Contact Now
Select your region
ওয়ান পারসন কোম্পানি (OPC) নিবন্ধন করুন | বাংলাদেশ ২০২৫–২০২৬

আপনার ওয়ান পারসন কোম্পানি নিবন্ধন করুন
এক ব্যক্তি, এক পরিচয়

বাংলাদেশে ওয়ান পারসন কোম্পানি (OPC) নিবন্ধন, নোমিনি নিয়োগ, ট্রেড লাইসেন্স, TIN, BIN, ব্যাংক হিসাব ও বার্ষিক কমপ্লায়েন্স সংক্রান্ত প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী — Companies Act 1994 (২০২০ সংশোধনী) ও RJSC নীতিমালা অনুযায়ী আইনি বিশেষজ্ঞদের দ্বারা উত্তরিত।

OPC FAQ টুল
আপডেট: জুন ২০২৬

সম্পূর্ণ OPC সেটআপ প্যাকেজ — একা উদ্যোক্তার জন্য ডিজাইন করা

নাম ক্লিয়ারেন্স → নোমিনি সম্মতিপত্র → MOA/AOA প্রস্তুত → RJSC ফাইলিং → ট্রেড লাইসেন্স → TIN → BIN → ব্যাংক হিসাব → বার্ষিক রিটার্ন ফাইলিং — সবকিছু আমাদের অভিজ্ঞ আইনজীবী ও কোম্পানি সেক্রেটারি দল দ্বারা পরিচালিত। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা সহ বাংলাদেশের সকল জেলা ও থানায় সেবা প্রদান করা হয়।

প্রদর্শিত হচ্ছে ৩৫ এর মধ্যে ৩৫ টি FAQ
📋 নিবন্ধন

ওয়ান পারসন কোম্পানি (One Person Company – OPC) হলো এমন একটি বিশেষ কোম্পানি কাঠামো যেখানে কেবল একজন ব্যক্তি শেয়ারহোল্ডার ও পরিচালক হিসেবে থাকেন। বাংলাদেশে Companies Act 1994 এর ২০২০ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে OPC এর ব্যবস্থা চালু হয়। মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • একক মালিকানা: শুধুমাত্র একজন শেয়ারহোল্ডার ও একজন পরিচালক (একই ব্যক্তি হতে পারেন)
  • সীমিত দায়বদ্ধতা: মালিকের ব্যক্তিগত সম্পদ সুরক্ষিত থাকে — শুধুমাত্র শেয়ারের পরিমাণ পর্যন্ত দায়ী
  • নোমিনি বাধ্যতামূলক: মালিকের মৃত্যু বা অক্ষমতায় কোম্পানি পরিচালনার জন্য একজন নোমিনি নিয়োগ করতে হয়
  • আইনি সত্তা: কোম্পানি ও মালিক আলাদা আইনি সত্তা — চুক্তি, মামলা, সম্পদ ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষমতা রয়েছে
  • নামের শর্ত: কোম্পানির নামের শেষে "OPC" বা "One Person Company" উল্লেখ থাকতে হবে
  • পাবলিক ইস্যু নিষিদ্ধ: পাবলিক থেকে শেয়ার সংগ্রহ করতে পারে না

ফ্রিল্যান্সার, কনসালট্যান্ট, ডিজিটাল ক্রিয়েটর, ছোট উৎপাদক ও পরামর্শকদের জন্য OPC একটি আদর্শ কাঠামো — প্রপ্রাইটরশিপের ঝুঁকি ছাড়াই সীমিত দায়বদ্ধতার সুবিধা পাওয়া যায়। আপনার OPC যাত্রা শুরু করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

📦 প্যাকেজ ও মূল্য

বাংলাদেশে একটি ওয়ান পারসন কোম্পানি নিবন্ধনের সম্পূর্ণ প্যাকেজ ১৫,০০০ থেকে ৪০,০০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায় — অনুমোদিত মূলধন ও সেবার পরিধি অনুযায়ী। সাধারণ প্যাকেজে যা অন্তর্ভুক্ত থাকে:

  • নাম ক্লিয়ারেন্স ফি (RJSC): প্রায় ৬০০ টাকা
  • সরকারি ফি (MOA/AOA স্ট্যাম্পসহ): অনুমোদিত মূলধন ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হলে ৪,০০০–৬,০০০ টাকা
  • নোমিনি সম্মতিপত্র প্রস্তুত: ৫০০–১,০০০ টাকা
  • আইনজীবী/পেশাদার ফি: ১০,০০০–২৫,০০০ টাকা
  • ট্রেড লাইসেন্স ফি: ২,০০০–১০,০০০ টাকা (এলাকা ও ব্যবসার ধরন অনুযায়ী)
  • TIN ও BIN রেজিস্ট্রেশন: সাধারণত বিনামূল্যে (সরকারি পোর্টালে)
  • ব্যাংক হিসাব খোলার সহায়তা: প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত

আমাদের স্বল্প খরচের OPC সেটআপ প্যাকেজ সম্পূর্ণ স্বচ্ছ — কোনো লুকানো চার্জ নেই। আপনার ব্যবসার ধরন ও অনুমোদিত মূলধন অনুযায়ী সঠিক প্যাকেজ পেতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

📋 নিবন্ধন

বাংলাদেশে OPC নিবন্ধন Companies Act 1994 এর ২০২০ সংশোধনী অধীনে Registrar of Joint Stock Companies and Firms (RJSC) দ্বারা পরিচালিত হয়। প্রক্রিয়াটি মূলত অনলাইনে সম্পন্ন হয়:

  • ধাপ ১ — নাম ক্লিয়ারেন্স: RJSC পোর্টালে "OPC" সাফিক্স সহ নামের জন্য আবেদন। ১–২ কর্মদিবসে অনুমোদন।
  • ধাপ ২ — নোমিনি সম্মতিপত্র: নোমিনির লিখিত সম্মতি (Form INC-3 সমতুল্য) সংগ্রহ ও স্বাক্ষর করানো।
  • ধাপ ৩ — MOA ও AOA প্রস্তুত: মেমোরেন্ডাম ও আর্টিকেলস অফ অ্যাসোসিয়েশন আইনজীবী দ্বারা প্রস্তুত।
  • ধাপ ৪ — ফর্ম পূরণ: Form IX (পরিচালকের সম্মতি), Form XII (পরিচালক তালিকা) এবং নোমিনি সম্পর্কিত ফর্ম পূরণ।
  • ধাপ ৫ — RJSC ফাইলিং: সব স্ক্যান করা কাগজপত্র অনলাইনে আপলোড করে সরকারি ফি পরিশোধ।
  • ধাপ ৬ — Certificate of Incorporation: সাধারণত ১৫–২৫ কর্মদিবসে ডিজিটাল সার্টিফিকেট প্রদান।
  • ধাপ ৭ — পরবর্তী পদক্ষেপ: ট্রেড লাইসেন্স, TIN, BIN, ব্যাংক হিসাব খোলা।

আমাদের আইনি দল প্রতিটি ধাপে সম্পূর্ণ সহায়তা প্রদান করে — নিবন্ধন শুরু করতে এখানে ক্লিক করুন

📋 নিবন্ধন

সব কাগজপত্র সঠিকভাবে প্রস্তুত থাকলে সম্পূর্ণ OPC নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় সময় লাগে:

  • নাম ক্লিয়ারেন্স: ১–২ কর্মদিবস
  • নোমিনি সম্মতিপত্র সংগ্রহ: ১–৩ কর্মদিবস
  • MOA/AOA প্রস্তুত: ২–৫ কর্মদিবস (আইনজীবী দ্বারা)
  • RJSC প্রসেসিং ও Incorporation Certificate: ১৫–২৫ কর্মদিবস
  • মোট সময়: প্রায় ২০–৩০ কর্মদিবস

কাগজপত্রে ভুল, RJSC-তে আবেদনের আধিক্য বা নামের বিতর্কের ক্ষেত্রে সময় বেশি লাগতে পারে। অভিজ্ঞ আইনজীবী এসব বিলম্ব উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারেন। দ্রুত নিবন্ধনের জন্য যোগাযোগ করুন

📄 কাগজপত্র

ওয়ান পারসন কোম্পানি নিবন্ধনের জন্য RJSC-তে নিম্নলিখিত কাগজপত্র জমা দিতে হয়:

  • শেয়ারহোল্ডার/পরিচালকের Jatio Parichaypatra (NID) বা পাসপোর্টের কপি
  • শেয়ারহোল্ডারের পাসপোর্ট-সাইজ ছবি
  • নোমিনির NID ও পাসপোর্ট-সাইজ ছবি
  • নোমিনির লিখিত সম্মতিপত্র (Form INC-3 সমতুল্য)
  • Memorandum of Association (MOA) — স্বাক্ষরিত ও স্ট্যাম্পযুক্ত
  • Articles of Association (AOA) — স্বাক্ষরিত ও স্ট্যাম্পযুক্ত
  • Form IX — পরিচালকের সম্মতিপত্র
  • Form XII — পরিচালকের তালিকা ও বিবরণ
  • নিবন্ধিত ঠিকানার প্রমাণ (ইউটিলিটি বিল, ভাড়াচুক্তি বা দলিল)
  • RJSC ফি পরিশোধের রশিদ

আমাদের আইনজীবীরা সব কাগজপত্র আপনার পক্ষে প্রস্তুত ও যাচাই করেন — বিনামূল্যে চেকলিস্ট পেতে এখানে ক্লিক করুন

👤 নোমিনি

OPC তে নোমিনি নিয়োগ বাধ্যতামূলক — এটি এই কাঠামোর একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য। নোমিনি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

  • যোগ্যতা: নোমিনি বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবেন — সাধারণত পরিবারের সদস্য, আত্মীয় বা বিশ্বস্ত ব্যক্তি
  • বয়স: নোমিনি ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে হতে হবেন (প্রাপ্তবয়স্ক)
  • লিখিত সম্মতি: নোমিনি হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার জন্য তার লিখিত সম্মতিপত্র প্রয়োজন
  • ভূমিকা: শেয়ারহোল্ডারের মৃত্যু, মানসিক অক্ষমতা বা দেশত্যাগের ক্ষেত্রে নোমিনি কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারের দায়িত্ব গ্রহণ করেন
  • চুক্তিবদ্ধ সম্পর্ক: নোমিনি ও শেয়ারহোল্ডারের মধ্যে একটি চুক্তিপত্র থাকে যা কোম্পানির সাথে দাখিল করা হয়
  • পরিবর্তনযোগ্য: শেয়ারহোল্ডার যেকোনো সময় নোমিনি পরিবর্তন করতে পারেন — RJSC-কে অবহিত করে

নোমিনি শুধুমাত্র শেয়ারহোল্ডারের অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেন — স্বাভাবিক অবস্থায় কোম্পানির পরিচালনায় হস্তক্ষেপ করতে পারেন না। নোমিনি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন

👤 নোমিনি

হ্যাঁ, শেয়ারহোল্ডার যেকোনো সময় নোমিনি পরিবর্তন করতে পারেন। পরিবর্তনের প্রক্রিয়া:

  • নতুন নোমিনির লিখিত সম্মতিপত্র সংগ্রহ
  • নতুন নোমিনির NID ও ছবি প্রস্তুত
  • RJSC-তে নোমিনি পরিবর্তনের আবেদন দাখিল
  • পূর্বের নোমিনিকে লিখিতভাবে অবহিত করা
  • কোম্পানির রেকর্ডে নতুন নোমিনির তথ্য সংরক্ষণ
  • পরিবর্তন ফি: সাধারণত ৫০০–২,০০০ টাকা (সরকারি ফি) + আইনজীবী ফি

নোমিনি পরিবর্তনে সাধারণত ৫–১০ কর্মদিবস সময় লাগে। আমাদের আইনি দল সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া পরিচালনা করে। যোগাযোগ করুন

📋 নিবন্ধন

আইন অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি তার জীবদ্দশায় কেবল একটি ওয়ান পারসন কোম্পানি (OPC) নিবন্ধন করতে পারেন। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমাবদ্ধতা — এর উদ্দেশ্য হলো:

  • একই ব্যক্তির একাধিক আইনি সত্তার মাধ্যমে সম্ভাব্য অপব্যবহার রোধ
  • সীমিত দায়বদ্ধতার সুবিধার সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিতকরণ
  • কোম্পানি আইনের আওতায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা
  • অন্য কোনো OPC এর নোমিনি হিসেবেও থাকা যায় না

তবে একজন ব্যক্তি অন্য কোনো প্রাইভেট লিমিটেড বা পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার বা পরিচালক হতে পারেন — OPC তৈরি করা সেক্ষেত্রে বাধা নয়। যদি আপনার একাধিক ব্যবসার প্রয়োজন হয়, তবে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি বিবেচনা করতে পারেন। সঠিক কাঠামো নির্বাচনে পরামর্শ নিন

📋 নিবন্ধন

OPC এবং প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি — দুটিরই সীমিত দায়বদ্ধতার সুবিধা রয়েছে, তবে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্যগুলো হলো:

  • শেয়ারহোল্ডার সংখ্যা: OPC — ন্যূনতম/সর্বোচ্চ ১ জন; প্রাইভেট লিমিটেড — ন্যূনতম ২ জন, সর্বোচ্চ ৫০ জন
  • পরিচালক সংখ্যা: OPC — ন্যূনতম ১ জন; প্রাইভেট লিমিটেড — ন্যূনতম ২ জন
  • নোমিনি: OPC তে বাধ্যতামূলক; প্রাইভেট লিমিটেডে নয়
  • বৈঠক: OPC তে বার্ষিক সাধারণ সভার (AGM) প্রয়োজন নেই; প্রাইভেট লিমিটেডে বাধ্যতামূলক
  • রূপান্তর: OPC প্রাইভেট লিমিটেডে রূপান্তরযোগ্য (২ বছর পর)
  • প্রশাসনিক ব্যয়: OPC তে কম; প্রাইভেট লিমিটেডে তুলনামূলক বেশি
  • উত্তরাধিকার: OPC — নোমিনির মাধ্যমে; প্রাইভেট লিমিটেড — শেয়ার হস্তান্তরের মাধ্যমে

একা উদ্যোক্তা হলে OPC এবং পার্টনার থাকলে প্রাইভেট লিমিটেড বেছে নেওয়া যুক্তিযুক্ত। আপনার জন্য সঠিক কাঠামো নির্বাচনে সাহায্য নিন

📋 নিবন্ধন

হ্যাঁ, ওয়ান পারসন কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তরযোগ্য — তবে নির্দিষ্ট শর্ত প্রযোজ্য:

  • ন্যূনতম মেয়াদ: OPC নিবন্ধনের অন্তত ২ বছর পূর্ণ হতে হবে
  • টার্নওভার শর্ত: গড় বার্ষিক টার্নওভার নির্ধারিত সীমা (সাধারণত ২ কোটি টাকা) অতিক্রম করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রূপান্তরের বাধ্যবাধকতা থাকতে পারে
  • পেইড-আপ মূলধন: নির্ধারিত সীমা (সাধারণত ৫০ লক্ষ টাকা) অতিক্রম করলে রূপান্তর আবশ্যক
  • নতুন শেয়ারহোল্ডার: অন্তত আরও একজন শেয়ারহোল্ডার যুক্ত করতে হবে
  • MOA/AOA সংশোধন: নাম থেকে "OPC" সাফিক্স বাদ ও অন্যান্য পরিবর্তন
  • RJSC অনুমোদন: বিশেষ রেজোলিউশন পাস করে RJSC-তে আবেদন

রূপান্তরের পর প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির সকল নিয়ম প্রযোজ্য হবে। রূপান্তর প্রক্রিয়ায় সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন

📋 নিবন্ধন

ওয়ান পারসন কোম্পানির নাম নির্বাচনে কিছু বাধ্যতামূলক নিয়ম রয়েছে:

  • সাফিক্স বাধ্যতামূলক: নামের শেষে "OPC Limited" বা "One Person Company Limited" উল্লেখ থাকতে হবে
  • অনন্যতা: RJSC-তে পূর্বে নিবন্ধিত কোনো কোম্পানির নামের সাথে মিল থাকা যাবে না
  • নিষিদ্ধ শব্দ: জাতীয়তাবাদী, ধর্মীয়, সরকারি ইঙ্গিতপূর্ণ শব্দ ব্যবহার নিষিদ্ধ
  • ট্রেডমার্ক সংঘাত: পূর্বে নিবন্ধিত ট্রেডমার্কের সাথে মিল থাকলে নাম প্রত্যাখ্যাত হতে পারে
  • দৈর্ঘ্য: সাধারণত ৪–৫০ অক্ষরের মধ্যে নাম রাখা উচিত
  • ভাষা: বাংলা বা ইংরেজি উভয় ভাষায় নাম গ্রহণযোগ্য

নাম ক্লিয়ারেন্সের সময় একাধিক নামের বিকল্প রাখা বাঞ্ছনীয় — প্রথম পছন্দ প্রত্যাখ্যাত হলে পরবর্তী বিবেচিত হয়। নাম ক্লিয়ারেন্সে সহায়তা নিন

🌍 বিদেশি বিনিয়োগ

ওয়ান পারসন কোম্পানি (OPC) সাধারণত বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সংরক্ষিত। বিদেশি নাগরিক ও NRB (Non-Resident Bangladeshi) সম্পর্কে নিয়ম:

  • বিদেশি নাগরিক: সরাসরি OPC নিবন্ধন সাধারণত অনুমোদিত নয় — তাদের জন্য প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি (১০০% বিদেশি মালিকানায়) উপযুক্ত
  • NRB: যারা বাংলাদেশি নাগরিকত্ব ধরে রেখেছেন তারা OPC খুলতে পারেন — তবে বাসস্থানের প্রমাণ প্রয়োজন
  • দ্বৈত নাগরিকত্ব: বাংলাদেশি নাগরিকত্ব সহ দ্বৈত নাগরিক হিসেবে OPC খোলা সম্ভব
  • বিকল্প: বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য BIDA অনুমোদনিত প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি, ব্রাঞ্চ অফিস বা লায়েসন অফিস

বিদেশি বিনিয়োগের জন্য সম্পূর্ণ পরামর্শ পেতে আমাদের বিশেষজ্ঞদের সাথে কথা বলুন

🌍 বিদেশি বিনিয়োগ

NRB বা দ্বৈত নাগরিক শেয়ারহোল্ডার থাকলে অতিরিক্ত কাগজপত্র প্রযোজ্য:

  • বাংলাদেশি NID বা পাসপোর্টের নোটারাইজড কপি
  • বিদেশি ঠিকানার প্রমাণ — ইউটিলিটি বিল বা ব্যাংক স্টেটমেন্ট
  • পাসপোর্ট-সাইজ ছবি — স্ক্যান করা
  • বাংলাদেশে নিযুক্ত অনুমোদিত প্রতিনিধির ক্ষমতাপত্র (Power of Attorney)
  • NRB সার্টিফিকেট (যদি প্রযোজ্য হয়)
  • বিদেশি আয়ের উৎসের প্রমাণ — ব্যাংক সার্টিফিকেট বা কর রিটার্ন
  • Encashment Certificate — বিদেশ থেকে প্রেরিত মূলধনের প্রমাণ

Apostille প্রক্রিয়া বিদেশি দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সম্পন্ন করতে হয় — হেগ কনভেনশন ১৯৬১ অনুযায়ী। বিদেশি বিনিয়োগ প্যাকেজ সম্পর্কে জানুন

🏪 ট্রেড লাইসেন্স

OPC নিবন্ধনের পর ব্যবসা শুরুর পূর্বে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক। কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত হয় ব্যবসার অবস্থান অনুযায়ী:

  • সিটি কর্পোরেশন এলাকা: ঢাকা উত্তর/দক্ষিণ, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, রংপুর, কুমিল্লা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন
  • পৌরসভা এলাকা: সংশ্লিষ্ট পৌরসভার কার্যালয় থেকে
  • ইউনিয়ন পরিষদ এলাকা: স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নিকট থেকে

আবেদন প্রক্রিয়া: K-Form (বাণিজ্যিক) বা I-Form (উৎপাদন) পূরণ → ওয়ার্ড কাউন্সিলরের স্বাক্ষর → সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষে জমা → পরিদর্শন → ফি পরিশোধ → ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ। ট্রেড লাইসেন্স প্রতি বছর ৩০ জুনের মধ্যে নবায়ন বাধ্যতামূলক। ট্রেড লাইসেন্স পেতে যোগাযোগ করুন

🏪 ট্রেড লাইসেন্স

হ্যাঁ, ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন সম্পূর্ণ বাধ্যতামূলক। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ:

  • নবায়নের সময়: প্রতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত — সাধারণত জুলাইয়ের মধ্যে নবায়ন করা উচিত
  • নবায়ন ফি: ১,০০০–৫,০০০ টাকা (এলাকা ও ব্যবসার ধরন অনুযায়ী)
  • বিলম্ব জরিমানা: প্রতি মাস বিলম্বের জন্য অতিরিক্ত ১০–২০% ফি প্রযোজ্য
  • নবায়ন না করলে: ব্যবসা পরিচালনার অবৈধতা, জরিমানা, ব্যবসা বন্ধের নোটিশ
  • কর প্রভাব: আয়কর রিটার্ন ফাইলিংয়ে সমস্যা হতে পারে
  • ব্যাংক হিসাব: কারেন্ট অ্যাকাউন্ট পরিচালনায় বাধা

আমাদের বার্ষিক কমপ্লায়েন্স প্যাকেজে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত হয়। যোগাযোগ করুন

✅ কমপ্লায়েন্স

Tax Identification Number (TIN) হলো National Board of Revenue (NBR) দ্বারা প্রদত্ত একটি অনন্য কর নিবন্ধন নম্বর। OPC এর জন্য TIN বাধ্যতামূলক। অনলাইনে প্রক্রিয়া:

  • NBR এর অফিসিয়াল পোর্টাল e-TIN (etaxnbr.gov.bd) এ যান
  • "TIN Registration" অপশনে ক্লিক করে নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন
  • আবেদনকারীর ধরন "কোম্পানি" নির্বাচন, কোম্পানির নাম, RJSC নম্বর প্রদান
  • শেয়ারহোল্ডারের NID, জন্ম তারিখ, ঠিকানা প্রদান
  • ব্যবসার ধরন, আয়ের উৎস ও নিবন্ধিত ঠিকানা পূরণ
  • সাবমিট করলে সাথে সাথেই ১২-সংখ্যার e-TIN সার্টিফিকেট পাওয়া যায়
  • TIN সার্টিফিকেট বিনামূল্যে — কোনো ফি নেই

আমাদের প্যাকেজে TIN রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ সহায়তা অন্তর্ভুক্ত। যোগাযোগ করুন

✅ কমপ্লায়েন্স

Business Identification Number (BIN) হলো VAT রেজিস্ট্রেশন নম্বর যা VAT and Supplementary Duty Act 2012 অনুযায়ী NBR প্রদান করে। সার্বিক বার্ষিক টার্নওভার ৩০ লক্ষ টাকার বেশি হলে BIN বাধ্যতামূলক। প্রক্রিয়া:

  • NBR এর VAT অনলাইন পোর্টাল vatreg.nbr.gov.bd এ যান
  • "New BIN Registration" এ ক্লিক করুন
  • OPC এর নাম, TIN, ট্রেড লাইসেন্স, ঠিকানা ও ব্যবসার ধরন পূরণ
  • শেয়ারহোল্ডারের NID, মোবাইল নম্বর ও ছবি আপলোড
  • সাবমিট করলে সাথে সাথে ৯-সংখ্যার BIN জেনারেট হয়
  • BIN বিনামূল্যে পাওয়া যায়

ইম্পোর্ট-এক্সপোর্ট, সার্ভিস ব্যবসা, কনসালটেন্সি — এসব ক্ষেত্রে টার্নওভার নির্বিশেষে BIN বাধ্যতামূলক। প্রতি মাসে VAT রিটার্ন জমা দিতে হয়। আমাদের কমপ্লায়েন্স দল সহায়তা করবে

✅ কমপ্লায়েন্স

OPC এর নামে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলা বাধ্যতামূলক এবং এটি ব্যবসায়িক লেনদেনের জন্য অপরিহার্য। শিডিউলড ব্যাংকে (যেমন: Sonali, Islami Bank, City Bank, BRAC Bank, Dutch-Bangla Bank) নিচের কাগজপত্র জমা দিতে হয়:

  • Certificate of Incorporation (RJSC থেকে প্রাপ্ত) — কপি
  • Memorandum & Articles of Association — কপি
  • Form XII (পরিচালক তালিকা) — কপি
  • Form IX (পরিচালকের সম্মতি) — কপি
  • নোমিনি সম্মতিপত্র — কপি
  • ট্রেড লাইসেন্স — কপি
  • TIN সার্টিফিকেট — কপি
  • BIN সার্টিফিকেট (প্রযোজ্য হলে) — কপি
  • শেয়ারহোল্ডার/পরিচালকের NID, ছবি ও স্বাক্ষর
  • নিবন্ধিত ঠিকানার প্রমাণ (ইউটিলিটি বিল/ভাড়াচুক্তি)
  • ব্যাংকের নির্ধারিত Account Opening Form পূরণ

OPC এর কারেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে সাধারণত ২–৭ কর্মদিবস সময় লাগে। বিস্তারিত জানুন

✅ কমপ্লায়েন্স

OPC এর ক্ষেত্রে কমপ্লায়েন্স প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির চেয়ে কিছুটা সহজ — তবে বাধ্যতামূলক বিষয় রয়েছে:

  • বার্ষিক রিটার্ন (RJSC): বাধ্যতামূলক — প্রতি বছর AGM এর ২১ দিনের মধ্যে অথবা নির্ধারিত সময়ে দাখিল
  • AGM: OPC তে AGM আয়োজনের প্রয়োজন নেই — একমাত্র শেয়ারহোল্ডার নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন
  • অডিটেড ফাইন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্ট: প্রতি বছর চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট দ্বারা অডিটেড হিসাব প্রস্তুত
  • ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন: প্রতি বছর ৩০ জুনের মধ্যে
  • আয়কর রিটার্ন: NBR-এ বার্ষিক — কোম্পানির কর হার ২২.৫%
  • VAT রিটার্ন: BIN থাকলে প্রতি মাসে
  • বোর্ড রেজোলিউশন: গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে লিখিত রেজোলিউশন প্রয়োজন

OPC তে বার্ষিক রিটার্ন সাধারণত ১৮০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হয়। আমাদের বার্ষিক কমপ্লায়েন্স প্যাকেজ আপনার OPC কে সর্বদা আপ-টু-ডেট রাখে।

💰 খরচ ও ফি

ওয়ান পারসন কোম্পানি একটি আলাদা আইনি সত্তা হওয়ায় কোম্পানি হিসেবেই কর প্রযোজ্য। বর্তমান কর হার (২০২৫–২০২৬):

  • কর্পোরেট ট্যাক্স হার: সাধারণ কোম্পানির জন্য ২২.৫% (non-listed company)
  • টার্নওভার ট্যাক্স: টার্নওভারের ০.৫% (যদি মুনাফা কম থাকে)
  • VAT: পণ্য বা সেবার ধরন অনুযায়ী ১৫% বা নির্ধারিত হার
  • সম্পূরক শুল্ক: নির্দিষ্ট পণ্যের জন্য প্রযোজ্য
  • সোর্স ট্যাক্স (TDS): পরিষেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে কর্তন
  • অন্তর্বর্তী কর: মুনাফার উপর অগ্রিম কর প্রদান

OPC এর মুনাফা শেয়ারহোল্ডারের ব্যক্তিগত আয় হিসেবে গণ্য হয় না — তাই দ্বৈত কর সমস্যা নেই। তবে লভ্যাংশ বিতরণের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কর প্রযোজ্য হতে পারে। কর পরিকল্পনার পরামর্শ নিন

💰 খরচ ও ফি

Stamp Act 1899 অনুযায়ী MOA ও AOA এর স্ট্যাম্প ডিউটি নির্ধারিত হয় অনুমোদিত মূলধনের ভিত্তিতে। বর্তমান হার:

  • অনুমোদিত মূলধন ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত: MOA-র জন্য ২,০০০ টাকা + AOA-র জন্য ১,০০০ টাকা
  • ১০ লক্ষ – ৫০ লক্ষ টাকা: MOA ৪,০০০ টাকা + AOA ২,০০০ টাকা
  • ৫০ লক্ষ – ১ কোটি টাকা: MOA ৮,০০০ টাকা + AOA ৪,০০০ টাকা
  • ১ কোটি টাকার বেশি: অনুপাতিক হারে স্ট্যাম্প ডিউটি প্রযোজ্য
  • Form IX ও Form XII: প্রতিটির জন্য ১০ টাকা স্ট্যাম্প

স্ট্যাম্প ডিউটি সরকারি ট্রেজারি বা নির্ধারিত ব্যাংকে পরিশোধ করতে হয়। আমাদের প্যাকেজে স্ট্যাম্প ডিউটি ও সরকারি সকল ফি অন্তর্ভুক্ত। প্যাকেজ মূল্য জানতে ক্লিক করুন

📄 কাগজপত্র

Memorandum of Association (MOA)Articles of Association (AOA) হলো OPC এর দুটি মৌলিক সংবিধান দলিল:

  • MOA: কোম্পানির নাম, নিবন্ধিত ঠিকানা, উদ্দেশ্য ও ব্যবসার পরিধি, অনুমোদিত মূলধন ও সদস্যের দায়বদ্ধতা নির্ধারণ করে। এটি বাইরের পৃথিবীর সাথে সম্পর্ক নির্ধারণ করে।
  • AOA: অভ্যন্তরীণ শাসন নিয়ম নির্ধারণ করে — সভা কীভাবে অনুষ্ঠিত হবে, শেয়ার হস্তান্তরের নিয়ম, পরিচালকের ভূমিকা, ভোটাধিকার, লভ্যাংশ প্রদান প্রক্রিয়া ইত্যাদি।

OPC এর MOA তে অবশ্যই একজন শেয়ারহোল্ডারের নাম এবং নোমিনির তথ্য উল্লেখ থাকতে হবে। ভুলভাবে প্রস্তুত MOA আপনার ব্যবসায়িক কার্যক্রম সীমিত করতে পারে। অভিজ্ঞ আইনজীবী আপনার MOA/AOA আইনি-সাউন্ড ও RJSC-কমপ্লায়েন্ট করে প্রস্তুত করবেন। আমাদের আইনি দল MOA/AOA প্রস্তুত করবে

📦 প্যাকেজ ও মূল্য

আমাদের স্বল্প খরচে ওয়ান পারসন কোম্পানি নিবন্ধন প্যাকেজ একা উদ্যোক্তাদের জন্য ডিজাইন করা — সম্পূর্ণ সেবা স্বচ্ছ ও সাশ্রয়ী মূল্যে। প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত:

  • RJSC নাম ক্লিয়ারেন্স — "OPC" সাফিক্স সহ নামের অনুমোদন
  • নোমিনি সম্মতিপত্র প্রস্তুত — আইনি ফরম্যাটে
  • MOA ও AOA প্রস্তুত — অভিজ্ঞ আইনজীবী দ্বারা
  • RJSC ফাইলিং — সমস্ত ফর্ম পূরণ ও জমা
  • Certificate of Incorporation সংগ্রহ
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভায় আবেদন
  • TIN সার্টিফিকেট — NBR থেকে
  • BIN (VAT) রেজিস্ট্রেশন — প্রযোজ্য হলে
  • ব্যাংক হিসাব খোলার সহায়তা — সব কাগজপত্র প্রস্তুত
  • ১ বছরের কমপ্লায়েন্স পরামর্শ — বিনামূল্যে

প্যাকেজ মূল্য শুরু: ১৮,০০০ টাকা (অনুমোদিত মূলধন ১০ লক্ষ পর্যন্ত)। কোনো লুকানো চার্জ নেই। আপনার প্যাকেজ বুক করতে এখানে ক্লিক করুন

📦 প্যাকেজ ও মূল্য

আমাদের স্বল্প খরচে OPC নিবন্ধন প্যাকেজ বেছে নেওয়ার প্রধান কারণসমূহ:

  • অভিজ্ঞ আইনি দল: Companies Act 1994 (২০২০ সংশোধনী) ও RJSC প্রক্রিয়ায় বিশেষজ্ঞ আইনজীবী ও কোম্পানি সেক্রেটারি
  • OPC বিশেষজ্ঞতা: নোমিনি, একক শেয়ারহোল্ডার ও রূপান্তর সংক্রান্ত গভীর জ্ঞান
  • স্বচ্ছ মূল্য: কোনো লুকানো চার্জ নেই — সব সরকারি ফি প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত
  • অনলাইন ও অফলাইন সেবা: বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে সেবা গ্রহণযোগ্য
  • দ্রুত প্রক্রিয়াজাতকরণ: সময়রক্ষার জন্য অনলাইন ফাইলিং
  • একক যোগাযোগ বিন্দু: ডেডিকেটেড কেস ম্যানেজার তত্ত্বাবধান
  • বিনামূল্যে ১ বছর পরামর্শ: প্রথম বছরের কমপ্লায়েন্স পরামর্শ বিনামূল্যে
  • সকল এলাকায় সেবা: বাংলাদেশের সকল জেলা ও থানায়
  • নন-ডিসক্লোজার চুক্তি: আপনার ব্যবসায়িক তথ্যের সম্পূর্ণ গোপনীয়তা

আজই আপনার OPC যাত্রা শুরু করুন — বিনামূল্যে প্রাথমিক পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন

💰 খরচ ও ফি

OPC নিবন্ধনের পর বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ খরচ সাধারণত নিম্নরূপ (২০২৫–২০২৬ অনুমান):

  • ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ফি: ২,০০০–১০,০০০ টাকা/বছর
  • RJSC বার্ষিক রিটার্ন ফাইলিং ফি: ৫০০–২,০০০ টাকা
  • অডিট ফি (Chartered Accountant): ১৫,০০০–৪০,০০০ টাকা/বছর
  • আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত ও ফাইলিং: ৫,০০০–১৫,০০০ টাকা
  • VAT রিটার্ন ফাইলিং (মাসিক): ১,০০০–৫,০০০ টাকা/মাস
  • কোম্পানি সেক্রেটারি সেবা: ১০,০০০–২০,০০০ টাকা/বছর
  • যৌথ মোট বার্ষিক খরচ: সাধারণত ৩০,০০০–৮০,০০০ টাকা

আমাদের বার্ষিক কমপ্লায়েন্স প্যাকেজ সমস্ত বাধ্যতামূলক কাজ এক ছাতার নিচে পরিচালনা করে। বার্ষিক প্যাকেজ সম্পর্কে জানুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী ও প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র। শহরটি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (DNCC)ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (DSCC) — এই দুই কর্তৃপক্ষে বিভক্ত। প্রধান বাণিজ্যিক এলাকাসমূহ:

  • মতিঝিল: বাংলাদেশের প্রধান বাণিজ্যিক জেলা — বাংলাদেশ ব্যাংক, স্টক এক্সচেঞ্জ, প্রধান ব্যাংক সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত।
  • গুলশান-বনানী-বারিধারা: কূটনৈতিক জেলা ও কর্পোরেট অফিস এলাকা — বহুজাতিক কোম্পানির প্রধান কার্যালয়।
  • ধানমন্ডি-মোহাম্মদপুর: সেবামূলক ব্যবসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্র।
  • উত্তরা: উত্তর ঢাকার পরিকল্পিত শহর — হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সন্নিকটে। পোস্টাল কোড ১২৩০।
  • মিরপুর: শিল্প ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র।
  • বসুন্ধরা: আধুনিক আবাসিক-বাণিজ্যিক মিশ্র এলাকা।

ঢাকার যেকোনো এলাকায় ঠিকানা ব্যবহার করে OPC নিবন্ধন করা যায়। ট্রেড লাইসেন্সের জন্য সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলরের স্বাক্ষর প্রয়োজন। ঢাকায় OPC নিবন্ধনে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

চট্টগ্রাম বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর এবং প্রধান সমুদ্রবন্দর শহর। Chattogram City Corporation (CCC) ৪১টি ওয়ার্ডে বিভক্ত। প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা:

  • আগ্রাবাদ: চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমস হাউজের অবস্থান — ইম্পোর্ট-এক্সপোর্ট কোম্পানির প্রধান কেন্দ্র।
  • পতেঙ্গা: সমুদ্রবন্দর সংলগ্ন এলাকা — শিপিং ও লজিস্টিকস কোম্পানির কেন্দ্র।
  • কর্ণফুলী: নদী বন্দর ও শিল্প এলাকা।
  • বহদ্দারহাট-চান্দগাঁও: পাইকারি ও খুচরা বাজার এলাকা।
  • নিউ মার্কেট-গুলিস্তান: ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্যিক কেন্দ্র।
  • আকবর শাহ-ইপিজেড: শিল্প ও রপ্তানি কেন্দ্র।

চট্টগ্রামে RJSC নিবন্ধন ঢাকার মতোই — অনলাইনে পোর্টালে আবেদন করতে হয়। ট্রেড লাইসেন্সের জন্য CCC বা স্থানীয় পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদে আবেদন করতে হবে। চট্টগ্রামে নিবন্ধনের জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

সিলেট বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রধান শহর এবং প্রবাসী আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। Sylhet City Corporation (SCC) ২৭টি ওয়ার্ডে বিভক্ত। প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা:

  • জিন্দাবাজার: সিলেটের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র ও কর্পোরেট অফিস এলাকা।
  • চৌহাট্টা-কাজির বাজার: পাইকারি ও খুচরা বাজার।
  • উপশহর-তিলাগড়: আবাসিক-বাণিজ্যিক মিশ্র এলাকা — শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সন্নিকটে।
  • সুরমা-লালাবাজার: শিল্প ও উৎপাদন কেন্দ্র।
  • কোম্পানীগঞ্জ: পাথর শিল্প ও খনি অঞ্চল।
  • সুনামগঞ্জ-হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার: সিলেট বিভাগের অন্যান্য প্রধান শহর।

সিলেটে RJSC নিবন্ধন অনলাইনে হয়। ট্রেড লাইসেন্সের জন্য SCC, সিলেট সদর উপজেলা পরিষদ বা স্থানীয় পৌরসভায় আবেদন করতে হয়। সিলেটের প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ প্যাকেজ রয়েছে। যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

রাজশাহী বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের শিক্ষা ও রেশম শিল্পের কেন্দ্র। Rajshahi City Corporation (RCC) ৩০টি ওয়ার্ডে বিভক্ত। প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা:

  • সাহেব বাজার-বোয়ালিয়া: প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র ও ব্যাংকিং এলাকা।
  • উপশহর-কাজলা: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সন্নিকটে — শিক্ষা ও গবেষণা ভিত্তিক ব্যবসা।
  • রাজারহাটা-কাটখালী: শিল্প ও উৎপাদন এলাকা।
  • পদ্মা আবাসিক-বারিপাড়া: আবাসিক-বাণিজ্যিক মিশ্র এলাকা।
  • সাপুরা-নওহাটা: রেশম ও কুটির শিল্প কেন্দ্র।
  • নওগাঁ-নাটোর-চাঁপাইনবাবগঞ্জ: রাজশাহী বিভাগের অন্যান্য প্রধান শহর।

রাজশাহীতে OPC নিবন্ধন প্যাকেজের খরচ ঢাকার সমান — তবে ট্রেড লাইসেন্স ফি কিছুটা কম হতে পারে। রাজশাহীতে বিদ্যুৎ ও শ্রম খরচ কম হওয়ায় উৎপাদনমূলক ব্যবসার জন্য আদর্শ। রাজশাহীতে নিবন্ধনের জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

খুলনা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শিল্প ও সমুদ্রবন্দর শহর। Khulna City Corporation (KCC) ৩১টি ওয়ার্ডে বিভক্ত। প্রধান বাণিজ্যিক ও শিল্প এলাকা:

  • নিউ মার্কেট-দৌলতপুর: প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র ও পাইকারি বাজার।
  • খালিশপুর-লবণছড়া: জাহাজ নির্মাণ ও মৎস্য শিল্প কেন্দ্র।
  • মংলা বন্দর এলাকা: বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর — ইম্পোর্ট-এক্সপোর্ট কোম্পানির কেন্দ্র।
  • রূপসা-টিকেরপুরা: শিল্প ও চিংড়ি প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকা।
  • বটিয়াঘাটা-দকোপ: সুন্দরবন সন্নিকটস্থ মৎস্য ও কৃষি শিল্প।
  • যশোর-মাগুরা-ঝিনাইদহ: খুলনা বিভাগের অন্যান্য প্রধান শহর।

খুলনায় RJSC নিবন্ধন অনলাইনে সম্পন্ন হয়। ট্রেড লাইসেন্সের জন্য KCC বা স্থানীয় পৌরসভায় আবেদন করতে হয়। যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

বরিশাল বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের "শিক্ষা ও কৃষি রাজধানী" হিসেবে পরিচিত। Barishal City Corporation (BCC) ৩০টি ওয়ার্ডে বিভক্ত। প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা:

  • বঙ্গবন্ধু রোড-চাঁদমারী: প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র ও ব্যাংকিং এলাকা।
  • নathullabad: পাইকারি ও খুচরা বাজার।
  • করিমপুর-বম্পারহাট: নদী বন্দর ও পরিবহন কেন্দ্র।
  • কাশিপুর-বায়তুল আমান: আবাসিক-বাণিজ্যিক মিশ্র এলাকা।
  • পটুয়াখালী-ঝালকাঠি-পিরোজপুর: বরিশাল বিভাগের অন্যান্য প্রধান শহর।
  • ভোলা-বরগুনা: উপকূলীয় বাণিজ্য কেন্দ্র।

বরিশালে RJSC নিবন্ধন অনলাইনে পোর্টালে আবেদন করা হয়। ট্রেড লাইসেন্সের জন্য BCC বা স্থানীয় পৌরসভা/উপজেলা পরিষদে আবেদন করতে হবে। কৃষি, মৎস্য ও নৌ-পরিবহন ব্যবসার জন্য বরিশাল উপযুক্ত। যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

রংপুর বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের প্রধান শহর ও কৃষি অঞ্চলের কেন্দ্র। Rangpur City Corporation (RCC) ৩৩টি ওয়ার্ডে বিভক্ত। প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা:

  • কারমাইকেল-জাহাজ কোম্পানি: প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র ও ব্যাংকিং এলাকা।
  • সেন্ট্রাল বাস টার্মিনাল-বদরগঞ্জ: পরিবহন ও পাইকারি ব্যবসা।
  • মিঠাপুকুর-পীরগাছা: কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ।
  • রংপুর ক্যান্টনমেন্ট এলাকা: নিরাপত্তা ও সেবামূলক ব্যবসা।
  • হারাগাছ-তারাগঞ্জ: তামাক ও কৃষি শিল্প।
  • দিনাজপুর-নীলফামারী-কুড়িগ্রাম: রংপুর বিভাগের অন্যান্য প্রধান শহর।

রংপুরে OPC নিবন্ধন RJSC অনলাইন পোর্টালে সম্পন্ন হয়। ট্রেড লাইসেন্সের জন্য RCC বা স্থানীয় পৌরসভা/উপজেলা পরিষদে আবেদন করতে হবে। উত্তরাঞ্চলে কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিতরণ ব্যবসার জন্য রংপুর আদর্শ। যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

ময়মনসিংহ বাংলাদেশের উত্তর-মধ্যাঞ্চলের প্রধান শহর এবং শিক্ষা ও কৃষি গবেষণার কেন্দ্র। Mymensingh City Corporation (MCCC) ২১টি ওয়ার্ডে বিভক্ত। প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা:

  • চৌকবাজার-গাঙ্গিনারপাড়: প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র ও পাইকারি বাজার।
  • বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা-সুরমা: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ সন্নিকটে সেবামূলক ব্যবসা।
  • টিকের বাজার-কেন্দুয়া: কৃষি পণ্য বাজার।
  • ব্রহ্মপুত্র নদী তীর: নৌ-পরিবহন ও নদী বন্দর ব্যবসা।
  • মুক্তাগাছা-ফুলবাড়িয়া: কৃষি ও পাট শিল্প কেন্দ্র।
  • জামালপুর-শেরপুর-নেত্রকোণা: ময়মনসিংহ বিভাগের অন্যান্য প্রধান শহর।

ময়মনসিংহে RJSC নিবন্ধন অনলাইনে হয়। ট্রেড লাইসেন্সের জন্য MCCC বা স্থানীয় পৌরসভায় আবেদন করতে হবে। কৃষি, মৎস্য, পোল্ট্রি ও শিক্ষা সেবা ব্যবসার জন্য ময়মনসিংহ উপযুক্ত। যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

নারায়ণগঞ্জ বাংলাদেশের "পোশাক রাজধানী" এবং পাট, বস্ত্র ও পোশাক শিল্পের প্রধান কেন্দ্র। Narayanganj City Corporation (NCC) ২৭টি ওয়ার্ডে বিভক্ত। প্রধান শিল্প এলাকা:

  • ফতুল্লা-কালীগঞ্জ: পাট ও টেক্সটাইল মিল কেন্দ্র।
  • নয়ামাটি-মদনপুর: পোশাক কারখানা ও ডাইং শিল্প।
  • বন্দর-সিদ্ধিরগঞ্জ: শিল্প ও নৌ পরিবহন কেন্দ্র।
  • আড়াইহাজার-রূপগঞ্জ: বড় বড় শিল্প পার্ক ও ইপিজেড।
  • চাষাঢ়া-তনভীরা: বাণিজ্যিক ও ব্যাংকিং এলাকা।

নারায়ণগঞ্জে পোশাক OPC এর জন্য অতিরিক্তভাবে প্রয়োজন: BGMEA বা BKMEA সদস্যপদ, পরিবেশ ছাড়পত্র, ভবন কাঠামোগত নিরাপত্তা সার্টিফিকেট, বয়লার সার্টিফিকেট, শ্রম অধিদপ্তর নিবন্ধন। তবে মনে রাখবেন — একজন ব্যক্তি কেবল একটি OPC খুলতে পারেন, তাই একাধিক ফ্যাক্টরি থাকলে প্রাইভেট লিমিটেড কাঠামো বিবেচনা করুন। পোশাক শিল্প সেটআপ প্যাকেজ সম্পর্কে জানুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

গাজীপুর ঢাকার উত্তরে অবস্থিত শিল্প নগরী — বাংলাদেশের বৃহত্তম পোশাক ও কনফেকশন শিল্প কেন্দ্র। Gazipur City Corporation (GCC) ৫৭টি ওয়ার্ডে বিভক্ত। প্রধান শিল্প এলাকা:

  • টঙ্গী-গাছা: বিশ্বের বৃহত্তম পোশাক শিল্প কেন্দ্র — বহু পোশাক কারখানা অবস্থিত।
  • কালিয়াকৈর-মৌচাক: বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড (Export Processing Zone) — বিদেশি বিনিয়োগের কেন্দ্র।
  • শ্রীপুর-ভাওয়াল: বড় বড় শিল্প পার্ক ও কনফেকশন কারখানা।
  • জয়দেবপুর-চৌগাছা: ভারী শিল্প ও সিরামিক কেন্দ্র।
  • সালনা-বড় কালিয়াকৈর: BEPZA Economic Zone — বিশেষ আর্থিক সুবিধাযুক্ত এলাকা।

গাজীপুরে শিল্প OPC এর জন্য অতিরিক্ত প্রয়োজন: পরিবেশ ছাড়পত্র (DoE), ফ্যাক্টরি লাইসেন্স, বয়লার সার্টিফিকেট, BGMEA/BKMEA সদস্যপদ, বিদ্যুৎ সংযোগ অনুমোদন, ভবন কাঠামোগত নিরাপত্তা সার্টিফিকেট, শ্রম অধিদপ্তর নিবন্ধনআমাদের শিল্প সেটআপ প্যাকেজ সম্পর্কে জানুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

কুমিল্লা বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক শহর এবং সীমান্ত বাণিজ্যের কেন্দ্র। Cumilla City Corporation (CCC) ২৭টি ওয়ার্ডে বিভক্ত। প্রধান বাণিজ্যিক ও শিল্প এলাকা:

  • কান্দিরপার-মনোহরপুর: প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র ও ব্যাংকিং এলাকা।
  • চৌদ্দগ্রাম-লালমাই: সীমান্ত বাণিজ্য ও পাইকারি বাজার।
  • বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া: কৃষি ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প।
  • মেঘনা-দাউদকান্দি: কুমিল্লা ইপিজেড অবস্থিত — বিদেশি বিনিয়োগের কেন্দ্র।
  • বিবির বাজার-ছিলাদহ: ভারত সীমান্ত বাণিজ্য কেন্দ্র।
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া-চাঁদপুর: চট্টগ্রাম বিভাগের সন্নিকটস্থ শহর।

কুমিল্লা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মধ্যবর্তী অবস্থানে থাকায় পরিবহন ও লজিস্টিকস ব্যবসার জন্য আদর্শ। সীমান্ত বাণিজ্য এবং কুমিল্লা ইপিজেডে বিদেশি বিনিয়োগের জন্য বিশেষ সুবিধা রয়েছে। যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

দিনাজপুর বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর — কৃষি, খনিজ সম্পদ ও শস্য উৎপাদনের কেন্দ্র। দিনাজপুর পৌরসভা ১২টি ওয়ার্ডে বিভক্ত। প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা:

  • বালুবাড়ি-ঘোড়াঘাট: প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র ও ব্যাংকিং এলাকা।
  • বরগুনা-কাহারোল: কৃষি পণ্য বাজার ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ।
  • বিরামপুর-ফুলবাড়ী: কয়লা খনি ও শিল্প এলাকা।
  • পার্বতীপুর-চিরিরবন্দর: রেল জংশন ও পরিবহন কেন্দ্র।
  • নবাবগঞ্জ-বোচাগঞ্জ: আঁখ চাষ ও চিনি শিল্প।
  • ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড়: উত্তরের সীমান্ত শহর।

দিনাজপুরে OPC নিবন্ধন RJSC অনলাইন পোর্টালে সম্পন্ন হয়। ট্রেড লাইসেন্সের জন্য দিনাজপুর পৌরসভা বা স্থানীয় উপজেলা পরিষদে আবেদন করতে হবে। কৃষিজাত পণ্য, চাল মিল, আঁখ চাষ ও খনিজ সম্পদ ভিত্তিক ব্যবসার জন্য দিনাজপুর উপযুক্ত। যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

যশোর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি ঐতিহাসিক শহর ও গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র। যশোর পৌরসভা ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত। প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা:

  • মরফোল্ড রোড-বোয়ালিয়া: প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র ও ব্যাংকিং এলাকা।
  • চৌচড়া-পাঁচারোড: পাইকারি ও খুচরা বাজার।
  • বেনাপোল-শ্রীপুর: ভারত সীমান্ত বাণিজ্য কেন্দ্র — বেনাপোল স্থলবন্দর অবস্থিত।
  • ঝিকরগাছা-মণিরামপুর: কৃষি ও সবজি চাষ।
  • আভায়নগর-কেশবপুর: শিল্প ও উৎপাদন কেন্দ্র।
  • মাগুরা-ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা: যশোর বিভাগের অন্যান্য প্রধান শহর।

যশোরে OPC নিবন্ধন RJSC অনলাইনে সম্পন্ন হয়। ট্রেড লাইসেন্সের জন্য যশোর পৌরসভা বা স্থানীয় উপজেলা পরিষদে আবেদন করতে হবে। বেনাপোল স্থলবন্দর সন্নিকটে ইম্পোর্ট-এক্সপোর্ট ও সীমান্ত বাণিজ্য কোম্পানির জন্য যশোর আদর্শ। যোগাযোগ করুন

আপনার অনুসন্ধানের সাথে মিলে যাওয়া কোনো FAQ পাওয়া যায়নি। অন্য কীওয়ার্ড চেষ্টা করুন অথবা সরাসরি আমাদের আইনজীবীদের জিজ্ঞাসা করুন
Aeenx Footer

booked from Bangladesh Booking Notification

Aeenx Chatbot