Contact Now
Select your region
প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি খুলতে ন্যূনতম মূলধন কত? | RJSC কোম্পানি নিবন্ধন ২০২৪
💰 কোম্পানি আইন ১৯৯৪ ও RJSC এর সর্বশেষ নির্দেশিকা অনুযায়ী — ২০২৪ আপডেট

প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি খুলতে
ন্যূনতম মূলধন কত?

বাংলাদেশে স্থানীয় ও বিদেশি উদ্যোক্তাদের জন্য প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন (Authorized Capital) এবং পরিশোধিত মূলধন (Paid-up Capital) এর বিস্তারিত হিসাব, ব্যাংক সার্টিফিকেট প্রক্রিয়া এবং ভৌগোলিক এলাকাভিত্তিক ৩০+ প্রশ্নোত্তর।

📋 মূলধন জমার ধাপসমূহ

মূলধন নির্ধারণ
ব্যাংক হিসাব খোলা
টাকা জমা ও সার্টিফিকেট
RJSC আবেদন
সার্টিফিকেট গ্রহণ

RJSC কোম্পানি নিবন্ধন ও মূলধন সংক্রান্ত তথ্য

বাংলাদেশে কোম্পানি আইন ১৯৯৪ অনুযায়ী, প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির ন্যূনতম অনুমোদিত মূলধন নির্ধারণে স্থানীয় ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য আলাদা নিয়ম প্রযোজ্য। বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে BIDA-এর অনুমোদন গুরুত্বপূর্ণ।

স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জন্য: সম্পূর্ণ স্থানীয় মালিকানার প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির ন্যূনতম অনুমোদিত মূলধন সাধারণত ১ লাখ টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ১ লাখ টাকা রাখা প্রচলিত রীতি, যদিও আইনত এটি আরও কম হতে পারে।
⚠️ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য: ১০০% বিদেশি মালিকানা বা বিদেশি শেয়ারহোল্ডার থাকলে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (BIDA) নিয়ম অনুযায়ী ন্যূনতম বিদেশি বিনিয়োগ ৫০,০০০ মার্কিন ডলার (প্রায় ৫০ লাখ টাকা) হতে হয়।
৩০টির মধ্যে ৩০টি প্রশ্ন দেখাচ্ছে
💰 ন্যূনতম মূলধন

কোম্পানি আইন ১৯৯৪ অনুযায়ী, একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির ন্যূনতম অনুমোদিত মূলধন (Authorized Capital) আইনত কোনো নির্দিষ্ট পরিমাণ নির্ধারণ করা নেই। তবে বাস্তবে এবং RJSC নিবন্ধনের সুবিধার্থে সাধারণত ১ লাখ টাকা ন্যূনতম অনুমোদিত মূলধন হিসেবে রাখা হয়।

  • আইনি সীমা: কোম্পানি আইনে স্থানীয় প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির জন্য কোনো সর্বনিম্ন মূলধন নির্ধারণ করা নেই।
  • বাস্তব প্রচলন: রেজিস্ট্রেশন ফি ও স্ট্যাম্প ডিউটি সাশ্রয়ে ১ থেকে ৫ লাখ টাকা অনুমোদিত মূলধন রাখা প্রচলিত।
  • পরিশোধিত মূলধন: অনুমোদিত মূলধনের ন্যূনতম ১% বা ১ লাখ টাকা (যেটি কম) পরিশোধিত মূলধন হিসেবে জমা দিতে হয়।
💰 ন্যূনতম মূলধন

এই দুটি প্রায়শই বিভ্রান্তির কারণ হয়, তবে এদের অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন:

  • অনুমোদিত মূলধন (Authorized Capital): এটি হলো সর্বোচ্চ মূলধনের পরিমাণ যা MOA-তে উল্লেখ করে কোম্পানি ইস্যু করার অধিকার রাখে। এটি কোম্পানির সম্ভাব্য আকার নির্দেশ করে।
  • পরিশোধিত মূলধন (Paid-up Capital): এটি হলো অনুমোদিত মূলধনের অংশ, যা শেয়ারহোল্ডাররা প্রকৃতপক্ষে কোম্পানিতে জমা দিয়েছেন। ব্যাংক হিসাবে এই টাকা জমা থাকে।
  • উদাহরণ: অনুমোদিত মূলধন ১০ লাখ টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ১ লাখ টাকা হতে পারে। বাকি ৯ লাখ টাকা ভবিষ্যতে পরিশোধ করা যাবে।
🇧🇩 স্থানীয় বিনিয়োগ

সম্পূর্ণ স্থানীয় মালিকানার কোম্পানির জন্য পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ নির্ভর করে ব্যবসার ধরনের উপর।

  • সাধারণ ট্রেডিং/সার্ভিস: ১ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধন সবচেয়ে বেশি প্রচলিত।
  • আইনি বাধ্যবাধকতা: আইনত পরিশোধিত মূলধন অনুমোদিত মূলধনের চেয়ে বেশি হতে পারে না।
  • কোম্পানি সচিব: পরিশোধিত মূলধন ৫ লাখ টাকার বেশি হলে পূর্ণকালীন কোম্পানি সচিব নিয়োগ দিতে হয়। তাই ছোট কোম্পানির জন্য ৫ লাখ টাকার নিচে রাখাই সুবিধাজনক।
🌍 বিদেশি বিনিয়োগ

বিদেশি বিনিয়োগকারী থাকলে BIDA (বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ)-এর নিয়ম অনুযায়ী মূলধনের পরিমাণ অনেক বেশি হতে হয়:

  • ১০০% বিদেশি মালিকানা: ন্যূনতম ৫০,০০০ মার্কিন ডলার (প্রায় ৫০ লাখ টাকা) বিদেশি মুদ্রা হিসেবে আনতে হবে।
  • যৌথ মালিকানা (Joint Venture): স্থানীয় ও বিদেশি অংশীদার থাকলেও বিদেশি বিনিয়োগের ন্যূনতম পরিমাণ সাধারণত ৫০,০০০ মার্কিন ডলার হতে হয়।
  • এনক্যাশমেন্ট সার্টিফিকেট: এই বিদেশি মুদ্রা বাংলাদেশে আনার প্রমাণ হিসেবে ব্যাংক থেকে এনক্যাশমেন্ট সার্টিফিকেট নিতে হবে।
🏦 ব্যাংক সার্টিফিকেট

ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া বেশ সোজা:

  • অস্থায়ী ব্যাংক হিসাব: প্রস্তাবিত কোম্পানির নামে যেকোনো তফসিলি ব্যাংকে একটি অস্থায়ী কারেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলুন।
  • টাকা জমা: শেয়ারহোল্ডারদের প্রপোরশন অনুযায়ী পরিশোধিত মূলধন এই হিসাবে জমা করুন।
  • সার্টিফিকেট সংগ্রহ: জমার পর ব্যাংক থেকে "Pay-in-Slip" বা "Bank Certificate" সংগ্রহ করুন, যেখানে প্রতিটি শেয়ারহোল্ডারের জমার পরিমাণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে।
  • RJSC জমা: এই সার্টিফিকেট স্ক্যান করে RJSC পোর্টালে আপলোড করতে হবে।
📍 ঢাকা

ঢাকায় কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ব্যবসার ধরন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ওপর নির্ভর করে।

  • ছোট স্টার্টআপ/আইটি: ১ থেকে ২ লাখ টাকা।
  • ট্রেডিং/কনসালটেন্সি: ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা।
  • ম্যানুফ্যাকচারিং: ২০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
  • ঢাকায় ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে চুক্তির ক্ষেত্রে কোম্পানির মূলধন বেশি থাকলে বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ে।
📍 চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের বন্দর এলাকায় আমদানি-রপ্তানি ব্যবসার জন্য মূলধনের চাহিদা তুলনামূলক বেশি।

  • ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন: ব্যাংক ও কাস্টমসের সুবিধার জন্য অন্তত ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা রাখা উচিত।
  • IRC/ERC এর জন্য: আমদানি বা রপ্তানি নিবন্ধন সনদ পেতে পর্যাপ্ত মূলধন ও ট্রেড লাইসেন্স প্রয়োজন।
📍 সিলেট

সিলেটে বিদেশি বিনিয়োগ, বিশেষ করে প্রবাসীদের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী:

  • BIDA অনুমোদন: ১০০% বিদেশি বা যৌথ মালিকানায় ন্যূনতম ৫০,০০০ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ বাধ্যতামূলক।
  • সুবিধা: সিলেটের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে (SEZ) বিনিয়োগ করলে কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সুবিধা পাওয়া যায়।
💻 সেক্টরভিত্তিক

হ্যাঁ, আইটি বা সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির জন্য ১ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধন সম্পূর্ণ যথেষ্ট।

  • পরিচালন ব্যয়: আইটি কোম্পানির শুরুতে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ছাড়া বিশাল মূলধনের প্রয়োজন হয় না।
  • BASIS সদস্যপদ: বাংলাদেশ সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (BASIS)-এর সদস্যপদ পেতে পরিশোধিত মূলধনের কিছু শর্ত থাকতে পারে।
📍 খুলনা

খুলনা বিভাগে চিংড়ি, কৃষি বা মৎস্য খাতে কোম্পানি খুলতে:

  • ন্যূনতম মূলধন: ১ থেকে ৫ লাখ টাকা দিয়ে শুরু করা সম্ভব।
  • ঋণ সুবিধা: কৃষি খাতে বিভিন্ন সরকারি ও এনজিও ঋণের জন্য কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন কমপক্ষে ৫ লাখ টাকা থাকলে সুবিধা হয়।
📍 বরিশাল

রিয়েল এস্টেট বা ডেভেলপার কোম্পানির জন্য উচ্চ মূলধন প্রয়োজন।

  • REHAB সদস্যপদ: যদি আপনি REHAB-এর সদস্য হতে চান, তবে ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন সাধারণত ১ কোটি টাকা হতে হয়।
  • সাধারণ ডেভেলপার: স্থানীয় পর্যায়ে ছোট প্রজেক্টের জন্য ১০ থেকে ২০ লাখ টাকা মূলধন দিয়ে শুরু করা যায়।
💰 ন্যূনতম মূলধন

আইনত ১ টাকা মূলধনে কোম্পানি নিবন্ধন সম্ভব হলেও, বাস্তবে এটি অত্যন্ত অস্বাভাবিক এবং অনুচিত।

  • সরকারি ফি: অনুমোদিত মূলধন বাড়লে রেজিস্ট্রেশন ফি ও স্ট্যাম্প ডিউটি বাড়ে, তাই ১ লাখ টাকার নিচে মূলধন রাখলে খরচ কম হয়।
  • বিশ্বাসযোগ্যতা: ১ টাকা মূলধনের কোম্পানি ব্যাংক, ক্লায়েন্ট বা বিনিয়োগকারীদের কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না।
📍 রংপুর

রংপুরে ছোট আকারের ট্রেডিং বা উৎপাদন কোম্পানির জন্য:

  • ন্যূনতম ১ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধন সবচেয়ে আদর্শ।
  • স্থানীয় পৌরসভা বা জেলা পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্সের জন্য পর্যাপ্ত মূলধন দেখাতে হবে।
📍 ময়মনসিংহ

গার্মেন্টস বা টেক্সটাইল মূলধন নিবিড় শিল্প:

  • সাব-কন্ট্রাক্টিং: ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধন দিয়ে সাব-কন্ট্রাক্ট কাজ শুরু করা যায়।
  • সম্পূর্ণ রপ্তানি মুখী: BGMEA বা BKMEA সদস্যপদ এবং ব্যাংকিং সুবিধার জন্য অন্তত ৫০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধন রাখা প্রয়োজন।
🏦 ব্যাংক সার্টিফিকেট

হ্যাঁ, এনক্যাশমেন্ট সার্টিফিকেট হলো বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পরিশোধিত মূলধনের একমাত্র প্রমাণপত্র।

  • বিদেশ থেকে টাকা ব্যাংকিং চ্যানেলে আনার পর বাংলাদেশি টাকায় রূপান্তরের প্রমাণই হলো এনক্যাশমেন্ট সার্টিফিকেট।
  • RJSC-তে এই সার্টিফিকেট ছাড়া বিদেশি শেয়ারহোল্ডারের মূলধন গ্রহণযোগ্য হয় না।
📍 কক্সবাজার

কক্সবাজারের পর্যটন সেক্টর বর্তমানে অনেক আকর্ষণীয়:

  • ট্রাভেল এজেন্সি: ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা।
  • স্ট্যান্ডার্ড হোটেল/রিসোর্ট: ১ কোটি টাকা বা তার বেশি অনুমোদিত মূলধন প্রয়োজন, কারণ ব্যাংক লোন ও পরিবেশ অনুমোদনের জন্য শক্তিশালী আর্থিক অবস্থান দেখাতে হয়।
📍 গাজীপুর

গাজীপুরের কন্ডা বা টঙ্গী শিল্প এলাকায়:

  • ম্যানুফ্যাকচারিং: বিইজিএ (BEPZA) বা সরকারি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেটে প্লট বরাদ্দ পেতে অন্তত ৫০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা মূলধন দেখাতে হয়।
  • ওয়ার্কশপ: ছোট ওয়ার্কশপের জন্য ৫-১০ লাখ টাকা যথেষ্ট।
📍 নারায়ণগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জ পোশাক ও হাট-বাজারের শহর হিসেবে পরিচিত:

  • সাধারণ ট্রেডিং কোম্পানির জন্য ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধন রাখলে ব্যাংকিং ও এলসি (LC) খোলার সুবিধা পাওয়া যায়।
💰 ন্যূনতম মূলধন

হ্যাঁ, অনুমোদিত মূলধনের পরিমাণ বাড়লে সরকারি ফি ও স্ট্যাম্প ডিউটি স্ল্যাব অনুযায়ী বৃদ্ধি পায়।

  • প্রথম ১ লাখ টাকা বা এর কম মূলধনের জন্য সর্বনিম্ন ফি।
  • ১ কোটি টাকা পর্যন্ত মূলধনের জন্য ফি ও ডিউটি অনেক বেশি হয়। তাই প্রয়োজনীয় পরিমাণের চেয়ে অতিরিক্ত মূলধন না রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।
🏦 ব্যাংক সার্টিফিকেট

না, পরিশোধিত মূলধন (Paid-up Capital) অবশ্যই ব্যাংকে জমা দিতে হবে এবং এর সার্টিফিকেট RJSC-তে জমা দিতে হয়।

  • ব্যাংক সার্টিফিকেট ছাড়া আবেদন গ্রহণযোগ্য হয় না।
  • কোম্পানি নিবন্ধনের পর এই অস্থায়ী হিসাবটি স্থায়ী কারেন্ট অ্যাকাউন্টে রূপান্তর করা যায়।
📍 যশোর

ফ্রেঞ্চাইজি ব্যবসার ক্ষেত্রে মূলধন নির্ভর করে মূল কোম্পানির শর্তের উপর:

  • সাধারণত ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধন রাখলেই ফ্রেঞ্চাইজি শুরু করা যায়।
  • বড় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের ফ্রেঞ্চাইজি নিতে হলে ১ কোটি টাকা বা তার বেশি মূলধন প্রয়োজন হতে পারে।
📍 কুমিল্লা

কুমিল্লায় ই-কমার্স বা লজিস্টিকস কোম্পানির জন্য:

  • ন্যূনতম ১ থেকে ৫ লাখ টাকা মূলধন যথেষ্ট।
  • তবে পেমেন্ট গেটওয়ে ও ব্যাংকের সাথে চুক্তির জন্য ৫ লাখ টাকার বেশি মূলধন সুবিধাজনক।
🌍 বিদেশি বিনিয়োগ

প্রবাসী বাংলাদেশি (NRB) হিসেবে বিদেশি মুদ্রায় বিনিয়োগ করতে চাইলে:

  • বিদেশি মুদ্রায় বিনিয়োগ করলে BIDA-এর নিয়ম অনুযায়ী ন্যূনতম ৫০,০০০ মার্কিন ডলার লাগবে।
  • তবে স্থানীয় টাকায় (বাংলাদেশি ব্যাংক হিসাব থেকে) বিনিয়োগ করলে স্থানীয় নাগরিকদের মতো ১ লাখ টাকা দিয়েই শুরু করা যাবে।
📍 বগুড়া

বগুড়ায় উৎপাদন ভিত্তিক কোম্পানির জন্য:

  • যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল ক্রয়ের জন্য অন্তত ২০-৩০ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধন রাখা উচিত।
  • ব্যাংক ঋণ নিতে চাইলে উচ্চ মূলধন প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক।
📍 সাভার

ব্যাংক হিসাব খোলার জন্য কোনো নির্দিষ্ট মূলধনের বাধ্যবাধকতা নেই, তবে বাস্তবে:

  • কারেন্ট অ্যাকাউন্ট সুবিধার জন্য ব্যাংকগুলো সাধারণত কমপক্ষে ১ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধন সহ কোম্পানির নিবন্ধন দেখতে চায়।
💻 সেক্টরভিত্তিক

টেলিকমিউনিকেশন বা ISP ব্যবসার জন্য BTRC নির্দিষ্ট মূলধনের শর্ত আরোপ করে:

  • ISP লাইসেন্স: অন্তত ১ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন থাকতে হয়।
  • অন্যান্য টেলিকম সেবা: সেবার ধরন অনুযায়ী এটি ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
📍 টাঙ্গাইল

টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী তাঁত শিল্পের জন্য:

  • স্থানীয় বাজারের জন্য ২-৩ লাখ টাকা মূলধন যথেষ্ট।
  • রপ্তানি মুখী তাঁত ব্যবসার জন্য ১০ থেকে ২০ লাখ টাকা অনুমোদিত মূলধন রাখলে এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরোতে (EPB) রেজিস্ট্রেশন সহজ হয়।
📍 নোয়াখালী

সোস্যাল বিজনেস বা অলাভজনক কোম্পানির জন্যও RJSC-তে প্রাইভেট লিমিটেড হিসেবে নিবন্ধন করতে হয়:

  • ন্যূনতম ১ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধন প্রয়োজন।
  • এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর সাথে কাজ করতে চাইলে তাদের নির্দেশিকা মানতে হবে, যেখানে আলাদা তহবিলের শর্ত থাকতে পারে।
📍 পটুয়াখালী

পটুয়াখালীতে চিংড়ি বা সামুদ্রিক মাছের ব্যবসার জন্য:

  • স্থানীয় বাজারের জন্য ৫-১০ লাখ টাকা।
  • রপ্তানি ব্যবসার জন্য ২০-৫০ লাখ টাকা মূলধন প্রয়োজন হয়, কারণ কোল্ড স্টোরেজ ও পরিবহন খরচ বেশি।
📍 হবিগঞ্জ

হবিগঞ্জের চা বাগান বা বৃক্ষরোপণ খাতে বিনিয়োগের জন্য:

  • চা বাগান ইজারা বা ক্রয়ের জন্য অন্তত ১ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধন প্রয়োজন হয়।
  • ছোট পরিসরে কৃষি প্রসেসিং কোম্পানির জন্য ১০-২০ লাখ টাকা মূলধন যথেষ্ট।
কোনো প্রশ্ন পাওয়া যায়নি

কোম্পানি নিবন্ধন ও মূলধন নির্ধারণে বিশেষজ্ঞ সহায়তা প্রয়োজন?

আমাদের আইনি টিম আপনার ব্যবসার ধরন অনুযায়ী সঠিক মূলধন কাঠামো তৈরি ও RJSC নিবন্ধনে সহায়তা করবে।

বিনামূল্যে কনসালটেশন নিন
Aeenx Footer

booked from Bangladesh Booking Notification

Aeenx Chatbot