেরহাট জেলার মংলায় অবস্থিত, খুলনা থেকে মাত্র ৪৮ কিলোমিটার দূরে। মংলা বন্দর ভিত্তিক ইম্পোর্ট-এক্সপোর্ট কোম্পানি খুলতে প্রয়োজন:

  • RJSC নিবন্ধন — প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে
  • ট্রেড লাইসেন্স — মংলা পৌরসভা বা খুলনা সিটি কর্পোরেশন থেকে
  • TIN ও BIN — NBR থেকে
  • Import Registration Certificate (IRC) — Chief Controller of Imports and Exports (CCIE) থেকে
  • Export Registration Certificate (ERC) — CCIE থেকে
  • মংলা বন্দর কমিশনারেট থেকে C&F এজেন্ট লাইসেন্স
  • ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট — শিডিউলড ব্যাংক থেকে
  • ন্যূনতম মূলধন: পণ্য অনুযায়ী ৫–১০ লক্ষ টাকা

মংলা বন্দর দিয়ে প্রধানত চিংড়ি, চামড়া, পাট, চাল, সিমেন্ট, কয়লা ও যন্ত্রাংশ আমদানি-রপ্তানি হয়। মংলা বন্দর ইম্পোর্ট-এক্সপোর্ট প্যাকেজের জন্য যোগাযোগ করুন

⚓ মংলা বন্দর

মংলা EPZ (Mongla Export Processing Zone) বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড — ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত, BEPZA দ্বারা পরিচালিত। বাগেরহাট জেলার মংলায় অবস্থিত এই ইপিজেড-এ কোম্পানি খুলতে:

  • BEPZA (Bangladesh Export Processing Zones Authority)-তে আবেদন
  • ন্যূনতম বিনিয়োগ: ৫০,০০০ মার্কিন ডলার বা সমমূল্যের
  • ১০০% রপ্তানিমুখী উৎপাদন বাধ্যতামূলক
  • ভূমি লিজ চুক্তি — BEPZA কর্তৃক
  • কর ছাড়: ইপিজেড-এর ভেতরে আয়কর, ভ্যাট ও শুল্ক থেকে অব্যাহতি
  • বিদেশি মূলধন ১০০% অনুমোদিত
  • মুনাফা স্থানান্তরের সুবিধা
  • শুল্কমুক্ত কাঁচামাল আমদানি

মংলা ইপিজেড-এ প্রধানত চিংড়ি প্রক্রিয়াজাতকরণ, পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত পণ্য, পোশাক ও হস্তশিল্প রপ্তানি কোম্পানি গড়ে উঠেছে। মংলা EPZ কোম্পানি সেটআপে যোগাযোগ করুন

🏭 শিল্প ও রপ্তানি

খুলনা বাংলাদেশের "চিংড়ি রাজধানী" — বিশ্বের অন্যতম চিংড়ি রপ্তানি কেন্দ্র। খুলনা ও সংলগ্ন অঞ্চলে চিংড়ি প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা স্থাপনের জন্য প্রয়োজন:

  • RJSC নিবন্ধন ও ট্রেড লাইসেন্স
  • Department of Fisheries থেকে প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা লাইসেন্স
  • BSTI (Bangladesh Standards and Testing Institution) সার্টিফিকেশন
  • HACCP (Hazard Analysis Critical Control Point) সার্টিফিকেশন — EU ও USA রপ্তানির জন্য বাধ্যতামূলক
  • BFFEA (Bangladesh Frozen Foods Exporters Association) সদস্যপদ
  • Export Promotion Bureau (EPB) নিবন্ধন
  • ERC (Export Registration Certificate) — CCIE থেকে
  • পরিবেশ ছাড়পত্র — DoE থেকে
  • ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট ও কারেন্ট হিসাব

খুলনার রূপসা, মংলা, দকোপ, পাইকগাছা ও কয়রা অঞ্চলে চিংড়ি ঘের ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা গড়ে উঠেছে। খুলনা থেকে চিংড়ি প্রধানত USA, EU, জাপান ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় রপ্তানি হয়। চিংড়ি রপ্তানি প্যাকেজের জন্য যোগাযোগ করুন

🏭 শিল্প ও রপ্তানি

খুলনা ঐতিহাসিকভাবেই বাংলাদেশের পাট শিল্পের কেন্দ্র। খালিশপুরে অবস্থিত প্লাটিনাম জুবিলি, ক্রিসেন্ট, স্টার, ইস্টার্ন সহ বৃহৎ জুট মিল। জুটজাত পণ্য (পাটের বস্তা, কার্পেট, সুতা, হ্যান্ডব্যাগ) উৎপাদন কোম্পানি খুলতে:

  • RJSC নিবন্ধন ও ট্রেড লাইসেন্স
  • BJMC (Bangladesh Jute Mills Corporation) অনুমোদন — সরকারি জুট মিলের সাথে চুক্তির জন্য
  • BJSA (Bangladesh Jute Spinners Association) বা BJMA (Bangladesh Jute Mills Association) সদস্যপদ
  • পরিবেশ ছাড়পত্র — জুট প্রক্রিয়াজাতকরণে জলদূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য
  • বয়লার সার্টিফিকেট
  • শ্রম অধিদপ্তর নিবন্ধন
  • ERC — রপ্তানির জন্য
  • HACCP/ISO সার্টিফিকেশন (আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য)

খুলনা অঞ্চলে পাট চাষ, প্রাথমিক প্রক্রিয়াজাত, সুতা উৎপাদন ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি — পুরো সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে ওঠেছে। জুট শিল্প প্যাকেজের জন্য যোগাযোগ করুন

🏭 শিল্প ও রপ্তানি

খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড (Khulna Shipyard Limited) — ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অধীনে পরিচালিত। খুলনায় বেসরকারি জাহাজ নির্মাণ বা মেরামত কোম্পানি খুলতে:

  • RJSC নিবন্ধন ও ট্রেড লাইসেন্স
  • Department of Shipping থেকে শিপইয়ার্ড লাইসেন্স
  • Merchant Shipping Ordinance 1983 অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণ
  • বাংলাদেশ ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (BIWTA) অনুমোদন
  • নদী বা সমুদ্র তীরের ভূমি লিজ — DC/ভূমি অফিস থেকে
  • পরিবেশ ছাড়পত্র — DoE থেকে
  • বয়লার ও ক্রেন সার্টিফিকেশন
  • শ্রম অধিদপ্তর নিবন্ধন ও শ্রমিক বীমা
  • ISO 9001 ও ক্লাসিফিকেশন সোসাইটি সার্টিফিকেশন (যেমন: BV, DNV, LR)

খুলনার রূপসা, ভৈরব ও মংলা এলাকায় জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত শিল্পের প্রধান কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। ছোট ও মাঝারি জাহাজ (টাগবোট, বার্জ, ট্রলার) নির্মাণে খুলনা দক্ষিণ এশিয়ায় পরিচিত। যোগাযোগ করুন

🏭 শিল্প ও রপ্তানি

সুন্দরবন — বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন ও UNESCO বিশ্ব ঐতিত্ববাহী স্থান, খুলনা বিভাগের সন্নিকটে অবস্থিত। খুলনা থেকে সুন্দরবন ভ্রমণ পর্যটন কোম্পানি পরিচালনার জন্য:

  • RJSC নিবন্ধন ও ট্রেড লাইসেন্স
  • Forest Department থেকে পর্যটন অনুমোদন
  • TOAB (Tour Operators Association of Bangladesh) সদস্যপদ
  • সুন্দরবন পরিদর্শন পারমিট — প্রতিটি ট্যুরের জন্য
  • নৌকা বা লঞ্চ নিবন্ধন — BIWTA ও Department of Shipping
  • পরিবেশ ছাড়পত্র
  • ট্যুর গাইড লাইসেন্স — Parjatan Corporation
  • পর্যটকদের জন্য বীমা সুরক্ষা

সুন্দরবন পর্যটন মূলত মংলা, দকোপ, কয়রা ও শরণখোলা থেকে শুরু হয়। বাঘ, চিত্রা হরিণ, মৎস্য শিকার, পাখি পর্যবেক্ষণ ও নৌকায় রাত্রিযাপন — জনপ্রিয় পর্যটন পণ্য। খুলনা শহর থেকে ট্যুর অপারেটর হিসেবে কাজ করতে চাইলে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

বয়রা খুলনা মহানগরীর দক্ষিণাংশে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও আবাসিক মিশ্র এলাকা — KCC ওয়ার্ড ২১–২৩-এর আওতাধীন। বয়রা মহাসড়ক, বয়রা বাজার ও TSC মোড় বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বয়রায় কোম্পানি খোলার সুবিধা:

  • খুলনা-মংলা মহাসড়কের সন্নিকটে অবস্থান
  • বয়রা বাস টার্মিনালের সান্নিধ্য
  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (KUET)-এর কাছাকাছি
  • শিক্ষা, সেবা, আইটি ও রেস্টুরেন্ট ব্যবসার জন্য আদর্শ
  • তুলনামূলক কম বাণিজ্যিক ভাড়া

বয়রায় কোম্পানির জন্য প্রয়োজন: KCC ট্রেড লাইসেন্স, ঠিকানার প্রমাণ, TIN, BIN ও ব্যাংক হিসাব। বয়রায় সেটআপের জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

নিরালা খুলনার পরিকল্পিত আবাসিক ও বাণিজ্যিক মিশ্র এলাকা — KCC ওয়ার্ড ১৯–২০-এর আওতাধীন। KDA কর্তৃক উন্নয়নকৃত এই এলাকায় কর্পোরেট অফিস, ক্লিনিক, আইনি সেবা, আইটি কোম্পানি ও কনসালটেন্সি ব্যবসার জন্য আদর্শ। নিরালায় কোম্পানি খুলতে:

  • RJSC নিবন্ধন ও KCC ট্রেড লাইসেন্স
  • KDA-অনুমোদিত বাণিজ্যিক ভবনে ঠিকানা
  • ভবন নিরাপত্তা ও অগ্নিনিরাপত্তা সার্টিফিকেট
  • TIN, BIN ও ব্যাংক হিসাব
  • ক্লিনিক হলে — স্বাস্থ্য অধিদপ্তর লাইসেন্স
  • আইনি সেবা হলে — বাংলাদেশ বার কাউন্সিল অনুমোদন

নিরালা খুলনার অন্যতম পরিচ্ছন্ন ও পরিকল্পিত এলাকা — কর্পোরেট ইমেজের জন্য উপযুক্ত। নিরালায় অফিস সেটআপে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

বাগেরহাট খুলনা বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ জেলা — ঐতিহাসিক ষাটগম্বুজ মসজিদ, মংলা বন্দর ও সুন্দরবনের অংশ এখানে অবস্থিত। বাগেরহাট জেলায় ৯টি উপজেলা: বাগেরহাট সদর, মংলা, মোরেলগঞ্জ, কচুয়া, চিতলমারী, ফকিরহাট, মোল্লাহাট, রামপাল ও শরণখোলা। বাগেরহাটে কোম্পানি খুলতে:

  • RJSC নিবন্ধন (অনলাইনে)
  • বাগেরহাট পৌরসভা বা স্থানীয় উপজেলা পরিষদ/ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স
  • TIN ও BIN — NBR থেকে
  • ব্যাংক হিসাব — বাগেরহাট বা খুলনার শাখায়

বাগেরহাটের প্রধান ব্যবসা: চিংড়ি চাষ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ, লবণ চাষ, কৃষি, মৎস্য, সুন্দরবন-ভিত্তিক পর্যটন ও মংলা বন্দর-সংক্রান্ত পরিবহন। বাগেরহাটে সেটআপের জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

সাতক্ষীরা খুলনা বিভাগের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্ত জেলা — ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সাথে সীমান্ত বিদ্যমান। সাতক্ষীরায় ৭টি উপজেলা: সাতক্ষীরা সদর, আসাশুনি, দেওয়ানগঞ্জ, তালা, কলারোয়া, কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর। প্রধান ব্যবসা:

  • চিংড়ি চাষ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ — শ্যামনগর, আসাশুনি অঞ্চলে
  • লবণ চাষ — শ্যামনগরে বিশাল লবণ চাষের এলাকা
  • কৃষি ও সবজি চাষ — সাতক্ষীরা সদর, তালা, কালিগঞ্জে
  • মৎস্য — পুকুর ও ঘের মাছ চাষ
  • সীমান্ত বাণিজ্য — ভারতের সাথে বেনাপোল-সদ্বর্ণা রুট

সাতক্ষীরায় কোম্পানির জন্য প্রয়োজন: RJSC নিবন্ধন, সাতক্ষীরা পৌরসভা/উপজেলা ট্রেড লাইসেন্স, BSTI সার্টিফিকেশন (লবণ ও খাদ্য পণ্যের জন্য), DoE পরিবেশ ছাড়পত্র (চিংড়ি ঘেরের জন্য)। সাতক্ষীরায় সেটআপে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

যশোর খুলনা বিভাগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জেলা — যশোর বিমানবন্দর (ঝালকাঠি রোড), যশোর ইপিজেড ও বেশ কিছু শিল্প কেন্দ্র এখানে অবস্থিত। যশোরে ৮টি উপজেলা ও প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা:

  • যশোর সদর ও কোতোয়ালি: প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র
  • যশোর ইপিজেড (Jessore EPZ): বেনাপোল সড়কে অবস্থিত
  • বগুড়া বাজার, নাভাবনগর: পাইকারি বাজার
  • ঝিকরগাছা ও চৌগাছা: কৃষি ও সীমান্ত বাণিজ্য
  • বাঘিয়ার পার ও ফৌজদারহাট: শিল্প এলাকা

যশোরে কোম্পানির জন্য: RJSC নিবন্ধন, যশোর পৌরসভা/সদর উপজেলা ট্রেড লাইসেন্স, TIN, BIN, ব্যাংক হিসাব। যশোর ইপিজেড-এ কোম্পানি খুলতে BEPZA-তে আবেদন। যশোর কৃষি, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সীমান্ত বাণিজ্য ও আইটি ব্যবসার জন্য আদর্শ। যশোরে সেটআপে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও ঝিনাইদহ — খুলনা বিভাগের উত্তরাঞ্চলীয় তিনটি জেলা, ভারত সীমান্তবর্তী। এই অঞ্চলে প্রধানত কৃষি, পাট, ধান, আখ, সবজি চাষ ও সীমান্ত বাণিজ্য গুরুত্বপূর্ণ। কোম্পানি খুলতে:

  • চুয়াডাঙ্গা সদর, আলমডাঙ্গা, দামুড়হুদা: সীমান্ত বাণিজ্য ও পাট শিল্প
  • মেহেরপুর সদর, গাংনী, মুজিবনগর: কৃষি ও সবজি চাষ
  • ঝিনাইদহ সদর, কালীগঞ্জ, কোটচাঁদপুর, মহেশপুর, শৈলকুপা: ধান, পাট ও চিনি শিল্প

এই জেলাগুলোতে RJSC নিবন্ধন অনলাইনে হয়, ট্রেড লাইসেন্সের জন্য স্থানীয় পৌরসভা বা উপজেলা পরিষদে আবেদন করতে হয়। কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, সীমান্ত বাণিজ্য ও হস্তশিল্প ব্যবসার জন্য এই অঞ্চল উপযুক্ত। যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

এই তিনটি জেলা খুলনা বিভাগের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত:

  • কুষ্টিয়া: ঐতিহাসিক শিলাইদহ, লালন শাহ-এর মাজার, পাট, ধান, সিরামিক শিল্পের কেন্দ্র। কুষ্টিয়া সদর, কুমারখালী, খোকসা, মিরপুর, দৌলতপুর, ভেরামারা ও পাড়া উপজেলা রয়েছে।
  • নড়াইল: ছোট কৃষিপ্রধান জেলা — নড়াইল সদর, কালিয়া ও লোহাগড়া উপজেলা। পাট, ধান, সবজি ও হস্তশিল্প প্রধান।
  • মাগুরা: কৃষিপ্রধান জেলা — মাগুরা সদর, শ্রীপুর, মোহনপুর, সালখিয়া ও মহম্মদপুর উপজেলা। পাট, ধান, মৎস্য চাষ গুরুত্বপূর্ণ।

এসব জেলায় RJSC নিবন্ধন অনলাইনে হয়। ট্রেড লাইসেন্সের জন্য পৌরসভা/উপজেলা পরিষদে আবেদন। কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, হস্তশিল্প, সিরামিক ও মৎস্য ব্যবসার জন্য এই জেলাগুলো উপযুক্ত। যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

এই তিনটি উপজেলা খুলনা জেলার দক্ষিণাংশে সুন্দরবন সন্নিকটে অবস্থিত — চিংড়ি চাষ ও মৎস্য শিল্পের প্রধান কেন্দ্র:

  • দকোপ: চিংড়ি ঘের, মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সুন্দরবন-নির্ভর জীবিকার কেন্দ্র। দকোপ চিংড়ি বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি অঞ্চল।
  • পাইকগাছা: কৃষি, মৎস্য ও লবণ চাষের কেন্দ্র। কপোতাক্ষ নদী এখান দিয়ে প্রবাহিত।
  • কয়রা: সুন্দরবন সন্নিকটস্থ উপজেলা — মৎস্য, মধু সংগ্রহ ও কাঠ সংগ্রহের ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্র।

এই অঞ্চলে কোম্পানির জন্য প্রয়োজন: RJSC নিবন্ধন, উপজেলা/ইউনিয়ন ট্রেড লাইসেন্স, DoE পরিবেশ ছাড়পত্র (চিংড়ি ঘেরের জন্য), Department of Fisheries অনুমোদন, BSTI ও HACCP সার্টিফিকেশন (রপ্তানির জন্য)। যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

এই চারটি উপজেলা খুলনা জেলার কৃষিপ্রধান ও মিশ্র অর্থনীতির অঞ্চল:

  • বটিয়াঘাটা: সুন্দরবন সন্নিকটস্থ কৃষি ও মৎস্য অঞ্চল। পারশিং প্রক্রিয়াজাতকরণ, মধু ও মৎস্য ব্যবসার সম্ভাবনা।
  • দিঘলিয়া: খুলনা মহানগরীর পূর্বে অবস্থিত — কৃষি, ইটভাটা ও মৎস্য চাষের কেন্দ্র।
  • দুমুরিয়া: পাট, ধান, সবজি চাষ ও কুটির শিল্পের কেন্দ্র। দুমুরিয়ার তাঁতের শাড়ি বিখ্যাত।
  • তেরখাদা: কৃষিপ্রধান উপজেলা — ধান, পাট ও সবজি চাষ।

এসব উপজেলায় কোম্পানির জন্য প্রয়োজন: RJSC নিবন্ধন, উপজেলা পরিষদ/ইউনিয়ন পরিষদ ট্রেড লাইসেন্স, TIN, BIN, ব্যাংক হিসাব। কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, কুটির শিল্প, হস্তশিল্প ও মৎস্য ব্যবসার জন্য এই অঞ্চল উপযুক্ত। যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

খুলনার প্রধান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সন্নিকটে সেবামূলক কোম্পানি গড়ে তোলার চমৎকার সুযোগ রয়েছে:

  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (জিপিএ রোড, ফুলতলা): ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত — আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়। আশপাশে ক্যাফে, বুকশপ, কোচিং, আইটি সেবা ও ছাত্র সেবার সুযোগ।
  • খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (KUET, ফুলতলা রোড): ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত — প্রকৌশল শিক্ষার কেন্দ্র। আইটি, সফটওয়্যার, ইঞ্জিনিয়ারিং কনসালটেন্সি ব্যবসার সুযোগ।
  • খুলনা মেডিকেল কলেজ (বয়রা মহাসড়ক): ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত — মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় ক্লিনিক, ফার্মেসি, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মেডিকেল সরবরাহ ব্যবসার সুযোগ।
  • নর্দান ইউনিভার্সিটি খুলনা ক্যাম্পাস ও অন্যান্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা

শিক্ষা এলাকায় কোম্পানির জন্য প্রয়োজন: RJSC নিবন্ধন, KCC ট্রেড লাইসেন্স, TIN, BIN। হাসপাতাল বা ক্লিনিক হলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর লাইসেন্স, ফার্মেসি হলে ড্রাগ লাইসেন্স। যোগাযোগ করুন

🏭 শিল্প ও রপ্তানি

খুলনায় আইটি ও সফটওয়্যার কোম্পানি গড়ে তোলার সম্ভাবনা ব্যাপক — KUET, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা প্রকৌশলী ও কম্পিউটার বিজ্ঞানীদের সহজলভ্যতা রয়েছে। খুলনায় আইটি কোম্পানি খুলতে:

  • RJSC নিবন্ধন — প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে
  • KCC ট্রেড লাইসেন্স — "Software/IT Service" ক্যাটাগরিতে
  • TIN ও BIN
  • BASE (Bangladesh Association of Software & Services)-এ সদস্যপদ
  • ICT Division-এর নিবন্ধন — সরকারি ইনসেনটিভ ও কর ছাড়ের জন্য
  • BCC (Bangladesh Computer Council) অনুমোদন
  • ন্যূনতম মূলধন: সাধারণত ১–৫ লক্ষ টাকা
  • রপ্তানি আয়ের জন্য — ERP (Export Registration Certificate) ও SWC (Software Worth Certificate)

খুলনার আইটি কোম্পানিগুলো সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ওয়েব ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং, ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং, ডেটা অ্যানালিটিক্স ইত্যাদি কাজে যুক্ত। ICT কর ছাড় আইন অনুযায়ী — আইটি সেবা ও সফটওয়্যার রপ্তানি আয় ২০২৭ সাল পর্যন্ত করমুক্ত। খুলনায় আইটি কোম্পানি সেটআপে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

খান জাহান আলী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর খুলনা জেলার ফুলতলা উপজেলায় নির্মাণাধীন — খুলনা শহর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে। এটি খুলনা-যশোর মহাসড়কের পাশে অবস্থিত এবং সম্পূর্ণ হলে খুলনা অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যে যুগান্তকারী প্রভাব ফেলবে:

  • রপ্তানি সহজীকরণ: চিংড়ি, পাট, চামড়া সরাসরি আকাশপথে রপ্তানির সুযোগ
  • পর্যটন উন্নয়ন: সুন্দরবন ও ষাটগম্বুজ মসজিদ-এ বিদেশি পর্যটক সংযোগ
  • লজিস্টিকস কোম্পানি: বিমানবন্দর-ভিত্তিক কার্গো, কুরিয়ার ও পরিবহন ব্যবসার সম্ভাবনা
  • হোটেল ও আতিথেয়তা: বিমানবন্দর সন্নিকটে হোটেল, মোটেল ও রেস্টুরেন্ট ব্যবসা
  • বিদেশি বিনিয়োগ: আন্তর্জাতিক সংযোগ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করবে
  • রিয়েল এস্টেট: ফুলতলা ও আশপাশের এলাকায় বাণিজ্যিক ভূমির মূল্য বৃদ্ধি

বিমানবন্দর সন্নিকটে কোম্পানি খুলতে চাইলে এখনই পরিকল্পনা শুরু করা উচিত — ভূমি লিজ, RJSC নিবন্ধন ও ট্রেদ লাইসেন্স প্রস্তুত রাখা। বিমানবন্দর-সন্নিকট সেটআপে যোগাযোগ করুন

✅ কমপ্লায়েন্স

খুলনার যেকোনো শিডিউলড ব্যাংক শাখায় কোম্পানির কারেন্ট হিসাব খোলা যায়। খুলনায় প্রধান ব্যাংক শাখাগুলো — Sonali, Janata, Agrani, Rupali, Islami Bank, City Bank, BRAC Bank, Dutch-Bangla, Pubali, Mutual Trust, NCC Bank — KDA Avenue, New Market, Daulatpur, Sonadanga ও Boyra-তে অবস্থিত। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

  • Certificate of Incorporation (RJSC)
  • Memorandum & Articles of Association
  • Form XII (পরিচালক তালিকা)
  • Form IX (পরিচালকের সম্মতি)
  • ট্রেড লাইসেন্স (KCC বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ)
  • TIN সার্টিফিকেট
  • BIN সার্টিফিকেট (প্রযোজ্য হলে)
  • সকল পরিচালকের NID, ছবি ও স্বাক্ষর
  • খুলনার ঠিকানার প্রমাণ (ইউটিলিটি বিল/ভাড়াচুক্তি)
  • ব্যাংকের Account Opening Form

খুলনায় ব্যাংক হিসাব খুলতে সাধারণত ২–৭ কর্মদিবস সময় লাগে। আমাদের প্যাকেজে ব্যাংক হিসাব খোলার সম্পূর্ণ সহায়তা অন্তর্ভুক্ত। বিস্তারিত জানুন

✅ কমপ্লায়েন্স

হ্যাঁ। খুলনায় নিবন্ধিত কোম্পানির জন্য Companies Act 1994 অনুযায়ী বার্ষিক কমপ্লায়েন্স বাধ্যতামূলক:

  • Annual General Meeting (AGM): নিবন্ধনের ১৮ মাসের মধ্যে প্রথম AGM, এরপর প্রতি বছর ১৫ মাসের মধ্যে
  • Annual Return (RJSC): AGM-এর ২১ দিনের মধ্যে RJSC-তে বার্ষিক রিটার্ন জমা
  • অডিটেড ফাইন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্ট: খুলনার অনুমোদিত Chartered Accountant দ্বারা অডিট
  • KCC ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন: প্রতি বছর ৩০ জুনের মধ্যে
  • আয়কর রিটার্ন: NBR-এ বার্ষিক (কোম্পানির কর হার ২২.৫% থেকে শুরু)
  • VAT রিটার্ন: BIN থাকলে প্রতি মাসে

খুলনায় কমপ্লায়েন্স ব্যর্থতার ফলে জরিমানা, পরিচালক অযোগ্যতা বা কোম্পানি বিলুপ্তি হতে পারে। আমাদের খুলনা বার্ষিক কমপ্লায়েন্স প্যাকেজ কোম্পানিকে সর্বদা আপ-টু-ডেট রাখে।

💰 খরচ ও ফি

খুলনা সিটি কর্পোরেশন (KCC)-তে ট্রেদ লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন, মূলধন ও এলাকা অনুযায়ী নির্ধারিত হয়:

  • ছোট খুচরা দোকান: ২,০০০–৪,০০০ টাকা
  • মাঝারি ব্যবসা (পাইকারি, রেস্টুরেন্ট): ৪,০০০–৮,০০০ টাকা
  • বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান: ৮,০০০–১৫,০০০ টাকা
  • শিল্প কারখানা: ১০,০০০–২৫,০০০ টাকা
  • নবায়ন ফি: প্রতি বছর মূল ফির ৮০–১০০%
  • অতিরিক্ত সাইনবোর্ড ট্যাক্স: ৫০০–২,০০০ টাকা
  • KCC ওয়ার্ড কাউন্সিলর স্বাক্ষর ফি: সাধারণত বিনামূল্যে বা নামমাত্র

ট্রেদ লাইসেন্স ব্যতিত ব্যবসা পরিচালনা করলে ৫,০০০–২৫,০০০ টাকা জরিমানা হতে পারে। খুলনা পৌরসভা বা উপজেলা পরিষদ এলাকায় ফি কিছুটা কম। KCC ট্রেদ লাইসেন্স সহায়তায় যোগাযোগ করুন

💰 খরচ ও ফি

Stamp Act 1899 অনুযায়ী খুলনায় MOA ও AOA-এর স্ট্যাম্প ডিউটি অনুমোদিত মূলধনের ভিত্তিতে নির্ধারিত — খুলনা ঢাকার মতোই একই হারে প্রযোজ্য:

  • অনুমোদিত মূলধন ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত: MOA ২,০০০ + AOA ১,০০০ টাকা
  • ১০–৫০ লক্ষ টাকা: MOA ৪,০০০ + AOA ২,০০০ টাকা
  • ৫০ লক্ষ–১ কোটি টাকা: MOA ৮,০০০ + AOA ৪,০০০ টাকা
  • ১ কোটির বেশি: অনুপাতিক হারে স্ট্যাম্প ডিউটি
  • Form IX ও Form XII: প্রতিটির জন্য ১০ টাকা স্ট্যাম্প

স্ট্যাম্প ডিউটি খুলনার সরকারি ট্রেজারি (খুলনা কালেক্টরেট, KDA Avenue) বা নির্ধারিত ব্যাংকে (Sonali, Janata, Agrani) পরিশোধ করা যায়। আমাদের প্যাকেজে স্ট্যাম্প ডিউটি ও সকল সরকারি ফি অন্তর্ভুক্ত। প্যাকেজ মূল্য জানতে ক্লিক করুন

✅ কমপ্লায়েন্স

Trademarks Act 2009 অনুযায়ী বাংলাদেশে ব্র্যান্ড নাম, লোগো, স্লোগান ট্রেডমার্ক হিসেবে নিবন্ধন করা যায়। Department of Patents, Designs and Trademarks (DPDT) নিবন্ধন প্রদান করে — ঢাকায় অবস্থিত হলেও খুলনা থেকে অনলাইনে আবেদন করা যায়। প্রক্রিয়া:

  • ট্রেডমার্ক সার্চ: DPDT পোর্টালে পূর্ব-নিবন্ধিত নামের সাথে মিল যাচাই
  • আবেদন দাখিল: Form TM-1, ফি ৩,৫০০ টাকা
  • পরীক্ষা ও প্রতিবেদন: DPDT আবেদন পরীক্ষা
  • প্রকাশনা: Trade Mark Journal-এ প্রকাশ — ৪ মাসের বিরোধ পর্যবেক্ষণ
  • নিবন্ধন সার্টিফিকেট: বিরোধ না থাকলে সার্টিফিকেট প্রদান
  • মেয়াদ: ৭ বছর, পরে ১০ বছর করে নবায়নযোগ্য

সম্পূর্ণ ট্রেডমার্ক নিবন্ধনে সাধারণত ১৮–২৪ মাস সময় লাগে। খুলনার চিংড়ি, পাট, হস্তশিল্প ও পোশাক ব্র্যান্ডের জন্য ট্রেডমার্ক নিবন্ধন আন্তর্জাতিক বাজারে সুরক্ষা দেয়। যোগাযোগ করুন

🏭 শিল্প ও রপ্তানি

হ্যাঁ। খুলনায় বিদেশি বিনিয়োগের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে — বিশেষত চিংড়ি প্রক্রিয়াজাতকরণ, জুট, চামড়া, শিপবিল্ডিং ও মংলা বন্দর-ভিত্তিক লজিস্টিকস খাতে। Bangladesh Investment Development Authority (BIDA) বিদেশি বিনিয়োগ (FDI) সহজতর করে। মূল বিষয়:

  • ১০০% বিদেশি মালিকানা অনুমোদিত (বেশিরভাগ খাতে)
  • ন্যূনতম বিদেশি বিনিয়োগ ৫০,০০০ মার্কিন ডলার
  • Encashment Certificate — বিদেশি মূলধন ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রেরণের প্রমাণ
  • ওয়ার্ক পারমিট ও বিনিয়োগকারী ভিসা BIDA-এর মাধ্যমে
  • মংলা EPZ-এ বিশেষ কর ছাড় ও সুবিধা
  • মুনাফা স্থানান্তরের সুবিধা
  • বিদেশি কর্মীদের জন্য কর ছাড়
  • পাসপোর্ট, অ্যাপোস্টিল কাগজপত্র প্রয়োজন

খুলনায় বিদেশি বিনিয়োগের জন্য সম্পূর্ণ প্যাকেজ: BIDA অনুমোদন, RJSC নিবন্ধন, Encashment Certificate, ট্রেদ লাইসেন্স, TIN/BIN, ব্যাংক হিসাব, ওয়ার্ক পারমিট ও ভিসা সহায়তা। বিস্তারিত পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন

📦 প্যাকেজ ও মূল্য

আমাদের খুলনা কোম্পানি নিবন্ধন ও বিজনেস সেটআপ প্যাকেজ বেছে নেওয়ার প্রধান কারণসমূহ:

  • খুলনা-নির্দিষ্ট দক্ষতা: KCC, KDA, মংলা বন্দর ও খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় স্থানীয় অভিজ্ঞতা
  • অভিজ্ঞ আইনি দল: Companies Act 1994 ও RJSC প্রক্রিয়ায় বিশেষজ্ঞ
  • স্বচ্ছ মূল্য: কোনো লুকানো চার্জ নেই — সব সরকারি ফি অন্তর্ভুক্ত
  • চিংড়ি, জুট, শিপিং বিশেষজ্ঞতা: খুলনার প্রধান শিল্প খাতে কাস্টমাইজড প্যাকেজ
  • মংলা বন্দর ও EPZ সহায়তা: IRC/ERC, BEPZA অনুমোদন সহ
  • অনলাইন ও অফলাইন সেবা: খুলনা শহর ও সকল উপজেলা থেকে সেবা গ্রহণযোগ্য
  • একক যোগাযোগ বিন্দু: ডেডিকেটেড কেস ম্যানেজার
  • ১ বছরের কমপ্লায়েন্স পরামর্শ: বিনামূল্যে
  • খুলনা বিভাগের সকল জেলায় সেবা: খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, মাগুরা ও নড়াইল
  • বিদেশি বিনিয়োগ বিশেষজ্ঞতা: BIDA, Encashment, ওয়ার্ক পারমিট সহ
  • নন-ডিসক্লোজার চুক্তি: সম্পূর্ণ গোপনীয়তা

আজই খুলনায় আপনার বিজনেস সেটআপ যাত্রা শুরু করুন — বিনামূল্যে প্রাথমিক পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন

আপনার অনুসন্ধানের সাথে মিলে যাওয়া কোনো FAQ পাওয়া যায়নি। অন্য কীওয়ার্ড চেষ্টা করুন অথবা সরাসরি আমাদের খুলনা আইনজীবীদের জিজ্ঞাসা করুন

তথ্যসূত্র: Companies Act 1994 (Bangladesh), Registrar of Joint Stock Companies and Firms (RJSC)BIDA নীতিমালা (২০২৫–২০২৬)।
খুলনা বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম শহর ও খুলনা বিভাগ-এর সদর দপ্তর। খুলনা সিটি কর্পোরেশন (KCC) ৩১টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
মংলা বন্দর বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান সমুদ্রবন্দর, যা খুলনা থেকে ৪৮ কিলোমিটার দূরে বাগেরহাট জেলা-য় অবস্থিত।
সুন্দরবন — বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন ও UNESCO বিশ্ব ঐতিত্ববাহী স্থান, খুলনা অঞ্চলের সন্নিকটে অবস্থিত।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (KUET) ও খুলনা মেডিকেল কলেজ খুলনার প্রধান উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
খুলনা শিপইয়ার্ড, পাট শিল্প ও চিংড়ি চাষ খুলনার প্রধান শিল্প। BEPZA কর্তৃক পরিচালিত মংলা EPZ বিদেশি বিনিয়োগের কেন্দ্র।
যশোর, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, মাগুরানড়াইল — খুলনা বিভাগের অন্যান্য জেলা।
এই FAQ টুলটি কেবল তথ্যপ্রদানের উদ্দেশ্যে তৈরি — এটি আইনি পরামর্শ নয়। আনুষ্ঠানিক কমপ্লায়েন্স পরামর্শের জন্য আমাদের অভিজ্ঞ আইনজীবীদের সাথে যোগাযোগ করুন
খুলনা-নির্দিষ্ট সহায়তা প্রয়োজন? আমাদের খুলনা আইনি ও ব্যবসায়িক পরামর্শকদের সাথে যোগাযোগ করুন — খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর সহ খুলনা বিভাগের সকল জেলায় সেবা প্রদান করা হয়।

Aeenx Footer

booked from Bangladesh Booking Notification

Aeenx Chatbot