Contact Now
Select your region
আয়কর আইন অনুযায়ী কর ছাড় পাওয়ার উপায় | বাংলাদেশ ২০২৫

আয়কর আইন অনুযায়ী কর ছাড় পাওয়ার উপায়
আইনি ও বিনিয়োগ গাইডলাইন ২০২৫

বাংলাদেশে আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী কর ছাড় (Tax Rebate), বিনিয়োগ খাত, রপ্তানি ও আইটি সেবা খাতে বিশেষ কর হ্রাস, এলাকা ভিত্তিক কর সুবিধা সংক্রান্ত প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী — জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) এর নীতিমালা অনুযায়ী আইনি বিশেষজ্ঞদের দ্বারা উত্তরিত।

কর ছাড় FAQ টুল
আপডেট: ২০২৫

আইনি কর পরিকল্পনা ও কর ছাড় ম্যানেজমেন্ট প্যাকেজ

আয়কর রিটার্ন প্রস্তুতি → বিনিয়োগ ক্যালকুলেশন → কর ছাড় ক্লেম → রপ্তানি/আইটি খাতের সুবিধা যাচাই → নোটিশ বা জরিমানা মোকাবিলা → বার্ষিক কমপ্লায়েন্স — সবকিছু আমাদের অভিজ্ঞ কর আইনজীবী ও চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট দল দ্বারা পরিচালিত। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা সহ বাংলাদেশের সকল জেলা ও থানায় সেবা প্রদান করা হয়।

প্রদর্শিত হচ্ছে ৩৫ এর মধ্যে ৩৫ টি FAQ
💰 কর ছাড়

কর ছাড় বা Tax Rebate হলো সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কিছু নির্দিষ্ট খাতে বিনিয়োগ বা ব্যয়ের বিনিময়ে প্রদেয় মোট করের পরিমাণ থেকে একটি নির্দিষ্ট হারে কর হ্রাস পাওয়ার সুবিধা। আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী, যোগ্য আয়ের সর্বোচ্চ ২০% পর্যন্ত অনুমোদিত খাতে বিনিয়োগ করলে সেই বিনিয়োগের পরিমাণের উপর ৩% হারে কর ছাড় প্রদান করা হয়।

  • এটি কর ফাঁকি নয়, বরং আইনসম্মত কর সাশ্রয়ের উপায়।
  • কর ছাড় পেতে হলে করদাতাকে অবশ্যই প্রমাণপত্র সহ রিটার্ন দাখিল করতে হবে।
  • এর মাধ্যমে সরকার সঞ্চয় বৃদ্ধি ও নির্দিষ্ট খাতে বিনিয়োগ উৎসাহিত করে।

আইনি কর পরিকল্পনার মাধ্যমে সর্বোচ্চ কর ছাড় নিশ্চিত করতে আমাদের কর বিশেষজ্ঞদের সাথে যোগাযোগ করুন

💰 কর ছাড়

পূর্বের আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর চেয়ে নতুন আয়কর আইন ২০২৩ এ কর ছাড়ের হার ও সীমা পরিবর্তন করা হয়েছে। বর্তমান নিয়মানুযায়ী:

  • বিনিয়োগের সীমা: মোট যোগ্য আয়ের সর্বোচ্চ ২০% পর্যন্ত।
  • সর্বোচ্চ টাকা: এই ২০% বিনিয়োগের পরিমাণ সর্বোচ্চ ১০,০০,০০০ টাকা (১০ লক্ষ টাকা) পর্যন্ত সীমাবদ্ধ।
  • কর ছাড়ের হার: বিনিয়োগের পরিমাণের উপর ৩% হারে কর ছাড় প্রদান করা হয়।

অর্থাৎ, সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করলে করদাতা সর্বোচ্চ ৩০,০০০ টাকা পর্যন্ত কর ছাড় পেতে পারেন। আপনার বিনিয়োগ পরিকল্পনা করতে যোগাযোগ করুন

📊 বিনিয়োগ খাত

আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী কর ছাড় পাওয়ার জন্য অনুমোদিত প্রধান বিনিয়োগ খাতসমূহ:

  • জীবন বীমা প্রিমিয়াম: নিজের বা পরিবারের জন্য প্রদত্ত প্রিমিয়াম।
  • ডিপিএস (DPS): ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে গচ্ছিত আমানতের কিস্তি।
  • সঞ্চয়পত্র: সরকারি সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের পরিমাণ।
  • প্রভিডেন্ট ফান্ড: স্বীকৃত প্রভিডেন্ট ফান্ডে নিজের অবদান।
  • শেয়ার বাজার: বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC) নিবন্ধিত মিউচুয়াল ফান্ড বা শেয়ার ক্রয়।
  • বন্ড ও ডেবেঞ্চার: সরকারি বা কর্পোরেট বন্ড ক্রয়।
  • বাড়ি নির্মাণ ঋণ: নিজের বসবাসের জন্য বাড়ি নির্মাণে গৃহীত ঋণের পরিশোধ।
  • সুইক্স ডিপোজিট: বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে সুইক্স ডিপোজিট।

সঠিক খাত নির্বাচন ও প্রমাণপত্র সংগ্রহে আমাদের আইনজীবীদের সহায়তা নিন। যোগাযোগ করুন

📊 বিনিয়োগ খাত

হ্যাঁ, নিজের বা পরিবারের (যাদের আয় করদাতার উপর নির্ভরশীল) জীবনের জন্য জীবন বীমা প্রিমিয়াম পরিশোধ করলে কর ছাড় পাওয়া যায়। শর্তসমূহ:

  • বীমা কোম্পানিটি অবশ্যই সরকার কর্তৃক স্বীকৃত হতে হবে।
  • প্রিমিয়ামের পরিমাণ মোট যোগ্য আয়ের ২০% এর মধ্যে থাকতে হবে।
  • কর ছাড় ক্লেম করতে বীমা কোম্পানি কর্তৃক প্রদত্ত রসিদ সংরক্ষণ করতে হবে।

জীবন বীমা প্রিমিয়ামের রসিদ সহ রিটার্ন দাখিলে সহায়তা নিতে ক্লিক করুন

📊 বিনিয়োগ খাত

নিজের বসবাসের জন্য বাড়ি নির্মাণ বা ক্রয়ে গৃহীত ঋণ (Home Loan) পরিশোধের ক্ষেত্রে কর ছাড় সুবিধা রয়েছে। নিয়মাবলী:

  • ঋণটি অবশ্যই স্বীকৃত ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নিতে হবে।
  • কেবল নির্মাণ বা ক্রয়ের জন্য প্রদত্ত মূলধন (Principal) পরিশোধের পরিমাণের উপর কর ছাড় পাওয়া যায়, সুদের উপর নয়।
  • বাড়িটি করদাতার নিজের বসবাসের জন্য হতে হবে, ভাড়া দেওয়ার জন্য নয়।

ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত ঋণ পরিশোধের সার্টিফিকেট রিটার্নের সাথে জমা দিতে হবে। বিস্তারিত জানুন

🚫 করমুক্ত আয়

প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকরা বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে প্রেরিত রেমিট্যান্সের উপর সম্পূর্ণ কর ছাড় পেয়ে থাকেন। উল্লেখযোগ্য সুবিধা:

  • বৈধ চ্যানেলে আসা রেমিট্যান্স সম্পূর্ণ করমুক্ত।
  • প্রবাসী আয় থেকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ২% হ্রাসকৃত কর হার প্রযোজ্য।
  • ট্যাক্স রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে প্রবাসীদের জন্য সহজীকরণ রয়েছে।

প্রবাসী আয়ের কর সুবিধা ও রিটার্ন দাখিলে বিশেষজ্ঞ সহায়তায় যোগাযোগ করুন

🏭 খাতভিত্তিক সুবিধা

বাংলাদেশ থেকে পণ্য বা সেবা রপ্তানি থেকে অর্জিত আয়ের উপর উল্লেখযোগ্য কর সুবিধা রয়েছে। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী:

  • সাধারণ রপ্তানি আয়: প্রায় ৭.৫% থেকে ৯% হ্রাসকৃত কর হার প্রযোজ্য (খাতভেদে ভিন্ন হতে পারে)।
  • শতভাগ রপ্তানিমুখী কোম্পানি: নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে আরও বেশি সুবিধা।
  • স্থানীয় মূল্য সংযোজন: স্থানীয় কাঁচামাল ব্যবহার করে রপ্তানি করলে অতিরিক্ত কর সুবিধা থাকতে পারে।

রপ্তানি আয়ের কর সুবিধা নিশ্চিত করতে ব্যাংক সার্টিফিকেট ও শুল্ক দলিল সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। বিস্তারিত পরামর্শ নিন

🏭 খাতভিত্তিক সুবিধা

তথ্যপ্রযুক্তি (IT) এবং আইটি সক্ষমতা সেবা (ITES) খাতকে উৎসাহিত করতে সরকার বিশেষ কর হ্রাসের সুবিধা প্রদান করে। আইটি খাতের জন্য কর হার সাধারণ কর্পোরেট হারের চেয়ে অনেক কম।

  • হ্রাসকৃত হার: আইটি ও আইটিইএস কোম্পানির জন্য কর হার সাধারণত ৭.৫% থেকে ১০% এর মধ্যে থাকে।
  • বিদেশি আয়: আইটি সেবা রপ্তানি থেকে প্রাপ্ত আয় সাধারণত করমুক্ত বা ন্যূনতম হারে করযোগ্য।
  • BASIS সদস্যপদ: Bangladesh Association of Software and Information Services (BASIS) এর সদস্য হলে সুবিধা পাওয়া সহজ হয়।

আইটি কোম্পানির কর সুবিধা ও কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

🚫 করমুক্ত আয়

বাংলাদেশে কৃষি আয়ের উপর সাধারণত কোনো কর ধার্য হয় না। কৃষি আয় সম্পূর্ণ করমুক্ত। তবে কিছু ক্ষেত্রে নিয়ম প্রযোজ্য:

  • নিজের জমিতে উৎপাদিত ফসলের আয় সম্পূর্ণ করমুক্ত।
  • তেলাপিয়া, পাঙ্গাস মাছ চাষ থেকে প্রাপ্ত আয় করমুক্ত।
  • পোল্ট্রি ফার্ম ও ডেইরি ফার্মের আয়ের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত করমুক্ত সুবিধা থাকতে পারে।
  • কৃষি আয় দেখিয়ে অন্য কোনো ব্যবসায় বিনিয়োগ করলে কর সুবিধা ভিন্ন হতে পারে।

কৃষি আয়ের সঠিক হিসাব ও করমুক্ত সুবিধা নিশ্চিত করতে যোগাযোগ করুন

✅ কমপ্লায়েন্স

কর ছাড় পেতে হলে রিটার্ন দাখিলের সময় নির্দিষ্ট প্রমাণপত্র জমা দিতে হয় না, কিন্তু NBR-এর নোটিশ আসলে উপস্থাপন করতে হয়। অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে:

  • বীমা প্রিমিয়ামের রসিদ।
  • ব্যাংক ডিপিএস কিস্তি পরিশোধের সার্টিফিকেট।
  • সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের প্রমাণপত্র।
  • প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমার প্রমাণ।
  • বাড়ি নির্মাণ ঋণ পরিশোধের ব্যাংক সার্টিফিকেট।
  • শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের ব্রোকার সার্টিফিকেট।
  • দানের রসিদ (অনুমোদিত ফান্ডে)।

প্রমাণপত্র সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও রিটার্ন দাখিলে সহায়তার জন্য আমাদের এক্সপার্টদের সাথে কথা বলুন

🏭 খাতভিত্তিক সুবিধা

বয়স ৬৫ বছরের ঊর্ধ্ব প্রবীণ নাগরিকদের জন্য আয়কর আইনে বিশেষ সুবিধা রয়েছে:

  • সাধারণ করদাতাদের তুলনায় প্রবীণ নাগরিকদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা সাধারণত বেশি থাকে (বর্তমানে ৪,০০,০০০ টাকা বা তার বেশি)।
  • পেনশন আয়ের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ পর্যন্ত কর ছাড় প্রযোজ্য।
  • চিকিৎসা খরচের জন্য নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত কর ছাড় পাওয়া যেতে পারে।

প্রবীণ নাগরিক হিসেবে সর্বোচ্চ কর সুবিধা পেতে যোগাযোগ করুন

🏭 খাতভিত্তিক সুবিধা

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য আয়কর আইনে বিশেষ বিবেচনা রয়েছে। যেমন:

  • প্রতিবন্ধী করদাতাদের জন্য সাধারণ করমুক্ত সীমার চেয়ে অতিরিক্ত ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত সুবিধা থাকে।
  • প্রতিবন্ধীত্ব প্রমাণের জন্য সমাজকল্যাণ অধিদপ্তর থেকে প্রদত্ত প্রতিবন্ধীত্ব সনদপত্র প্রয়োজন।

সঠিক সনদপত্র সহ রিটার্ন দাখিল করে সুবিধা নিশ্চিত করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

🏭 খাতভিত্তিক সুবিধা

গজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আয়কর আইনে বিশেষ সম্মানসূচক সুবিধা রয়েছে:

  • সাধারণ করদাতাদের তুলনায় গজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা অনেক বেশি (সাধারণত ৪,৫০,০০০ টাকা বা ৫,০০,০০০ টাকা)।
  • মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সুবিধা পেতে হলে গজেট কপি বা মুক্তিযোদ্ধা সনদপত্র অবশ্যই রিটার্নের সাথে যুক্ত থাকতে হবে।

মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে কর সুবিধা নিশ্চিত করতে যোগাযোগ করুন

🏭 খাতভিত্তিক সুবিধা

নারীদের কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়কর আইনে বিশেষ সুবিধা রয়েছে। তবে নতুন আইনে এটি কিছুটা সমন্বিত হয়েছে:

  • সাধারণ করদাতা ও মহিলা করদাতার করমুক্ত সীমার মধ্যে সামান্য পার্থক্য থাকতে পারে (সাধারণত ৫০,০০০ টাকা অতিরিক্ত)।
  • আইটি বা নির্দিষ্ট পেশায় নারী উদ্যোক্তাদের জন্য আলাদা উৎসাহ থাকতে পারে।
  • মহিলা হিসেবে সুবিধা পেতে হলে NID-তে লিঙ্গ সঠিকভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।

মহিলা করদাতা হিসেবে সঠিক কর পরিকল্পনার জন্য যোগাযোগ করুন

🏭 খাতভিত্তিক সুবিধা

শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কর ছাড় পাওয়ার নিয়ম:

  • BSEC অনুমোদিত মিউচুয়াল ফান্ড বা ডেবেঞ্চার ক্রয় করলে বিনিয়োগের পরিমাণের উপর কর ছাড় পাওয়া যায়।
  • প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (IPO) আবেদন করার জন্য প্রযোজ্য নিয়ম রয়েছে।
  • ব্রোকার হাউজ থেকে প্রাপ্ত বিনিয়োগ সার্টিফিকেট প্রমাণ হিসেবে কাজে লাগে।
  • কেবল সঞ্চয়পত্রের মতো এটি দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত।

শেয়ার বাজারের কর ছাড় প্রমাণ সংগ্রহ ও রিটার্ন দাখিলে সহায়তায় যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

ঢাকা শহরের করদাতাদের কর ছাড় প্রমাণপত্র সংক্রান্ত কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চল (Tax Zone) এ সম্পন্ন হয়।

  • কর অঞ্চল-১, ২, ৩ ইত্যাদি: করদাতার নিবন্ধিত TIN অনুযায়ী কর অঞ্চল নির্ধারিত হয় (যেমন: মতিঝিল, ফার্মগেট, গুলশান এলাকার কর অফিস)।
  • রিটার্ন দাখিলের পর NBR যদি প্রমাণপত্র চায়, তবে সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চলের পরিদর্শকের কাছে ডকুমেন্ট জমা দিতে হয়।
  • ঢাকায় আয়কর আইনজীবী বা চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব।

ঢাকায় কর ছাড় প্রমাণ যাচাই ও নোটিশ মোকাবিলায় আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

চট্টগ্রামের রপ্তানি ব্যবসায়ীদের কর ছাড় বা হ্রাসকৃত হার ক্লেম করার জন্য প্রক্রিয়া:

  • চট্টগ্রাম কাস্টমস ও চট্টগ্রাম বন্দর থেকে প্রাপ্ত রপ্তানি ডকুমেন্টস (Form ERC, B/L) সংগ্রহ।
  • ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত রেমিট্যান্স সার্টিফিকেট (Exp. Form) সংরক্ষণ।
  • চট্টগ্রাম কর অঞ্চলে রিটার্ন দাখিলের সময় রপ্তানি আয়ের সঠিক হিসাব ও বিনিয়োগের প্রমাণ উপস্থাপন।

চট্টগ্রামে রপ্তানি কর সুবিধা নিশ্চিত করতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

সিলেট বিভাগ প্রবাসী আয়ের একটি প্রধান উৎস। প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের রেমিট্যান্স সুবিধা:

  • সিলেটের যেকোনো ব্যাংকের শাখা থেকে প্রাপ্ত রেমিট্যান্স এক্সচেঞ্জ হাউজ সার্টিফিকেট করমুক্ত আয়ের প্রমাণ।
  • প্রবাসী জীবনের সঞ্চিত অর্থ দিয়ে দেশে ব্যবসা বা শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করলে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ২% হ্রাসকৃত হারে কর দিতে হয়।
  • সিলেট কর অঞ্চলে প্রবাসী করদাতা হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করে সুবিধা নিশ্চিত করা যায়।

সিলেটে প্রবাসী কর সুবিধার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

রাজশাহী সিল্ক শিল্প ও কৃষির জন্য বিখ্যাত। কর সুবিধা নিশ্চিত করতে:

  • রেশম চাষ ও সিল্ক পণ্য উৎপাদন সাধারণত কৃষি বা কুটির শিল্প হিসেবে করমুক্ত বা হ্রাসকৃত হারের আওতায় পড়ে।
  • আম ও রেশম চাষের আয় কৃষি আয় হিসেবে দেখিয়ে কর ছাড় নেওয়া যায়।
  • রাজশাহী কর অঞ্চলে রিটার্ন দাখিলের সময় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভার কৃষি আয়ের প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হতে পারে।

রাজশাহীতে কৃষি ও সিল্ক শিল্পের কর পরিকল্পনার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

খুলনা চিংড়ি রপ্তানির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। কর সুবিধা পেতে:

  • চিংড়ি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রে রপ্তানি কর হার (প্রায় ৭.৫%-৯%) প্রযোজ্য।
  • খুলনা কাস্টমস ও মংলা বন্দর থেকে প্রাপ্ত রপ্তানি দলিল এবং ব্যাংকের রেমিট্যান্স সার্টিফিকেট সংরক্ষণ করতে হবে।
  • চিংড়ি চাষের জমি ইজারা নিয়ে উৎপাদন করলে সেই আয় কৃষি আয় হিসেবে গণ্য হতে পারে, যা করমুক্ত।

খুলনায় মৎস্য ও রপ্তানি কর পরিকল্পনার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

বরিশাল "শিক্ষা ও কৃষি রাজধানী" হিসেবে পরিচিত হলেও মৎস্য খাত এখানে শক্তিশালী।

  • পুকুরে তেলাপিয়া, পাঙ্গাস মাছ চাষ থেকে প্রাপ্ত আয় সম্পূর্ণ করমুক্ত।
  • মাছের পোনা উৎপাদন ও বিক্রি থেকে প্রাপ্ত আয়েও কর সুবিধা রয়েছে।
  • বরিশাল কর অঞ্চলে রিটার্ন দাখিলের সময় মৎস্য অধিদপ্তরের লাইসেন্স ও বিক্রয় বিল প্রমাণ হিসেবে কাজে লাগে।

বরিশালে মৎস্য খাতের কর পরিকল্পনার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

রংপুর অঞ্চলে তামাক চাষ একটি প্রধান নগদ ফসল। কৃষকদের জন্য সুবিধা:

  • তামাক চাষের আয় কৃষি আয় হিসেবে গণ্য হয় এবং কৃষি আয় সাধারণত করমুক্ত।
  • তবে তামাক কোম্পানি বা বিক্রেতা হিসেবে কাজ করলে সেই আয়ের উপর কর প্রযোজ্য এবং কর ছাড় সীমিত।
  • কৃষকদের নিজেদের জমিতে উৎপাদিত ফসল হিসেবে দেখাতে হবে।

রংপুরে কৃষি আয়ের সঠিক হিসাব ও কর ছাড়ের জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

ময়মনসিংহ পোল্ট্রি শিল্পের একটি অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। কর সুবিধা:

  • ব্রয়লার ও লেয়ার ফার্মের আয়ের ক্ষেত্রে আয়কর আইনে নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত করমুক্ত সুবিধা ছিল, যা বর্তমান আইনে যাচাই করতে হয়।
  • খামার স্থাপনের জন্য গৃহীত ব্যাংক ঋণের কিস্তি পরিশোধে কর ছাড় (Investment Rebate) পাওয়া যেতে পারে।
  • পোল্ট্রি ফিড ক্রয়ের ভ্যাট রশিদ ও বিক্রয় বিল সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।

ময়মনসিংহে পোল্ট্রি খামারের কর পরিকল্পনার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

কুমিল্লা অঞ্চলের মহিলা উদ্যোক্তাদের জন্য কর সুবিধা:

  • আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী মহিলা করদাতাদের জন্য নির্ধারিত করমুক্ত সীমা পুরুষদের তুলনায় সামান্য বেশি (সাধারণত ৫০,০০০ টাকা)।
  • কুমিল্লা ইপিজেডে বিনিয়োগকারী মহিলা উদ্যোক্তারা সাধারণ কর হারের চেয়ে ২% বা তার বেশি হ্রাসকৃত হারে কর প্রদান করতে পারেন।
  • সঠিকভাবে TIN ও BIN সংরক্ষণ করে কর সুবিধা ক্লেম করতে হবে।

কুমিল্লায় মহিলা উদ্যোক্তা হিসেবে কর সুবিধা নিতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

গাজীপুরের পোশাক কারখানার শ্রমিকদের জন্য বিশেষ সুবিধা:

  • তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা সাধারণ করদাতার চেয়ে বেশি (সাধারণত ৪,৫০,০০০ টাকা)।
  • এই সুবিধা পেতে হলে অবশ্যই BGMEA সদস্য কারখানার পরিচয়পত্র বা সার্ভিস বুক প্রমাণ হিসেবে জমা দিতে হবে।
  • গাজীপুর কর অঞ্চলে রিটার্ন দাখিলের সময় এই সুবিধা ক্লেম করা হয়।

গাজীপুরে পোশাক শ্রমিক হিসেবে কর সুবিধা নিশ্চিত করতে যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

নারায়ণগঞ্জের পাট ও টেক্সটাইল ব্যবসায়ীদের জন্য কর ছাড় প্রক্রিয়া:

  • পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি থেকে প্রাপ্ত আয়ের উপর হ্রাসকৃত কর হার প্রযোজ্য।
  • স্থানীয় বাজারে সিল্ক বা টেক্সটাইল বিক্রি করলে সাধারণ কর হার প্রযোজ্য হবে, তবে বিনিয়োগ ক্যালকুলেশনে কর ছাড় মিলবে।
  • নারায়ণগঞ্জ কর অঞ্চলে রিটার্ন দাখিলের সময় ব্যাংক রেমিট্যান্স সার্টিফিকেট ও শুল্ক দলিল জমা দিতে হবে।

নারায়ণগঞ্জে রপ্তানি কর সুবিধার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

কক্সবাজার পর্যটন খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। হোটেল-মোটেল মালিকদের সুবিধা:

  • নতুন হোটেল বা রিসোর্ট নির্মাণে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ইনডাস্ট্রিয়াল বিল্ডিং বা ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্ট হিসেবে কর ছাড় (Depreciation & Investment Allowance) পাওয়া যায়।
  • পর্যটন খাতকে উৎসাহিত করতে সরকার মাঝে মাঝেই নির্দিষ্ট এলাকায় কর হ্রাসের ঘোষণা দেয়।
  • হোটেলের আয়ের উপর সাধারণ কর হার প্রযোজ্য, তবে নির্মাণ ঋণ পরিশোধে রিবেট মেলে।

কক্সবাজারে পর্যটন বিনিয়োগের কর পরিকল্পনার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

যশোরের আইটি পার্কে (Hi-Tech Park) বিনিয়োগকারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ সুবিধা:

  • আইটি/আইটিইএস খাতের কোম্পানি হিসেবে নিবন্ধন করলে কর্পোরেট কর হার সাধারণত ৭.৫% থেকে ১০% এর মধ্যে থাকে।
  • বিদেশি ক্লায়েন্টের কাছ থেকে প্রাপ্ত আয় (সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ব্যাক অফিস) সাধারণত করমুক্ত বা ন্যূনতম হারে করযোগ্য।
  • যশোর কর অঞ্চলে রিটার্ন দাখিলের সময় BASIS বা Hi-Tech Park Authority-এর সনদ জমা দিতে হবে।

যশোরে আইটি ব্যবসার কর সুবিধার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

বগুড়া উত্তরাঞ্চলের প্রধান কৃষি ও খাদ্য শিল্প কেন্দ্র।

  • কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ (যেমন: চাল মিল, মিষ্টি শিল্প) সাধারণত কৃষি শিল্প হিসেবে বিবেচিত হয়ে কর সুবিধা পায়।
  • নতুন কৃষি শিল্প স্থাপনের ক্ষেত্রে প্রাথমিক বছরগুলোতে কর ছাড় বা হ্রাসকৃত হার প্রযোজ্য হতে পারে।
  • যন্ত্রপাতি ক্রয়ের বিপরীতে ডেপ্রিসিয়েশন এবং ইনভেস্টমেন্ট অ্যালাউন্স ক্লেম করা সম্ভব।

বগুড়ায় কৃষি শিল্পের কর পরিকল্পনার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

নোয়াখালীর চর এলাকায় কৃষি ব্যবসায় কর সুবিধা:

  • চর এলাকায় উৎপাদিত ফসল, মসুর ডাল, সয়াবিন ইত্যাদির আয় সম্পূর্ণ কৃষি আয় হিসেবে করমুক্ত।
  • ভেরেমি মাছ বা সামুদ্রিক মাছ ধরার আয়ের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সুবিধা প্রযোজ্য হতে পারে।
  • তবে কৃষক বা মালিক হিসেবে চিহ্নিত হতে স্থানীয় ভূমি অফিসের দলিল প্রয়োজন।

নোয়াখালীতে কৃষি আয়ের কর সুবিধার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

দিনাজপুর শস্য ভান্ডার হিসেবে পরিচিত। এখানকার খাদ্য শিল্পে কর সুবিধা:

  • চাল মিল, আটা মিল ও ভুট্টা শিল্প কৃষি শিল্প হিসেবে স্বীকৃতি পেলে হ্রাসকৃত কর হার বা প্রাথমিক বছরে কর ছাড় পাওয়া যায়।
  • স্থানীয় কৃষকদের কাছ থেকে কাঁচামাল ক্রয়ের প্রমাণ হিসেবে চালান বই সংরক্ষণ করতে হবে।
  • শিল্প স্থাপনের জন্য ঋণ নিলে তা বিনিয়োগ খাত হিসেবে কর ছাড় ক্লেম করা সম্ভব।

দিনাজপুরে কৃষি শিল্পের কর পরিকল্পনার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

ফরিদপুর পাট শিল্পের একটি ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্র।

  • পাট ক্রয় ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কৃষি শিল্প হিসেবে গণ্য হয়।
  • পাট রপ্তানি করলে রপ্তানি আয়ের উপর হ্রাসকৃত কর হার প্রযোজ্য।
  • স্থানীয় পাট বিক্রেতাদের কাছ থেকে ক্রয়ের বিল ও ব্যাংক লেনদেনের প্রমাণ রিটার্নের সময় জমা দিতে হবে।

ফরিদপুরে পাট শিল্পের কর পরিকল্পনার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

টাঙ্গাইলের তাঁত শিল্প বিখ্যাত।

  • কুটির শিল্প ও তাঁত শিল্পের আয় সাধারণত হ্রাসকৃত কর হারের আওতায় পড়ে বা প্রাথমিক স্তরে করমুক্ত থাকে।
  • তাঁত শিল্পে যন্ত্রপাতি বা কাঁচামাল ক্রয়ের ঋণ পরিশোধে কর ছাড় (Rebate) পাওয়া যেতে পারে।
  • তাঁত শিল্প রপ্তানি করলে রপ্তানি সুবিধা প্রযোজ্য।

টাঙ্গাইলে তাঁত শিল্পের কর পরিকল্পনার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

মানিকগঞ্জ পাট ও কৃষিপণ্যের একটি বড় বাজার।

  • পাট ক্রয়-বিক্রয় ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কৃষি শিল্প হিসেবে গণ্য হয়ে কর সুবিধা পায়।
  • ব্যবসায়ীদের অবশ্যই সঠিক হিসাব বই এবং ভ্যাট রশিদ সংরক্ষণ করতে হবে।
  • কৃষকদের কাছ থেকে ক্রয়ের প্রমাণ হিসেবে মুলক বা চালান রাখতে হবে।

মানিকগঞ্জে পাট ব্যবসার কর পরিকল্পনার জন্য যোগাযোগ করুন

📍 এলাকা নির্দিষ্ট

পদ্মা সেতুর সংযোগে মুন্সিগঞ্জ এখন গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন কেন্দ্র।

  • পরিবহন ব্যবসায় নতুন ট্রাক বা অন্যান্য যানবাহন ক্রয় করলে তা ডেপ্রিসিয়েশন এবং ইনভেস্টমেন্ট অ্যালাউন্স হিসেবে কর ছাড় ক্লেম করা যায়।
  • যানবাহন ক্রয়ের ঋণ পরিশোধের কিস্তি বিনিয়োগ হিসেবে গণ্য হয়।
  • সঠিক রুট পারমিট ও টোল ট্যাক্স সংরক্ষণ করে খরচ দেখাতে হবে।

মুন্সিগঞ্জে পরিবহন ব্যবসার কর পরিকল্পনার জন্য যোগাযোগ করুন

আপনার অনুসন্ধানের সাথে মিলে যাওয়া কোনো FAQ পাওয়া যায়নি। অন্য কীওয়ার্ড চেষ্টা করুন অথবা সরাসরি আমাদের আইনজীবীদের জিজ্ঞাসা করুন
Aeenx Footer

booked from Bangladesh Booking Notification

Aeenx Chatbot