Contact Now
Select your region
দক্ষ আয়কর আইনজীবী দ্বারা আয়কর রিটার্ন করুন | বাংলাদেশ ২০২৫–২০২৬

দক্ষ আয়কর আইনজীবী দ্বারা
আয়কর রিটার্ন করুন

বাংলাদেশে e-TIN প্রস্তুতি, আয়কর রিটার্ন দাখিল, কর হিসাব, রিফান্ড, পেনাল্টি পরিহার, আপিল ও বার্ষিক কমপ্লায়েন্স সংক্রান্ত প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী — Income Tax Act 2023 ও NBR নীতিমালা অনুযায়ী আইনি বিশেষজ্ঞদের দ্বারা উত্তরিত।

আয়কর রিটার্ন FAQ টুল
আপডেট: নভেম্বর ২০২৬

সম্পূর্ণ আয়কর রিটার্ন প্যাকেজ — এক ছাদের নিচে

e-TIN প্রস্তুতি → আয় ও কর হিসাব → রিটার্ন ফরম পূরণ → NBR দাখিল → চালান জমা → রিফান্ড দাবি → আপিল → বার্ষিক কমপ্লায়েন্স — সবকিছু আমাদের অভিজ্ঞ আয়কর আইনজীবী ও চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট দল দ্বারা পরিচালিত। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা সহ বাংলাদেশের সকল জেলা ও থানায় সেবা প্রদান করা হয়।

প্রদর্শিত হচ্ছে ৩৫ এর মধ্যে ৩৫ টি FAQ
📋 রিটার্ন মৌলিক

আয়কর রিটার্ন (Income Tax Return) হলো একটি নির্দিষ্ট কর বছরে করদাতার মোট আয়, কর্তিত কর, প্রদেয় কর ও সম্পদের বিবরণ সম্বলিত একটি আনুষ্ঠানিক দলিল, যা National Board of Revenue (NBR) এর নিকট দাখিল করা হয়। এটি বাংলাদেশের সংবিধান ও Income Tax Act 2023 অনুযায়ী নাগরিকদের কাছে আইনি বাধ্যবাধকতা। রিটার্ন দেওয়ার প্রধান কারণসমূহ:

  • আইনি বাধ্যবাধকতা: নির্দিষ্ট আয়সীমার ঊর্ধ্বে প্রত্যেক ব্যক্তির রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক
  • সরকারি সেবা গ্রহণ: পাসপোর্ট, ব্যাংক ঋণ, ট্রেড লাইসেন্স, ক্রেডিট কার্ড, গাড়ি রেজিস্ট্রেশনে TIN ও রিটার্ন প্রমাণ প্রয়োজন
  • কর রিফান্ড: অতিরিক্ত কর পরিশোধিত হলে রিফান্ড পাওয়ার জন্য রিটার্ন দাখিল আবশ্যক
  • বিদেশ ভ্রমণ ও ভিসা: অনেক দেশের ভিসার জন্য আয়কর রিটার্ন সার্টিফিকেট দাখিল করতে হয়
  • ক্রেডিট স্কোর ও আর্থিক স্বচ্ছতা: ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান রিটার্ন দেখে আর্থিক যোগ্যতা যাচাই করে
  • জরিমানা ও আইনি ব্যবস্থা পরিহার: নিয়মিত রিটার্ন দিলে পেনাল্টি ও অনুসন্ধান থেকে রক্ষা পাওয়া যায়

একজন দক্ষ আয়কর আইনজীবী আপনার আয়ের ধরন বিশ্লেষণ করে সঠিক কর্তন, রেয়াত ও কর হার প্রয়োগ করে আইনসম্মতভাবে সর্বোচ্চ সাশ্রয়ে রিটার্ন দাখিল নিশ্চিত করেন। আজই রিটার্ন শুরু করতে যোগাযোগ করুন

📋 রিটার্ন মৌলিক

Income Tax Act 2023 এর Section 75 অনুযায়ী নিচের ব্যক্তিদের জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক:

  • সাধারণ ব্যক্তি: বার্ষিক আয় ৩,৫০,০০০ টাকা বা তদুর্ধ্ব হলে
  • নারী ও প্রবীণ নাগরিক (৬৫+): বার্ষিক আয় ৪,০০,০০০ টাকা বা তদুর্ধ্ব হলে
  • প্রতিবন্ধী ব্যক্তি: বার্ষিক আয় ৪,৭৫,০০০ টাকা বা তদুর্ধ্ব হলে
  • গেজেটেড মুক্তিযোদ্ধা: বার্ষিক আয় ৫,০০,০০০ টাকা বা তদুর্ধ্ব হলে
  • কোম্পানি ও ফার্ম: আয় নির্বিশেষে সকল কোম্পানি, পার্টনারশিপ ফার্ম
  • ইম্পোর্ট-এক্সপোর্ট লাইসেন্সধারী: IRC/ERC থাকলে আয় নির্বিশেষে রিটার্ন বাধ্যতামূলক
  • চাকরিজীবী: মাসিক বেতন ৪০,০০০ টাকা বা তদুর্ধ্ব হলে বা কোম্পানির শর্ত থাকলে
  • নগদ সহায়তা বা সরকারি ঋণ গ্রহীতা: আয় নির্বিশেষে
  • সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা এলাকার ব্যবসায়ী: টার্নওভার ৩ লক্ষ টাকার বেশি হলে
  • ব্যাংক হিসাবধারী (যেকোনো): কিছু ক্ষেত্রে রিটার্ন প্রয়োজন

আপনার আয় ও পেশা অনুযায়ী রিটার্ন দাখিল আবশ্যক কিনা যাচাই করতে একজন আয়কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন

📋 রিটার্ন মৌলিক

Income Tax Act 2023 অনুযায়ী আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা করদাতার শ্রেণি অনুযায়ী ভিন্ন:

  • ব্যক্তি করদাতা (চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী): প্রতি কর বছরের ৩০ নভেম্বর (১ জুলাই – ৩০ জুন কর বছরের জন্য)
  • কোম্পানি (প্রাইভেট ও পাবলিক লিমিটেড): আর্থিক বছর শেষের ৬ মাসের মধ্যে বা ৭ম মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে (যেমন: জুন শেষ হলে ৩১ ডিসেম্বর বা ১৫ জানুয়ারি)
  • ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান: নির্দিষ্ট সময়সীমা ভিন্ন হতে পারে
  • নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশি (NRB): ব্যক্তিদের জন্য ৩০ নভেম্বর
  • সময় সম্প্রসারণ: NBR সরকারিভাবে শেষ তারিখ সম্প্রসারণ করতে পারে — সাধারণত ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়

অতিক্রান্ত সময়সীমায় রিটার্ন দিলে জরিমানা প্রযোজ্য। তবে স্বেচ্ছায় দাখিল করলে জরিমানা কমানো যায়। দ্রুত ও নির্ভুল রিটার্ন দাখিলের জন্য আমাদের আয়কর আইনজীবীর সাথে যোগাযোগ করুন

⚠️ জরিমানা ও আপিল

Income Tax Act 2023 অনুযায়ী রিটার্ন না দিলে বা ভুল তথ্য দিলে বহুবিধ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়:

  • বিলম্ব জরিমানা: সময়মতো রিটার্ন না দিলে প্রতি মাসে অনাদায়ী করের ২% হারে সুদ (Section 124) এবং সর্বনিম্ন ১,০০০ টাকা জরিমানা
  • অনাদায়ী করের উপর জরিমানা: কর ফাঁকি দিলে অনাদায়ী করের ৫০% পর্যন্ত জরিমানা (Section 122)
  • বেসরকারি রিটার্ন: নোটিশ পাওয়ার পরেও না দিলে আরো কঠোর ব্যবস্থা
  • পলায়ন জরিমানা: উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কর ফাঁকি দিলে অতিরিক্ত ৫০% কর আরোপ হতে পারে
  • ব্যাংক হিসাব স্থগিত: NBR ব্যাংক হিসাব স্থগিত করার নির্দেশ দিতে পারে
  • ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা: বড় পরিমাণ কর বকেয়া থাকলে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
  • আদালতে বিচার: গুরুতর ক্ষেত্রে ফৌজদারি মামলা ও ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  • সম্পদ বাজেয়াপ্ত: চরম ক্ষেত্রে সম্পদ জব্দ করা যেতে পারে

পূর্ববর্তী বছরের রিটার্ন বাদ পড়লেও পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে সংশোধিত রিটার্ন দেওয়া সম্ভব। আমাদের আয়কর আইনজীবী সকল বকেয়া রিটার্ন ও পেনাল্টি নিষ্পত্তিতে সহায়তা করবেন

📄 কাগজপত্র

e-TIN (Electronic Tax Identification Number) হলো NBR দ্বারা প্রদত্ত ১২-সংখ্যার একটি অনন্য কর নিবন্ধন নম্বর। আয়কর রিটার্ন দাখিলের জন্য e-TIN বাধ্যতামূলক। অনলাইনে পাওয়ার প্রক্রিয়া:

  • NBR এর অফিসিয়াল পোর্টাল secure.incometax.gov.bd এ যান
  • "TIN Registration" বা "Registration" অপশনে ক্লিক করুন
  • আবেদনকারীর ধরন (ব্যক্তি/কোম্পানি/প্রতিষ্ঠান), নাম, NID, জন্ম তারিখ প্রদান
  • বর্তমান ঠিকানা, পেশা ও আয়ের উৎস পূরণ করুন
  • মোবাইল নম্বর যাচাই (OTP কোড) সম্পন্ন করুন
  • সাবমিট করলে সাথে সাথেই ১২-সংখ্যার e-TIN সার্টিফিকেট পাওয়া যায়
  • e-TIN সম্পূর্ণ বিনামূল্যে — কোনো ফি নেই
  • বিদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট দিয়ে TIN নিবন্ধন করতে হয়

e-TIN ছাড়া আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া সম্ভব নয়। আমাদের প্যাকেজে e-TIN প্রস্তুতি সম্পূর্ণ সহায়তা অন্তর্ভুক্ত। যোগাযোগ করুন

📄 কাগজপত্র

আয়কর রিটার্ন দাখিলের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র করদাতার শ্রেণি অনুযায়ী ভিন্ন। সাধারণত যা যা প্রয়োজন:

  • e-TIN সার্টিফিকেট — সকল করদাতার জন্য
  • জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা পাসপোর্টের কপি
  • পাসপোর্ট-সাইজ ছবি — সাম্প্রতিক
  • বেতন সনদ (Salary Certificate) — চাকরিজীবীদের জন্য
  • ব্যাংক স্টেটমেন্ট — সর্বশেষ ১২ মাসের
  • ট্যাক্স কর্তন সনদ (TDS Certificate) — চাকরিজীবী ও পেশাজীবীদের জন্য
  • ব্যবসায়িক লাইসেন্স ও টার্নওভার হিসাব — ব্যবসায়ীদের জন্য
  • ভ্যাট রিটার্ন কপি — ব্যবসায়ীদের জন্য (যদি থাকে)
  • বাড়ি ভাড়া চুক্তি — বাসস্থান ভাড়া নিলে
  • বীমা প্রিমিয়াম রসিদ — রেয়াতের জন্য
  • চাদা ও অনুদানের প্রমাণ — অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানে দান করলে
  • পূর্ববর্তী বছরের রিটার্ন ও স্বীকৃতি পত্র
  • সম্পদের বিবরণী — জমি, ভবন, গাড়ি, শেয়ার ইত্যাদি

বিদেশি আয় থাকলে অতিরিক্ত কাগজপত্র প্রয়োজন। আমাদের আয়কর আইনজীবীরা সব কাগজপত্র আপনার পক্ষে প্রস্তুত ও যাচাই করেন — বিনামূল্যে চেকলিস্ট পেতে ক্লিক করুন

💰 কর হার ও ছাড়

কর বছর ২০২৫–২০২৬ (মূল্যায়ন বছর ২০২৬–২০২৭) এর জন্য ব্যক্তি করদাতাদের আয়কর হার নিচে দেওয়া হলো (সাধারণ ব্যক্তির ক্ষেত্রে):

  • প্রথম ১,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত: কর মুক্ত
  • পরবর্তী ১,০০,০০০ টাকা (১,০০,০০১ – ২,০০,০০০): ৫%
  • পরবর্তী ৩,০০,০০০ টাকা (২,০০,০০১ – ৫,০০,০০০): ১০%
  • পরবর্তী ৪,০০,০০০ টাকা (৫,০০,০০১ – ৯,০০,০০০): ১৫%
  • পরবর্তী ৫,০০,০০০ টাকা (৯,০০,০০১ – ১৪,০০,০০০): ২০%
  • পরবর্তী ৫,০০,০০০ টাকা (১৪,০০,০০১ – ১৯,০০,০০০): ২৫%
  • ১৯,০০,০০১ টাকার ঊর্ধ্বে: ২৫% (সর্বোচ্চ প্রান্তিক হার)

সারচার্জ (Surcharge): নিট সম্পদ ৪০ লক্ষ টাকার বেশি হলে ১০%, ১ কোটির বেশি হলে ১৫%, ২ কোটির বেশি হলে ২০%, ৩ কোটির বেশি হলে ২৫%, ৫ কোটির বেশি হলে ৩০% সারচার্জ প্রযোজ্য।

নারী, প্রবীণ (৬৫+), প্রতিবন্ধী ও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আলাদা কর মুক্ত সীমা প্রযোজ্য। বিস্তারিত হিসাবের জন্য আমাদের আয়কর আইনজীবীর সাথে কথা বলুন

💰 কর হার ও ছাড়

Income Tax Act 2023 অনুযায়ী বিশেষ শ্রেণির করদাতাদের জন্য আলাদা কর মুক্ত আয়সীমা নির্ধারিত (২০২৫–২০২৬ কর বছরের জন্য):

  • নারী করদাতা: ৪,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় কর মুক্ত (সাধারণ ৩,৫০,০০০ এর বদলে)
  • প্রবীণ নাগরিক (৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব): ৪,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত কর মুক্ত
  • প্রতিবন্ধী ব্যক্তি: ৪,৭৫,০০০ টাকা পর্যন্ত কর মুক্ত (অতিরিক্ত ১,০০,০০০ টাকা রেয়াত)
  • গেজেটেড মুক্তিযোদ্ধা: ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত কর মুক্ত
  • গেজেটেড আহত মুক্তিযোদ্ধা: আরো উচ্চতর ছাড় প্রযোজ্য
  • দ্বিতীয় শ্রেণির অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী: বিশেষ ছাড়

এই ছাড় পেতে হলে প্রাসঙ্গিক প্রমাণপত্র (জন্ম নিবন্ধন/প্রতিবন্ধী সনদ/মুক্তিযোদ্ধা সনদ) রিটার্নের সাথে জমা দিতে হয়। আমাদের আয়কর আইনজীবীরা সঠিক ছাড় নিশ্চিত করবেন

💰 কর হার ও ছাড়

কর বছর ২০২৫–২০২৬ এর জন্য বিভিন্ন ধরনের কোম্পানির আয়কর হার:

  • নন-পাবলিক ট্রেডেড কোম্পানি (প্রাইভেট লিমিটেড): ২৫%
  • পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানি (শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত): ২২.৫%
  • ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান: ৪০%
  • মোবাইল টেলিকম অপারেটর: ৪৫%
  • সিগারেট, বিড়ি ও তামাক কোম্পানি: ৪৫%
  • সুবিধাপ্রাপ্ত খাত (নির্দিষ্ট শিল্প ও রপ্তানি): ১৫%–২০%
  • আইটি ও আইটিইএস কোম্পানি (তথ্য প্রযুক্তি): ১০%
  • রপ্তানিমুখী কোম্পানি: ১২%–১৫% (যাচাইকৃত রপ্তানি আয়ের উপর)
  • নির্মাণ কোম্পানি (নির্দিষ্ট শর্তে): ১৫%

সারচার্জ ও ন্যূনতম কর (Minimum Tax) আলাদাভাবে প্রযোজ্য। আপনার কোম্পানির সঠিক কর হার নির্ধারণে আয়কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন

💼 পেশাভিত্তিক

চাকরিজীবীদের জন্য আয়কর রিটার্ন প্রক্রিয়া অপেক্ষাকৃত সহজ, তবে নিয়ম মেনে করা আবশ্যক:

  • বেতন সনদ (Salary Certificate) সংগ্রহ: নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান থেকে বার্ষিক বেতন, বোনাস ও অন্যান্য সুবিধার বিবরণ নিন
  • TDS সনদ (Tax Deducted at Source): মাসিক বেতন থেকে কর্তিত করের পরিমাণের সনদ সংগ্রহ করুন
  • আয় হিসাব: বেতন + বোনাস + অন্যান্য সুবিধা = মোট বেতন আয়
  • রেয়াত ও কর্তন: বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা, পেশাগত খরচ, পিএফ অবদান ইত্যাদি বিয়োগ
  • বাড়ি ভাড়া রেয়াত: বেতনের ৫০% বা মাসিক ২৫,০০০ টাকা (যেকোনো কম)
  • অন্যান্য আয় যোগ: ব্যাংক সুদ, শেয়ার লভ্যাংস, বাড়ি ভাড়া ইত্যাদি
  • কর্তিত কর বিয়োগ: TDS বিয়োগ করে প্রদেয় কর নির্ণয়
  • রিটার্ন ফরম: IT-11GA পূরণ করে NBR-তে দাখিল
  • চালান জমা: অতিরিক্ত কর থাকলে সোনালী ব্যাংকে জমা

চাকরিজীবীদের রিটার্ন প্যাকেজ শুরু ১,৫০০ টাকা থেকে। আমাদের আয়কর আইনজীবী সম্পূর্ণ সহায়তা দেবেন

💼 পেশাভিত্তিক

ব্যবসায়ী করদাতাদের জন্য আয়কর রিটার্ন প্রক্রিয়া চাকরিজীবীদের চেয়ে জটিল:

  • হিসাব পদ্ধতি নির্বাচন: টার্নওভার ভিত্তিক বা মুনাফা ভিত্তিক
  • টার্নওভার ভিত্তিক কর: বার্ষিক টার্নওভারের উপর ০.৫% কর (টার্নওভার ৬০ লক্ষ পর্যন্ত)
  • মুনাফা ভিত্তিক কর: মোট আয় – অনুমোদিত খরচ = মুনাফা, এর উপর স্লাব অনুযায়ী কর
  • বিক্রয় ও ক্রয় হিসাব: বিস্তারিত বিক্রয় রেজিস্টার ও ক্রয় ভাউচার
  • অনুমোদিত খরচ: কাঁচামাল, বেতন, ভাড়া, ইউটিলিটি, পরিবহন, সুদ ইত্যাদি
  • মজুদ পরিবর্তন: প্রারম্ভিক ও সমাপনী মজুদ হিসাব
  • সম্পত্তি মূল্যহ্রাস: যন্ত্রপাতি, ভবন ইত্যাদির অবচয় (Depreciation)
  • VAT ও অন্যান্য কর: কর্তিত করের সমন্বয়
  • অডিট রিপোর্ট: টার্নওভার ৫০ লক্ষের বেশি হলে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের অডিট রিপোর্ট বাধ্যতামূলক

ভুল হিসাবের কারণে অতিরিক্ত কর বা জরিমানা হতে পারে। আমাদের আয়কর আইনজীবী ও CA সঠিক হিসাব নিশ্চিত করবেন

💼 পেশাভিত্তিক

ফ্রিল্যান্সারদের আয় সাধারণত বিদেশি ক্লায়েন্ট থেকে আসে এবং বিশেষ কর সুবিধা প্রযোজ্য:

  • আইটি ও আইটিইএস রপ্তানি আয়: ১০% হ্রাসকৃত কর হার (সাধারণ হারের পরিবর্তে)
  • পেমেন্ট প্রমাণ: Payoneer, Wise, ব্যাংক ট্রান্সফারের প্রমাণ সংরক্ষণ
  • বিদেশি মুদ্রা রূপান্তর: ব্যাংক ইনকামিং রিমিট্যান্স সার্টিফিকেট সংগ্রহ
  • IT/ITES সার্টিফিকেশন: BASIS বা SRO অনুযায়ী স্বীকৃতি থাকলে ছাড় প্রযোজ্য
  • খরচ রেয়াত: ইন্টারনেট, ল্যাপটপ, সফটওয়্যার, কো-ওয়ার্কিং স্পেস ভাড়া
  • প্রোভিডেন্ট ফান্ড: বিদেশি প্ল্যাটফর্মে পেমেন্ট লেজিটিমেট করতে হবে
  • BIN প্রয়োজন: টার্নওভার ৩০ লক্ষের বেশি হলে BIN বাধ্যতামূলক
  • প্রিমিয়াম পেমেন্ট: সকল পেমেন্ট ব্যাংকিং চ্যানেলে হতে হবে

ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বিশেষ প্যাকেজ শুরু ২,৫০০ টাকা থেকে। যোগাযোগ করুন

💼 পেশাভিত্তিক

চিকিৎসকদের জন্য আয়কর রিটার্নে বিশেষ বিবেচনা ও সুবিধা রয়েছে:

  • পেশাগত আয়: কনসালটেন্সি ফি, অপারেশন ফি, হাসপাতাল বেতন, ডায়াগনস্টিক কমিশন
  • আয়কর স্লাব: সাধারণ ব্যক্তির মতোই — ৩,৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত কর মুক্ত
  • কর্তিত কর (TDS): ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক থেকে পেমেন্টের সময় ১০% কর কর্তন
  • প্রিভেন্টিভ হেলথ কেয়ার: এই সেবার আয়ের উপর বিশেষ ছাড় প্রযোজ্য
  • পেশাগত খরচ: ক্লিনিক ভাড়া, সহকারী বেতন, যন্ত্রপাতি, চিকিৎসা সরঞ্জাম, গাড়ি ভাড়া
  • অবচয়: মেডিকেল ইকুইপমেন্টের অবচয় রেয়াত
  • চেম্বার ভাড়া: যদি ভাড়া দিতে হয় তবে সম্পূর্ণ রেয়াতযোগ্য
  • পেশাগত উন্নয়ন খরচ: কনফারেন্স, ট্রেনিং, জার্নাল সাবস্ক্রিপশন
  • মাল্টিপল সোর্স: একাধিক ক্লিনিক/হাসপাতাল থেকে আয় একত্রিত করতে হবে

চিকিৎসকদের জন্য বিশেষ প্যাকেজ শুরু ৩,০০০ টাকা থেকে। যোগাযোগ করুন

💼 পেশাভিত্তিক

শিক্ষক ও প্রভেক্টরদের আয়কর রিটার্নে নিচের বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হয়:

  • বেতন আয়: সরকারি/বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মাসিক বেতন
  • প্রাইভেট টিউশন: প্রাইভেট পড়ানোর আয় — পেশাগত আয় হিসেবে গণ্য
  • কোচিং সেন্টার: কোচিং বা ইনস্টিটিউট থেকে পাওয়া পারিশ্রমিক
  • রয়্যালটি ও হনোরেরিয়াম: বই লেখা, জার্নাল প্রকাশনা, সেমিনার ফি
  • রিসার্চ গ্রান্ট: গবেষণা প্রজেক্ট থেকে প্রাপ্ত অর্থ (কিছু ক্ষেত্রে কর মুক্ত)
  • বিশেষ রেয়াত: শিক্ষকতার পেশাগত খরচ — বই, জার্নাল, কনফারেন্স, গবেষণা সফর
  • টিউশন আয়ের উপর কোনো TDS নেই — স্বেচ্ছায় রিটার্ন করতে হবে
  • গবেষণা অনুদান: অনুমোদিত গবেষণা ফান্ড সাধারণত কর মুক্ত
  • অবসর সুবিধা: প্রোভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি — আলাদা নিয়ম

শিক্ষকদের রিটার্ন প্যাকেজ শুরু ২,৫০০ টাকা থেকে। যোগাযোগ করুন

🌍 প্রবাসী ও NRB

নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশি (NRB) দের জন্য বিশেষ কর নিয়ম প্রযোজ্য:

  • বৈদেশিক আয় কর মুক্ত: বিদেশে উপার্জিত আয় বাংলাদেশে আনলে সম্পূর্ণ কর মুক্ত (Section 119)
  • বৈধ রেমিট্যান্স: ব্যাংকিং চ্যানেলে আসা রেমিট্যান্স কর মুক্ত
  • বাংলাদেশে আয়: বাংলাদেশে থাকা সম্পদ থেকে আয় (বাড়ি ভাড়া, শেয়ার লভ্যাংস, ব্যাংক সুদ) — কর প্রযোজ্য
  • রেসিডেন্ট স্ট্যাটাস: এক কর বছরে ১৮২ দিন বা তার বেশি বাংলাদেশে থাকলে রেসিডেন্ট হিসেবে গণ্য
  • ডবল ট্যাক্সেশন চুক্তি: বাংলাদেশের সাথে DTAA থাকা দেশে আয় করলে সেই দেশে প্রদত্ত করের রেয়াত
  • রিটার্ন দাখিল: NRB-দের জন্য শেষ তারিখ একই — ৩০ নভেম্বর
  • অনলাইন রিটার্ন: বিদেশ থেকেই অনলাইনে রিটার্ন দাখিল সম্ভব
  • পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি: বাংলাদেশে অনুমোদিত প্রতিনিধি দিয়ে রিটার্ন করানো যায়
  • শেয়ার ও সম্পদ ক্রয়: NRB হিসেবে বিশেষ কর সুবিধা

NRB-দের জন্য বিশেষ প্যাকেজ — বিদেশ থেকেই অনলাইনে সম্পূর্ণ সেবা। যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

ঢাকা শহরে ৯টি কর অঞ্চল (Tax Zone) রয়েছে। প্রতিটি কর অঞ্চলের অধীনে একাধিক সার্কেল রয়েছে। করদাতা TIN অনুযায়ী নির্দিষ্ট জোনে বরাদ্দ হন:

  • কর অঞ্চল-১, ঢাকা: সেগুনবাগিচা, ঢাকা-১০০০ (প্রশাসনিক করদাতা)
  • কর অঞ্চল-২, ঢাকা: নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০ (চাকরিজীবী)
  • কর অঞ্চল-৩, ঢাকা: নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০ (ব্যবসায়ী)
  • কর অঞ্চল-৪, ঢাকা: মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ (কোম্পানি)
  • কর অঞ্চল-৫, ঢাকা: মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ (কোম্পানি)
  • কর অঞ্চল-৬, ঢাকা: মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ (ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান)
  • কর অঞ্চল-৭, ঢাকা: মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
  • কর অঞ্চল-৮, ঢাকা: মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ (ব্যবসায়ী ও কোম্পানি)
  • কর অঞ্চল-৯, ঢাকা: মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
  • কর অঞ্চল-১০, ঢাকা: গুলশান, ঢাকা-১২১২
  • কর অঞ্চল-১১, ঢাকা: গুলশান, ঢাকা-১২১২
  • কর অঞ্চল-১২, ঢাকা: উত্তরা, ঢাকা-১২৩০
  • কর অঞ্চল-১৩, ঢাকা: উত্তরা, ঢাকা-১২৩০
  • কর অঞ্চল-১৪, ঢাকা: মিরপুর, ঢাকা-১২১৬

করদাতার TIN পোর্টালে লগইন করে নিজের জোন ও সার্কেল যাচাই করা যায়। ঢাকায় রিটার্ন দাখিলে সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

চট্টগ্রামে ৩টি কর অঞ্চল রয়েছে। করদাতা TIN অনুযায়ী নির্দিষ্ট জোনে বরাদ্দ হন:

  • কর অঞ্চল-১, চট্টগ্রাম: জিইসি ভবন, আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম (চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ী)
  • কর অঞ্চল-২, চট্টগ্রাম: সিডিএ ভবন, আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম (কোম্পানি)
  • কর অঞ্চল-৩, চট্টগ্রাম: কাস্টমস এক্সাইজ ভবন, আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম (কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান)
  • চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস: আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম (আমদানি-রপ্তানি করদাতা)

চট্টগ্রামের প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা: আগ্রাবাদ (বন্দর ও কাস্টমস), পতেঙ্গা (শিপিং), কর্ণফুলী (শিল্প), বহদ্দারহাট-চান্দগাঁও (পাইকারি বাজার), নিউ মার্কেট-গুলিস্তান (ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্য)

চট্টগ্রামে রিটার্ন দাখিলে আমাদের আয়কর আইনজীবীর সহায়তা পেতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

সিলেটে ১টি কর কমিশনারেট ও একাধিক সার্কেল রয়েছে:

  • কর অঞ্চল, সিলেট: জিন্দাবাজার, সিলেট সদর
  • কর কমিশনারেট: সিলেট বিভাগীয় সদর দপ্তর
  • উপজেলা কর অফিস: সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার

সিলেটের প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা: জিন্দাবাজার (প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র), চৌহাট্টা-কাজির বাজার (পাইকারি বাজার), উপশহর-তিলাগড় (শিক্ষা ও সেবা), সুরমা-লালাবাজার (শিল্প), কোম্পানীগঞ্জ (পাথর শিল্প)

সিলেটের প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ প্যাকেজ রয়েছে। যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

রাজশাহীতে কর কমিশনারেট ও সার্কেল অফিস রয়েছে:

  • কর অঞ্চল, রাজশাহী: সাহেব বাজার, বোয়ালিয়া, রাজশাহী
  • কর কমিশনারেট: রাজশাহী বিভাগীয় সদর দপ্তর
  • উপজেলা কর অফিস: নাটোর, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা, সিরাজগঞ্জ

রাজশাহীর প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা: সাহেব বাজার-বোয়ালিয়া (প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র), উপশহর-কাজলা (শিক্ষা কেন্দ্র), রাজারহাটা-কাটখালী (শিল্প), সাপুরা-নওহাটা (রেশম শিল্প)

রাজশাহীতে রিটার্ন দাখিলে সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

খুলনায় কর কমিশনারেট ও সার্কেল অফিস রয়েছে:

  • কর অঞ্চল, খুলনা: নিউ মার্কেট, খুলনা
  • কর কমিশনারেট: খুলনা বিভাগীয় সদর দপ্তর
  • উপজেলা কর অফিস: বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর, মাগুরা, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, নড়াইল

খুলনার প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা: নিউ মার্কেট-দৌলতপুর (পাইকারি বাজার), খালিশপুর-লবণছড়া (জাহাজ নির্মাণ), মংলা বন্দর (ইম্পোর্ট-এক্সপোর্ট), রূপসা-টিকেরপুরা (চিংড়ি শিল্প)

মংলা বন্দর সন্নিকটে ইম্পোর্ট-এক্সপোর্ট কোম্পানির জন্য বিশেষ কর সেবা রয়েছে। যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

বরিশালে কর কমিশনারেট ও সার্কেল অফিস রয়েছে:

  • কর অঞ্চল, বরিশাল: বঙ্গবন্ধু রোড, বরিশাল
  • কর কমিশনারেট: বরিশাল বিভাগীয় সদর দপ্তর
  • উপজেলা কর অফিস: পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, ভোলা

বরিশালের প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা: বঙ্গবন্ধু রোড-চাঁদমারী (ব্যাংকিং), নathullabad (পাইকারি বাজার), করিমপুর-বম্পারহাট (নদী বন্দর), কাশিপুর-বায়তুল আমান (আবাসিক-বাণিজ্যিক)

বরিশাল কৃষি, মৎস্য ও নৌ-পরিবহন ব্যবসার জন্য উপযুক্ত। রিটার্ন দাখিলে সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

রংপুরে কর কমিশনারেট ও সার্কেল অফিস রয়েছে:

  • কর অঞ্চল, রংপুর: কারমাইকেল, রংপুর
  • কর কমিশনারেট: রংপুর বিভাগীয় সদর দপ্তর
  • উপজেলা কর অফিস: দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জয়পুরহাট

রংপুরের প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা: কারমাইকেল-জাহাজ কোম্পানি (প্রধান বাণিজ্যিক), সেন্ট্রাল বাস টার্মিনাল-বদরগঞ্জ (পরিবহন), মিঠাপুকুর-পীরগাছা (কৃষি শিল্প), হারাগাছ-তারাগঞ্জ (তামাক শিল্প)

উত্তরাঞ্চলে কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিতরণ ব্যবসার জন্য রংপুর আদর্শ। যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

ময়মনসিংহে কর কমিশনারেট ও সার্কেল অফিস রয়েছে:

  • কর অঞ্চল, ময়মনসিংহ: চৌকবাজার, ময়মনসিংহ
  • কর কমিশনারেট: ময়মনসিংহ বিভাগীয় সদর দপ্তর
  • উপজেলা কর অফিস: জামালপুর, শেরপুর, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল

ময়মনসিংহের প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা: চৌকবাজার-গাঙ্গিনারপাড় (পাইকারি বাজার), বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা (সেবা ব্যবসা), ব্রহ্মপুত্র নদী তীর (নৌ-পরিবহন)

কৃষি, মৎস্য, পোল্ট্রি ও শিক্ষা সেবা ব্যবসার জন্য ময়মনসিংহ উপযুক্ত। যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

কুমিল্লায় কর কমিশনারেট ও সার্কেল অফিস রয়েছে:

  • কর অঞ্চল, কুমিল্লা: কান্দিরপার, কুমিল্লা
  • উপজেলা কর অফিস: ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, নোয়াখালী

কুমিল্লার প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা: কান্দিরপার-মনোহরপুর (প্রধান বাণিজ্যিক), চৌদ্দগ্রাম-লালমাই (সীমান্ত বাণিজ্য), মেঘনা-দাউদকান্দি (কুমিল্লা ইপিজেড), বিবির বাজার-ছিলাদহ (ভারত সীমান্ত)

কুমিল্লা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মধ্যবর্তী অবস্থানে থাকায় পরিবহন ও লজিস্টিকস ব্যবসার জন্য আদর্শ। যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

নারায়ণগঞ্জে কর অঞ্চল ও সার্কেল অফিস রয়েছে:

  • কর অঞ্চল, নারায়ণগঞ্জ: চাষাঢ়া, নারায়ণগঞ্জ
  • উপজেলা কর অফিস: ফতুল্লা, বন্দর, সিদ্ধিরগঞ্জ, আড়াইহাজার, রূপগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জের প্রধান শিল্প এলাকা: ফতুল্লা-কালীগঞ্জ (পাট ও টেক্সটাইল), নয়ামাটি-মদনপুর (পোশাক ও ডাইং), বন্দর-সিদ্ধিরগঞ্জ (শিল্প ও নৌ পরিবহন), আড়াইহাজার-রূপগঞ্জ (ইপিজেজ)

পোশাক ও টেক্সটাইল কোম্পানির জন্য বিশেষ কর পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

গাজীপুরে কর অঞ্চল ও সার্কেল অফিস রয়েছে:

  • কর অঞ্চল, গাজীপুর: গাজীপুর সদর
  • উপজেলা কর অফিস: টঙ্গী, কালিয়াকৈর, শ্রীপুর, জয়দেবপুর, কাপাসিয়া

গাজীপুরের প্রধান শিল্প এলাকা: টঙ্গী-গাছা (পোশাক শিল্প কেন্দ্র), কালিয়াকৈর-মৌচাক (ইপিজেড), শ্রীপুর-ভাওয়াল (শিল্প পার্ক), জয়দেবপুর-চৌগাছা (ভারী শিল্প), সালনা-বড় কালিয়াকৈর (ইকোনোমিক জোন)

শিল্প কোম্পানির জন্য বিশেষ কর প্যাকেজ পেতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

বগুড়ায় কর সার্কেল অফিস রয়েছে (রংপুর কমিশনারেটের অধীনে):

  • কর সার্কেল, বগুড়া: সাতমাথা, বগুড়া
  • উপজেলা কর অফিস: শেরপুর, সান্তাহার, শাজাহানপুর, কাহালু, ধুনট

বগুড়ার প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা: সাতমাথা-চেরাগ আলী (প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র), মহাস্থানগড় (পর্যটন), শেরপুর-সান্তাহার (কৃষি বাজার)

বগুড়া কৃষি, হস্তশিল্প ও কুটির শিল্পের কেন্দ্র। রিটার্ন দাখিলে সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

দিনাজপুরে কর সার্কেল অফিস রয়েছে (রংপুর কমিশনারেটের অধীনে):

  • কর সার্কেল, দিনাজপুর: বালুডাঙ্গা, দিনাজপুর
  • উপজেলা কর অফিস: বীরগঞ্জ, ফুলবাড়ী, পার্বতীপুর, নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর

দিনাজপুরের প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা: বালুডাঙ্গা-চেহারা (প্রধান বাণিজ্যিক), বীরগঞ্জ-ফুলবাড়ী (কৃষি বাজার), পার্বতীপুর (রেল জংশন)

দিনাজপুর কৃষি, খনিজ সম্পদ ও চাল প্রক্রিয়াজাতকরণের কেন্দ্র। যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

যশোরে কর সার্কেল অফিস রয়েছে (খুলনা কমিশনারেটের অধীনে):

  • কর সার্কেল, যশোর: দরগাহ বাজার, যশোর
  • উপজেলা কর অফিস: ঝিনাইদহ, মাগুরা, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, নড়াইল

যশোরের প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা: দরগাহ বাজার-পাঁচবাগ (প্রধান বাণিজ্যিক), মনোহরপুর (কৃষি বাজার), বেনাপোল (ভারত সীমান্ত বাণিজ্য)

বেনাপোল সীমান্ত বাণিজ্য কেন্দ্রের কারণে ইম্পোর্ট-এক্সপোর্ট কোম্পানির জন্য যশোর গুরুত্বপূর্ণ। যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

নোয়াখালী ও ফেনীতে কর সার্কেল অফিস রয়েছে (চট্টগ্রাম কমিশনারেটের অধীনে):

  • কর সার্কেল, নোয়াখালী: সোনাপুর, মাইজদী, নোয়াখালী
  • কর সার্কেল, ফেনী: ফেনী সদর
  • উপজেলা কর অফিস: সোনাগাজী, কোম্পানীগঞ্জ, সেনবাগ, ছাগলনাইয়া, দাগনভূঁইয়া

নোয়াখালী-ফেনীর প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা: সোনাপুর-মাইজদী (নোয়াখালী প্রধান কেন্দ্র), ফেনী সদর (বাণিজ্যিক কেন্দ্র), বিলোনিয়া (ভারত সীমান্ত বাণিজ্য)

প্রবাসী আয়ের কারণে এই অঞ্চলের করদাতাদের জন্য বিশেষ প্যাকেজ রয়েছে। যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

এই জেলাগুলো রাজশাহী ও ময়মনসিংহ কমিশনারেটের অধীনে পরিচালিত:

  • কর সার্কেল, পাবনা: পাবনা সদর (রাজশাহী কমিশনারেট)
  • কর সার্কেল, টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইল সদর (ময়মনসিংহ কমিশনারেট)
  • কর সার্কেল, সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জ সদর (রাজশাহী কমিশনারেট)
  • কর সার্কেল, জামালপুর: জামালপুর সদর (ময়মনসিংহ কমিশনারেট)

পাবনা পাট ও তামাক শিল্পের কেন্দ্র। টাঙ্গাইল তাঁত শিল্পের জন্য বিখ্যাত। সিরাজগঞ্জ পাট ও কাগজ শিল্পের কেন্দ্র। জামালপুর কৃষি ও হস্তশিল্পের জন্য পরিচিত।

এসব এলাকায় অনলাইনে ও অফলাইনে রিটার্ন দাখিলের সেবা প্রদান করা হয়। যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

এই জেলাগুলো সংশ্লিষ্ট কমিশনারেটের অধীনে পরিচালিত:

  • কর সার্কেল, কক্সবাজার: কক্সবাজার সদর (চট্টগ্রাম কমিশনারেট) — পর্যটন শিল্পের কেন্দ্র
  • কর সার্কেল, নেত্রকোনা: নেত্রকোনা সদর (ময়মনসিংহ কমিশনারেট) — পাথর ও খনিজ শিল্প
  • কর সার্কেল, কিশোরগঞ্জ: কিশোরগঞ্জ সদর (ময়মনসিংহ কমিশনারেট) — পাট ও কৃষি

কক্সবাজার পর্যটন, হোটেল-মোটেল ও সামুদ্রিক খাদ্য শিল্পের কেন্দ্র। নেত্রকোনা খনিজ সম্পদ ও পাথর শিল্পের জন্য পরিচিত। কিশোরগঞ্জ পাট, ধান ও মাছ চাষের কেন্দ্র।

এসব এলাকায় রিটার্ন দাখিলে সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

ঢাকা বিভাগের নিকটস্থ জেলাগুলো ঢাকা কমিশনারেটের অধীনে পরিচালিত:

  • কর সার্কেল, সাভার: সাভার সদর — শিল্প ও গার্মেন্টস কেন্দ্র
  • কর সার্কেল, মুন্সিগঞ্জ: মুন্সিগঞ্জ সদর — কৃষি ও শিল্প
  • কর সার্কেল, মানিকগঞ্জ: মানিকগঞ্জ সদর — পাট ও কৃষি
  • কর সার্কেল, নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জ সদর — পোশাক ও টেক্সটাইল

সাভার বৃহত্তম গার্মেন্টস শিল্প এলাকা — ইপিজেড ও শিল্প পার্ক অবস্থিত। মুন্সিগঞ্জ কৃষি, মৎস্য ও ইট ভাটার কেন্দ্র। মানিকগঞ্জ পাট ও কৃষিজাত পণ্যের কেন্দ্র।

এসব এলাকায় অনলাইন রিটার্ন দাখিলে সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন

📋 রিটার্ন মৌলিক

ই-রিটার্ন (e-Return) হলো অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সরকারি ব্যবস্থা। NBR-এর পোর্টালে প্রক্রিয়া:

  • পোর্টাল: secure.incometax.gov.bd (e-TIN পোর্টাল)
  • আপনার TIN ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন
  • "Submit Return" বা "TAX Return" অপশনে ক্লিক করুন
  • মূল্যায়ন বছর নির্বাচন (যেমন: ২০২৬–২০২৭)
  • রিটার্নের ধরন নির্বাচন — Individual/Company/Partnership
  • আয়ের উৎস যোগ করুন (Salary, Business, House Property, Other Sources)
  • অনুমোদিত কর্তন ও রেয়াত পূরণ করুন
  • প্রদেয় কর স্বয়ংক্রিয়ভাবে গণনা হবে
  • চালান (Challan) তৈরি করে সোনালী ব্যাংকে ফি পরিশোধ
  • চালান নম্বর প্রবেশ করান ও রিটার্ন সাবমিট করুন
  • অনলাইনে Acknowledgement Receipt ডাউনলোড করুন

চাকরিজীবীদের জন্য সরল ই-রিটার্ন (Simplified Return) অপশন রয়েছে। অনলাইন রিটার্নে সহায়তার জন্য আমাদের আয়কর আইনজীবীর সাথে যোগাযোগ করুন

📦 প্যাকেজ ও ফি

আমাদের দক্ষ আয়কর আইনজীবী দ্বারা আয়কর রিটার্ন প্যাকেজ সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও সাশ্রয়ী। প্যাকেজের মূল্য করদাতার শ্রেণি অনুযায়ী ভিন্ন:

  • চাকরিজীবী (শুধু বেতন আয়): ১,৫০০ – ৩,০০০ টাকা
  • ব্যবসায়ী (টার্নওভার ৫০ লক্ষ পর্যন্ত): ৩,০০০ – ৬,০০০ টাকা
  • ব্যবসায়ী (টার্নওভার ৫০ লক্ষের বেশি): ৬,০০০ – ১৫,০০০ টাকা
  • ফ্রিল্যান্সার: ২,৫০০ – ৫,০০০ টাকা
  • পেশাজীবী (ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক): ৩,০০০ – ৬,০০০ টাকা
  • কোম্পানি (প্রাইভেট লিমিটেড): ৮,০০০ – ২৫,০০০ টাকা
  • কোম্পানি (পাবলিক লিমিটেড): ২০,০০০ – ৫০,০০০ টাকা
  • NRB (প্রবাসী): ৫,০০০ – ১০,০০০ টাকা
  • আপিল ও রিফান্ড মামলা: পৃথক ফি (কেস অনুযায়ী)
  • বকেয়া রিটার্ন (প্রতি বছর অতিরিক্ত): ৫০০ – ১,৫০০ টাকা

প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত: e-TIN প্রস্তুতি, আয় ও কর হিসাব, রিটার্ন ফরম পূরণ, NBR দাখিল, চালান তৈরি, স্বীকৃতি পত্র সংগ্রহ ও ১ বছরের পরামর্শ।

কেন আমাদের নির্বাচন করবেন? অভিজ্ঞ আয়কর আইনজীবী, স্বচ্ছ মূল্য, সময়মতো দাখিল, বিনামূল্যে পরামর্শ, NRB-দের জন্য অনলাইন সেবা ও সকল এলাকায় সেবা। আজই রিটার্ন বুক করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনার অনুসন্ধানের সাথে মিলে যাওয়া কোনো FAQ পাওয়া যায়নি। অন্য কীওয়ার্ড চেষ্টা করুন অথবা সরাসরি আমাদের আয়কর আইনজীবীদের জিজ্ঞাসা করুন

তথ্যসূত্র: Income Tax Act 2023 (Bangladesh), NBR নীতিমালা ও National Board of Revenue (NBR) প্রজ্ঞাপন (২০২৫–২০২৬)।
e-TIN (Tax Identification Number) হলো বাংলাদেশে কর নিবন্ধনের সরকারি পদ্ধতি, যা NBR-এর secure.incometax.gov.bd পোর্টালে বিনামূল্যে সম্পন্ন করা যায়।
আয়কর বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সরকারি রাজস্বের প্রধান উৎস। কর ব্যবস্থা সম্পর্কে উইকিপিডিয়ায় বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।
ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ — বাংলাদেশের আট বিভাগীয় শহর ও প্রধান কর কমিশনারেট।
প্রবাসী বাংলাদেশি (NRB)রেমিট্যান্স সম্পর্কে উইকিপিডিয়ায় বিস্তারিত তথ্য রয়েছে। ডাবল ট্যাক্সেশন চুক্তি NRB-দের জন্য বিশেষ সুবিধা প্রদান করে।
বাংলাদেশ এর সরকারি রাজস্বআর্থিক নীতি সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যায়।
এই FAQ টুলটি কেবল তথ্যপ্রদানের উদ্দেশ্যে তৈরি — এটি আইনি পরামর্শ নয়। আনুষ্ঠানিক কর পরামর্শের জন্য আমাদের দক্ষ আয়কর আইনজীবীদের সাথে যোগাযোগ করুন
ব্যক্তিগতকৃত সহায়তা প্রয়োজন? আমাদের আয়কর আইনজীবী ও চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টদের সাথে যোগাযোগ করুন — ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট সহ বাংলাদেশের সকল জেলায় সেবা প্রদান করা হয়।

Aeenx Footer

booked from Bangladesh Booking Notification

Aeenx Chatbot