Contact Now
Select your region
সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে ব্যবসা সেটআপ করুন | Legal FAQ 2025–2026
🇸🇦 সৌদি আরব 🇧🇩 বাংলাদেশ

সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে
ব্যবসা সেটআপ করুন

সৌদি আরব প্রবাসী বাংলাদেশি এবং সৌদি বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশে কোম্পানি নিবন্ধন, বিনিয়োগ, BIDA অনুমোদন, দ্বৈত কর চুক্তি এবং NRB সুবিধা সম্পর্কে বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্নোত্তর — Companies Act 1994BIDA গাইডলাইন 2025 অনুযায়ী।

Legal FAQ Tool
আপডেট: জুন ২০২৬
Showing 17 of 17 FAQs
📋 কোম্পানি নিবন্ধন

সৌদি আরবে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসী বা সৌদি বিনিয়োগকারী উভয়েই Companies Act 1994-এর অধীনে RJSC (Registrar of Joint Stock Companies and Firms)-এর মাধ্যমে বাংলাদেশে Private Limited Company নিবন্ধন করতে পারেন। মূল ধাপগুলো:

  • ধাপ ১ – Name Clearance: RJSC পোর্টালে অনলাইনে কোম্পানির নাম অনুমোদন নিন। সময় লাগে ১–২ কার্যদিবস; ফি প্রায় BDT ৬০০ (VAT-সহ BDT ২৩০ নাম ছাড়পত্রের জন্য, মূলধন অনুযায়ী পরিবর্তনীয়)।
  • ধাপ ২ – MOA ও AOA প্রস্তুত: Memorandum of Association ও Articles of Association তৈরি করুন — এগুলো কোম্পানির সাংবিধানিক দলিল।
  • ধাপ ৩ – অস্থায়ী ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও Encashment Certificate: বিদেশি শেয়ারহোল্ডারদের মূলধন ব্যাংকিং চ্যানেলে পাঠাতে হবে এবং ব্যাংক থেকে Encashment Certificate সংগ্রহ করতে হবে।
  • ধাপ ৪ – BIDA-তে বিনিয়োগ নিবন্ধন: বিদেশি মালিকানার ক্ষেত্রে BIDA-এর OSS পোর্টালে নিবন্ধন করুন।
  • ধাপ ৫ – RJSC-তে আবেদন জমা: স্বাক্ষরিত MOA/AOA, Form IX (পরিচালকের সম্মতি), Form XII (পরিচালকের তালিকা) এবং subscriber sheet আপলোড করুন।
  • ধাপ ৬ – সরকারি ফি পরিশোধ: অনুমোদিত মূলধনের উপর ভিত্তি করে RJSC নির্ধারিত ফি পরিশোধ করুন।
  • ধাপ ৭ – Certificate of Incorporation গ্রহণ: সাধারণত ২০–৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ডিজিটালি ইস্যু হয়।

বিদেশি মালিকানার কোম্পানির ক্ষেত্রে সময় লাগতে পারে ৩০–৪৫ কার্যদিবস। আমাদের আইন টিমের সাথে যোগাযোগ করুন

🏛️ BIDA ও বিনিয়োগ

হ্যাঁ। বাংলাদেশ বেশিরভাগ উৎপাদন, সেবা ও রপ্তানিমুখী খাতে ১০০% বিদেশি মালিকানা অনুমোদন করে। Bangladesh Investment Development Authority (BIDA) — যা ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত — বিদেশি বিনিয়োগ সহজীকরণের মূল সংস্থা।

  • উৎপাদন, আইটি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সেবা খাতে ১০০% বিদেশি মালিকানা অনুমোদিত।
  • ব্যাংকিং, বীমা, টেলিযোগাযোগ ও মিডিয়া খাতে আংশিক বিধিনিষেধ বা বিশেষ অনুমোদনের প্রয়োজন।
  • BIDA-এর One Stop Service (OSS) পোর্টালের মাধ্যমে সম্পূর্ণ অনলাইনে বিনিয়োগ নিবন্ধন, ভিসা সুপারিশ ও ওয়ার্ক পারমিট নেওয়া যায়।
  • কর-পরবর্তী মুনাফা বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমতি ছাড়াই সৌদি আরবে পাঠানো যাবে।
  • প্রাথমিক প্রতিষ্ঠা ব্যয় হিসেবে ন্যূনতম USD ৫০,০০০ সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা রেমিট করতে হবে।
  • সৌদি–বাংলাদেশ BIT: বাংলাদেশ সৌদি আরবসহ ২৯টি দেশের সাথে Bilateral Investment Treaty (BIT) স্বাক্ষর করেছে — বিনিয়োগ সুরক্ষা, ন্যায্য আচরণ এবং মুনাফা প্রত্যাবর্তনের গ্যারান্টি দেয়।

আমাদের বিনিয়োগ আইন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন

💰 কর ও DTT

বাংলাদেশ ও সৌদি আরব-এর মধ্যে Double Taxation Avoidance Convention (DTAC/DTT) স্বাক্ষরিত এবং কার্যকর রয়েছে — এটি Chambers and Partners 2025 রিপোর্ট দ্বারা নিশ্চিতকৃত। বাংলাদেশ সর্বমোট ৪৩টি দেশের সাথে DTT স্বাক্ষর করেছে, সৌদি আরব তার অন্যতম।

  • দ্বৈত কর থেকে সুরক্ষা: বাংলাদেশে পরিশোধিত কর সৌদি আরবে ট্যাক্স রিটার্নে ক্রেডিট হিসেবে বাদ দেওয়া যায়।
  • Permanent Establishment (PE) নিয়ম: বাংলাদেশে স্থায়ী প্রতিষ্ঠান না থাকলে ব্যবসায়িক মুনাফা সাধারণত শুধু সৌদি আরবেই করযোগ্য।
  • DTT সুবিধা নিতে: BIDA-তে বিনিয়োগ নিবন্ধন করুন এবং NBR থেকে সার্টিফিকেট সংগ্রহ করুন — এই অনুমোদন বার্ষিক নবায়নযোগ্য।
  • লভ্যাংশ, সুদ ও রয়্যালটি: চুক্তি অনুযায়ী উৎসে কর (Withholding Tax) হ্রাস পেতে পারে।
  • বিশেষ ধারা: বাংলাদেশ কোনো বিনিয়োগে কর ছাড় দিলে (SEZ/Hi-Tech Park) সৌদি আরব তবুও সম্পূর্ণ কর পরিশোধ হয়েছে বলে গণ্য করে ক্রেডিট প্রদান করবে।
  • সৌদি আরবে কর সুবিধা: সৌদি আরবে ব্যক্তিগত আয়কর সাধারণত প্রযোজ্য নয় (Zakat ভিত্তিক কর ব্যবস্থা), তাই বাংলাদেশে বিনিয়োগের মুনাফার উপর প্রযোজ্য কর তুলনামূলক কম।

সঠিক কাঠামোয় বিনিয়োগ পরিকল্পনা না করলে DTT সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। আমাদের কর আইন বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন

🌍 NRB সুবিধা

Non-Resident Bangladeshi (NRB) হিসেবে সৌদি আরবে বৈধ Iqama বা Work Permit ধারী বাংলাদেশি নাগরিকরা নিম্নলিখিত বিশেষ বিনিয়োগ সুবিধা পান:

  • FDI সমতুল্য মর্যাদা: NRB বিনিয়োগ বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (FDI) হিসেবে গণ্য হয়।
  • IPO কোটা: শেয়ারবাজারে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (IPO) NRB-দের জন্য ১০% কোটা (সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ৫–১০% এর মধ্যে)।
  • NFCD অ্যাকাউন্ট: Non-Resident Foreign Currency Deposit (NFCD) অ্যাকাউন্টে সৌদি রিয়াল বা ডলারে সঞ্চয় রাখা যায়।
  • Wage Earners' Development Bond: ৫ বছর মেয়াদী সরকারি বন্ডে বিনিয়োগ — আকর্ষণীয় সুদে ঝুঁকিমুক্ত বিনিয়োগ।
  • US Dollar Premium Bond / US Dollar Investment Bond: ৩ বছর মেয়াদী ডলারভিত্তিক সরকারি বন্ডে বিনিয়োগ।
  • NITA অ্যাকাউন্ট: Non-Resident Investor's Taka Account-এর মাধ্যমে DSE/CSE শেয়ারবাজারে পোর্টফোলিও বিনিয়োগ।
  • রেমিট্যান্স ইনসেনটিভ: সরকারি অনুমোদিত চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠালে ২.৫% নগদ প্রণোদনা পাওয়া যায় (২০২২ সাল থেকে কার্যকর)।
  • আয়কর মুক্ত রেমিট্যান্স: প্রবাসী আয় সম্পূর্ণ আয়করমুক্ত।

সঠিক অ্যাকাউন্ট নির্বাচন না করলে ভবিষ্যতে অর্থ ফেরত পাঠাতে জটিলতা হতে পারে। আমাদের NRB বিনিয়োগ বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন

🏦 ব্যাংকিং ও রেমিট্যান্স

বাংলাদেশে ব্যবসায়িক বিনিয়োগের মূলধন অবশ্যই ব্যাংকিং চ্যানেলে পাঠাতে হবে — হুন্ডি বা অনানুষ্ঠানিক মাধ্যমে পাঠানো অর্থ বিনিয়োগ হিসেবে স্বীকৃত হবে না।

  • Inward Remittance Trail: সৌদি আরব থেকে অনুমোদিত ব্যাংক বা Exchange House (যেমন: Al-Rajhi Bank, STC Pay, Riyad Bank) এর মাধ্যমে বাংলাদেশের Authorised Dealer ব্যাংকে SWIFT ট্রান্সফার করুন।
  • Encashment Certificate: গ্রহণকারী ব্যাংক থেকে Encashment Certificate সংগ্রহ করুন — RJSC আবেদনের জন্য এটি বাধ্যতামূলক দলিল।
  • NFCD অ্যাকাউন্ট: NRB-রা Non-Resident Foreign Currency Deposit অ্যাকাউন্টে বৈদেশিক মুদ্রায় রাখতে পারেন।
  • NRTA অ্যাকাউন্ট (সম্পত্তি কেনার জন্য): Private Non-Resident Taka Account ব্যবহার করুন; সাধারণ সঞ্চয়ী অ্যাকাউন্টে পাঠালে ভবিষ্যতে সৌদি আরবে ফেরত পাঠানো কঠিন হয়ে যেতে পারে।
  • NITA অ্যাকাউন্ট (শেয়ার কেনার জন্য): Non-Resident Investor's Taka Account ব্যবহার করুন — NRTA দিয়ে শেয়ার কেনার চেষ্টা করলে লেনদেন বাতিল হতে পারে।
  • মুনাফা প্রত্যাবর্তন: কর পরিশোধের পর লভ্যাংশ ও মুনাফা বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমতি ছাড়াই সৌদি আরবে পাঠানো যাবে।
  • রেমিট্যান্স প্রণোদনা: ব্যাংক বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত মানি ট্রান্সফার সেবায় পাঠালে ২.৫% নগদ প্রণোদনা পাবেন।

সঠিক অ্যাকাউন্ট নির্বাচনে আমাদের বিশেষজ্ঞ দলের পরামর্শ নিন

✈️ ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট

সৌদি আরবপ্রবাসী বাংলাদেশি এনআরবি বা সৌদি বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশে প্রবেশের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত ব্যবস্থা প্রযোজ্য:

  • বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী NRB: সৌদি Iqama-সহ বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা ভিসামুক্তভাবে স্বদেশে প্রবেশ করতে পারেন — কোনো আলাদা ভিসার প্রয়োজন নেই।
  • সৌদি নাগরিক বিনিয়োগকারী: সৌদি পাসপোর্টধারীরা বাংলাদেশ হাইকমিশন বা দূতাবাস থেকে Business Visa নিতে পারবেন।
  • Investor Visa: বাংলাদেশে বিদ্যমান বা নতুন কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীদের জন্য সর্বোচ্চ ১ বছরের মেয়াদে ইস্যু করা হয়।
  • BIDA E-Visa: BIDA OSS পোর্টালের মাধ্যমে E-Visa Recommendation নেওয়া যায় — সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অনুমোদন পাওয়া যায়।
  • E1-Visa: যন্ত্রপাতি ও সফটওয়্যার স্থাপনা বা পরিদর্শন সেবায় নিযুক্ত ব্যক্তিদের জন্য।
  • Visa on Arrival: BIDA সুপারিশপ্রাপ্ত বিনিয়োগকারীরা ক্ষেত্রবিশেষে Visa on Arrival পেতে পারেন।

সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাস (রিয়াদ) বা কনস্যুলেট (জেদ্দা) থেকে ভিসা সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যাবে। ভিসা সহায়তায় আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

✈️ ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট

বাংলাদেশে কর্মরত সৌদি নাগরিকসহ যেকোনো বিদেশি নাগরিকের Work Permit BIDA OSS পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও কাগজমুক্ত:

  • E-Visa Recommendation: কর্মী বাংলাদেশে আসার আগে নিয়োগকর্তা BIDA OSS-এ E-Visa সুপারিশ পত্রের আবেদন করবেন।
  • আগমনের ১৫ দিনের মধ্যে: কর্মী বাংলাদেশে পৌঁছানোর ১৫ দিনের মধ্যে Work Permit আবেদন জমা দিতে হবে।
  • কর্মী অনুপাত: BIDA-নিবন্ধিত শিল্প প্রতিষ্ঠানে সূচনা পর্যায়ে ১০:১ (স্থানীয়:বিদেশি); পরিচালনা পর্যায়ে ২০:১। শাখা ও লিয়াজোঁ অফিসে ৫:১।
  • নিরাপত্তা ছাড়পত্র: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে Security Clearance বাধ্যতামূলক।
  • ফি: প্রতি বছরের জন্য প্রায় BDT ১০,০০০ (Treasury Chalan বা অনলাইনে পরিশোধযোগ্য)।
  • মেয়াদ: প্রাথমিকভাবে ১ বছর; মেধার ভিত্তিতে নবায়নযোগ্য।
  • ২১ কার্যদিবসের নিয়ম: নির্ধারিত সময়ে আপত্তি না উঠলে Permit স্বয়ংক্রিয়ভাবে মঞ্জুর বলে গণ্য।

Work Permit সংক্রান্ত সম্পূর্ণ সহায়তায় আমাদের সাথে কথা বলুন

📄 কাগজপত্র

সৌদি আরবভিত্তিক বিদেশি শেয়ারহোল্ডার বা পরিচালকসহ বাংলাদেশে কোম্পানি নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

  • সকল পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডারের পাসপোর্টের Notarised ও Apostille সত্যায়িত কপি — সৌদি আরব থেকে Ministry of Foreign Affairs (MOFA) সত্যায়ন এবং বাংলাদেশ দূতাবাস বা কনস্যুলেট থেকে কনস্যুলার সত্যায়ন প্রয়োজন
  • Iqama (Saudi Residence Permit) বা বৈধ ভিসার কপি
  • সকল পরিচালকের সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজের ছবি
  • সৌদি আরবের ঠিকানার প্রমাণ (Iqama বা ইউটিলিটি বিল)
  • Memorandum of Association (MOA) — স্বাক্ষরিত ও সিলমোহরযুক্ত
  • Articles of Association (AOA) — স্বাক্ষরিত ও সিলমোহরযুক্ত
  • Form IX (পরিচালক হিসেবে কাজ করার সম্মতি) এবং Form XII (পরিচালকদের তথ্য ও তালিকা)
  • Subscriber Page (শেয়ার গ্রহণের পত্র)
  • নিবন্ধিত অফিসের ঠিকানার প্রমাণ (ভাড়া চুক্তি, ইউটিলিটি বিল বা মালিকানার দলিল)
  • Encashment Certificate — ব্যাংকিং চ্যানেলে মূলধন রেমিটের প্রমাণ (RJSC-তে বাধ্যতামূলক)
  • RJSC ফি পরিশোধের রসিদ

সৌদি আরব থেকে পাঠানো দলিলে সৌদি MOFA সত্যায়ন এবং বাংলাদেশ কনস্যুলেট সত্যায়ন উভয়ই থাকতে হবে। আমাদের টিম সমস্ত কাগজপত্র প্রস্তুত ও যাচাই করে দেয়। বিনামূল্যে চেকলিস্ট পেতে যোগাযোগ করুন

🏛️ BIDA ও বিনিয়োগ

সম্পূর্ণ কোম্পানি নিবন্ধন না করেও সৌদি কোম্পানি বাংলাদেশে শাখা বা প্রতিনিধি অফিস স্থাপন করতে পারে — উভয় ক্ষেত্রেই BIDA-এর পূর্বানুমতি আবশ্যক।

  • Branch Office: বাংলাদেশে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা ও স্থানীয় আয় উপার্জন করতে পারবে। মুনাফার উপর ৩০% কর প্রযোজ্য। সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত পরিচালনার অনুমতি।
  • Liaison / Representative Office: শুধুমাত্র প্রচার, বাজার গবেষণা ও যোগাযোগ কার্যক্রম চালাতে পারবে। স্থানীয় আয় করা যাবে না; অর্থায়ন সম্পূর্ণ মূল সৌদি কোম্পানি থেকে আসতে হবে। প্রাথমিক অনুমতি ৩ বছর, নবায়নযোগ্য।
  • Project Office: BIDA-এর নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, সরকারি প্রকল্পে (যেমন নির্মাণ বা EPC প্রকল্প) স্বল্পমেয়াদী উপস্থিতির জন্য।
  • প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: মূল সৌদি কোম্পানির Certificate of Incorporation (MOFA সত্যায়িত), Board Resolution, গত ৩ বছরের Audited Financial Statements, স্থানীয় প্রতিনিধির NID/পাসপোর্ট।
  • প্রাথমিক ব্যয়: BIDA অনুমোদনের ২ মাসের মধ্যে ন্যূনতম USD ৫০,০০০ রেমিট করতে হবে।
  • RJSC-তে নিবন্ধন: BIDA অনুমতির ৩০ দিনের মধ্যে Companies Act 1994-এর Section 379 অনুযায়ী।

Branch বা Liaison Office স্থাপনে আমাদের বিশেষজ্ঞ টিম সম্পূর্ণ সহায়তা করবে

💰 কর ও DTT

বাংলাদেশে কর্পোরেট আয়কর National Board of Revenue (NBR) দ্বারা নির্ধারিত হয়। ২০২৫–২৬ অর্থবছরের কর হার:

  • তালিকাভুক্ত কোম্পানি (DSE/CSE): ২২.৫%
  • তালিকাবহির্ভূত Private Limited Company: ২৭.৫%
  • ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান: ৩৭.৫% (তালিকাবহির্ভূত)
  • Branch Office মুনাফা প্রত্যাবর্তন কর: ৩০%
  • লভ্যাংশের উপর উৎসে কর: সাধারণত ১০–১৫%
  • আইটি / সফটওয়্যার রপ্তানি কোম্পানি: আয়কর অব্যাহতির সুযোগ রয়েছে।
  • SEZ বা Hi-Tech Park: নির্ধারিত মেয়াদে কর অবকাশ সুবিধা পাওয়া যায়।
  • সৌদি–বাংলাদেশ DTT: সুদ, রয়্যালটি ও কারিগরি সেবা ফির উপর চুক্তি অনুযায়ী কর হ্রাস পেতে পারে।

সৌদি আরবে ব্যক্তিগত আয়কর নেই (Zakat ব্যবস্থা), তাই বাংলাদেশে বিনিয়োগে সামগ্রিক কর বোঝা তুলনামূলক সহনীয়। কর পরিকল্পনার জন্য আমাদের বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন

🚀 খাত ও সুযোগ

সৌদি আরব–বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (SABCCI) ২০২৫ সালের অক্টোবরে উদ্বোধন হয়েছে — উভয় দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক গভীর করার লক্ষ্যে। সবচেয়ে সম্ভাবনাময় খাতগুলো:

  • হালাল খাদ্য ও কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ: বাংলাদেশের হালাল-সার্টিফাইড উৎপাদন সরাসরি GCC ও বৈশ্বিক মুসলিম বাজারে রপ্তানির সুযোগ — সৌদি বিনিয়োগকারীদের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় খাত।
  • ইসলামি ব্যাংকিং ও অর্থায়ন: বাংলাদেশে শক্তিশালী ইসলামি আর্থিক খাত (ইসলামি ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামি ব্যাংক) সৌদি বিনিয়োগকারীদের জন্য পরিচিত পরিবেশ।
  • নির্মাণ ও অবকাঠামো: Saudi Vision 2030-এর অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সৌদি ঠিকাদার ও প্রকৌশল কোম্পানিগুলো বাংলাদেশের পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল ও স্মার্ট সিটি প্রকল্পে অংশ নিতে পারেন।
  • নবায়নযোগ্য জ্বালানি (LNG ও সৌরশক্তি): সৌদি জ্বালানি বিশেষজ্ঞতা বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
  • স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ: বিশেষায়িত হাসপাতাল ও জেনেরিক ফার্মাসিউটিক্যালস রপ্তানিতে বিপুল সম্ভাবনা।
  • রিয়েল এস্টেট: বাংলাদেশে সম্পত্তির মূল্য বৃদ্ধির পূর্বাভাস; সৌদি বিনিয়োগকারীদের জন্য ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে আকর্ষণীয় সুযোগ।
  • পোশাক ও টেক্সটাইল: বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক — সৌদি বাজারে রপ্তানির সুযোগ বিশাল।

আপনার পছন্দের খাতে বিনিয়োগ কাঠামো তৈরিতে আমাদের পরামর্শ নিন

✅ কমপ্লায়েন্স

সৌদি আরব থেকে নিবন্ধিত বা পরিচালিত বাংলাদেশি কোম্পানিকে Companies Act 1994-এর অধীনে নিম্নলিখিত বার্ষিক বাধ্যবাধকতা পালন করতে হবে:

  • Annual General Meeting (AGM): নিবন্ধনের ১৮ মাসের মধ্যে প্রথম AGM; পরবর্তী প্রতিটি AGM আগের থেকে ১৫ মাসের মধ্যে (Section 81)।
  • RJSC Annual Return: AGM-এর ২১ দিনের মধ্যে আর্থিক বিবরণী, পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডার তালিকাসহ দাখিল করতে হবে (Section 150)।
  • Audited Financial Statements: প্রতি বছর Chartered Accountant কর্তৃক নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী বাধ্যতামূলক।
  • TIN ও আয়কর রিটার্ন: NBR পোর্টালে বার্ষিক রিটার্ন জমা; কর্পোরেট কর পরিশোধ।
  • VAT রিটার্ন: BIN নিবন্ধিত হলে মাসিক ভ্যাট রিটার্ন দাখিল।
  • Trade License নবায়ন: প্রতি বছর ৩০ জুনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নবায়ন।
  • পরিচালক / শেয়ারহোল্ডার পরিবর্তন: ৩০ দিনের মধ্যে RJSC-কে অবহিত করতে হবে।
  • BIDA বার্ষিক রিপোর্ট: Branch বা Liaison Office হলে BIDA-কে বার্ষিক হিসাব ও রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

কমপ্লায়েন্স ব্যর্থতায় জরিমানা, পরিচালকের অযোগ্যতা বা বাধ্যতামূলক অবসায়ন হতে পারে। আমাদের কমপ্লায়েন্স ম্যানেজমেন্ট টিম সব কিছু পরিচালনা করবে।

🚀 খাত ও সুযোগ

বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে যেখানে সৌদি বিনিয়োগকারীরা উল্লেখযোগ্য কর সুবিধা পেতে পারেন:

  • Special Economic Zone (SEZ) — BEZA: Bangladesh Economic Zones Authority পরিচালিত। কর অবকাশ, শুল্কমুক্ত যন্ত্রপাতি আমদানি এবং ১০০% বিদেশি মালিকানার সুবিধা। হালাল ফুড প্রক্রিয়াকরণ কারখানার জন্য বিশেষ উপযুক্ত।
  • Export Processing Zone (EPZ) — BEPZA: রপ্তানিমুখী উৎপাদন কারখানার জন্য। সৌদি বাজারে পোশাক, চামড়া ও খাদ্যদ্রব্য রপ্তানিতে কার্যকর।
  • Bangladesh Hi-Tech Park Authority (BHTPA): IT ও সফটওয়্যার কোম্পানির জন্য নিবন্ধন করলে দীর্ঘমেয়াদী আয়কর অব্যাহতি পাওয়া যায়।
  • কর অবকাশ: SEZ-এ নির্ধারিত মেয়াদে সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কর ছাড়ের সুবিধা।
  • DTT সংযোগ: বাংলাদেশে কর অবকাশকালীন আয়ের উপরেও সৌদি–বাংলাদেশ DTT সুবিধা প্রযোজ্য।

SEZ বা Hi-Tech Park-এ প্রবেশের আগে খাত-সুনির্দিষ্ট আইনি পরামর্শ নেওয়া জরুরি। আমাদের সাথে পরামর্শ করুন

🌍 NRB সুবিধা

হ্যাঁ। সৌদি আরবের বৈধ Iqama (Residence Permit) বা Work Permit ধারী বাংলাদেশি নাগরিক NRB মর্যাদায় বাংলাদেশে বিশেষ অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন:

  • NFCD অ্যাকাউন্ট (বিদেশি মুদ্রায়): সৌদি রিয়াল বা ডলারে রাখা যাবে। আকর্ষণীয় সুদের হার। অ্যাকাউন্ট খুলতে লাগবে: বৈধ পাসপোর্ট, Iqama-র কপি, আয়ের প্রমাণ।
  • NRTA অ্যাকাউন্ট (সম্পত্তি কেনার জন্য): Private Non-Resident Taka Account — বাংলাদেশে জমি বা ফ্ল্যাট কেনার একমাত্র বৈধ অ্যাকাউন্ট। ভবিষ্যতে সৌদি আরবে মুনাফা ফেরত পাঠানো যাবে।
  • NITA অ্যাকাউন্ট (শেয়ার বাজারের জন্য): Non-Resident Investor's Taka Account — DSE/CSE শেয়ার কেনাবেচার জন্য।
  • অ্যাকাউন্ট যৌথভাবে: অন্য NRB-এর সাথে বা Power of Attorney দিয়ে স্থানীয় প্রতিনিধির মাধ্যমে পরিচালনা করা যাবে।
  • অ্যাকাউন্টের ধরন মেলানো জরুরি: NITA দিয়ে সম্পত্তি কেনা বা NRTA দিয়ে শেয়ার কেনার চেষ্টা করলে লেনদেন বাতিল ও ভবিষ্যতে অর্থ আটকে যেতে পারে।

সঠিক অ্যাকাউন্ট নির্বাচনের জন্য পেশাদার পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আমাদের বিশেষজ্ঞ দলের সাথে যোগাযোগ করুন

✅ কমপ্লায়েন্স

সৌদি আরবের সাথে পণ্য আমদানি বা রপ্তানি করতে হলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন Chief Controller of Imports and Exports (CCIE) থেকে নিম্নলিখিত সনদ নিতে হবে:

  • Import Registration Certificate (IRC): সৌদি আরব থেকে খেজুর, পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য, যন্ত্রপাতি বা কাঁচামাল আমদানির জন্য বাধ্যতামূলক। Trade License, TIN, BIN, RJSC Certificate এবং Bank Solvency Certificate প্রয়োজন। বার্ষিক নবায়নযোগ্য।
  • Export Registration Certificate (ERC): বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে পণ্য বা সেবা রপ্তানির জন্য প্রয়োজনীয়। হালাল পোশাক, চামড়া, পাট ও ওষুধ রপ্তানিতে বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক।
  • BIDA OSS সংযোগ: IRC/ERC আবেদন BIDA OSS পোর্টালের মাধ্যমে করা যায়।
  • হালাল সার্টিফিকেশন: সৌদি আরবে খাদ্য ও কৃষিপণ্য রপ্তানিতে BSTI বা স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে হালাল সার্টিফিকেট নিতে হবে।
  • GCC বাজার সুবিধা: সৌদি আরবে নিবন্ধিত পণ্য GCC-এর অন্যান্য দেশেও প্রবেশাধিকার পেতে পারে।

সৌদি–বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আইনি ও নিয়ন্ত্রক সব দিক পরিচালনায় আমরা প্রস্তুত। আমাদের বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন

🏦 ব্যাংকিং ও রেমিট্যান্স

হ্যাঁ, বাংলাদেশে বিনিয়োগকৃত অর্থের মুনাফা সৌদি আরবে ফেরত পাঠানো সম্পূর্ণ বৈধ — তবে কিছু শর্ত মানতে হবে:

  • কর-পরবর্তী মুনাফা: প্রযোজ্য কর (কর্পোরেট ট্যাক্স, লভ্যাংশ কর) পরিশোধের পর বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমতি ছাড়াই মুনাফা প্রত্যাবর্তন করা যাবে।
  • Inward Remittance Trail: মূল বিনিয়োগ ব্যাংকিং চ্যানেলে এসে থাকলে মুনাফা ফেরত পাঠানো সহজ; হুন্ডিতে আনা অর্থ আটকে যাবে।
  • NRB Portfolio Investment: NITA বা NFCD অ্যাকাউন্টে বিনিয়োগকৃত অর্থের মুনাফা ও মূলধন লাভ স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রত্যাবর্তনযোগ্য।
  • সৌদি–বাংলাদেশ BIT সুরক্ষা: Bilateral Investment Treaty অনুযায়ী বাংলাদেশ সৌদি বিনিয়োগকারীর মূলধন ও মুনাফা অবাধে স্থানান্তরের গ্যারান্টি দেয়।
  • সৌদি আরবে ৩ মিলিয়নেরও বেশি বাংলাদেশি: সৌদি আরব বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রেমিট্যান্স উৎস — ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানো দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়া সহজ করতে শুরু থেকে সঠিক কাঠামোয় বিনিয়োগ পরিকল্পনা করুন। আমাদের বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নিন

🏛️ BIDA ও বিনিয়োগ

BIDA One Stop Service (OSS) হলো বাংলাদেশের বিনিয়োগ সেবার কেন্দ্রীয় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম — সৌদি আরব থেকে সম্পূর্ণ অনলাইনে ব্যবহারযোগ্য, কোনো কাগজ পাঠানো লাগবে না।

  • প্রকল্প নিবন্ধন ও অনুমোদন: দেশীয়, বিদেশি ও যৌথ উদ্যোগ প্রকল্পের নিবন্ধন।
  • Name Clearance: RJSC-এর কোম্পানির নাম ছাড়পত্র BIDA OSS-এর মাধ্যমে নেওয়া যায়।
  • E-Visa সুপারিশ: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে E-Visa Recommendation পাওয়া যায়।
  • Work Permit আবেদন: সম্পূর্ণ কাগজমুক্ত ও স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া — OSS পোর্টালেই সব হয়।
  • TIN নিবন্ধন: NBR-এর TIN সেবা BIDA OSS-এর সাথে সংযুক্ত।
  • IRC/ERC সুপারিশ: আমদানি-রপ্তানি নিবন্ধনের জন্য BIDA OSS থেকে CCI&E-তে সুপারিশ পাঠানো হয়।
  • নিরাপত্তা ছাড়পত্র: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের Security Clearance আবেদন OSS পোর্টালে।
  • ওয়েবসাইট: bida.gov.bd এবং bidaquickserv.org

OSS পোর্টাল ব্যবহারে সহায়তা বা BIDA আবেদন প্রস্তুত করতে আমাদের টিম সৌদি আরব থেকেও পুরোপুরি সহায়তা করতে পারে। আজই যোগাযোগ করুন

কোনো FAQ পাওয়া যায়নি। ভিন্ন কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন বা সরাসরি আমাদের আইনজীবীকে জিজ্ঞেস করুন

এই তথ্য Companies Act 1994 (Bangladesh), BIDA গাইডলাইন, National Board of Revenue (NBR), Bangladesh Bank এবং Chambers and Partners Investing In Bangladesh 2025 প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে প্রস্তুত।
সৌদি আরব (Kingdom of Saudi Arabia) ও বাংলাদেশের মধ্যে Double Taxation Avoidance Convention (DTAC) এবং Bilateral Investment Treaty (BIT) উভয়ই কার্যকর রয়েছে। RJSC হলো বাংলাদেশে কোম্পানি নিবন্ধন-এর সরকারি কর্তৃপক্ষ।
সৌদি আরবে বাংলাদেশের প্রায় ৩৫ লক্ষ প্রবাসী রয়েছেন — এটি বাংলাদেশের একক বৃহত্তম রেমিট্যান্স উৎস। ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠালে ২.৫% নগদ প্রণোদনা পাওয়া যায়। NRB (Non-Resident Bangladeshi)-দের বিনিয়োগ FDI সমতুল্য মর্যাদা পায় এবং Bangladesh Bank-এর বিশেষ সুবিধা প্রযোজ্য হয়।
এই FAQ টুলটি শুধুমাত্র তথ্যমূলক উদ্দেশ্যে এবং এটি আইনি পরামর্শ নয়। আনুষ্ঠানিক আইনি পরামর্শের জন্য আমাদের যোগ্য আইনজীবীদের সাথে পরামর্শ করুন

Aeenx Footer

booked from Bangladesh Booking Notification

Aeenx Chatbot