Contact Now
Select your region
ট্রেডমার্ক আবেদন বাতিল হলে করণীয় কী? সম্পূর্ণ এক্সপার্ট গাইড ২০২৬ | DPDT বাংলাদেশ
⚖️ DPDT বাংলাদেশ | ট্রেডমার্ক আইন ২০০৯ | আপডেট: ২০২৬

ট্রেডমার্ক আবেদন বাতিল হলে
করণীয় কী?

DPDT-তে ট্রেডমার্ক আবেদনে আপত্তি (Objection) বা সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান (Refusal) পেলে হতাশ না হয়ে সঠিক আইনি পদক্ষেপ নিন। Show Cause রিপ্লাই, রিভিউ আবেদন ও হাইকোর্টে আপিল — সব বিকল্প নিয়ে ৩০+ প্রশ্নোত্তরে সম্পূর্ণ গাইড।

২ মাস
Show Cause রিপ্লাইয়ের সময়সীমা
২ মাস
হাইকোর্ট আপিলের সময়সীমা
৫ বছর
পরিত্যক্ত আবেদন পুনর্বহালের সীমা
৬০ দিন
জার্নাল প্রকাশের পর বিরোধিতার সময়
আপত্তি বিজ্ঞপ্তি
গ্রহণ
Show Cause
রিপ্লাই দাখিল
শুনানি
অনুষ্ঠান
রিভিউ
আবেদন
হাইকোর্টে
আপিল

DPDT — পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর, বাংলাদেশ

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত এই অধিদপ্তর বাংলাদেশে ট্রেডমার্ক নিবন্ধন পরিচালনা করে। ট্রেডমার্ক আইন, ২০০৯ ও ট্রেডমার্ক বিধিমালা, ২০১৫ অনুযায়ী আপত্তি, প্রত্যাখ্যান ও আপিলের সকল প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়।

গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা: DPDT থেকে TMR-12 ফর্মে আপত্তি নোটিশ পাওয়ার পর মাত্র ২ মাসের মধ্যে Show Cause রিপ্লাই জমা দিতে হবে। এই সময়সীমা মিস করলে আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিত্যক্ত (Abandoned) ঘোষিত হয় এবং আবেদন ফি বাজেয়াপ্ত হয়।
৩২টির মধ্যে ৩২টি প্রশ্ন দেখাচ্ছে
🔍 আপত্তি ও কারণ

বাংলাদেশে ট্রেডমার্ক প্রক্রিয়ায় এই দুটি পর্যায় সম্পূর্ণ আলাদা এবং প্রতিটিতে করণীয় ভিন্ন:

  • আপত্তি (Objection / Office Action): DPDT পরীক্ষক (Examiner) আবেদনে কোনো সমস্যা পেলে TMR-12 ফর্মে লিখিত আপত্তি নোটিশ পাঠান। এটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয় — বরং আবেদনকারীকে ব্যাখ্যা ও প্রমাণ দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।
  • প্রত্যাখ্যান (Refusal): Show Cause রিপ্লাইয়ের পরেও বা শুনানিতে আবেদনকারীর যুক্তি গ্রহণযোগ্য না হলে DPDT-র মহাপরিচালক আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন। এটি চূড়ান্ত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত — এরপর রিভিউ বা হাইকোর্টে আপিলের পথ খোলা থাকে।
  • তৃতীয় পক্ষের বিরোধিতা (Opposition): জার্নাল প্রকাশের পর ৬০ দিনের মধ্যে অন্য কেউ আপনার আবেদনের বিরুদ্ধে বিরোধিতা দাখিল করলে এটি আলাদা প্রক্রিয়া — এখানেও চূড়ান্ত প্রত্যাখ্যান হলে হাইকোর্টে আপিল করা যায়।

প্রতিটি পর্যায়ের জন্য সঠিক সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি। বিশেষজ্ঞ পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন।

❌ প্রত্যাখ্যানের কারণ

ট্রেডমার্ক আইন ২০০৯-এর বিভিন্ন ধারায় আপত্তির কারণ নির্ধারিত — প্রধান কারণগুলো:

  • স্বাতন্ত্র্যহীনতা (ধারা ৮): চিহ্নটি যথেষ্ট স্বতন্ত্র না হলে, শুধুমাত্র বর্ণনামূলক, সাধারণ বা বিভ্রান্তিকর হলে — যেমন "Dhaka Rice" বা "Sweet Candy" জাতীয় নাম নিবন্ধনযোগ্য নয়।
  • বিদ্যমান চিহ্নের সাথে সাদৃশ্য (ধারা ১০): সবচেয়ে সাধারণ আপত্তির কারণ — প্রস্তাবিত ট্রেডমার্ক ইতিমধ্যে নিবন্ধিত অন্য কোনো মার্কের সাথে অভিন্ন বা বিভ্রান্তিকরভাবে সমরূপ হলে।
  • নৈতিকতা বা আইন বিরুদ্ধ (ধারা ৮): সামাজিক মূল্যবোধের পরিপন্থী, অশ্লীল বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারী চিহ্ন প্রত্যাখ্যাত হয়।
  • ভৌগোলিক নাম বা সাধারণ পদ (ধারা ৮): স্থানের নাম, জাতির নাম, বা পণ্যের গুণমান বর্ণনাকারী শব্দ — বিশেষ ব্যবহার না দেখাতে পারলে প্রত্যাখ্যাত হয়।
  • জীবিত ব্যক্তির নাম বা প্রতিকৃতি (ধারা ১১): অনুমতি ছাড়া কোনো জীবিত ব্যক্তির নাম বা ছবি ট্রেডমার্কে ব্যবহার করলে আপত্তি ওঠে।
  • আনুষ্ঠানিক ত্রুটি: ভুল শ্রেণীবিভাগ (Nice Classification), অনুবাদ/প্রতিবর্ণীকরণ সার্টিফিকেটের অনুপস্থিতি, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি না দেওয়া — এসব কারণেও আপত্তি আসে।

প্রতিটি ধরনের আপত্তির জন্য ভিন্ন ধরনের প্রমাণ ও যুক্তি দরকার। আমাদের আইপি বিশেষজ্ঞ দলের সাথে পরামর্শ করুন।

🔍 আপত্তি ও কারণ

TMR-12 ফর্ম হলো DPDT-র আনুষ্ঠানিক আপত্তি নোটিশ। এটি পাওয়া মানেই আবেদন শেষ হয়ে যায়নি — তবে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি:

  • প্রথম কাজ — তারিখ নোট করুন: নোটিশ গ্রহণের তারিখ থেকে ঘড়ি শুরু হয়। ২ মাসের মধ্যে রিপ্লাই জমা দিতে হবে।
  • আপত্তির ধারা ও কারণ বিশ্লেষণ করুন: কোন ধারায় (Section 8, 10 নাকি অন্য) আপত্তি করা হয়েছে সেটি বুঝতে হবে — কারণ প্রতিটি ধারার আপত্তির জবাব আলাদা।
  • DPDT রেকর্ড পরীক্ষা করুন: ধারা ১০-এর আপত্তির ক্ষেত্রে সাংঘর্ষিক পূর্ববর্তী মার্কটি কে নিবন্ধন করেছেন ও কতটা সক্রিয় সেটি যাচাই করুন।
  • প্রমাণ সংগ্রহ শুরু করুন: আপনার মার্কের ব্যবহারের প্রমাণ (ইনভয়েস, বিজ্ঞাপন, ওয়েবসাইট স্ক্রিনশট), সুনামের প্রমাণ — সব গুছিয়ে নিন।
  • প্রয়োজনে এক্সটেনশন নিন: সময় কম মনে হলে আরও ২ মাস এক্সটেনশনের আবেদন করা যায় — তবে এটি অটোমেটিক নয়, আবেদন করতে হয়।

নোটিশ পাওয়ার সাথে সাথে একজন ট্রেডমার্ক আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

📝 Show Cause রিপ্লাই

Show Cause রিপ্লাই হলো DPDT-র আপত্তির বিপরীতে আবেদনকারীর লিখিত আইনি যুক্তিখণ্ডন। এটি সঠিকভাবে তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:

  • আবেদনের পরিচিতি: আবেদন নম্বর, মার্কের বিবরণ ও শ্রেণী সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে।
  • প্রতিটি আপত্তিতে পয়েন্ট-বাই-পয়েন্ট জবাব: DPDT-র আপত্তির প্রতিটি পয়েন্টের বিপরীতে ট্রেডমার্ক আইন ২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারা উদ্ধৃত করে যুক্তি দিতে হয়।
  • স্বাতন্ত্র্যের প্রমাণ: মার্কটি কতদিন ধরে ব্যবহার হচ্ছে, কতটা সুপরিচিত — ইনভয়েস, বিজ্ঞাপনের কপি, ব্যাংক স্টেটমেন্ট সহ প্রমাণ দাখিল করুন।
  • বিদ্যমান মার্কের সাথে পার্থক্য: Section 10 আপত্তির ক্ষেত্রে দৃশ্যগত, শ্রবণগত ও ধারণাগতভাবে দুটি মার্ক কীভাবে আলাদা তা বিস্তারিত ব্যাখ্যা করুন।
  • সহায়ক দলিল সংযুক্ত করুন: প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টের নজির, বিদেশে নিবন্ধনের প্রমাণ বা ব্যবহারকারীদের অ্যাফিডেভিট সংযুক্ত করুন।
  • শুনানির আবেদন: লিখিত রিপ্লাইয়ের সাথে বা আলাদাভাবে শুনানির জন্য আবেদন করতে পারেন।

দুর্বল বা অসম্পূর্ণ Show Cause রিপ্লাই প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি বাড়ায়। পেশাদার রিপ্লাই তৈরিতে আমাদের সাহায্য নিন।

📝 Show Cause রিপ্লাই

আপত্তির ধরন অনুযায়ী প্রমাণের ধরনও পরিবর্তিত হয়। সবচেয়ে কার্যকর প্রমাণগুলো:

  • ব্যবহারের প্রমাণ (Use Evidence): পণ্য বিক্রির ইনভয়েস, ক্যাটালগ, বিজ্ঞাপনের কপি, প্যাকেজিংয়ের নমুনা — যত পুরনো তত ভালো।
  • বিখ্যাততার প্রমাণ (Reputation Evidence): পত্রিকার প্রতিবেদন, পুরস্কার, মিডিয়া কাভারেজ, সোশ্যাল মিডিয়া ফলোয়ার সংখ্যা।
  • বিক্রয় ও বিনিয়োগের পরিসংখ্যান: বার্ষিক টার্নওভার, বিজ্ঞাপনে বিনিয়োগের পরিমাণ — ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা অডিটেড অ্যাকাউন্ট দিয়ে প্রমাণ করুন।
  • বিদেশে নিবন্ধনের সার্টিফিকেট: অন্য দেশে মার্কটি নিবন্ধিত থাকলে সেই সার্টিফিকেটের সত্যায়িত কপি।
  • Section 10 মোকাবেলায় সম্মতিপত্র: সাংঘর্ষিক মার্কের মালিকের কাছ থেকে "Letter of Consent" বা "Coexistence Agreement" পেলে শক্তিশালী প্রমাণ হয়।
  • শপথপত্র (Affidavit): আবেদনকারীর নিজের শপথপত্র বা ভোক্তাদের শপথপত্র সংযুক্ত করা যেতে পারে।

আমরা প্রমাণ সংকলন ও রিপ্লাই তৈরিতে সম্পূর্ণ সহায়তা করি।

⏱️ ফি ও সময়সীমা

হ্যাঁ, নির্ধারিত পরিস্থিতিতে সময়সীমা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে:

  • সর্বোচ্চ এক্সটেনশন: মূল ২ মাসের পাশাপাশি আরও ২ মাস পর্যন্ত এক্সটেনশন পাওয়া সম্ভব — অর্থাৎ মোট সর্বোচ্চ ৪ মাস।
  • এক্সটেনশনের আবেদন: মূল সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই DPDT-তে লিখিতভাবে সময়বর্ধনের আবেদন জমা দিতে হবে।
  • যথাযথ কারণ প্রয়োজন: প্রমাণ সংগ্রহে সময় লাগছে বা আইনজীবী নিয়োগে বিলম্ব — এসব গ্রহণযোগ্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করুন।
  • এক্সটেনশন নিশ্চিত নয়: DPDT এক্সটেনশন না-ও দিতে পারে — তাই অপেক্ষায় না থেকে যথাসম্ভব দ্রুত রিপ্লাই প্রস্তুত করা উচিত।
  • এক্সটেনশনের পরেও সময় মিস হলে: পরিত্যক্ত (Abandoned) ঘোষণা এড়াতে "Condonation of Delay" আবেদন করা যেতে পারে — তবে এটি আরও জটিল প্রক্রিয়া।

সময়সীমার ব্যাপারে কোনো ঝুঁকি না নেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। দ্রুত পদক্ষেপ নিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

📝 Show Cause রিপ্লাই

লিখিত রিপ্লাই যথেষ্ট না হলে বা জটিল বিষয়ে শুনানি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ:

  • শুনানির আবেদন: TM-07 ফর্মে শুনানির জন্য আবেদন করতে হয়। Show Cause রিপ্লাই জমার সময় বা পরেও শুনানির অনুরোধ করা যায়।
  • Hearing Notice (TMR-13): DPDT হিয়ারিং নোটিশ পাঠালে ১৪ দিনের মধ্যে TM-07 ফর্মে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হয়।
  • শুনানির তারিখ: সাধারণত আবেদনের এক মাসের মধ্যে DPDT শুনানির দিন নির্ধারণ করে — তবে ব্যস্ততা অনুযায়ী বিলম্ব হতে পারে।
  • শুনানিতে কী করবেন: মহাপরিচালকের সামনে সরাসরি আইনি যুক্তি উপস্থাপন করুন, প্রশ্নের উত্তর দিন এবং সম্পূরক প্রমাণ জমা দিন।
  • প্রতিনিধিত্ব: ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হওয়া বা একজন নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক প্রতিনিধি বা আইনজীবীর মাধ্যমে শুনানিতে অংশ নেওয়া যায়।
  • একাধিক শুনানি: জটিল মামলায় একাধিকবার শুনানি অনুষ্ঠিত হতে পারে।

শুনানি একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি মঞ্চ — সুপ্রস্তুত হয়ে যান। শুনানির প্রস্তুতিতে আমাদের সাহায্য নিন।

⚖️ আপিল প্রক্রিয়া

ট্রেডমার্ক আইন ২০০৯-এর ধারা ১০০ ও ১২৩ অনুযায়ী DPDT-র প্রত্যাখ্যান সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করার অধিকার রয়েছে:

  • আপিলের সময়সীমা: মহাপরিচালকের প্রত্যাখ্যান আদেশের সত্যায়িত কপি পাওয়ার তারিখ থেকে ২ মাসের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল দাখিল করতে হবে।
  • সত্যায়িত কপির আবেদন: চাইলে প্রত্যাখ্যানের পর ১ মাসের মধ্যে DPDT-র কাছে প্রত্যাখ্যানের লিখিত কারণসহ সত্যায়িত কপির আবেদন করুন।
  • আপিলে যা উল্লেখ করতে হবে: DPDT-র সিদ্ধান্তের ভুল ও আইনি ত্রুটি স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করতে হবে, সকল প্রাসঙ্গিক প্রমাণ সংযুক্ত করতে হবে।
  • আইনজীবী অপরিহার্য: হাইকোর্টে আপিলের জন্য হাইকোর্টে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত আইনজীবীর প্রতিনিধিত্ব বাধ্যতামূলক।
  • সমান্তরাল রিভিউ: হাইকোর্ট আপিলের পাশাপাশি বা বিকল্পে Rule 65(1) ও Section 91(5) অনুযায়ী DPDT-র কাছে রিভিউ আবেদনও করা যায়।

হাইকোর্ট আপিলের জন্য আমাদের অভিজ্ঞ আইনজীবী দলের সাহায্য নিন।

⚖️ আপিল প্রক্রিয়া

হ্যাঁ, হাইকোর্টে যাওয়ার আগে বা পাশাপাশি DPDT-র ভেতরেই রিভিউর সুযোগ রয়েছে:

  • রিভিউ আবেদনের ভিত্তি: ট্রেডমার্ক বিধিমালা ২০১৫-এর Rule 65(1) এবং ট্রেডমার্ক আইন ২০০৯-এর Section 91(5) অনুযায়ী মহাপরিচালকের কাছে রিভিউ আবেদন করা যায়।
  • সময়সীমা: হাইকোর্ট আপিলের মতো একই ২ মাসের মধ্যে রিভিউ আবেদনও করতে হয়।
  • কখন কার্যকর: নতুন প্রমাণ পাওয়া গেলে বা প্রত্যাখ্যান সিদ্ধান্তে স্পষ্ট আইনি ত্রুটি থাকলে রিভিউ কার্যকর বিকল্প।
  • রিভিউ খারিজ হলে: রিভিউ আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলে হাইকোর্টে আপিল করতে হয় — তবে এক্ষেত্রে রিভিউ প্রত্যাখ্যানের ৩০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে যেতে হবে।
  • সুবিধা: রিভিউ তুলনামূলক দ্রুত, কম ব্যয়সাধ্য এবং আরও প্রমাণ জমা দেওয়ার সুযোগ দেয়।

আপনার পরিস্থিতিতে রিভিউ না হাইকোর্ট — কোনটি ভালো তা নির্ধারণে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

⚖️ আপিল প্রক্রিয়া

আপিলের সাফল্য নির্ভর করে আপত্তির ধরন ও আপনার প্রমাণের শক্তির উপর:

  • পদ্ধতিগত ত্রুটির ক্ষেত্রে: DPDT যদি আইনগত পদ্ধতি না মেনে আপত্তি বা প্রত্যাখ্যান করে থাকে, হাইকোর্ট সেই আদেশ বাতিল করার সম্ভাবনা বেশি।
  • প্রমাণের শক্তি: বহুদিনের ব্যবহার, বিখ্যাততা বা সাংঘর্ষিক মার্কের সাথে স্পষ্ট পার্থক্য থাকলে আপিলে সফলতার সম্ভাবনা বাড়ে।
  • Section 10 আপত্তির ক্ষেত্রে: পূর্ববর্তী মার্কের মালিকের সম্মতিপত্র বা সেই মার্কের নিষ্ক্রিয়তার প্রমাণ আপিলে শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করে।
  • নতুন প্রমাণের সুযোগ: হাইকোর্ট আপিলে প্রয়োজনে নতুন তথ্যপ্রমাণ উপস্থাপনের সুযোগ থাকতে পারে।
  • আইনি প্রতিনিধিত্বের গুরুত্ব: অভিজ্ঞ ট্রেডমার্ক আইনজীবী ছাড়া হাইকোর্ট আপিলে সফলতার হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।

আপনার মামলার শক্তি মূল্যায়নে বিনামূল্যে প্রাথমিক পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন।

🚫 পরিত্যক্ত আবেদন

ট্রেডমার্ক বিধিমালা ২০১৫-এর Rule 15(3) অনুযায়ী সময়মতো Show Cause না দিলে আবেদন Abandoned হয়ে যায়। তবে পুরোপুরি শেষ নয়:

  • Condonation of Delay (বিলম্ব মওকুফ): যদি সময় মিস হওয়ার যুক্তিসংগত কারণ থাকে, তাহলে Show Cause রিপ্লাইয়ের সাথে বিলম্ব মওকুফের আবেদন (Condonation Application) করা যায়।
  • Restoration (পুনর্বহাল): আনুষ্ঠানিক পরিত্যক্ত নোটিশ পাওয়ার তারিখ থেকে ৫ বছরের মধ্যে নির্ধারিত ফি দিয়ে আবেদন পুনর্বহালের আবেদন করা যায়।
  • DPDT বিলম্ব: DPDT সাধারণত আনুষ্ঠানিক পরিত্যক্ত নোটিশ ২-৩ বছর দেরিতে পাঠায় — কিন্তু এই বিলম্বের উপর নির্ভর করা নিরাপদ নয়।
  • প্রাধান্যের তারিখ হারানো: পুনরায় আবেদন করলে মূল আবেদনের তারিখ (Priority Date) থাকে না — নতুন আবেদনের তারিখ থেকে প্রাধান্য গণনা হবে।
  • ফি বাজেয়াপ্ত: পরিত্যক্ত আবেদনের সকল সরকারি ফি ফেরত পাওয়া যায় না।

আবেদন পরিত্যক্ত হওয়ার আগেই পদক্ষেপ নিন। Restoration প্রক্রিয়ায় আমাদের সাহায্য নিন।

🚫 পরিত্যক্ত আবেদন

Priority Date (প্রাথমিক আবেদনের তারিখ) ট্রেডমার্ক আইনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ — এটি হারালে কী ক্ষতি হয়:

  • প্রথম-আবেদনকারীর সুরক্ষা হারানো: বাংলাদেশে ট্রেডমার্ক প্রথম-আবেদনকারী (First-to-File) নীতি অনুসরণ করে। পুরনো তারিখ হারালে অন্য কেউ আপনার মার্ক আগে নিবন্ধন করে নিতে পারে।
  • প্রতিযোগিতামূলক ঝুঁকি: আপনি নতুন আবেদন করার আগেই কোনো প্রতিযোগী একই বা সমরূপ মার্কে আবেদন করলে তারা আগে পাবে।
  • আন্তর্জাতিক প্রাধান্য হারানো: Paris Convention-এর অধীনে ৬ মাসের মধ্যে বিদেশে আবেদন করলে মূল আবেদনের তারিখের সুবিধা পাওয়া যায় — এটি চলে গেলে সে সুযোগ নেই।
  • মামলার দুর্বলতা: ভবিষ্যতে অন্য কেউ আপনার মার্ক অনুকরণ করলে বা ট্রেডমার্ক বিরোধে পুরনো তারিখের সুবিধা না থাকলে মামলায় দুর্বলতা তৈরি হয়।

Priority Date ধরে রাখতে সময়মতো আইনি পদক্ষেপ নিন। আজই আমাদের সাথে পরামর্শ করুন।

❌ প্রত্যাখ্যানের কারণ

Section 10 হলো সবচেয়ে সাধারণ ও জটিল আপত্তির কারণ। এর মোকাবেলায় কয়েকটি পথ রয়েছে:

  • পার্থক্য প্রমাণ করুন: দুটি মার্কের মধ্যে দৃশ্যগত (Visual), শ্রবণগত (Phonetic) ও অর্থগত (Conceptual) পার্থক্য বিস্তারিতভাবে Show Cause-এ তুলে ধরুন।
  • সম্মতিপত্র (Consent Letter / NOC): পূর্ববর্তী মার্কের মালিকের কাছ থেকে "No Objection Certificate" বা "Letter of Consent" সংগ্রহ করুন — এটি Section 10 আপত্তি কাটানোর সবচেয়ে কার্যকর পথ।
  • Concurrent Use-এর প্রমাণ: দুটি মার্ক দীর্ঘদিন ধরে পাশাপাশি বিভ্রান্তি ছাড়াই বাজারে চলছে — এমন প্রমাণ থাকলে "Honest Concurrent Use" দাবি করা যায়।
  • পূর্ববর্তী মার্কের নিষ্ক্রিয়তা: বিদ্যমান মার্কটি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার না হলে বা মালিক সন্ধানযোগ্য না হলে বিকল্প পথ হিসেবে সেই মার্ক বাতিলের (Cancellation) আবেদন করা যায়।
  • ভিন্ন পণ্য শ্রেণী: সাংঘর্ষিক মার্ক ভিন্ন পণ্য বা সেবা শ্রেণীতে থাকলে বিভ্রান্তির সম্ভাবনা নেই — এই যুক্তি দিয়ে আপত্তি খণ্ডন করা যেতে পারে।

Section 10 মামলা জটিল — সঠিক কৌশল নির্ধারণে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নিন।

❌ প্রত্যাখ্যানের কারণ

Section 8-এর আপত্তি মানে DPDT মনে করছে আপনার মার্কটি পণ্য বা সেবার বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করে — এটি মোকাবেলার কয়েকটি উপায়:

  • "Acquired Distinctiveness" বা "Secondary Meaning" প্রমাণ: মার্কটি হয়তো জন্মগতভাবে স্বতন্ত্র নয়, কিন্তু দীর্ঘ ব্যবহারের ফলে ভোক্তারা এটিকে একটি নির্দিষ্ট উৎসের সাথে সংযুক্ত করতে শিখেছেন — এই "অর্জিত স্বাতন্ত্র্য" প্রমাণ করুন।
  • বিক্রয় ও বিজ্ঞাপনের তথ্য: কত বছর ধরে কতটা বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে, কী পরিমাণ বিক্রয় হয়েছে — এসব তথ্য শক্তিশালী প্রমাণ।
  • ভোক্তা জরিপ: সম্ভব হলে একটি স্বাধীন ভোক্তা জরিপের ফলাফল দাখিল করুন যা দেখায় ভোক্তারা আপনার মার্ককে একটি নির্দিষ্ট উৎস হিসেবে চেনেন।
  • মার্ক সংশোধন: বর্ণনামূলক অংশ disclaim করে বা ডিজাইন এলিমেন্ট যোগ করে মার্ককে আরও স্বতন্ত্র করা যেতে পারে।
  • বিদেশে নিবন্ধনের নজির: অন্য দেশে মার্কটি নিবন্ধিত থাকলে সেই সার্টিফিকেট প্রাসঙ্গিক প্রমাণ হিসেবে দাখিল করুন।

Section 8 আপত্তির বিরুদ্ধে কৌশল প্রণয়নে আমাদের সাহায্য নিন।

❌ প্রত্যাখ্যানের কারণ

বাংলাদেশে শুধুমাত্র বাংলা ও ইংরেজি ভাষার মার্ক রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করা যায়। তৃতীয় ভাষার মার্কে এই আপত্তি খুব সাধারণ:

  • কী জমা দিতে হবে: বিদেশি শব্দের সঠিক বাংলা বা ইংরেজি অনুবাদ (Translation) এবং উচ্চারণ-ভিত্তিক প্রতিবর্ণীকরণ (Transliteration) সহ একটি নোটারি পাবলিক দ্বারা সত্যায়িত সার্টিফিকেট।
  • কে তৈরি করবে: অনুবাদ সার্টিফিকেট একজন স্বীকৃত অনুবাদক বা প্রতিষ্ঠান তৈরি করে নোটারি পাবলিক দ্বারা সত্যায়িত করতে হবে।
  • সমাধান সহজ: এই আপত্তি সাধারণত সহজে সমাধানযোগ্য — সঠিক সার্টিফিকেট সহ Show Cause রিপ্লাই দিলেই যথেষ্ট।
  • Apostille সুবিধা: বাংলাদেশ ২০২৫ সালের মার্চ থেকে Apostille Convention মেনে চলছে — Apostille সহ বিদেশি নথি দাখিল প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত হয়েছে।

সঠিক সার্টিফিকেট তৈরি ও দাখিলে আমাদের সহায়তা নিন।

🔄 পুনরায় আবেদন

হ্যাঁ, অনেক ক্ষেত্রে আপিলের পরিবর্তে সংশোধিত মার্কে নতুন আবেদনই সহজ ও কার্যকর বিকল্প হতে পারে:

  • কখন নতুন আবেদন করবেন: যদি মূল আপত্তির কারণ এমন হয় যে মার্ক বা শ্রেণী পরিবর্তন করলে সহজেই সমাধান হয়, তাহলে সময় ও অর্থ বাঁচাতে নতুন আবেদন সেরা।
  • মার্ক সংশোধন করুন: বর্ণনামূলক অংশ কমিয়ে বা অনন্য গ্রাফিক এলিমেন্ট যোগ করে মার্ককে আরও শক্তিশালী করুন।
  • শ্রেণী পর্যালোচনা করুন: ভুল Nice Classification-এ আবেদন করা হলে সঠিক শ্রেণীতে নতুন আবেদন করুন।
  • পূর্ব-অনুসন্ধান করুন: নতুন আবেদনের আগে অবশ্যই পুঙ্খানুপুঙ্খ ট্রেডমার্ক সার্চ করুন যাতে একই সমস্যা না হয়।
  • প্রাধান্যের তারিখ: নতুন আবেদনের তারিখ থেকেই Priority গণনা হবে — পুরনো তারিখ পাওয়া যাবে না, তবে নতুন করে শুরু করা সম্ভব।

আপিল বনাম নতুন আবেদন — কোনটি আপনার জন্য সেরা? বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নিন।

🔄 পুনরায় আবেদন

যেকোনো আবেদনের আগে পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসন্ধান আপত্তি এড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর পথ:

  • DPDT ওয়েবসাইটে অনুসন্ধান: DPDT-র ওয়েবসাইটে (dpdt.portal.gov.bd) অনলাইনে বিদ্যমান ট্রেডমার্ক সার্চ করার সুবিধা রয়েছে।
  • Nice Classification অনুযায়ী সার্চ: আপনার পণ্য বা সেবার সঠিক শ্রেণীতে (Class) এবং সংশ্লিষ্ট শ্রেণীতেও অনুসন্ধান করুন।
  • উচ্চারণগত সাদৃশ্য পরীক্ষা: শুধু হুবহু মিল নয়, উচ্চারণে বা দেখতে সমরূপ মার্কও খুঁজুন।
  • পেশাদার সার্চ রিপোর্ট: বিশেষজ্ঞ দল পুঙ্খানুপুঙ্খ সার্চ করে আপত্তির ঝুঁকি মূল্যায়ন করে বিস্তারিত রিপোর্ট তৈরি করে।
  • ট্রেডমার্ক জার্নাল পর্যালোচনা: সম্প্রতি প্রকাশিত জার্নালে একই বা সমরূপ আবেদন আছে কিনা দেখুন।

আবেদনের আগে পেশাদার সার্চ করুন — এটি ভবিষ্যতের ব্যয়বহুল আইনি ঝামেলা এড়ায়। সার্চ রিপোর্টের জন্য যোগাযোগ করুন।

🔔 তৃতীয় পক্ষের বিরোধ

ট্রেডমার্ক জার্নালে প্রকাশিত হওয়ার পর ৬০ দিনের মধ্যে যেকেউ আবেদনের বিরুদ্ধে বিরোধিতা (Opposition) করতে পারে। বিরোধিতা পেলে করণীয়:

  • Counter-Statement দাখিল: বিরোধিতার নোটিশ পাওয়ার ২ মাসের মধ্যে Counter-Statement জমা দিতে হবে — অন্যথায় আবেদন পরিত্যক্ত হবে।
  • প্রমাণ (Evidence) জমা: Counter-Statement-এর পর DPDT উভয় পক্ষকে প্রমাণ জমা দেওয়ার সুযোগ দেয়।
  • Hearing: DPDT উভয় পক্ষকে শুনানিতে ডাকে। উভয় পক্ষকে ১৪ দিনের মধ্যে TM-07 ফর্মে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হয়।
  • Registrar-এর সিদ্ধান্ত: শুনানির পর Registrar সিদ্ধান্ত দেন — বিরোধিতা গৃহীত হলে আবেদন প্রত্যাখ্যাত, খারিজ হলে নিবন্ধন এগোয়।
  • হাইকোর্ট আপিল: যেকোনো পক্ষ Registrar-এর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২ মাসের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে পারে।

Opposition মামলা জটিল ও দীর্ঘমেয়াদী হতে পারে। Counter-Statement তৈরিতে দ্রুত সহায়তা নিন।

🔔 তৃতীয় পক্ষের বিরোধ

আপনার নিবন্ধিত বা ব্যবহৃত মার্কের মতো কোনো আবেদন জার্নালে প্রকাশিত হলে আপনিও বিরোধিতা করতে পারেন:

  • সময়সীমা: জার্নাল প্রকাশের তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে বিরোধিতা দাখিল করতে হবে। প্রয়োজনে আরও ৩০ দিন বাড়ানো যায়।
  • Opposition Notice: TM-5 ফর্মে নির্ধারিত ফি সহ DPDT-তে বিরোধিতার নোটিশ দাখিল করুন।
  • বিরোধিতার ভিত্তি: Section 8, 9 বা 10-এর অধীনে কারণ উল্লেখ করে বিরোধিতা দাখিল করুন।
  • প্রমাণ সংযুক্ত করুন: আপনার মার্কের পূর্ববর্তী নিবন্ধন সার্টিফিকেট, ব্যবহারের প্রমাণ — সব দাখিল করুন।
  • Affidavit: একটি শপথনামা সহ বিরোধিতার কারণ বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করুন।

সময়মতো বিরোধিতা না করলে আপনার মার্কের সুরক্ষা দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। বিরোধিতা দাখিলে আমাদের সহায়তা নিন।

💰 ফি ও সময়সীমা

DPDT-র নির্ধারিত সরকারি ফি (সর্বশেষ পুনঃনির্ধারিত অনুযায়ী):

  • প্রতি শ্রেণীতে আবেদন ফি: প্রায় ৩,৫০০ টাকা থেকে শুরু (ব্যক্তি ও কোম্পানিভেদে ভিন্ন হতে পারে)।
  • নিবন্ধন সার্টিফিকেট ফি: আবেদন অনুমোদনের পর পৃথক নিবন্ধন ফি পরিশোধ করতে হয়।
  • নবায়ন ফি: ট্রেডমার্ক প্রথম ৭ বছর এবং পরবর্তীতে প্রতি ১০ বছরে নবায়নযোগ্য।
  • Show Cause শুনানির ফি: হিয়ারিং ফি আলাদাভাবে প্রযোজ্য হয়।
  • Opposition ফি: বিরোধিতা দাখিলের জন্য নির্ধারিত ফি রয়েছে।
  • Restoration ফি: পরিত্যক্ত আবেদন পুনর্বহালে পৃথক ও অতিরিক্ত ফি পরিশোধ করতে হয়।

সর্বশেষ ফি শিডিউল DPDT পোর্টালে পাওয়া যায়। পেশাদার সহায়তার চার্জ পৃথক। সম্পূর্ণ ফি হিসাবের জন্য যোগাযোগ করুন।

💰 ফি ও সময়সীমা

আবেদন থেকে চূড়ান্ত সার্টিফিকেট পর্যন্ত সময়সীমা বিভিন্ন কারণে পরিবর্তিত হয়:

  • পরীক্ষা পর্যায়: আবেদনের পর DPDT পরীক্ষা করতে সাধারণত ৩-৬ মাস সময় নেয়।
  • আপত্তি ও Show Cause পর্যায়: আপত্তি আসলে রিপ্লাই ও শুনানির সময় আরও ৩-৬ মাস যোগ হতে পারে।
  • জার্নাল প্রকাশ ও বিরোধ পর্যায়: অনুমোদন হলে জার্নালে প্রকাশ এবং ৬০ দিনের বিরোধিতার সময় — আরও ৩ মাস।
  • মোট সময়: বিরোধ না থাকলে সাধারণত ১২-১৮ মাস; বিরোধ বা হাইকোর্ট আপিল থাকলে ২-৩ বছর বা তারও বেশি।
  • নিবন্ধনের বৈধতা: ট্রেডমার্ক নিবন্ধন প্রথম আবেদনের তারিখ থেকে ৭ বছরের জন্য বৈধ, তারপর ১০ বছর করে নবায়নযোগ্য।

প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে আমাদের সাহায্য নিন।

💰 ফি ও সময়সীমা

হাইকোর্ট আপিলে খরচ আবেদনের জটিলতার উপর নির্ভর করে এবং কয়েকটি উপাদান থাকে:

  • কোর্ট ফি ও স্ট্যাম্প: হাইকোর্টে মামলা দাখিলের জন্য নির্ধারিত কোর্ট ফি ও প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প সরকারি মূল্যে পরিশোধ করতে হয়।
  • আইনজীবীর ফি: হাইকোর্টে তালিকাভুক্ত ট্রেডমার্ক আইনজীবীর ফি মামলার ধরন ও জটিলতা অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়।
  • নথি সত্যায়নের খরচ: সার্টিফাইড কপি, অনুবাদ ও অ্যাফিডেভিটের খরচ আলাদা।
  • তুলনামূলক বিবেচনা: ব্র্যান্ডের মূল্য ও ব্যবসায়িক গুরুত্ব বিবেচনায় হাইকোর্ট আপিলের খরচ প্রায়ই সার্থক বিনিয়োগ।
  • বিনামূল্যে পরামর্শ: আবেদন করার আগে বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে খরচের বিস্তারিত অনুমান নিন।

স্বচ্ছ মূল্যে পরামর্শের জন্য আজই যোগাযোগ করুন।

💡 প্র্যাকটিকাল টিপস

DPDT-তে পেশাদার প্রতিনিধিত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ:

  • DPDT-নিবন্ধিত প্রতিনিধি: DPDT-তে TM-2 ফর্মে নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক এজেন্ট বা আইনজীবী আপনার পক্ষে সকল যোগাযোগ, দাখিলপত্র ও শুনানি পরিচালনা করতে পারেন।
  • পাওয়ার অব অ্যাটর্নি (Power of Attorney): প্রতিনিধিকে TM-48 ফর্মে ক্ষমতা অর্পণ করতে হয় — এই দলিল না থাকলে প্রতিনিধি DPDT-তে কাজ করতে পারবেন না।
  • বিদেশি আবেদনকারীর জন্য বাধ্যতামূলক: বাংলাদেশের বাইরের আবেদনকারীদের অবশ্যই DPDT-তে নিবন্ধিত স্থানীয় এজেন্টের মাধ্যমে আবেদন করতে হয়।
  • Apostille সহ বিদেশে সই করা POA: ২০২৫ সালের মার্চ থেকে Apostille Convention কার্যকর হওয়ায় বিদেশ থেকে POA দেওয়া সহজ হয়েছে।
  • সময়মতো জানানোর দায়িত্ব: নিবন্ধিত প্রতিনিধি DPDT নোটিশ ও সময়সীমা ট্র্যাক করেন এবং আপনাকে সঠিক সময়ে জানান।

আমাদের DPDT-নিবন্ধিত বিশেষজ্ঞ দল আপনার পক্ষে কাজ করতে প্রস্তুত।

💡 প্র্যাকটিকাল টিপস

নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক নবায়ন না করলে নিবন্ধন বাতিল হওয়ার ঝুঁকি থাকে — তবে পুনরুদ্ধারের সুযোগ রয়েছে:

  • নবায়নের সময়: মেয়াদোত্তীর্ণের আগে নবায়ন আবেদন করুন। মেয়াদ শেষের পরেও একটি "Grace Period" বা অনুগ্রহ-কালের মধ্যে জরিমানাসহ নবায়ন করা যেতে পারে।
  • বিলম্বিত নবায়ন ফি: মূল নবায়ন ফির পাশাপাশি বিলম্বের জন্য অতিরিক্ত সারচার্জ প্রদেয়।
  • Register থেকে মুছে গেলে: অনেক দেরি হলে ট্রেডমার্ক রেজিস্টার থেকে বাদ পড়তে পারে — সেক্ষেত্রে পুনর্বহালের আবেদন করতে হয়।
  • তৃতীয় পক্ষের ঝুঁকি: নবায়ন না করলে অন্য কেউ একই মার্কে আবেদন করে নিতে পারে।
  • ক্যালেন্ডার রিমাইন্ডার: নবায়নের তারিখ ডায়েরিতে বা ডিজিটাল ক্যালেন্ডারে যোগ করুন।

নবায়ন পরিচালনায় আমাদের রিটেইনার সেবা নিন।

💡 প্র্যাকটিকাল টিপস

Section 10 আপত্তির ক্ষেত্রে সাংঘর্ষিক মার্কের মালিকের সাথে সমঝোতা প্রায়ই সবচেয়ে দ্রুত ও কার্যকর সমাধান:

  • যোগাযোগ করুন: DPDT-র রেকর্ড থেকে সাংঘর্ষিক মার্কের মালিকের তথ্য পেয়ে তাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
  • No Objection Certificate (NOC): মালিক যদি আপনার মার্কে আপত্তি না করেন, তাহলে একটি NOC বা Letter of Consent দেওয়ার অনুরোধ করুন।
  • Coexistence Agreement: দুটি মার্ক পাশাপাশি ব্যবহারের শর্ত, ভৌগোলিক এলাকা বা পণ্য শ্রেণী বিভাজন করে আনুষ্ঠানিক চুক্তি করুন।
  • DPDT-তে দাখিল করুন: সমঝোতা দলিল Show Cause রিপ্লাইয়ের সাথে বা আলাদাভাবে DPDT-তে দাখিল করলে আপত্তি প্রত্যাহারযোগ্য।
  • আইনি সহায়তা প্রয়োজন: Coexistence Agreement একটি আইনি দলিল — আইনজীবীর সহায়তায় তৈরি করুন।

সমঝোতা প্রক্রিয়ায় আমাদের আইনি সহায়তা নিন।

💡 প্র্যাকটিকাল টিপস

বাংলাদেশে আপত্তি বা প্রত্যাখ্যান মানে অন্য দেশে সম্ভাবনা শেষ নয়:

  • দেশে দেশে স্বতন্ত্র আইন: প্রতিটি দেশের ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের মানদণ্ড ও নিয়ম আলাদা — বাংলাদেশে বাতিল হলেও ভারত, ইইউ বা যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধন সম্ভব হতে পারে।
  • Paris Convention অনুযায়ী অগ্রাধিকার: বাংলাদেশে আবেদনের ৬ মাসের মধ্যে অন্য Paris Convention সদস্য দেশে আবেদন করলে বাংলাদেশের আবেদনের তারিখকে Priority Date হিসেবে দাবি করা যায়।
  • Madrid System: WIPO-র Madrid System-এর মাধ্যমে একটি আন্তর্জাতিক আবেদনে ১০০+ দেশে ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের আবেদন করা যায়।
  • কৌশলগত সিদ্ধান্ত: রপ্তানি বাজার বা আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণের পরিকল্পনা থাকলে বাংলাদেশের সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নিবন্ধনেও মনোযোগ দিন।

আন্তর্জাতিক ট্রেডমার্ক কৌশলে পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন।

💡 প্র্যাকটিকাল টিপস

হ্যাঁ, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি বিকল্প — Section 10 আপত্তি মোকাবেলায় বিশেষভাবে কার্যকর হতে পারে:

  • Non-Use Cancellation: ট্রেডমার্ক আইন ২০০৯ অনুযায়ী নিবন্ধিত মার্ক নির্দিষ্ট সময় বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার না হলে বাতিলের আবেদন করা যায়।
  • আবেদনের স্থান: Cancellation বা Rectification আবেদন DPDT বা হাইকোর্টে দাখিল করা যায়।
  • প্রমাণের বোঝা: বাতিলকারীকে প্রমাণ করতে হয় যে পূর্ববর্তী মালিক মার্কটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করছেন না।
  • সমান্তরাল পদক্ষেপ: নিজের আবেদনে Show Cause দেওয়ার পাশাপাশি সাংঘর্ষিক মার্ক বাতিলের আবেদন সমান্তরালে করা যেতে পারে।
  • সময় ও ব্যয়: Cancellation কার্যক্রম দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল হতে পারে, তাই প্রথমে সমঝোতার চেষ্টা করুন।

Cancellation কার্যক্রমে কৌশলগত পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন।

💡 প্র্যাকটিকাল টিপস

নিবন্ধন সম্পন্ন না হলেও আংশিক সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব:

  • Common Law অধিকার: বাংলাদেশে ট্রেডমার্ক নিবন্ধন ছাড়াও দীর্ঘ ব্যবহার ও সুনামের ভিত্তিতে "Passing Off" মামলা করা যায়।
  • আবেদনের তারিখের গুরুত্ব: আবেদনের তারিখ থেকেই আপনার অধিকার গণনা হয় — নিবন্ধন পরে হলেও।
  • তাৎক্ষণিক আইনি নোটিশ: অনুকরণকারীকে আইনজীবীর মাধ্যমে আইনি নোটিশ পাঠান।
  • দেওয়ানি মামলা ও আদেশ: আদালতে Injunction বা নিষেধাজ্ঞা আদেশের জন্য আবেদন করা যায় এমনকি নিবন্ধন ছাড়াও।
  • প্রমাণ সংরক্ষণ: অনুকরণের প্রমাণ (ছবি, নমুনা, সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রিনশট) সংরক্ষণ করুন।

ট্রেডমার্ক লঙ্ঘনে দ্রুত আইনি সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন।

🔄 পুনরায় আবেদন

ভুল শ্রেণীতে (Class) আবেদন একটি সাধারণ ভুল যা গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে:

  • সমস্যার প্রকৃতি: ভুল শ্রেণীতে নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক সঠিক পণ্য বা সেবার জন্য সুরক্ষা নাও দিতে পারে।
  • DPDT সংশোধন সীমিত: আনুষ্ঠানিক আবেদন দাখিলের পর শ্রেণী পরিবর্তন সাধারণত অনুমোদনযোগ্য নয়।
  • নতুন আবেদন সেরা সমাধান: সঠিক শ্রেণীতে নতুন আবেদন দাখিল করা এবং প্রয়োজনে ভুল শ্রেণীর আবেদন প্রত্যাহার করুন।
  • একাধিক শ্রেণীতে আবেদন: ব্যবসার বিভিন্ন দিক কভার করতে প্রতিটি প্রাসঙ্গিক শ্রেণীতে আলাদা আবেদন করুন।
  • বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন: আবেদনের আগেই Nice Classification বিশেষজ্ঞের পরামর্শে সঠিক শ্রেণী নির্ধারণ করুন।

সঠিক শ্রেণী নির্ধারণ ও নতুন আবেদনে সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন।

🔍 আপত্তি ও কারণ

হ্যাঁ, এটি একটি বিশেষভাবে জটিল পরিস্থিতি:

  • বিখ্যাত মার্কের সুরক্ষা: ট্রেডমার্ক আইন ২০০৯ অনুযায়ী "Well-Known Trademark" বাংলাদেশে নিবন্ধিত না হলেও সুরক্ষিত — আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত মার্কের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ মার্ক প্রত্যাখ্যাত হতে পারে।
  • Dilution-এর ঝুঁকি: বিশ্বব্যাপী পরিচিত মার্কের আলাদা পণ্য শ্রেণীতেও সমরূপ মার্ক নিবন্ধন করা কঠিন।
  • বিদেশি কোম্পানির Opposition: বিশ্বখ্যাত কোম্পানি জার্নাল প্রকাশের পর বিরোধিতা দাখিল করতে পারে।
  • কোনো পথ কি আছে: মার্কটি যদি বাস্তবে বিখ্যাত মার্কের সাথে ভোক্তাদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করে এবং ভিন্ন পণ্য খণ্ডে থাকে, তাহলে যুক্তি তুলে ধরা যেতে পারে।
  • সতর্কতা: আবেদনের আগেই বিখ্যাত মার্কের সাথে সাদৃশ্য পরীক্ষা করা জরুরি।

এই জটিল পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ অপরিহার্য।

🚫 পরিত্যক্ত আবেদন

নির্ধারিত সময়ে Show Cause রিপ্লাই দিতে না পারলে "Condonation of Delay" আবেদনের মাধ্যমে বিলম্ব মওকুফ চাওয়া যায়:

  • কী করবেন: বিলম্বিত Show Cause রিপ্লাইয়ের সাথে একটি আলাদা আবেদনপত্রে বিলম্বের যুক্তিসংগত কারণ বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করুন।
  • গ্রহণযোগ্য কারণ: গুরুতর অসুস্থতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, প্রতিনিধির ব্যর্থতা, নোটিশ না পাওয়া — এসব যুক্তিসংগত কারণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
  • Affidavit সহ দাখিল করুন: কারণ সমর্থনকারী শপথনামা ও প্রমাণসহ আবেদন করুন।
  • কোনো গ্যারান্টি নেই: DPDT এই আবেদন গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান করার ক্ষমতা রাখে — তাই আগে থেকে সময়মতো পদক্ষেপ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।
  • আপিল বিকল্প: Condonation প্রত্যাখ্যাত হলে হাইকোর্টে আপিল করা যেতে পারে।

এই জটিল পরিস্থিতিতে দ্রুত আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

📝 Show Cause রিপ্লাই

হ্যাঁ, Section 10 আপত্তির ক্ষেত্রে সম্মতিপত্র অত্যন্ত শক্তিশালী প্রমাণ:

  • Letter of Consent-এর মূল্য: পূর্ববর্তী মার্কের মালিক যদি লিখিতভাবে জানায় যে তারা আপনার মার্কে আপত্তি নেই, তাহলে DPDT সাধারণত আপত্তি প্রত্যাহার করে।
  • দলিলের বিষয়বস্তু: সম্মতিপত্রে দুটি মার্কের নাম, আবেদন নম্বর, পণ্য শ্রেণী এবং স্পষ্ট সম্মতির ভাষা থাকতে হবে।
  • নোটারি বা সত্যায়ন: সম্মতিপত্র নোটারি বা যথাযথভাবে সত্যায়িত হলে শক্তিশালী হয়।
  • কিন্তু গ্যারান্টি নয়: DPDT সম্মতিপত্র গ্রহণ করবে কিনা তা বিবেচনাসাপেক্ষ — বিশেষত দুটি মার্ক অত্যন্ত সমরূপ হলে জনস্বার্থে আপত্তি বজায় রাখা হতে পারে।
  • Coexistence Agreement আরও শক্তিশালী: সাধারণ সম্মতিপত্রের চেয়ে বিস্তারিত Coexistence Agreement বেশি কার্যকর প্রমাণ হিসেবে কাজ করে।

সম্মতিপত্র সংগ্রহ ও দাখিল প্রক্রিয়ায় আমাদের সহায়তা নিন।

কোনো প্রশ্ন পাওয়া যায়নি। অন্য শব্দ দিয়ে খুঁজুন বা আমাদের সাথে সরাসরি কথা বলুন।

আইনি সূত্র: ট্রেডমার্ক, ট্রেডমার্ক পরীক্ষা, ট্রেডমার্ক স্বাতন্ত্র্য, ট্রেডমার্ক বিরোধিতা এবং ট্রেডমার্ক বাতিল সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক মানদণ্ড।
Nice Classification আন্তর্জাতিক পণ্য ও সেবা শ্রেণীবিভাগ পদ্ধতি | Madrid System — WIPO আন্তর্জাতিক ট্রেডমার্ক নিবন্ধন ব্যবস্থা | Paris Convention — শিল্প মেধাস্বত্ব সুরক্ষা চুক্তি।
কোম্পানি নিবন্ধনের জন্য: dpdt.portal.gov.bd | ট্রেডমার্ক জার্নাল: dpdt.gov.bd
এই তথ্যটি সাধারণ আইনি শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে প্রস্তুত এবং কোনো আনুষ্ঠানিক আইনি পরামর্শ নয়। আপনার নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সঠিক পদক্ষেপ নিতে যোগ্য আইপি আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

Aeenx Footer

booked from Bangladesh Booking Notification

Aeenx Chatbot