Contact Now
Select your region
গুলশানে বিবাহ-বিচ্ছেদ করুন ঘরে বসে অভিজ্ঞ আইনজীবীর মাধ্যমে | ফ্যামিলি ল সেটআপ ২০২৫–২০২৬

গুলশানে বিবাহ-বিচ্ছেদ করুন ঘরে বসে
অভিজ্ঞ আইনজীবীর মাধ্যমে

গুলশান, বনানী, বারিধারা ও বসুন্ধারা এলাকায় বিবাহ নিবন্ধন (কাবিননামা), ডিভোর্স নোটিশ, খোলা (Khula), দেনমোহর আদায়, সন্তানের হেফাজত ও পারিবারিক আদালতে মামলা সংক্রান্ত প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী — Muslim Family Laws Ordinance 1961 ও সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী।

ফ্যামিলি ল FAQ টুল
আপডেট: জুন ২০২৬

গুলশানে সম্পূর্ণ ফ্যামিলি ল সেটআপ প্যাকেজ — ঘরে বসে সেবা

কাবিননামা রেজিস্ট্রেশন → ডিভোর্স নোটিশ ড্রাফটিং → নোটারি ও কুরিয়ার → DNCC ফাইলিং → খোলা/দেনমোহর মামলা → সন্তানের হেফাজত পিটিশন — সবকিছু আমাদের অভিজ্ঞ ফ্যামিলি ল আইনজীবী দল দ্বারা পরিচালিত। গুলশান-১, গুলশান-২, বনানী, বারিধারা ডিওএইচএস, বসুন্ধারা আর/এ, নিকেতন ও বাড্ডা এলাকার বাসিন্দাদের জন্য ঘরে বসে ও অনলাইনে আইনি সহায়তা।

প্রদর্শিত হচ্ছে ৩৫ এর মধ্যে ৩৫ টি FAQ
⚖️ বিবাহ বিচ্ছেদ

গুলশান এলাকায় ঘরে বসে ডিভোর্স নোটিশ প্রস্তুত ও প্রেরণের সম্পূর্ণ খরচ:

  • আইনজীবী ফি (ড্রাফটিং ও সুপারিশ): ৫,০০০ – ১৫,০০০ টাকা
  • নোটারি পাবলিক ফি: ৫০০ – ১,০০০ টাকা
  • কুরিয়ার চার্জ: ৩০০ – ৫০০ টাকা (স্ত্রী/স্বামী ও সিটি কর্পোরেশনে পাঠানোর জন্য)
  • মোট প্যাকেজ খরচ: সাধারণত ৬,০০০ থেকে ১৮,০০০ টাকার মধ্যে।

আমাদের ঘরে বসে ডিভোর্স প্যাকেজ এ ক্লায়েন্টকে কোনো আইনজীবীর চেম্বারে যেতে হয় না। ভিডিও কলে পরামর্শ এবং কুরিয়ারের মাধ্যমে সব কাগজপত্র সম্পন্ন হয়। আজই বুক করতে ক্লিক করুন

⚖️ বিবাহ বিচ্ছেদ

গুলশান এলাকার বাসিন্দাদের Muslim Family Laws Ordinance 1961 (Section 8) অনুযায়ী ডিভোর্স নোটিশ নিম্নলিখিত ঠিকানায় পাঠাতে হয়:

  • মেয়রের কাছে: ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (DNCC)-এর সংশ্লিষ্ট জোন অফিসে (সাধারণত গুলশান ও বনানী এলাকার জন্য DNCC জোন-৩ অফিস)।
  • স্ত্রীর ঠিকানায়: স্ত্রী যেখানে বর্তমানে অবস্থান করছেন সেখানে রেজিস্টার্ড পোস্টে বা কুরিয়ারে।
  • স্ত্রীর পিতা/অভিভাবকের ঠিকানায়: স্ত্রীর স্থায়ী ঠিকানা।

নোটিশটি অবশ্যই নোটারি পাবলিক কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে। আমরা গুলশানের বাসিন্দাদের পক্ষে সব প্রক্রিয়া ঘরে বসে সম্পন্ন করি। যোগাযোগ করুন

⚖️ বিবাহ বিচ্ছেদ

আইন অনুযায়ী, ডিভোর্স নোটিশ স্ত্রী বা DNCC অফিসে পৌঁছানোর ৯০ দিন (Ninety Days) পর তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হয়। এই সময়ের মধ্যে:

  • স্ত্রী বা স্বামী পারিবারিক আদালতে পুনর্মিলন (Reconciliation) বা আপসের আবেদন করতে পারেন।
  • ৯০ দিন পর সিটি কর্পোরেশন থেকে একটি ডিভোর্স রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে হয়।

৯০ দিন পর সার্টিফিকেট সংগ্রহে আমাদের টিম সহায়তা করে। বিস্তারিত জানুন

💍 বিবাহ নিবন্ধন

গুলশান ও এর আশপাশের এলাকায় কাজী অফিস (Kazi Office) রয়েছে যারা মুসলিম বিবাহ ও ডিভোর্স রেজিস্ট্রেশনের কাজ করে। গুলশানে কাবিননামা রেজিস্ট্রির প্রক্রিয়া:

  • কাজী নিয়োগ: পঞ্চায়েত বা স্থানীয় কাজী অফিস থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত কাজী নিয়োগ করতে হয়।
  • নথিভুক্তি: কাজী নিজে বর ও কনের বাসায় গিয়ে বা অফিসে বসে কাবিননামা রেজিস্টার বইয়ে নথিভুক্ত করেন।
  • দলিল: কাজীর অফিস থেকে একটি মূল কাবিননামা (বিবাহ নিবন্ধন সনদপত্র) প্রদান করা হয়।

আমরা গুলশানের বাসিন্দাদের জন্য অনুমোদিত কাজী ও আইনজীবী নিয়োগ করে ঘরে বসে কাবিননামা রেজিস্ট্রেশন করিয়ে দিই। যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

গুলশান-১ সার্কেল ও এর আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের জন্য একজন অভিজ্ঞ ফ্যামিলি ল আইনজীবী (Family Law Lawyer) প্রয়োজন, যিনি:

  • ডিভোর্স নোটিশ ড্রাফটিং: আইনি ভাষায় নোটিশ প্রস্তুত করবেন।
  • নোটারি ও কুরিয়ার: গুলশান-১ এলাকার নোটারি পাবলিক থেকে সত্যায়িত করে কুরিয়ার করবেন।
  • DNCC জোন-৩ অফিস: গুলশান-১ এর সিটি কর্পোরেশন অফিসে নোটিশ দাখিল করবেন।
  • ৯০ দিন পর ডিভোর্স সার্টিফিকেট সংগ্রহ করবেন।

আমাদের আইনজীবী গুলশান-১ এলাকায় ডোরস্টেপ সেবা প্রদান করেন। আইনজীবী নিয়োগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

গুলশান-২, বনানী ও নিকেতন এলাকার বাসিন্দাদের পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার সাধারণত ঢাকা জেলা জজ কোর্ট (Dhaka District Judge Court)-এ থাকে। পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ 1985 অনুযায়ী:

  • খোলা (Khula): স্ত্রী চাইলে জজ কোর্টে খোলার ডিক্রি নিতে পারেন।
  • দেনমোহর (Dower): দেনমোহর আদায়ের মামলা এখানে করতে হয়।
  • হেফাজত (Custody): সন্তানের হেফাজতের মামলা এই আদালতে দায়ের করা হয়।

আমাদের আইনজীবীরা গুলশান-২ ও বনানী এলাকার ক্লায়েন্টদের পক্ষে জজ কোর্টে মামলা পরিচালনা করেন। পরামর্শ নিন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

বারিধারা ডিওএইচএস ও আশপাশের এলাকায় ডিভোর্স নোটিশ নোটারি (Notary) করার জন্য:

  • ডিভোর্স নোটিশটি আইনজীবী দ্বারা প্রস্তুত করার পর একজন নোটারি পাবলিক-এর কাছে যেতে হয়।
  • বারিধারা এলাকায় নোটারি পাবলিকের চেম্বার রয়েছে, যেখানে স্বামী বা তার প্রতিনিধি স্বাক্ষর করেন।
  • নোটারি সিল ও সত্যায়ন ছাড়া ডিভোর্স নোটিশ সিটি কর্পোরেশন গ্রহণ করে না।
  • আমাদের প্যাকেজে আমরা নোটারি ও কুরিয়ার সেবা ঘরে বসে সম্পন্ন করিয়ে দিই।

বারিধারা ডিওএইচএস-এ ঘরে বসে ডিভোর্স সেবা নিতে ক্লিক করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

বসুন্ধারা আবাসিক এলাকা (R/A) থেকে স্ত্রী যদি খোলা (Khula) করতে চান, তবে প্রক্রিয়া হলো:

  • আইনজীবী নিয়োগ: একজন ফ্যামিলি ল আইনজীবী নিয়োগ করতে হবে।
  • নোটিশ: স্বামীকে খোলার নোটিশ প্রেরণ।
  • মামলা: স্বামী সম্মত হলে পারিবারিক আদালতে যৌথ আবেদন (Mubarat)। সম্মত না হলে খোলার মামলা (Suit for Khula) দায়ের।
  • দেনমোহর: সাধারণত খোলার শর্ত হলো স্ত্রী তার দেনমোহর (Dower) স্বামীকে ফেরত দেবেন।

বসুন্ধারা R/A-তে বসবাসরত মহিলাদের জন্য আমাদের মহিলা আইনজীবী ঘরে বসে খোলা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করান। যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

নিকেতন ও বাড্ডা এলাকায় স্বামী-স্ত্রী যদি পারস্পরিক সম্মতিতে বিচ্ছেদ চান, তবে তাকে মুবারাত (Mubarat) বলা হয়:

  • উভয় পক্ষ একটি যৌথ আবেদন (Joint Petition) পারিবারিক আদালতে দাখিল করেন।
  • আদালত উভয়ের সম্মতি যাচাই করে বিচ্ছেদের ডিক্রি প্রদান করে।
  • দেনমোহর ও ভরণপোষণ নিয়ে পূর্ব-সম্মতি থাকতে হয়।
  • এই প্রক্রিয়ায় সময় কম লাগে (সাধারণত ১-২ মাস)।

পারস্পরিক বিচ্ছেদের আইনি সহায়তায় যোগাযোগ করুন

💞 খোলা ও দেনমোহর

স্বামী ডিভোর্স না দিলে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে খোলার মামলা করতে পারেন। গুলশান থেকে খোলা করতে:

  • সময়: স্বামী যদি আদালতে হাজির হন এবং সম্মত হন, তবে ৩-৬ মাস। স্বামী অনুপস্থিত থাকলে এক্স-পার্টে (Ex-parte) ডিক্রি ৬-৯ মাসে পাওয়া যায়।
  • খরচ: আদালত ফি ৫,০০০-১০,০০০ টাকা। আইনজীবী ফি ২০,০০০-৫০,০০০ টাকা (মামলার জটিলতা অনুযায়ী)।
  • শর্ত: স্ত্রীকে দেনমোহর ফেরত দিতে হতে পারে।

খোলার মামলার জন্য আমাদের মহিলা আইনজীবী নিয়োগ করুন।

👶 সন্তানের হেফাজত

গুলশান বা বনানী এলাকায় বসবাসরত পিতা-মাতার ডিভোর্সের পর সন্তানের হেফাজতের জন্য:

  • মাতার অধিকার: ছেলে সন্তানের জন্য ৭ বছর এবং মেয়ে সন্তানের জন্য বয়ঃপ্রাপ্তি পর্যন্ত মায়ের হেফাজত থাকে (হানাফি আইন)।
  • পিতার অধিকার: ৭ বছরের বেশি ছেলে সন্তানের পিতার হেফাজত থাকে।
  • মামলা: পারিবারিক আদালতে হেফাজতের পিটিশন (Guardianship Petition) দাখিল করতে হয়।
  • কল্যাণ: আদালত সন্তানের কল্যাণ (Welfare of the Child) সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়।

সন্তানের হেফাজত নিশ্চিতে আমাদের আইনজীবী সহায়তা করবেন। যোগাযোগ করুন

👶 সন্তানের হেফাজত

ডিভোর্সের পর সন্তানের হেফাজত স্ত্রীর কাছে থাকলেও স্বামীর সাক্ষাৎ অধিকার (Visitation Right) থাকে:

  • পারিবারিক আদালতে একটি আবেদন করে নির্দিষ্ট দিনে সন্তানকে দেখা করার নির্দেশনা পাওয়া যায়।
  • সাধারণত শুক্রবার বা ছুটির দিনে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়।
  • স্ত্রী যদি সন্তানকে দেখতে দিতে অস্বীকার করেন, তবে আদালত তাকে নির্দেশ দিতে পারে।

সাক্ষাৎ অধিকার নিশ্চিত করতে যোগাযোগ করুন

💞 খোলা ও দেনমোহর

ডিভোর্সের পর স্ত্রী তার দেনমোহর (Denmohr) আদায়ের জন্য আইনি পদক্ষেপ নিতে পারেন:

  • আর্থ রিকভারি আদালত: দেনমোহর একটি ঋণ হিসেবে গণ্য, তাই আর্থ রিকভারি আদালতে মামলা করা যায়।
  • পারিবারিক আদালত: পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ অনুযায়ী মামলা করা যায়।
  • কাবিননামা: কাবিননামায় উল্লেখিত অঙ্ক স্ত্রীর দাবিযোগ্য।
  • খরচ: আদালত ফি ও আইনজীবী ফি আদায়কৃত অর্থের অনুপাতে নির্ভর করে।

দেনমোহর আদায়ে আমাদের আইনজীবী সহায়তা করবেন। যোগাযোগ করুন

📄 কাগজপত্র

গুলশানে ঘরে বসে ডিভোর্স নোটিশ প্রস্তুত ও প্রেরণের জন্য প্রয়োজন:

  • স্বামীর NID কার্ড ও পাসপোর্ট-সাইজ ছবি
  • কাবিননামা (Kabinnama) এর ফটোকপি
  • স্ত্রীর বর্তমান ঠিকানা (যেখানে নোটিশ পাঠানো হবে)
  • স্বামীর স্বাক্ষর (নোটারি করানোর জন্য)
  • স্বামীর উপস্থিতি ছাড়া করালে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি (Power of Attorney) বা ভিডিও সত্যায়ন

কাগজপত্র অনলাইনে বা কুরিয়ারে পাঠালেই আমরা সব প্রক্রিয়া শুরু করি। চেকলিস্ট পান

👶 সন্তানের হেফাজত

আইন অনুযায়ী, পিতা তার সন্তানের ভরণপোষণের জন্য আর্থিকভাবে দায়ী। ডিভোর্সের পর:

  • মামলা: স্ত্রী পারিবারিক আদালতে সন্তানের ভরণপোষণের জন্য মামলা করতে পারেন।
  • পরিমাণ: আদালত পিতার আয় ও সন্তানের প্রয়োজন অনুযায়ী মাসিক ভরণপোষণ নির্ধারণ করে।
  • শিক্ষা ও চিকিৎসা: সন্তানের শিক্ষা ও চিকিৎসা খরচ পিতাকে বহন করতে হবে।
  • স্ত্রীর নিজের ভরণপোষণ শুধুমাত্র ইদ্দত পর্যন্ত (৯০ দিন) পাওয়া যায়।

ভরণপোষণ নিশ্চিত করতে যোগাযোগ করুন

💰 খরচ ও ফি

গুলশান ও আশপাশের এলাকায় ফ্যামিলি ল আইনজীবী ফি মামলার ধরন অনুযায়ী নির্ধারিত:

  • ডিভোর্স নোটিশ প্রস্তুত ও প্রেরণ: ৫,০০০ – ১৫,০০০ টাকা
  • খোলা (Khula) মামলা: ২০,০০০ – ৫০,০০০ টাকা
  • সন্তানের হেফাজত মামলা: ২৫,০০০ – ৬০,০০০ টাকা
  • দেনমোহর আদায়: ১৫,০০০ – ৪০,০০০ টাকা
  • কাবিননামা রেজিস্ট্রেশন (কাজী ফি সহ): ৫,০০০ – ১০,০০০ টাকা

আমরা স্বচ্ছ মূল্যায়ন করি, কোনো লুকানো চার্জ নেই। আজই বুক করুন

💍 বিবাহ নিবন্ধন

গুলশানে কোর্ট ম্যারেজ বা কাজী অফিসে বিবাহ নিবন্ধন করার নিয়ম:

  • বর ও কনের NID, জন্ম নিবন্ধন বা পাসপোর্ট।
  • উভয়ের পাসপোর্ট-সাইজ ছবি এবং সাক্ষীদের ছবি।
  • কনে সম্মতিতে বিয়ে হলে কাজীর উপস্থিতিতে কাবিননামা সম্পাদন।
  • কাজী কর্তৃক বিবাহ রেজিস্টার বইয়ে নথিভুক্তি।

গুলশানে ঘরে বসে কাবিননামা রেজিস্ট্রি করতে যোগাযোগ করুন

💍 বিবাহ নিবন্ধন

গুলশান এলাকার কাজী অফিস থেকে রেজিস্টার করা কাবিননামা হারিয়ে গেলে:

  • কাজী অফিসে আবেদন: সংশ্লিষ্ট কাজী অফিসে একটি লিখিত আবেদন করতে হবে।
  • তথ্য প্রদান: বিবাহ রেজিস্ট্রেশনের তারিখ, কাজীর নাম ও রেজিস্টার নম্বর (মনে থাকলে)।
  • সাক্ষী: বিবাহের সাক্ষীদের উপস্থিতি বা এনওসি প্রয়োজন।
  • কাজী অফিস থেকে একটি ডুপ্লিকেট কাবিননামা (সত্যায়িত কপি) ইস্যু করা হয়।

আমরা কাজী অফিসে আবেদন ও ডুপ্লিকেট সংগ্রহের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করি। যোগাযোগ করুন

💞 খোলা ও দেনমোহর

খোলা বা স্ত্রীর পক্ষ থেকে বিচ্ছেদ চাওয়ার ক্ষেত্রে দেনমোহর ফেরত দেওয়া সাধারণ নিয়ম, তবে এর ব্যতিক্রম আছে:

  • সাধারণ নিয়ম: স্ত্রী স্বেচ্ছায় খোলা চাইলে দেনমোহর ফেরত দিতে হয়।
  • ব্যতিক্রম: যদি স্বামী নির্যাতন করে থাকে বা স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি করে থাকে, তবে আদালত দেনমোহর ফেরত না দিয়েও খোলার ডিক্রি দিতে পারে।
  • আদালত উভয় পক্ষের প্রমাণ যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেয়।

আদালতে খোলার মামলা পরিচালনায় আমাদের আইনজীবী সহায়তা করবেন। পরামর্শ নিন

💍 বিবাহ নিবন্ধন

মুসলিম আইন অনুযায়ী দ্বিতীয় বিবাহের অনুমতি থাকলেও কিছু শর্ত প্রযোজ্য:

  • ন্যায়বিচার: স্বামীকে সকল স্ত্রীর মাঝে সমান ন্যায়বিচার করতে হবে।
  • আর্থিক সক্ষমতা: দ্বিতীয় স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে সক্ষম হতে হবে।
  • অনুমোদন: প্রথম স্ত্রীর লিখিত অনুমতি থাকলে কাজী অফিসে রেজিস্ট্রেশন সহজ হয়, তবে তা বাধ্যতামূলক নয়।
  • আরবিট্রেশন কাউন্সিল: প্রথম স্ত্রী আপত্তি জানালে আরবিট্রেশন কাউন্সিলে নোটিশ দিতে হয়।

দ্বিতীয় বিবাহের আইনি পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন

💻 অনলাইন সেবা

প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে গুলশানের ঠিকানায় স্ত্রীকে ডিভোর্স দিতে:

  • পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি (Power of Attorney): আপনি বাংলাদেশে কাউকে (পিতা/ভাই/আইনজীবী) আপনার পক্ষে ডিভোর্স নোটিশ পাঠানোর জন্য অধিকৃত করতে পারেন।
  • বাংলাদেশ দূতাবাস: বাৎসরিক দূতাবাস থেকে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি সত্যায়িত করে বাংলাদেশে পাঠাতে হবে।
  • অনলাইন সত্যায়ন: কিছু ক্ষেত্রে ভিডিও কলের মাধ্যমে স্বাক্ষর সত্যায়ন করা যায়।
  • অতঃপর আইনজীবী আপনার পক্ষে নোটারি ও কুরিয়ার করে সিটি কর্পোরেশনে দাখিল করবেন।

প্রবাসী ডিভোর্স প্যাকেজের জন্য ক্লিক করুন

⚖️ বিবাহ বিচ্ছেদ

হ্যাঁ, ডিভোর্স নোটিশ পাঠানোর ৯০ দিনের মধ্যে উভয় পক্ষের সম্মতিতে তা বাতিল বা প্রত্যাহার করা যায়:

  • প্রত্যাহার নোটিশ: স্বামী ও স্ত্রী যৌথভাবে একটি প্রত্যাহার নোটিশ (Notice of Revocation) সিটি কর্পোরেশন (DNCC)-তে দাখিল করবেন।
  • নোটারি: প্রত্যাহার নোটিশটি নোটারি পাবলিক কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে।
  • ৯০ দিন অতিবাহিত হয়ে গেলে ডিভোর্স কার্যকর হয়ে যাবে, পরে কেবল পুনরায় কাবিননামা রেজিস্ট্রি করে পুনর্বিবাহ করতে হবে।

ডিভোর্স বাতিলের প্রক্রিয়ায় সহায়তায় যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

কমল আততুর্ক এভিনিউ ও গুলশান-বনানী সংযোগ সড়কের বাসিন্দাদের জন্য:

  • আমাদের আইন সেবা কেন্দ্র গুলশান-১ সার্কেলে অবস্থিত।
  • ডোরস্টেপ বা অনলাইন ভিডিও কনসালটেশনের মাধ্যমে আইনি পরামর্শ।
  • কাবিননামা রেজিস্ট্রেশন ও ডিভোর্স নোটিশ প্রেরণ ঘরে বসে সম্পন্ন।

এই এলাকায় সেবা পেতে যোগাযোগ করুন

📄 কাগজপত্র

কাবিননামায় দেনমোহরের অঙ্ক বা অন্য কোনো তথ্য ভুল হলে:

  • কাজী অফিসে আবেদন: যে কাজী বিবাহ নিবন্ধন করেছেন তাকে একটি লিখিত আবেদন করতে হবে।
  • সংশোধনী রেজিস্টার: কাজী নিজের রেজিস্টার বইয়ে সংশোধন করে একটি নতুন সনদ ইস্যু করবেন।
  • স্বামী ও স্ত্রী উভয়ের স্বাক্ষর ও সাক্ষীদের উপস্থিতি প্রয়োজন।

সংশোধন প্রক্রিয়ায় সহায়তায় যোগাযোগ করুন

👶 সন্তানের হেফাজত

ডিভোর্সের পর স্বামী যদি আইনি হেফাজত লঙ্ঘন করে সন্তানকে নিয়ে যায়:

  • হেবিয়াস কর্পাস (Habeas Corpus): হাইকোর্টে হেবিয়াস কর্পাস পিটিশন দায়ের করা যায়।
  • পারিবারিক আদালত: সন্তানের হেফাজত পুনরুদ্ধারের জন্য পারিবারিক আদালতে মামলা।
  • পুলিশ: সন্তান অপহরণের অভিযোগে গুলশান থানায় সাধারণ ডায়েরি (GD) বা মামলা।

সন্তানের হেফাজত পুনরুদ্ধারে দ্রুত আইনি পদক্ষেপের জন্য যোগাযোগ করুন

💞 খোলা ও দেনমোহর

হ্যাঁ, কাবিননামায় যদি তালাক-ই-তাওফিজ (Talaq-e-Tawfiz) এর অধিকার স্ত্রীকে দেওয়া থাকে, তবে স্ত্রী স্বামীকে ডিভোর্স দিতে পারেন:

  • কাবিননামার ১৮ নং কলাম: এখানে স্ত্রীর ডিভোর্স দেওয়ার অধিকার স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে।
  • প্রক্রিয়া: স্ত্রী স্বামী ও সিটি কর্পোরেশনকে ডিভোর্স নোটিশ প্রেরণ করবেন।
  • কার্যকর: ৯০ দিন পর ডিভোর্স কার্যকর হবে।
  • এই পদ্ধতিতে স্ত্রীকে দেনমোহর ফেরত দিতে হয় না।

তালাক-ই-তাওফিজ প্রক্রিয়ায় আইনি সহায়তায় যোগাযোগ করুন

💰 খরচ ও ফি

গুলশান এলাকায় কাবিননামা রেজিস্ট্রেশনের সরকারি ফি ও কাজী ফি:

  • সরকারি রেজিস্ট্রেশন ফি: ৫০০ – ১,০০০ টাকা (দেনমোহরের অঙ্ক অনুযায়ী)
  • কাজী ফি: ২,০০০ – ৫,০০০ টাকা
  • আইনজীবী সহায়তা (ড্রাফটিং): ৩,০০০ – ৭,০০০ টাকা
  • মোট খরচ: ৫,০০০ – ১২,০০০ টাকার মধ্যে।

ঘরে বসে কাবিননামা রেজিস্ট্রেশন প্যাকেজের জন্য ক্লিক করুন

💻 অনলাইন সেবা

হ্যাঁ, গুলশানে আমাদের অনলাইন আইনি সেবা কেন্দ্র রয়েছে:

  • ভিডিও কনসালটেশন: জুম বা গুগল মিটের মাধ্যমে আইনজীবীর সাথে পরামর্শ।
  • ডকুমেন্ট শেয়ারিং: ইমেইল বা হোয়াটসঅ্যাপে কাগজপত্র প্রেরণ।
  • ডিভোর্স নোটিশ: অনলাইনে নোটিশ ড্রাফট করে কুরিয়ার করা হয়।
  • পেমেন্ট: মোবাইল ব্যাংকিং বা ব্যাংক ট্রান্সফারে ফি পরিশোধ।

অনলাইন আইনি সেবার জন্য যোগাযোগ করুন

💍 বিবাহ নিবন্ধন

বিবাহ বাতিল (Annulment of Marriage) হলো বিবাহকে আইনিভাবে বাতিল ঘোষণা করা। কারণ:

  • জোরপূর্বক বিবাহ: সম্মতি ছাড়া বিয়ে হলে।
  • প্রতারণা: গুরুতর তথ্য গোপন করে বিয়ে হলে।
  • অস্বাভাবিক অবস্থা: স্বামী বা স্ত্রীর মানসিক বা শারীরিক অক্ষমতা থাকলে।

পারিবারিক আদালতে মামলা করে বিবাহ বাতিলের ডিক্রি নেওয়া যায়। পরামর্শ নিন

📄 কাগজপত্র

গুলশান থেকে বিদেশি ভিসার জন্য কাবিননামা যাচাই করতে:

  • কাজী অফিস: প্রথমে সংশ্লিষ্ট কাজী অফিস থেকে কাবিননামার সত্যায়িত কপি।
  • পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (MOFA) থেকে সত্যায়ন।
  • দূতাবাস: সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস থেকে অ্যাটেস্টেশন।

ভিসার জন্য কাবিননামা যাচাইয়ে আমাদের সেবা নিন। যোগাযোগ করুন

⚖️ বিবাহ বিচ্ছেদ

ডিভোর্সের পর স্ত্রী ইদ্দত (Iddat) পালন করতে হয়:

  • ইদ্দত কাল: ৩টি মাসিক চক্র বা গর্ভবতী হলে সন্তান প্রসব পর্যন্ত।
  • পুনর্বিবাহ: ইদ্দত শেষ না হলে স্ত্রী পুনর্বিবাহ করতে পারবেন না।
  • স্বামী মারা গেলেও ৪ মাস ১০ দিন ইদ্দত পালন করতে হয়।

পুনর্বিবাহের আইনি পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন

👶 সন্তানের হেফাজত

সন্তানের ভরণপোষণ আদায়ের মামলার জন্য প্রয়োজন:

  • সন্তানের জন্ম নিবন্ধন: যাতে পিতার নাম উল্লেখ থাকে।
  • পিতার আয়ের প্রমাণ: বেতন স্লিপ, ট্যাক্স রিটার্ন বা ব্যবসার দলিল।
  • সন্তানের খরচ: স্কুল ফি, চিকিৎসা খরচের রশিদ।
  • ডিভোর্স সার্টিফিকেট: বিবাহ বিচ্ছেদের প্রমাণ।

ভরণপোষণ মামলার জন্য যোগাযোগ করুন

💞 খোলা ও দেনমোহর

হ্যাঁ, স্বামীর নির্যাতনের কারণে স্ত্রী একাধিক আইনি পদক্ষেপ নিতে পারেন:

  • খোলা মামলা: নির্যাতনের অভিযোগে খোলার মামলা, যেখানে দেনমোহর ফেরত না দিয়েও ডিক্রি পাওয়া যেতে পারে।
  • যৌতুক মামলা: যৌতুক দাবি বা নির্যাতনের জন্য যৌতুক প্রতিরোধ আইনে মামলা।
  • পারিবারিক আদালত: দেনমোহর ও ভরণপোষণ আদায়।

নির্যাতনের শিকার নারীদের আইনি সহায়তায় যোগাযোগ করুন

💻 অনলাইন সেবা

হ্যাঁ, ডিভোর্স নোটিশ রেজিস্টার্ড পোস্টে (Registered Post) বা কুরিয়ারে পাঠানো বাধ্যতামূলক:

  • প্রমাণ: পোস্ট অফিসের রশিদ বা কুরিয়ারের এয়ারওয়ে বিল (AWB) আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
  • স্ত্রীর স্বাক্ষর: স্ত্রী যখন নোটিশ গ্রহণ করবেন তার স্বাক্ষর থাকে।
  • অস্বীকৃতি: স্ত্রী যদি গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন, তবে সেই প্রমাণও রাখা হয়।

আমরা আইনি প্রক্রিয়ায় সব ডকুমেন্টেশন নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করি। সেবা নিন

💻 অনলাইন সেবা

আমাদের গুলশান ঘরে বসে ফ্যামিলি ল প্যাকেজ বেছে নেওয়ার প্রধান কারণসমূহ:

  • গোপনীয়তা: পরিবারিক বিরোধে সর্বোচ্চ গোপনীয়তা বজায় রাখা হয়।
  • অভিজ্ঞ আইনজীবী: ফ্যামিলি ল ও পারিবারিক আদালতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন আইনজীবী।
  • ডোরস্টেপ সেবা: গুলশান, বনানী, বারিধারা ও বসুন্ধারায় ঘরে বসে ডকুমেন্ট সংগ্রহ ও পরামর্শ।
  • নারী আইনজীবী: নারী ক্লায়েন্টদের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য মহিলা আইনজীবীর সেবা।
  • অনলাইন কনসালটেশন: ভিডিও কলে আইনি পরামর্শ ও কাগজপত্র অনলাইনে সম্পন্ন।

আজই গুলশানে আপনার পারিবারিক সমস্যার আইনি সমাধান শুরু করুন — বিনামূল্যে প্রাথমিক পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন

আপনার অনুসন্ধানের সাথে মিলে যাওয়া কোনো FAQ পাওয়া যায়নি। অন্য কীওয়ার্ড চেষ্টা করুন অথবা সরাসরি আমাদের গুলশান ডেস্কের আইনজীবীদের জিজ্ঞাসা করুন

তথ্যসূত্র: Muslim Family Laws Ordinance 1961, Family Court Ordinance 1985 ও বাংলাদেশ পারিবারিক আইন নীতিমালা (২০২৫–২০২৬)।
গুলশান ঢাকার প্রধান কর্পোরেট ও কূটনৈতিক এলাকা, যা ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (DNCC)-এর অধীনে পরিচালিত।
বনানীবারিধারা গুলশানের সন্নিকটে অবস্থিত আভিজাত্য কর্পোরেট ও আবাসিক এলাকা।
বসুন্ধারা আবাসিক এলাকা ঢাকার অন্যতম বৃহৎ পরিকল্পিত আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা।
বিবাহ, বিবাহ বিচ্ছেদ (Divorce), খোলা (Khula), এবং দেনমোহর (Mahr/Dower) সম্পর্কে উইকিপিডিয়ায় বিস্তারিত তথ্য রয়েছে।
এই FAQ টুলটি কেবল তথ্যপ্রদানের উদ্দেশ্যে তৈরি — এটি আইনি পরামর্শ নয়। আনুষ্ঠানিক আইনি সহায়তার জন্য আমাদের অভিজ্ঞ ফ্যামিলি ল আইনজীবীদের সাথে যোগাযোগ করুন
গুলশান-নির্দিষ্ট সহায়তা প্রয়োজন? আমাদের পারিবারিক আইন বিশেষজ্ঞদের সাথে যোগাযোগ করুন — গুলশান, বনানী, বারিধারা ও বসুন্ধারা এলাকায় সেবা প্রদান করা হয়।

Aeenx Footer

booked from Bangladesh Booking Notification

Aeenx Chatbot