Contact Now
Select your region
কানাডা থেকে বাংলাদেশে আপনার ব্যবসা সেটআপ করুন! | NRB বিনিয়োগ ২০২৫–২০২৬

কানাডা থেকে বাংলাদেশে আপনার ব্যবসা
সেটআপ করুন!

কানাডার নাগরিক ও প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য ১০০% মালিকানায় কোম্পানি নিবন্ধন, BIDA অনুমোদন, Encashment Certificate, ব্যাংক হিসাব ও লভ্যাংশ স্থানান্তর সংক্রান্ত প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী — Companies Act 1994 ও BIDA নীতিমালা অনুযায়ী আইনি বিশেষজ্ঞদের দ্বারা উত্তরিত।

NRB ইনভেস্টমেন্ট FAQ
আপডেট: জুন ২০২৬

কানাডা থেকে বাংলাদেশে কর্পোরেট সেটআপ — সম্পূর্ণ রিমোট সহায়তা

BIDA অনুমোদন → RJSC নিবন্ধন → ব্যাংকিং চ্যানেলে মূলধন স্থানান্তর → Encashment Certificate → ট্রেড লাইসেন্স → TIN/BIN → ব্যাংক হিসাব → ওয়ার্ক পারমিট — কানাডা থেকে বসেই বাংলাদেশে আপনার কোম্পানি সেটআপ করুন। টরন্টো, ভ্যানকুভার, মন্ট্রিল থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট সহ বাংলাদেশের সকল জেলায় আমাদের সেবা প্রদান করা হয়।

প্রদর্শিত হচ্ছে ৩৫ এর মধ্যে ৩৫ টি FAQ
📝 আবেদন প্রক্রিয়া

কানাডা থেকে বাংলাদেশে ব্যবসা সেটআপ করতে হলে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হয়:

  • ধাপ ১ — BIDA অনুমোদন: বাংলাদেশ নিবন্ধিত কোম্পানির নাম চূড়ান্ত করে Bangladesh Investment Development Authority (BIDA) এর পোর্টালে বিনিয়োগের আবেদন করতে হয়।
  • ধাপ ২ — মূলধন স্থানান্তর: কানাডা থেকে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে বিনিয়োগের অর্থ বাংলাদেশে পাঠাতে হবে।
  • ধাপ ৩ — Encashment Certificate: বাংলাদেশী ব্যাংক থেকে অর্থ গ্রহণের প্রমাণপত্র সংগ্রহ করতে হবে।
  • ধাপ ৪ — RJSC নিবন্ধন: Memorandum ও Articles of Association প্রস্তুত করে Registrar of Joint Stock Companies and Firms (RJSC) এ নিবন্ধন করাতে হবে।
  • ধাপ ৫ — ব্যাংক হিসাব ও লাইসেন্স: কর্পোরেট ব্যাংক হিসাব খুলে ট্রেড লাইসেন্স, TIN ও BIN সংগ্রহ করতে হবে।

আমাদের আইনি দল কানাডা থেকে বসেই আপনার সম্পূর্ণ সেটআপ প্রক্রিয়া পরিচালনা করে — নিবন্ধন শুরু করতে এখানে ক্লিক করুন

💰 বিনিয়োগ ও ফান্ডিং

হ্যাঁ, কানাডার নাগরিক বা Non-Resident Bangladeshi (NRB) হিসেবে আপনি বাংলাদেশে ১০০% মালিকানায় কোম্পানি খুলতে পারবেন।

  • বেশিরভাগ খাতে (যেমন: IT, পোশাক, কৃষি, সেবা) ১০০% বিদেশি মালিকানা অনুমোদিত।
  • কিছু সংবেদনশীল খাতে (যেমন: প্রতিরক্ষা, মুদ্রা মুদ্রণ) বিদেশি বিনিয়োগ নিষিদ্ধ বা সীমিত।
  • BIDA অনুমোদনের মাধ্যমে এই মালিকানা নিশ্চিত করা হয়।
  • প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির ক্ষেত্রে ন্যূনতম ২ জন শেয়ারহোল্ডার প্রয়োজন (আপনি এবং আরেকজন কানাডিয়ান বা বাংলাদেশী হতে পারেন)।

১০০% মালিকানার বিস্তারিত জানতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

💰 বিনিয়োগ ও ফান্ডিং

কানাডা থেকে বাংলাদেশে ইক্যুইটি (Equity) বিনিয়োগ করলে Encashment Certificate বাধ্যতামূলক:

  • এটি একটি প্রমাণপত্র যা বাংলাদেশের ব্যাংক কর্তৃক প্রদান করা হয়, যাতে প্রমাণিত হয় যে বিদেশি মূলধন দেশে প্রবেশ করেছে।
  • RJSC তে শেয়ার এলটমেন্ট (Allotment) এবং কোম্পানির ব্যাংক হিসাব পরিচালনার জন্য এই সনদ অপরিহার্য।
  • ভবিষ্যতে লভ্যাংশ বা মূলধন কানাডায় ফেরত নেওয়ার সময় এই সনদটি প্রমাণ হিসেবে কাজ করে।
  • কানাডা থেকে SWIFT ট্রান্সফারের পর বাংলাদেশী ব্যাংকে আবেদন করে এটি সংগ্রহ করতে হয়।

আমরা কানাডা থেকে আপনার ফান্ড ট্রান্সফার ও এনক্যাশমেন্ট সনদ প্রস্তুতিতে সহায়তা করি — যোগাযোগ করুন

📝 আবেদন প্রক্রিয়া

BIDA অনুমোদন ছাড়া বিনিয়োগ সীমিত ক্ষেত্রে সম্ভব:

  • যদি আপনি শুধুমাত্র ঋণ (Loan) হিসেবে অর্থ দেন এবং ইক্যুইটি (Equity) শেয়ারহোল্ডার না হন, তবে BIDA লাগবে না (তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন লাগবে)।
  • যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশী পার্টনারের মাধ্যমে প্রপ্রাইটরশিপ করলে BIDA নাও লাগতে পারে।
  • তবে ১০০% বিদেশি মালিকানা বা Joint Venture কোম্পানির ক্ষেত্রে BIDA অনুমোদন বাধ্যতামূলক।

সঠিক বিনিয়োগের ধরন নির্বাচন ও BIDA আবেদনে সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন

📊 কর ও লভ্যাংশ

বাংলাদেশে বিনিয়োগের মুনাফা বা লভ্যাংশ কানাডায় ফেরত আনার বৈধ পথ রয়েছে:

  • লভ্যাংশ (Dividend): কোম্পানি মুনাফা অর্জন করলে এবং কর পরিশোধের পর শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংড প্রদান করা যায়।
  • কর কাটছাঁট: কানাডা ও বাংলাদেশের মধ্যে Double Taxation Avoidance Agreement (DTAA) রয়েছে, যা দ্বৈত কর এড়ায়।
  • রেমিট্যান্স: বাংলাদেশী ব্যাংকের মাধ্যমে লভ্যাংড সরাসরি আপনার কানাডিয়ান ব্যাংক হিসাবে পাঠানো যায়।
  • কর হার: বাংলাদেশে লভ্যাংডের উপর সাধারণত ১৫% কর কাটা হয় (কোম্পানির মুনাফার কর ছাড়া)।

কানাডা-বাংলাদেশ DTAA এর সুবিধা নিতে ও লভ্যাংড স্থানান্তরে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

ব্রিটিশ কলাম্বিয়া থেকে ঢাকার উত্তরা এলাকায় ফ্র্যাঞ্চাইজি (যেমন: রেস্তোরাঁ বা রিটেইল) খুললে:

  • কর রেয়াত: নির্দিষ্ট খাতে বিদেশি বিনিয়োগে বাংলাদেশ সরকার কর ছাড় দিয়ে থাকে, তবে সাধারণ ফ্র্যাঞ্চাইজিতে কর রেয়াত সীমিত।
  • রয়্যালটি প্রদান: কানাডিয়ান মাতৃ কোম্পানিকে রয়্যালটি দিতে হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন প্রয়োজন।
  • ভ্যাট/কর: উত্তরা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় নিয়মিত ১৫% ভ্যাট (মূসক) প্রযোজ্য।

আপনার বিনিয়োগের কর কাঠামো পরিকল্পনার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

আলবার্টা থেকে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে শিপিং বা লজিস্টিকস কোম্পানির ডিরেক্টর হতে হলে:

  • পাসপোর্ট ভ্যালিডিটি: আবেদনের সময় কানাডিয়ান পাসপোর্টের ভ্যালিডিটি অন্তত ৬ মাস থাকতে হবে।
  • নোটারি ও অ্যাপোস্টিল: পাসপোর্টের কপি কানাডা থেকে নোটারি এবং অ্যাপোস্টিল (Apostille) করে পাঠাতে হবে।
  • ব্যাংক সলভেন্সি: আগ্রাবাদের ব্যাংকগুলো থেকে লাইন ক্রেডিট বা গ্যারান্টি পেতে কর্পোরেট সনদ ও কানাডিয়ান পার্টনারের স্বাক্ষর প্রয়োজন।

কানাডা থেকে চট্টগ্রামে শিপিং কোম্পানি সেটআপে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

অন্টারিও থেকে সিলেটের জিন্দাবাজারে রেস্তোরাঁ খুলে মুনাফা কানাডায় আনতে:

  • কর পরিশোধ: রেস্তোরাঁর মুনাফা থেকে প্রথমে বাংলাদেশের কোম্পানি কর (২০%-২৫%) পরিশোধ করতে হবে।
  • লভ্যাংড ঘোষণা: AGM এর মাধ্যমে লভ্যাংড ঘোষণা করে শেয়ারহোল্ডারকে প্রদান করতে হবে।
  • ব্যাংক ট্রান্সফার: সিলেটের যেকোনো কারেন্ট অ্যাকাউন্ট থেকে কানাডিয়ান ব্যাংকে SWIFT এর মাধ্যমে অর্থ পাঠানো যাবে।

প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য আমাদের বিশেষ প্যাকেজ রয়েছে — যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

টরন্টো থেকে ঢাকায় আইটি বা সফটওয়্যার কোম্পানি (IT Firm) খুললে কর সুবিধা পাওয়া যায়:

  • কর ছাড়: বাংলাদেশে সফটওয়্যার রপ্তানি ও আইটি সেবার উপর প্রায় ১০ বছরের জন্য কর ছাড় (Tax Holiday) রয়েছে।
  • ভ্যাট মুক্ত: সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট সেবায় ভ্যাট (মূসক) মুক্ত।
  • ব্যাংকিং: ঢাকার প্রযুক্তি পার্ক বা বাইরে অফিস খুলে কানাডা থেকে পেমেন্ট সরাসরি বাংলাদেশী ব্যাংকে আসতে পারে।

কানাডা থেকে ঢাকায় IT কোম্পানি সেটআপে সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

মন্ট্রিল থেকে সিলেটে রিয়েল এস্টেট বা পর্যটন (Resort) খাতে বিনিয়োগের নিয়ম:

  • কোম্পানি কাঠামো: প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি খুলে বিনিয়োগ করা নিরাপদ। জমি কেনার জন্য NRB হিসেবে আপনার এনআইডি বা কানাডিয়ান পাসপোর্ট লাগবে।
  • BIDA অনুমোদন: রিসোর্ট বা হোটেল নির্মাণের জন্য BIDA অনুমোদন নিতে হবে।
  • স্থানীয় পার্টনার: জমি রেজিস্ট্রেশনের সুবিধার জন্য স্থানীয় বাংলাদেশী পার্টনার রাখা ভালো।

সিলেটে রিয়েল এস্টেট কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

ভ্যানকুভার থেকে চট্টগ্রামে এক্সপোর্ট-ইম্পোর্ট কোম্পানি খুলতে যা যা লাগবে:

  • কোম্পানি নিবন্ধন: RJSC তে ১০০% মালিকানাধীন বা যৌথ কোম্পানি খুলতে হবে।
  • IRC ও ERC: Import Registration Certificate এবং Export Registration Certificate বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে নিতে হবে।
  • ব্যাংক সলভেন্সি: চট্টগ্রামের ব্যাংক থেকে L/C খুলতে কানাডিয়ান কোম্পানির সলভেন্সি সার্টিফিকেট লাগবে।
  • কাস্টমস এজেন্ট: চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য ক্লিয়ারেন্সের জন্য স্থানীয় C&F এজেন্ট লাগবে।

চট্টগ্রামে এক্সপোর্ট-ইম্পোর্ট লাইসেন্স পেতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

ক্যালগারি থেকে রাজশাহীতে কৃষি বা অ্যাগ্রো-প্রসেসিং শিল্পে বিনিয়োগের বিশাল সুযোগ রয়েছে:

  • কাঁচামাল: রাজশাহী আম, রেশম ও শস্যের অন্যতম উৎপাদক এলাকা, তাই কানাডা থেকে মূলধন আনলে প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা স্থাপন লাভজনক।
  • কর সুবিধা: কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে সরকারি কর ছাড় ও নগদ সহায়তা রয়েছে।
  • রপ্তানি: প্রস্তুত পণ্য কানাডা বা উত্তর আমেরিকায় রপ্তানি করা যায়।

রাজশাহীতে অ্যাগ্রো-বেজড কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

অটোয়া থেকে খুলনায় চিংড়ি বা মৎস্য রপ্তানি ব্যবসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

  • কানাডিয়ান পাসপোর্ট ও ইউটিলিটি বিল: ডিরেক্টরের পরিচয় ও ঠিকানার প্রমাণ (নোটারাইজড ও অ্যাপোস্টিল করা)।
  • মাতৃ কোম্পানির সনদ: যদি কানাডিয়ান কোম্পানির শাখা হয়, তবে মূল কোম্পানির Certificate of Incorporation লাগবে।
  • ব্যাংক সার্টিফিকেট: কানাডিয়ান ব্যাংক থেকে আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ।
  • খুলনায় প্ল্যান্ট: খুলনায় প্রসেসিং প্ল্যান্টের জন্য পরিবেশ ছাড়পত্র ও BSTI সনদ লাগবে।

খুলনায় রপ্তানি কোম্পানি সেটআপে সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

এডমন্টন থেকে বরিশালে নৌ-পরিবহন কোম্পানি খুলতে হলে:

  • কোম্পানি নিবন্ধন: RJSC তে কোম্পানি খুলে বরিশাল নদী অঞ্চলে ট্রলার বা লঞ্চ পরিচালনার লাইসেন্স নিতে হবে।
  • বিআইডিএটিএ (BIWTA): নৌযান রেজিস্ট্রেশন ও পরিচালনার জন্য বিআইডিএটিএ-এর অনুমোদন প্রয়োজন।
  • কানাডিয়ান ইনভেস্টর: ১০০% বিদেশি মালিকানায় নৌ-পরিবহন সম্ভব, তবে মূলধন বৈধভাবে আনতে হবে।

বরিশালে নৌ-পরিবহন ব্যবসা সেটআপে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

উইনিপেগ থেকে রংপুরে এগ্রো-বেজড ইন্ডাস্ট্রি (যেমন: বরই বা ধান প্রক্রিয়াজাতকরণ) খুলতে:

  • BIDA অনুমোদন: হ্যাঁ, কানাডা থেকে ইক্যুইটি বিনিয়োগ হলে BIDA অনুমোদন বাধ্যতামূলক।
  • জমি লিজ: রংপুরে কারখানার জন্য জমি লিজ নিতে স্থানীয় প্রশাসনের ছাড়পত্র লাগবে।
  • কৃষক সমবায়: স্থানীয় কৃষকদের সাথে চুক্তি করে কাঁচামাল সংগ্রহ করা যায়।

রংপুরে কৃষি শিল্প কোম্পানি নিবন্ধনে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

কেবেক সিটি থেকে ময়মনসিংহে পোল্ট্রি ফিড মিল খুলতে বিনিয়োগের ধরন:

  • ন্যূনতম মূলধন: বিদেশি বিনিয়োগের জন্য ন্যূনতম ৫০,০০০ মার্কিন ডলার (প্রায় ৫৫ লক্ষ টাকা) ইক্যুইটি হিসেবে আনতে হয়।
  • কারখানা ও মেশিন: ময়মনসিংহে জমি ও মেশিনারিজ কেনার জন্য অতিরিক্ত বিনিয়োগ প্রয়োজন।
  • কর্মী ও কাঁচামাল: স্থানীয় শ্রমিক ও কৃষি উপজাত সহজলভ্য।

ময়মনসিংহে পোল্ট্রি ফিড মিল কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

হ্যামিল্টন থেকে কুমিল্লা ইপিজেড (EPZ)-এ কানাডিয়ান কোম্পানি খুললে যেসব সুবিধা পাওয়া যায়:

  • কর ছাড়: ইপিজেডে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কর ছাড় থাকে।
  • ডিউটি ফ্রি: কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক ছাড় এবং রপ্তানিতে সুবিধা।
  • বেপজা (BEPZA): কুমিল্লা ইপিজেডে বেপজার মাধ্যমে দ্রুত অনুমোদন ও একক জানালা সেবা পাওয়া যায়।
  • অবস্থান: চট্টগ্রাম বন্দরের কাছে হওয়ায় রপ্তানি সহজ।

কুমিল্লা ইপিজেডে কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

হ্যালিফ্যাক্স থেকে নারায়ণগঞ্জে পোশাক বা টেক্সটাইল কোম্পানি খুললে বাংলাদেশের শ্রম আইন মানতে হবে:

  • শ্রম আইন ২০০৬: শ্রমিকদের বেতন, কাজের সময় ও সুবিধার জন্য শ্রম আইন অনুযায়ী লিখিত চুক্তি ও সেবা বিধি প্রয়োজন।
  • কমপ্লায়েন্স: বিদেশি বায়ারদের জন্য নিরাপত্তা ও বায়োসিকিউরিটি কমপ্লায়েন্স বাধ্যতামূলক।
  • ট্রেড ইউনিয়ন: শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার রয়েছে।
  • BGMEA: নারায়ণগঞ্জে পোশাক কারখানা খুললে BGMEA সদস্যপদ নিতে হবে।

নারায়ণগঞ্জে পোশাক কোম্পানি কমপ্লায়েন্সে সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

ভিক্টোরিয়া থেকে গাজীপুরে উৎপাদনশীল কারখানা (Manufacturing Plant) খুলতে পরিবেশ ছাড়পত্র প্রয়োজন:

  • পরিবেশ অধিদপ্তর: গাজীপুরের শিল্প কারখানার জন্য Department of Environment (DoE) থেকে Environmental Clearance নিতে হবে।
  • প্রতিবেদন: কারখানার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য IEE বা EIA প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
  • কানাডিয়ান ডকুমেন্ট: কোম্পানির মালিকানা ও বিনিয়োগের প্রমাণ অ্যাপোস্টিল করে দিতে হবে।

গাজীপুরে পরিবেশ ছাড়পত্র পেতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

সাসকাটুন থেকে কক্সবাজারে পর্যটন বা রিসোর্ট ব্যবসা খুলতে কানাডিয়ান ইনভেস্টরদের সুবিধা:

  • বিদেশি মালিকানা: ১০০% বিদেশি মালিকানায় রিসোর্ট বা হোটেল খোলা যায়।
  • কর ছাড়: কক্সবাজারে পর্যটন খাতে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ট্যাক্স হলিডে থাকতে পারে।
  • জমি ক্রয়: কানাডিয়ান নাগরিকরা NRB হিসেবে জমি রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন।
  • বিআইডিএ: BIDA এর মাধ্যমে অনুমোদন নিলে দ্রুত সেটআপ সম্ভব।

কক্সবাজারে পর্যটন কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

রেজিনা থেকে যশোরে চামড়া শিল্পে (Leather Industry) বিনিয়োগ করলে কড়া পরিবেশ আইন মানতে হবে:

  • সাভার ট্যানারি পার্ক: বর্তমানে সাভারে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকায় চামড়া শিল্প স্থাপন বাধ্যতামূলক, যশোরে নতুন ট্যানারি সীমিত।
  • ETS: Effluent Treatment Plant (ETS) স্থাপন না করলে পরিবেশ অধিদপ্তর ছাড়পত্র দেবে না।
  • আইনি ঝুঁকি: কানাডিয়ান ইনভেস্টরদের পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করলে জরিমানা ও লাইসেন্স বাতিলের ঝুঁকি থাকে।

যশোরে চামড়া বা শিল্প কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

ওশাওয়া থেকে বগুড়ায় ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি খুললে কানাডা থেকে ফান্ড আনার উপায়:

  • ব্যাংকিং চ্যানেল: কানাডার যেকোনো ব্যাংক থেকে SWIFT কোডের মাধ্যমে বগুড়ার বা ঢাকার কর্পোরেট ব্যাংক হিসাবে টাকা পাঠাতে হবে।
  • ইক্যুইটি বনাম লোন: শেয়ারহোল্ডার হিসেবে ইক্যুইটি পাঠালে Encashment Certificate লাগবে।
  • বিআইডিএ: বগুড়ায় ট্রেডিং ব্যবসার জন্য BIDA অনুমোদন সহজে মেলে।

বগুড়ায় ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

কিচেনার থেকে দিনাজপুরে চাল বা গমের ব্যবসার জন্য ফান্ড স্থানান্তরের সময়:

  • ট্রান্সফার: কানাডা থেকে SWIFT ট্রান্সফার হতে ২-৫ কর্মদিবস সময় লাগে।
  • এনক্যাশমেন্ট: বাংলাদেশী ব্যাংকে অর্থ এলে এনক্যাশমেন্ট সার্টিফিকেট পেতে আরও ৩-৭ কর্মদিবস সময় লাগে।
  • দিনাজপুর ব্যাংক: দিনাজপুরের স্থানীয় ব্যাংক থেকে ঢাকার প্রধান শাখায় এনক্যাশমেন্ট প্রসেসিং করা হয়।

দিনাজপুরে কৃষিপণ্য কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

সেন্ট ক্যাথেরিনস থেকে ফরিদপুরে রপ্তানি কোম্পানি খুললে কানাডিয়ান ব্যাংকের L/C প্রক্রিয়া:

  • ক্রেতার L/C: কানাডার আমদানিকারক কোম্পানি তাদের ব্যাংক থেকে ফরিদপুরের রপ্তানিকারক কোম্পানির নামে L/C খুলবে।
  • রপ্তানি ডকুমেন্ট: পণ্য বোঝাই হলে ফরিদপুরের ব্যাংক ডকুমেন্ট কানাডায় পাঠাবে।
  • পেমেন্ট: ডকুমেন্ট যাচাই হলে কানাডিয়ান ব্যাংক পেমেন্ট পরিশোধ করবে।

ফরিদপুরে রপ্তানি কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

ব্র্যান্টফোর্ড থেকে টাঙ্গাইলে তাঁত বা হ্যান্ডলুম শিল্পে বিনিয়োগ করে কানাডায় রপ্তানি করা যায়:

  • কোম্পানি নিবন্ধন: টাঙ্গাইলে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি খুলে উৎপাদন শুরু করা যায়।
  • ERC: Export Registration Certificate বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে নিতে হবে।
  • কানাডিয়ান মার্কেট: টাঙ্গাইলের শাড়ি ও পোশাক কানাডার বাঙালি কমিউনিটির কাছে জনপ্রিয়।
  • ডিউটি সুবিধা: বাংলাদেশের পোশাক কানাডায় নির্দিষ্ট পরিমাণ পর্যন্ত শুল্কমুক্ত।

টাঙ্গাইলে তাঁত শিল্প কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

গুয়েলফ থেকে কুষ্টিয়ায় গুড় বা তামাক ব্যবসা সেটআপ করতে কানাডিয়ান ডকুমেন্ট:

  • পাসপোর্ট ও এনআইডি: কানাডিয়ান পাসপোর্ট এবং যদি NRB হন তবে পুরোনো এনআইডি (নোটারাইজড)।
  • প্রফ অফ অ্যাড্রেস: কানাডার ইউটিলিটি বিল বা ড্রাইভিং লাইসেন্স।
  • ট্যাক্স আইডি: কানাডার SIN (Social Insurance Number) বা ব্যবসার ট্যাক্স আইডি।
  • ব্যাংক স্টেটমেন্ট: কানাডিয়ান ব্যাংক থেকে আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ।

কুষ্টিয়ায় কৃষিপণ্য কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

কিংস্টন থেকে হবিগঞ্জে চা বাগান বা কাঠ শিল্পে বিনিয়োগ করলে কর কাঠামো:

  • কোম্পানি কর: বাংলাদেশে উৎপাদিত মুনাফার উপর ২০%-২৫% কর প্রযোজ্য (খাত অনুযায়ী)।
  • কানাডায় কর: কানাডায় বিদেশি আয়ের উপর কর দিতে হতে পারে, তবে DTAA এর কারণে বাংলাদেশে দেওয়া করের ক্রেডিট পাওয়া যাবে।
  • রয়্যালটি: চা বাগান বা কাঠ শিল্পের মালিকানা কোম্পানির হলে লভ্যাংড কানাডায় নেওয়া যাবে।

হবিগঞ্জে চা বাগান কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

শার্লটটাউন থেকে পিরোজপুরে কাঠ বা নৌকা শিল্পে বিনিয়োগের জন্য টাকা পাঠানোর উপায়:

  • কানাডিয়ান ব্যাংক: RBC, TD Bank, Scotiabank বা BMO থেকে সরাসরি SWIFT ট্রান্সফার করা যায়।
  • বাংলাদেশী ব্যাংক: পিরোজপুরের স্থানীয় ব্যাংক (যেমন: সোনালী, অগ্রণী, বা আইএফআইসি) এর শাখায় কর্পোরেট হিসাব খুলে টাকা নেওয়া যায়।
  • ফান্ড ট্রান্সফার: প্রতিটি ট্রান্সফারের জন্য কানাডিয়ান ব্যাংকের রেসিপ্ট ও পারপাস কোড লাগবে।

পিরোজপুরে শিল্প কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

সার্নিয়া থেকে বরগুনায় মৎস্য বা নারিকেল ব্যবসা খুলতে পাসপোর্ট রিনিউয়াল প্রয়োজন হতে পারে:

  • ভ্যালিডিটি: কোম্পানি নিবন্ধনের সময় কানাডিয়ান পাসপোর্টের ভ্যালিডিটি অন্তত ৬ মাস থাকতে হবে।
  • ভিসা: আপনি যদি বাংলাদেশে এসে ব্যাংক হিসাব খুলতে চান, তবে বৈধ ভিসা বা NRB কার্ড লাগবে।
  • পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি: পাসপোর্ট রিনিউয়াল না থাকলে কানাডা থেকে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি করে বাংলাদেশে প্রতিনিধি মাধ্যমে কাজ করানো যায়।

বরগুনায় কৃষি বা মৎস্য কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

সাডবারি থেকে ঝালকাঠিতে প্রসেসিং কোম্পানি খুলতে কানাডিয়ান ট্যাক্স রিটার্ন প্রয়োজন:

  • বিআইডিএ আবেদন: BIDA অনুমোদনের সময় কানাডিয়ান ইনভেস্টরের আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ হিসেবে ট্যাক্স রিটার্ন বা ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখাতে হয়।
  • সোর্স অফ ফান্ড: কানাডা থেকে টাকা পাঠানোর সময় ব্যাংক সোর্স অফ ফান্ড যাচাই করে, তাই ট্যাক্স রিটার্ন সহায়ক।
  • কানাডায় কর: কানাডায় বিদেশি সম্পদের কথা ট্যাক্স রিটার্নে উল্লেখ করতে হবে (T1135)।

ঝালকাঠিতে কৃষিপণ্য কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

ট্রুরো থেকে বান্দরবানে ইকো-ট্যুরিজম ব্যবসা খুলতে কানাডিয়ান নাগরিকদের বিশেষ পারমিট প্রয়োজন:

  • পার্বত্য চট্টগ্রাম কমিশনার: বান্দরবানে জমি লিজ বা রিসোর্ট নির্মাণের জন্য স্থানীয় পরিষদের অনুমোদন লাগে।
  • পর্যটক পারমিট: কানাডিয়ান নাগরিকদের বান্দরবানে যাওয়ার জন্য পর্যটক পারমিট লাগে, তবে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে আলাদা ভিসা লাগতে পারে।
  • পরিবেশ ছাড়পত্র: ইকো-পার্ক বা রিসোর্টের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র বাধ্যতামূলক।

বান্দরবানে পর্যটন কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

নিউ ওয়েস্টমিনস্টার থেকে রাঙ্গামাটিতে পর্যটন বা কাপোর ব্যবসায় বিনিয়োগে স্থানীয় পরিষদের ভূমিকা:

  • আরআইএসডিসি: Rangamati Hill District Council (RHDC) এর অনুমোদন ছাড়া জমি লিজ বা কেনা যায় না।
  • বিআইডিএ: কানাডিয়ান ইনভেস্টরদের BIDA অনুমোদনের পাশাপাশি স্থানীয় পরিষদের ছাড়পত্র লাগবে।
  • কাপোর উৎপাদন: কাপোর কারখানা খুলতে স্থানীয় শ্রমিক ও জমি ব্যবহারের জন্য পরিষদের অনুমতি প্রয়োজন।

রাঙ্গামাটিতে পর্যটন কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

লেথব্রিজ থেকে খাগড়াছড়িতে ব্যবসা খুলতে কানাডা থেকে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি (PoA) প্রক্রিয়া:

  • ড্রাফটিং: একজন বাংলাদেশী আইনজীবী দিয়ে PoA ড্রাফট তৈরি করুন।
  • নোটারি: কানাডায় একজন নোটারি পাবলিক বা আইনজীবীর সামনে স্বাক্ষর করুন।
  • অ্যাপোস্টিল বা কনস্যুলেট: Global Affairs Canada থেকে অ্যাপোস্টিল করান বা বাংলাদেশ কনস্যুলেটে প্রত্যায়িত করান।
  • বাংলাদেশে রেজিস্ট্রেশন: সনদটি বাংলাদেশে পাঠিয়ে স্থানীয় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রেশন করান।

কানাডা থেকে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি প্রস্তুতিতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

রেড ডিয়ার থেকে নেত্রকোণায় কৃষি বা খনি ব্যবসায় কানাডিয়ান ইনভেস্টরদের লোন প্রক্রিয়া:

  • স্থানীয় ব্যাংক: বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো বিদেশি মালিকানাধীন কোম্পানিকে কর্পোরেট লোন দেয়, তবে কোম্পানির টার্নওভার ও ক্যাশ ফ্লো দেখাতে হবে।
  • EBL, BRAC বা IDLC: এসব বেসরকারি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রজেক্ট লোন পাওয়া যায়।
  • কানাডিয়ান কোল্যাটারাল: কানাডার সম্পত্তি বাংলাদেশে কোল্যাটারাল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়, তাই বাংলাদেশেই কোল্যাটারাল বা মূলধন দিতে হবে।
  • BIDA সাপোর্ট: BIDA অনুমোদিত কোম্পানিগুলোকে সরকারি ব্যাংক থেকে সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া হয়।

নেত্রকোণায় কৃষি কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

কেলোনা থেকে মুন্সিগঞ্জে নদী পরিবহন বা পাটকঠি ব্যবসা সেটআপ করতে আইনি সহায়তা:

  • আইনি কনসালটেন্সি: কানাডায় বাংলাদেশী আইনি ফার্মগুলোর রিমোট সহায়তা নেওয়া যায়। আমরা কানাডা থেকে বসে আপনার মুন্সিগঞ্জের নৌ-পরিবহন কোম্পানির সম্পূর্ণ রেজিস্ট্রেশন পরিচালনা করি।
  • পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি: কানাডায় থেকেই পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি প্রস্তুত করে আমাদের ঢাকা বা মুন্সিগঞ্জের প্রতিনিধির মাধ্যমে কাজ করানো যায়।
  • বিআইডিএটিএ অনুমোদন: নৌযান রেজিস্ট্রেশন ও পরিচালনার লাইসেন্স আমরাই প্রস্তুত করে দিতে পারি।

মুন্সিগঞ্জে পরিবহন কোম্পানি খুলতে যোগাযোগ করুন

আপনার অনুসন্ধানের সাথে মিলে যাওয়া কোনো FAQ পাওয়া যায়নি। অন্য কীওয়ার্ড চেষ্টা করুন অথবা সরাসরি আমাদের আইনজীবীদের জিজ্ঞাসা করুন

তথ্যসূত্র: Companies Act 1994 (Bangladesh), BIDA নীতিমালা ও Foreign Direct Investment (FDI) নীতি (২০২৫–২০২৬)।
Non-Resident Bangladeshi (NRB) এবং Double Taxation Avoidance Agreement (DTAA) সম্পর্কে উইকিপিডিয়ায় বিস্তারিত তথ্য রয়েছে।
কানাডা এর টরন্টো, মন্ট্রিল, ভ্যানকুভার, অটোয়া থেকে বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট সহ সকল শহরে আমাদের সেবা প্রদান করা হয়।
অ্যাপোস্টিল কনভেনশন এবং পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি প্রক্রিয়া কানাডা থেকে বাংলাদেশে ব্যবসা সেটআপের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই FAQ টুলটি কেবল তথ্যপ্রদানের উদ্দেশ্যে তৈরি — এটি আইনি পরামর্শ নয়। আনুষ্ঠানিক বিনিয়োগ পরামর্শের জন্য আমাদের অভিজ্ঞ আইনজীবীদের সাথে যোগাযোগ করুন
ব্যক্তিগতকৃত সহায়তা প্রয়োজন? আমাদের আইনি ও ব্যবসায়িক পরামর্শকদের সাথে যোগাযোগ করুন — কানাডা থেকে বাংলাদেশের সকল জেলায় রিমোট সেটআপ সেবা প্রদান করা হয়।

Aeenx Footer

booked from Bangladesh Booking Notification

Aeenx Chatbot